কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

নিরাপদ সবজি করব চাষ পুষ্টি মিলবে বার মাস

বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ। কৃষি এ দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। দেশের মোট জনসংখ্যার শতকরা ৪৫ ভাগ মানুষ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ বিগত ৪০ বছরে খাদ্য নিরাপত্তায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে। মোট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৪.৭৯%। সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি প্রণয়ন ও সময়োপযোগী বিভিন্ন প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে দেশ আজ খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। বাংলাদেশের মাটি ও জলবায়ু সবজি চাষের জন্য সহায়ক। শাকসবজিতে সাধারণত বিভিন্ন খনিজ লবণ এবং ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে থাকে। এ জন্য শাকসবজিকে রোগ প্রতিরোধক খাদ্য বলা হয়। এতে ক্যালরি ও আমিষের পরিমাণ খুব কম। গাঢ় হলুদ ও সবুজ শাকসবজিতে বেশি পরিমাণে ক্যারোটিন বা প্রাক ভিটামিন ‘এ’ থাকে, যা খাওয়ার পর ক্ষুদ্রান্তে ভিটামিন ‘এ’ তে রূপান্তরিত হয়। সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রতিদিন আহারে সবজির ব্যবহার জনপ্রিয় করা প্রয়োজন।


বাংলাদেশে চাষকৃত প্রচলিত অপচলিত সবজির সংখ্যা প্রায় ৯০টি যার মধ্যে ৩০-৩৫টিকে প্রধান সবজি ধরা যায়। এ দেশে মোট আবাদি জমির পরিমাণ ৮.৫ মিলিয়ন হেক্টর। দেশের শতকরা ৯.৩৮ ভাগ জমি সবজি চাষের জন্য ব্যবহার হচ্ছে যার মাধ্যমে মাথাপিছু ১২৫ গ্রাম সবজি সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। একজন সুস্থ সবল মানুষের জন্য  প্রতিদিন ২২০ গ্রাম (সূত্র : এফএও, ডিএই) সবজি গ্রহণ করা প্রয়োজন। খাদ্যতালিকায় সবজির গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। মেধা ও বুদ্ধিবৃত্তির অধিকতর বিকাশসহ শারীরিক সক্ষমতা অর্জনের জন্য মানবদেহের অতীব প্রয়োজনীয় দু’টি খাদ্য উপাদান বিভিন্ন প্রকার খনিজ লবণ ও ভিটামিনের সবচেয়ে সহজলভ্য উৎস হলো বিভিন্ন প্রকারের সবজি। বাংলাদেশে অপুষ্টি একটি অন্যতম সমস্যা। এ সমস্যা সমাধানে সুষম খাবারের নিশ্চয়তা দিতে বিভিন্ন প্রকারের শাকসবজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। তাই বছরব্যাপী নিরাপদ সবজি উৎপাদন করার মাধ্যমে সারা বছরের খাদ্যেও নিরাপত্তা ও পুষ্টি চাহিদা মেটানো সম্ভব। তাই সারা বছরের পুষ্টি নিরাপত্তায় সবজির ভূমিকা অপরিসীম।


সবজি উৎপাদনের ক্ষেত্রে সবজি চাষে রাসায়নিক সার প্রয়োগ ও পোকামাকড় দমনে কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়। তাছাড়া অতি লাভের আশায় বাজারে বিক্রির জন্য সবজি সংগ্রহ মাঠে কীটনাশক প্রয়োগ করে অল্প সময়ের মধ্যে সবজি সংগ্রহ করে বিক্রি করা হয়ে থাকে। সঠিক সময়ে কীটনাশক প্রয়োগ ও প্রয়োগমাত্রা সম্পর্কে ধারণা না থাকার দরুন নিরাপদ সবজি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। মাত্রাতিরিক্ত ক্ষতিকারক উপাদান মানুষের দেহে বিভিন্ন রোগ সৃষ্টির কারণ। জৈব প্রযুক্তির ব্যবহার, সঠিকমাত্রায় রাসায়নিক সার প্রয়োগ, উপযুক্ত সময় ও নির্ধারিত মাত্রায় কীটনাশকের ব্যবহার এবং সঠিক সময়ে সবজি সংগ্রহের মাধ্যমে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের গুরুত্ব দিন দিন বাড়ছে। তাই বছরব্যাপী নিরাপদ সবজি উৎপাদনের মাধ্যমে সারা বছরের পুষ্টি চাহিদা পূরণে সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে।


বাংলাদেশের উর্বর মাটি ও জলবায়ু সবজি চাষের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক। উন্নত ও সুস্থ সবল বীজ, সঠিক পরিচর্যা ও জৈব প্রযুক্তির ব্যবহারের মাধ্যমে প্রায় সব ধরনের মাটিতেই নিরাপদ সবজি উৎপাদন করা যেতে পারে। তাই আমাদের নিরাপদ সবজি উৎপাদনের দিকে নজর দিতে হবে। বছরব্যাপী নিরাপদ সবজি চাষাবাদ বাড়াতে হবে। নিবিড় সবজি চাষের মাধ্যমে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৫৪ হাজার টন সবজি উৎপাদন করে বিশ্বে বাংলাদেশ তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে। আলু উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান ৮ম। ২০০৬ সনে শাকসবজির উৎপাদন ছিল ২০ লাখ ৩৩ হাজার টন।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কৃষি ক্ষেত্রে সময়োপযোগী পদক্ষেপের কারণে খোরপোষের কৃষি আজ বাণিজ্যিক কৃষিতে রূপান্তরিত হচ্ছে। ফলে দেশে কর্মসংস্থান সম্প্রসারিত হচ্ছে। অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রায় এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ।


নিরাপদ সবজি উৎপাদনে রাসায়নিক ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে কতিপয় বিষয়ে খেয়াল রাখা জরুরি
- রাসায়নিক দ্রব্যের সঠিক ব্যবহার অনুসরণ;
- সবজি আবাদি জমির পরিবেশকে রাসায়নিক সংক্রমণ হতে সুরক্ষা করা;
- সঠিক রাসায়নিক গ্রহণযোগ্য মাত্রায় ব্যবহার;
- সেচ ব্যবস্থাপনায় পানির ঝুঁকি মূল্যায়ণ ও নিয়ন্ত্রণ;
- সেচের রাসায়নিক এবং ক্রয়Ñবিক্রয় সংক্রান্ত তথ্যসমূহ সংরক্ষণ
  কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সারা দেশে বছরব্যাপী নিরাপদ সবজি উৎপাদনের জন্য কাজ করে যাচ্ছে। এগুলো হলো:
- নিরাপদ সবজি উৎপাদনে চাষিদের প্রশিক্ষণ দান;
- নিরাপদ সবজি উৎপাদনের কলাকৌশল হাতেকলমে দেখানো;
- নিরাপদ সবজি উৎপাদনের প্রদর্শনী স্থাপনের মাধ্যমে কৃষকদের উদ্বুদ্ধকরণ;
- জৈব কৃষি তথা ফেরোমন ফাঁদ, আইপিএম, আইসিএম  উত্তম কৃষি ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি কৌশলের মাধ্যমে যথাসম্ভব বালাইনাশকের  ব্যবহার নিশ্চিত করা;
- সঠিক সময় ও গ্রহণযোগ্য মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ কৃষককে উদ্বুদ্ধ করা;
- বছরব্যাপী সবজি উৎপাদন সম্পর্কে কৃষককে পরামর্শ প্রদান।


সবজির উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য সবজি চাষে রাসায়নিক সারের ব্যবহার আগের চেয়ে অনেক বেড়েছে। এ ছাড়াও পোকামাকড় দমন ও রোগবালাইয়ের হাত থেকে রক্ষার জন্য নানারকম বালাইনাশক ব্যবহার করা হয়। সঠিক মাত্রার যথাযথ ব্যবহার না করা এবং উপযুক্ত বালাইনাশক ব্যবহার না করার দরুন অনেক ক্ষেত্রে সবজি আর নিরাপদ থাকছে না। অনিরাপদ সবজি পুষ্টির পরিবর্তে মানুষের শরীরে বিভিন্ন রোগ ছড়াচ্ছে এবং দেশের বাইরে রপ্তানি ক্ষেত্রে জটিলতা তৈরি করছে। নিরাপদ সবজি উৎপাদনের ক্ষেত্রে রাসায়নিক ব্যবহার পরিহার করতে হবে যেন মাটি, পানি ও বায়ু দূষণ না হয়, এমনকি কৃষক ভাইদের স্বাস্থ্যের দিকেও নজর দিতে হবে। তাই আইপিএম, আইসিএম উত্তম কৃষি ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির সম্প্রসারণে জোর দিতে হবে। মাটির উর্বরতা বাড়ানোর জন্য জমিতে জৈবসার প্রয়োগ করতে হবে।  তা ছাড়া কম্পোস্ট সার, কেঁচোসার প্রয়োগ করলে জমির উর্বরতা বৃদ্ধি পায়। বালাইনাশকের ক্ষেত্রে নিম, নিশিন্দা, বিষকাটালী ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে কৃষকের স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে না।  
 

পরিবর্তিত জলবায়ুতে নিরাপদ শাকসবজি উৎপাদন এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার, উচ্চমূল্যের ফসল চাষ, সর্জান পদ্ধতিতে সবজি চাষ, ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ, ছাদ কৃষি, মাশরুম চাষসহ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্প (ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্প/বাংলাদেশের শাকসবজি, ফল ও পান ফসলের পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনায় জৈব বালাইনাশক ভিত্তিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণ)  কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে।


সর্জান পদ্ধতিতে সবজি চাষ
সাধারণত যে জমি জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় বা বছরের বেশির ভাগ সময় পানি জমে থাকে সে জমিতে সর্জান পদ্ধতিতে সবজি চাষ করা যায়। পাশাপাশি দু’টি বেডের মাঝের মাটি কেটে উঁচু বেড তৈরি করে ফসল চাষ করাই সর্জান পদ্ধতি। মধ্য জানুয়ারি থেকে মাধ্য মার্চ (মাঘ-ফাল্গুন) মাসে সর্জান বেড তৈরি করা যায়।


ভাসমান পদ্ধতিতে সবজি চাষ
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশের কৃষি সেক্টরে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপ্রবণ অবস্থানে আছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে  জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান প্রভাবগুলো-মাটি ও পানিতে লবণাক্ততার অনুপ্রবেশ, জলমগ্নতা, উপকূলীয় বন্যা, প্রাকৃতিক দুর্যোগ এবং উপকূলীয় জলোচ্ছ্বাস। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবের ফলে ভবিষ্যতে এ অবস্থার আরও অবনতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যা দেশে স্থায়ী কৃষি উৎপাদন ও খাদ্য নিরাপত্তার ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলবে। দক্ষিণাঞ্চলের নিচু এলাকাসমূহ উপকূলীয় বন্যা ও অনিয়মিত বৃষ্টিপাতের কারণে বর্ষা মৌসুমে সাধারণত জুন থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত নিমজ্জিত থাকে। দেশের দক্ষিণাঞ্চল নিচু ও হাওর এলাকাসমূহে রবি মৌসুমে বোরো-পতিত-পতিত ফসল বিন্যাসের আওতায় কৃষকরা একক ফসল হিসেবে শুধু বোরো ধানের আবাদ করেন। এর ফলশ্রুতিতে স্থানীয় জনগণের জীবনযাত্রার মান বেশ দুর্দশাপূর্ণ এবং তারা প্রতিনিয়ত দরিদ্রতা ও অপুষ্টির সাথে লড়াই করছে। সে কারণে দেশের দক্ষিণাঞ্চল, হাওর এলাকা ও অন্যান্য জলাবদ্ধ এলাকার সমস্যাকবলিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তার উন্নতির লক্ষ্যে স্থায়ী কৃষি উৎপাদনের জন্য ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ কৃষি প্রযুক্তিসমূহ উন্নতকরণ এবং এগুলোর সম্প্রসারণ অপরিহার্য।

 

ছাদ কৃষি
গ্রামাঞ্চলে বসবাসকারী জনগণ টাটকা শাকসবজি গ্রহণের সুযোগ পেলেও শহরের বিপুল জনগোষ্ঠী সেই সুযোগ থেকে প্রায় বঞ্চিত। তাই ছাদ বাগানে নিরাপদ সবজি উৎপাদনের মাধ্যমে নগরজীবনে সারা বছরের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে। শহরের ভবনগুলোতে ছাদবাগান স্থাপনের ফলে একদিকে যেমন শহরের জনগণ টাটকা ও নিরাপদ সবজি খেতে পারছে অন্যদিকে এটি ভবনের অতিরিক্ত তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখাসহ নির্মল পরিবেশ নিশ্চিতে অবদান রাখছে।

 

মাশরুম চাষ
মাশরুম বাংলাদেশে অত্যন্ত সম্ভাবনাময়, পুষ্টিকর, সুস্বাস্থ্য ও ঔষধিগুণ সম্পন্ন সবজি, মাশরুম একটি স্বল্প ক্যালরিযুক্ত খাবার হলেও এতে রয়েছে অতি উন্নতমানের আমিষ যা কোনো উদ্ভিদজাত খাবারে তো নয়ই, অনেক প্রাণিজ আমিষের থেকেও দুষ্কর। তাই মাশরুম মানসম্পন্ন আমিষের একটি বিকল্প উৎস হিসেবে বিবেচিত। বর্ণ, গন্ধ ও স্বাদের বৈচিত্র্য সেই সাথে নানা ধরনের ঔষধিগুণের সমারোহের কারণে সবজি হিসেবে মাশরুম অনন্য। তাই বছরব্যাপী নিরাপদ সবজি হিসাবে সারা বছর মাশরুম চাষের মাধ্যমে পুষ্টির চাহিদা পূরণ করা যেতে পারে।


সবজি উৎপাদনে বাংলাদেশ বিপ্লব সাধন করেছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ থেকে শাকসবজি রপ্তানি হচ্ছে। কৃষি পণ্য রপ্তানি থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে বাংলাদেশ ৬৭৩.৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করেছে। বাংলাদেশ থেকে আলু, হিমায়িত সবজি, করলা, মুখীকচু, কচু, কচুরলতি, মিষ্টিকুমড়া, শিম বিচি, পটোল, কাঁচামরিচ, লাউ, চাল কুমড়াসহ অনেক সবজি বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। শস্যের বৈচিত্র্যতা কৃষি উন্নয়নের প্রধান ভূমিকা পালন করতে পারে। দেশের জনগণের পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য নিরাপত্তা বিধানকল্পে জনস্বাস্থ্যের ঝুঁঁকি এড়ানোর জন্য নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনের জন্য বছরব্যাপী সবজি উৎপাদনের দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। নিরাপদ সবজি উৎপাদনকে ভবিষ্যৎ ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদার সাথে মিল রেখে বিভিন্ন মেয়াদি পদক্ষেপ নেয়া অতীব জরুরি। দেশের জনগণের দীর্ঘমেয়াদি পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার টেকসই রূপ দিতে নিরাপদ সবজি উৎপাদনে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

 

কৃষিবিদ অমিতাভ দাস

মহাপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ফার্মগেট, ঢাকা, ইমেইল : dg@dae. gov.bd


Share with :

Facebook Facebook