কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

বাংলাদেশের ফল ও এর উন্নয়ন

ফলের দেশ বাংলাদেশ। বাংলাদেশের আবহাওয়া ও জলবায়ু ফল আবাদের জন্য খুবই উপযোগী। বর্তমানে দেশে প্রায় ১৩০ রকমের ফলের সন্ধান রয়েছে। তার মধ্যে প্রচলিত ও অপ্রচলিত প্রায় ৭০টি ফলের চাষাবাদ হয়। বাংলাদেশের ফল স্বাদে, গন্ধে ও বর্ণে আকর্ষণীয় এবং বৈচিত্র্যময়। ফল শরীরের ভিটামিন ও খনিজ লবণের প্রধান উৎস এবং ভেষজ বা ঔষধিগুণ সমৃদ্ধ। নিয়মিত ফল খেলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং সুস্থ সবল জীবন লাভ করা যায়। ফলদ গাছ অক্সিজেন দেয়, কাঠ দেয়, ছায়া দেয় ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে। ফল গাছ পাখি ও প্রাণীর খাদ্য ও আশ্রয়স্থল। তাছাড়া সৌন্দর্যবর্ধন ও পর্যটন আকর্ষণে ফল বাগান অনন্য ভূমিকা পালন করে।  
 

এখন ফলের মৌসুম। উৎপাদিত ফলের প্রায় ৬০% বৈশাখ, জ্যৈষ্ঠ, আষাঢ় ও শ্রাবণ এ চার মাসেই পাওয়া যায়। এ সময়কে মধুমাস বলা হয়। বিভিন্ন রকম দেশীয় ফল যেমনÑ আম, কাঁঠাল, লিচু, জাম, বাঙ্গি, তরমুজ, ডালিম, আনারসের সমারোহ এ সময় লক্ষণীয়। এর সাথে আরও পাওয়া যায় আমলকী, আতা, করমচা, জামরুল, বেল, গাব, কাঁচা তাল ইত্যাদি। আর বাকি ৪০% ফল পাওয়া যায় অবশিষ্ট ৮ মাসে।
 

লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে, দেশে যে পরিমাণ ফল উৎপাদন হচ্ছে তা চাহিদার তুলনায় প্রায় অর্ধেক। অধিকন্তু মধুমাসের চার মাস অর্থাৎ জুন-সেপ্টেম্বর মাসে ফল বেশি উৎপন্ন হয়। শীত মৌসুমে ফল প্রাপ্তি তুলনামূলকভাবে কম। এফএও প্রকাশিত একটি Country Nutrition Paper (FAO 2014) এ দেখা যায়, ২০১০ সালে মাথাপিছু ফল গ্রহণের পরিমাণ দৈনিক ৪৪.৮ গ্রাম যেখানে দৈনিক কমপক্ষে প্রয়োজন ১০০ গ্রাম। যদিও ফল গ্রহণের পরিমাণ এখন অনেক বেড়েছে তবুও চাহিদার তুলনায় তা অনেক কম। চাহিদা অনুযায়ী ফলের জোগান নিশ্চিত করতে হলে  ফলের উৎপাদন আরও বৃদ্ধি করতে হবে।
 

বিবিএস কর্তৃক প্রকাশিত কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৫ অনুযায়ী ২০১৪-১৫ অর্থবছরে ৩.২৩ লাখ একর জমিতে মোট ফল উৎপাদিত হয়েছে ৪৬.৯৭ লাখ মে. টন। ২০১২-১৩ অর্থবছরে যা ৪৩.৬ লাখ মে. টন ছিল। এ তথ্য অনুযায়ী ফলের বার্ষিক উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে ৭.৭%।
 

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক নাগরিককে একটি করে ফলদ, বনজ ও ভেষজ গাছ লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁর দূরদর্শী পরামর্শে সরকারিভাবে ফল উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য নানাবিধ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বারি) উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র উষ্ণ ও অবউষ্ণ ম-লীয় ফলের ওপর নিবিড় গবেষণা কার্যক্রমের মাধ্যমে অদ্যাবধি ৩২টি বিভিন্ন ফলের ৭৬টি উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছে এবং ৭১টি টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। ইতোমধ্যে বারি কর্তৃক উদ্ভাবিত মাল্টা, আম, পেয়ারা, কুল, লিচু, কলা, পেঁপে, স্ট্রবেরি, ড্রাগন ফল ইত্যাদি দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ দেশব্যাপী ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত ও কৃষক কর্তৃক সমাদৃত হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মপ্লাজম সেন্টার আম, পেয়ারা ও কুলের বেশ কয়েকটি নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে ।
 

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) প্রতি বছর প্রায় এক কোটিরও বেশি ফলদ বৃক্ষ লাগানোর কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। শুধু গাছ লাগানোই নয়, গাছ লাগানোর পর তার পরিচর্যার মাধ্যমে কিভাবে মানসম্পন্ন ফল উৎপাদন, আহরণ, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ করা যায় তার প্রশিক্ষণও দেয়া হচ্ছে। ডিএইর আওতায় বাস্তবায়নাধীন ‘বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প’সহ বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ফল উৎপাদন ও পুষ্টি উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ডিএই’র আওতায় সারা দেশে ৭৩টি হর্টিকালচার সেন্টার থেকে প্রতি বছর মানসম্পন্ন চারা/কলম উৎপাদন ও বিতরণ করা হয়। এসব সেন্টার থেকে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে ১৭.৫২ লাখ ফলের চারা ও ৬.৬৩ লাখ ফলের কলম উৎপাদন করা হয়েছে।  
 

ফল উৎপাদন বৃদ্ধিতে বিএডিসিও কাজ করে যাচ্ছে। বিএডিসির উদ্যান উন্নয়ন বিভাগ এবং এগ্রো সার্ভিস সেন্টারের মাধ্যমে সারা দেশে ২৩টি প্রদর্শনী খামার এবং প্রদর্শনী খামার প্রকল্প এলাকার মাধ্যমে ফল উৎপাদন করে আসছে। এছাড়া বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ও বন বিভাগও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ ফল গাছ রোপণ করছে।
সরকারের বহুমুখী উদ্যোগ এবং কৃষি বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণবিদ ও ফল চাষিদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে বাংলাদেশ আম উৎপাদনে বিশ্বে সপ্তম এবং পেয়ারা উৎপাদনে অষ্টম স্থানে উঠে এসেছে। আর মোট ফল উৎপাদনে বিশ্বের ২৮তম স্থানে রয়েছে।

 

বাংলাদেশে ফল চাষে বৈচিত্র্য এসেছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন বিদেশি ফল বাংলাদেশের মাটি ও আবহাওয়া উপযোগী করে দেশে প্রবর্তন করছে।  ফলশ্রুতিতে বর্তমানে বাণিজ্যিক উপায়ে ড্রাগন ফ্রুট, স্ট্রবেরি, আঙুর, মাল্টা, কমলা ইত্যাদি ফল চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। মাঠে অস্থায়ীভাবে খাটো জাতের আম এবং পেয়ারা চাষ করা হচ্ছে। মাননীয় কৃষিমন্ত্রীর নির্দেশনায় ভিয়েতনাম থেকে খাটো জাতের নারিকেল গ্রাম অঞ্চলের জন্য এবং ভারতের কেরালা থেকে উচ্চফলনশীল নারিকেল শহর অঞ্চলের জন্য প্রবর্তন করা হয়েছে। এসব উদ্যোগের কারণে সারা বছর দেশে উৎপাদিত বিদেশি ফলসহ  হরেক রকম ফল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।
 

ফল সরাসরি খাওয়া যায় যা পুষ্টির উপাদানে ভরপুর এবং সুস্বাদু। অথচ কিছু অসাধু ব্যবসায়ী কর্তৃক ফলে ফরমালিন, কার্বাইড বা অন্য রাসায়নিক পদার্থ মিশানোর কারণে কয়েক বছর আগেও খাদ্য তালিকায় ফল রাখতে অনেকেই আগ্রহ হারিয়েছিল। ফলে ফরমালিন ও অন্যান্য রাসায়নিক ব্যবহার রোধে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করায় জনগণের আস্থা ফিরে এসেছে। বর্তমান সরকার ‘নিরাপদ খাদ্য আইন-২০১৩’ এবং ‘ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৫’ প্রণয়ন ও কার্যকর করেছে। ভোক্তা অধিকার আইনসহ এসব নতুন প্রণীত আইন ও তার সঠিক প্রয়োগের ফলে জনস্বাস্থ্য সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি থেকে জনগণ পরিত্রাণ পেতে শুরু করেছে।
 

সরকার ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও পুষ্টি সম্পর্কিত গবেষণার ওপর যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে ‘বাংলাদেশ ফলিত পুষ্টি গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট’ (বারটান) প্রতিষ্ঠা করেছে। এ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে, যাতে জনগণ খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন করে সুষম ও নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ করতে পারে। এ ছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে ‘নার্সারি গাইড লাইনস-২০০৮’ প্রণয়ন করে নার্সারি শিল্পের মানোন্নয়ন করা হয়েছে এবং নিয়মিত ফল মেলার আয়োজন করে ফল বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও বাজার সংযোগ স্থাপনের সহায়তা করা হচ্ছে।
 

শরীরের চাহিদামতো নিয়মিত পুষ্টি সরবরাহ করতে হলে ফল উৎপাদন, আহরণ, বাজারজাতকরণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ। উৎপাদিত ফলের এক বিরাট অংশ সংগ্রহের পর বিভিন্ন পর্যায়ে নষ্ট হয়ে যায়। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, দেশে উৎপাদিত ফল ও সবজির ২৫ থেকে ৪০ ভাগই সংগ্রহের পর বিভিন্ন পর্যায়ে নষ্ট হয়। আবার ভরা মৌসুমে অধিক সরবরাহের ফলে দাম অনেক কমে যায়, ফলে কৃষক ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হয়। ফল সংগ্রহের পর যথাযথভাবে প্রক্রিয়াজাতকরণ ও সংরক্ষণ করা হলে একদিকে অপচয় কমবে, অপরদিকে  উৎপাদনকারীর ন্যায্যমূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করে সবার জন্য বছরব্যাপী পুষ্টি নিশ্চিত করা যাবে। উন্নত প্যাকেজিংয়ের মাধ্যমে বেশি দিন ফল সংরক্ষণ, আকর্ষণীয় বাজার মূল্য প্রাপ্তি এবং বিদেশে রপ্তানি বৃদ্ধি করা সম্ভব হবে। ডিএই’র তথ্য মতে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বিদেশে ৫,৭৯৭ মে. টন ফল রপ্তানি হয়েছে। এ পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করার সুযোগ রয়েছে।
 

বর্তমানে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমনÑ প্রাণ, আকিজ, স্কয়ার, এসিআইসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্যাকেটজাত ফল জাতীয় পণ্য বিদেশে রপ্তানি করছে। হর্টেক্স ফাউন্ডেশন উন্নত প্যাকেজিংয়ের লক্ষ্যে সরকারের সহায়তায় কাজ করে যাচ্ছে। চেইন শপগুলোও ফল বিপণনে ভূমিকা রাখছে। এক্ষেত্রে আরও নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি হলে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পাবে, পণ্যের গুণগত মান বৃদ্ধি পাবে, ভোক্তার নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে এবং কৃষক ফলের ন্যায্যমূল্য পাবে। পারিবারিক পর্যায়ে ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা পর্যায়ে প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং ও সংরক্ষণ জনপ্রিয় করা গেলে পরিবারের উপার্জন বৃদ্ধি পাবে, পরিবারের নারীরা স্বাবলম্বী হবে। আবার ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা সৃষ্টি মাধ্যমে সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের পরিসর আরও বৃদ্ধি করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করা যাবে।
 

ফলের উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন এর চাষাবাদ সম্প্রসারণ। বাংলাদেশে পাহাড়ি এলাকায় প্রচুর পতিত জমি রয়েছে। যেখানে অনায়াসেই উন্নত জাতের দেশি ফলের আবাদ করা যেতে পারে। দেশে ফল চাষ উপযোগী রয়েছে প্রায় ২ কোটি বসতবাড়ির উঁচু জমি। এসব বসতবাড়িতে পরিকল্পিতভাবে ফল চাষ করা যায়। বসতবাড়ি ছাড়াও গ্রামীণ রাস্তা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, স্কুল, কলেজ, অফিস আদালতের অব্যবহৃত জায়গা ও রেললাইনের দুই ধারে এবং নগরের ভবনের ছাদে দেশি জাতের ফল গাছ রোপণ করে ফলের উৎপাদন বাড়ানো যেতে পারে। এছাড়া উন্নত পদ্ধতিতে ফল চাষের মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের আয় বৃদ্ধি, দারিদ্র্যবিমোচন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। উৎপাদিত ফলের ওপর ভিত্তি করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ফল প্রক্রিয়াকরণ শিল্পকারখানা গড়ে তোলারও রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা। ফল চাষকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার নার্সারি। এসব নার্সারি থেকে প্রতি বছর কোটি কোটি টাকার চারা ও কলম বিক্রি হচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতির বিকাশে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে।
 

বর্তমান সরকারের আমলে দেশে ফল চাষসহ কৃষিক্ষেত্রে বিপ্লব সাধিত হয়েছে এবং এ ধারা অব্যাহত রয়েছে। আগামীতে বাংলাদেশের ফল দেশের চাহিদা পূরণ করে বিশ্বের বাজারে আরও বেশি স্থান করে নিতে পারে এজন্য অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখতে সবার দৃষ্টি দিতে হবে। কৃষিক্ষেত্রে যে বিপ্লব সাধিত হয়েছে তা যাতে অব্যাহত থাকে সেজন্য দক্ষ জনশক্তি তৈরির নিমিত্ত প্রদর্শনী, প্রশিক্ষণসহ যাবতীয় পদক্ষেপ গ্রহণকে কৃষি মন্ত্রণালয় এখন চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে। এ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রীর প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। অন্যদিকে যে কৃষক তার মাথার ঘাম পায়ে ফেলে রোদবৃষ্টির ধকল কাটিয়ে ফল উৎপাদনে ব্যস্ত থাকে সে যেন প্রয়োজনমতো সব কৃষি উপকরণ পাওয়ার পাশাপাশি উৎপাদিত ফলের ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত না হয় তার যাবতীয় ব্যবস্থার জন্য আমাদের সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে।

 

মো. মোশারফ হোসেন*
*অতিরিক্ত সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয় ও নির্বাহী পরিচালক, বারটান, ঢাকা

 

 


Share with :

Facebook Facebook