কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

সেচ সাশ্রয়ী পরিবেশবান্ধব লাভজনক ফসল বিন্যাস

আমাদের দেশে বোরো ধান উৎপাদন করতে প্রচুর পরিমাণ সেচের পানির প্রয়োজন হয়। সেচের পানি প্রধাণত মাটির নিচ থেকে গভীর বা অগভীর নলকূপের সাহয্যে তোলা হয়। নদী-নালা খাল-বিল থেকেও পাম্পের সাহায্যে পানি তুলে সেচ দেয়া হয়। উভয়ক্ষেত্রেই পানি তোলার জন্য প্রয়োজন হয় শক্তির। শক্তি পাই বিদ্যুৎ বা ডিজেল পুড়িয়ে। প্রতি কেজি বোরো ধান উৎপাদন করতে মাটির প্রকারভেদে ৩ থেকে ৫ হাজার লিটার পানির প্রয়োজন হয়। এই বিপুল পরিমাণ পানির সবটাই কি ধান গাছের জন্য অপরিহার্য? মোটেই নয়। অর্ধেকেরও বেশি পানি স্রেফ অপচয় হয়। এই অপচয়ের আর্থিক মূল্যটা কত? টাকার অংকে তা কয়েক হাজার কোটি টাকা। অর্থাৎ সারাদেশে বোরো ধানের পিছনে অপচয়কৃত পানি তুলতে প্রতি বছর কয়েক হাজার কোটি টাকার বিদ্যুৎ ও ডিজেল অপচয় হচ্ছে। এই অপচয় বন্ধ করা গেলে উৎপাদন খরচ অনেক কমে যাবে। ফলে কৃষক সরাসরি লাভবান হবে। অন্যদিকে বিদ্যুৎ ও ডিজেল সাশ্রয়ের ফলে দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির উন্নতি হবে।
স্বাধীনতা উত্তরকালে বিগত প্রায় ৫ দশক ধরে ক্রমবর্ধিত হারে মাটির নিচ থেকে পানি তোলার কারণে পানির স্তর ক্রমাগত নিচে নেমে যাচ্ছে। বাড়ছে আর্সেনিক দূষণ ও পানি তোলার খরচ। এ অবস্থা চলতে থাকলে জনস্বাস্থ্য, কৃষি, খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশ মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। যা আমাদের অস্তিত্বকে সংকটাপন্ন করে তুলবে। ইতোমধ্যে দেশের উত্তরাঞ্চলে বোরো ধানের চাষ মারাত্নক হুমকির সম্মুুীণ  হয়েছে। যে কারণে সরকার উত্তরবঙ্গে বোরো ধান চাষকে নিরুৎসাহিত করছে এবং দক্ষিণাঞ্চলে বোরো ধানের আবাদ সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কিন্তু বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জোয়ারভাটা ও লবণাক্ততার মতো নানাবিধ সমস্যা সংকুল দক্ষিণাঞ্চল বোরো ধান উৎপাদনে কতটা সক্ষম হবে তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয়ের অবকাশ রয়েছে।
এ অবস্থায়, মুল্যবান পানির এ ভয়াবহ অপচয় রোধ করতে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের একদল গবেষককে নিয়ে গত ২০০৭ সাল থেকে গবেষণা শুরু করা হয়। দীর্ঘ এক দশকের গবেষণায় বোরো ধান উৎপাদনের একটি পানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে সক্ষম হয়েছে। পানি সাশ্রয়ী নতুন উদ্ভাবিত এ প্রযুক্তিটি ‘শুকনা পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষ প্রযুক্তি’ নামে পরিচিত। এই পদ্ধতিতে বোরো ধান চাষের পূর্বে রবি মৌসুমে একটা লম্বা সময় হাতে থাকে বলে একে কেন্দ্র করে নতুন একটি শস্য বিন্যাস গড়ে উঠেছে। স্বল্প মেয়াদী রোপা আমন-সরিষা-শুকনা পদ্ধতিতে বোরো ধান-তিন ফসলভিত্তিক নব উদ্ভাবিত এ শস্য বিন্যাস এবং বিন্যাসে অন্তর্ভুক্ত শুকনা পদ্ধতিতে বোরো ধান উৎপাদন প্রযুক্তিটি ইতোমধ্যে দিনাজপুর, রংপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং রাজশাহী অঞ্চলের কৃষকের মাঠে পরপর ৩ বছর পরীক্ষা করা হয়েছে। প্রতি বছরই সন্তোষজনক ফল পাওয়া গেছে। কাজেই এই প্রযুক্তি ও শস্য বিন্যাসের ব্যাপক সম্প্রসারণ করা গেলে খরাপ্রবণ উত্তরবঙ্গেও পরিবেশসম্মত উপায়ে লাভজনকভাবে ধান চাষ অব্যাহত রাখা যাবে।
তাহলে প্রযুক্তিটি কি?
শুকনা পদ্ধতিতে বোরো ধান উৎপাদন এমন একটি প্রযুক্তি যাতে জমি কাদা করতে হয় না কিংবা বীজ তলায় চারা তৈরির দরকার হয় না। জো অবস্থার মাটি বা শুকনা মাটিকে চাষ দিয়ে সরাসরি লাইনে বীজ বোনা হয়। কাইছথোড় পর্যন্ত মাটিতে কেবল রস থাকলেই চলে-দাঁড়ানো পানির দরকার হয় না। তবে কাইচথোড়ের পর থেকে ফুল আসা পর্যন্ত জমিতে ছিপছিপে ৩-৫ সেমি পানি রাখতে হয়। আর তাতে করে শতকরা ৫০ ভাগেরও বেশি পানি সাশ্রয় হয়। এটি একটি নতুন প্রযুক্তি বিধায় ধাপে ধাপে এর ধারাবাহিক বর্ননা হলো-
জাত নির্বাচন: ব্রি ধান২৮, ব্রি ধান৫৮, বিনা ধান১৪ খুব ভালো ফলন দেয়। আর হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ধান ২ এবং ব্রি হাইব্রিড ধান ৩ সন্তোষজনক ফলন দিতে সক্ষম। তবে ব্রি ধান২৯ জাতটি কোনভাবেই চাষ করা যাবে না।
বপন কাল: জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ (মাঘ মাসের মাঝামাঝি) থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি (ফাল্গুনের ১ম সপ্তাহ) পর্যন্ত বীজ বপনের উপযুক্ত সময়। তার পূর্বে বীজ বপন করলে অতিরিক্ত শীতে চারা মারা যাওয়ার আশংকা থাকে।
জমি তৈরি : মাটির ধরন অনুযায়ী ৩/৪ টি আড়াআড়ি চাষ দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে। অতঃপর প্রয়োজন মতো মই দিয়ে জমি সমান করতে হবে।
বীজ তৈরি: বপনের পূর্বে বীজকে ২৪ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখতে হবে। পানি থেকে তুলে অতিরিক্ত পানি ঝরিয়ে নিয়ে ৩০-৪০ ঘণ্টা জাগ দিতে হবে। বীজের মুখ সামান্য ফেটে অংকুর উকি দিলেই বীজ বপনের উপযুক্ত হবে বলে ধরে নিতে হবে। তবে খুব বেশি সময় ধরে জাগ দেয়া যাবে না। তাতে অংকুর লম্বা হয়ে যাওয়ার এবং বোনার পর তা শুকিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
বীজ বপন কৌশল: ছোট আঁকড়া বা আংটা দিয়ে ১০ ইঞ্চি দূরে দূরে ১-২ ইঞ্চি গভীর করে জমির উত্তর-দক্ষিণ বরাবর লাইন টানতে হবে। প্রতি লাইনে ৬ ইঞ্চি পরপর ৫-৬টি করে বীজ ফেলে দুই পাশের মাটি দিয়ে বীজকে ঢেকে দিতে হবে। তবে ঠচগ বা বীজ বপন যন্ত্র দিয়ে আরও কম খরচে ও সহজে বীজ বুনা যায়।
সার ব্যবস্থাপনা: সারের মাত্রা ও প্রয়োগ পদ্ধতির ক্ষেত্রে প্রচলিত পদ্ধতির সাথে এর কোন পার্থক্য নেই। তবে পর্যাপ্ত জৈবসার দিতে পারলে ভালো হয়। জৈবসার মাটির পানি ধরে রাখার ক্ষমতা ও অন্যান্য সারের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দেয়। শেষ চাষের সময় মাটির প্রকারভেদে প্রয়োজন মতো টিএসপি, ডিএপি, জিপসাম এবং দস্তা সার ছিটিয়ে দিতে হবে। তবে এমওপি বা পটাশ সারের অর্ধেক শেষ চাষের সময় এবং বাকি অর্ধেক কাইচথোড় আসার ঠিক আগে ছিটাতে হবে। এতে ধানের রোগবালাই ও পোকার উপদ্রব কম হবে। আর ইউরিয়া সার ৩ কিস্তিতে বীজ বোনার ২৫, ৪০ ও ৫৫ দিন পর ছিটিয়ে দিতে হবে।
পানি ব্যবস্থাপনা: মাটিতে পর্যাপ্ত রস না থাকলে বীজ বোনার পরপরই একটি হালকা সেচ দিতে হবে। ধান গাছের পেটে থোড় আসার আগ পর্যন্ত মাটিতে পর্যাপ্ত রস থাকলেই চলে। এ সময়ের মধ্যে মাটিতে রসের ঘাটতি হলে প্রয়োজন মতো হালকা সেচের ব্যবস্থা করতে হবে। তবে থোড় আসার পর ধান গাছের পানির চাহিদা বেড়ে যায় তাই সে সময় জমিতে ছিপছিপে পানি ধরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে। তবে এ সময়টাতে (এপ্রিল মাসে) বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে যায় বলে খুব বেশি সেচ দিতে হয় না।
আগাছা ব্যবস্থাপনা: এ পদ্ধতির একটি প্রধান সমস্যা হলো আগাছা। জমি শুকনা থাকে বলে আগাছার ব্যাপক আক্রমণ হয়। তবে যথাসময়ে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করলে কার্যকরভাবে আগাছা দমন করা যায়। হাত দিয়ে বা নিড়ানি দিয়ে ৩/৪ বারে আগাছা সম্পূর্ণ নিমূর্ল করা যায় কিন্তু তাতে খরচ অনেক বেড়ে যায়। সেক্ষেত্রে বীজ বোনার ১-৩ দিনের মধ্যে প্রতি ৫ শতাংশ জমির জন্য অনুমোদিত আগাছানাশক স্প্রে করতে হবে। ২১ দিনের মাথায় একবার নিড়ানি দিয়ে আবারও পূর্বের নিয়মে আগাছানাশক স্প্রে করতে হবে। এতে আগাছা দমনের খরচ অনেক কমে যায় এবং আগাছার জন্য ফলনের কোনো ঘাটতি হয় না।
পোকামাকড় ও রোগবালাই ব্যবস্থাপনা প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় এ পদ্ধতিতে লাগানো ধান গাছ বেশি শক্তিশালী ও কষ্টসহিষ্ণু হয় বলে পোকামাকড় ও রোগবালাইয়ের আক্রমণ কম হয়। একই মাঠের সকল জমিতে এই পদ্ধতিতে ধান চাষ করলে পোকামাকড় বা পাখি কোন সমস্যাই নয়। তবে বিচ্ছিন্নভাবে ২/১টি জমিতে এই পদ্ধতিতে ধান চাষ করলে শেষের দিকে যখন আশপাশের সকল জমির ধান কাটা হয়ে যায় তখন পোকমাকড় ও পাখির উপদ্রব বেড়ে যায়। কারণ এ ধানের মোট জীবনকাল কম হলেও সরাসরি বোনা হয় বলে প্রচলিত ধানের সপ্তাহ দুয়েক পরে পাকে। কাজেই মাঠের অধিকাংশ/সকল কৃষক মিলে একযোগে এই পদ্ধতিতে ধান চাষ করতে হবে। তাহলে রোগ, পোকা বা পাখির কোন সমস্যাই থাকবে না।
ফসল কাটা: জাতভেদে বীজ বোনার ১০৫ থেকে ১২০ দিনের মধ্যে অর্থাৎ মে মাসের মধ্যে ফসল কাটা যাবে। বীজতলা করতে হয় না বলে এ পদ্ধতিতে ধানের মোট জীবনকাল ২০-২৫ দিন কমে যায়। জাতভেদে হেক্টর প্রতি ৫.৫ - ৬.৫ টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। শুকনা পদ্ধতিতে উৎপাদিত বোরো ধানের মোট জীবনকাল কম এবং বীজ বোনার আগে রবি মৌসুমে যথেষ্ট সময় পাওয়া যায় বলে এ প্রযুক্তির বোরো ধানকে কেন্দ্র করে রোপা আমন-সারিষা-শুকনা পদ্ধতিতে বোরো-এই শস্য বিন্যাসটি গড়ে উঠেছে। নতুন উদ্ভাবিত এই শস্য বিন্যাসের রোপা আমন ও সরিষার চাষ পদ্ধতি হলো-
রোপা আমন: স্বল্প মেয়াদী রোপা আমনের জাত নির্বাচন করতে হবে। এক্ষেত্রে বিনা ধান ৭, ব্রি ধান৩৩, ব্রি ধান৫৬, ব্রি ধান৫৭,  ব্রি ধান৬২, ব্রি ধান৬৪ এর যেকোন একটি চাষ করা যেতে পারে। স্বল্পমেয়াদী জাত বলে চারার বয়স কোনক্রমেই ২০-২৫ দিনের বেশি নয়। জুলাই মাসে (আষাঢ়ের শেষ সপ্তাহে) চারা লাগালে অক্টোবর মাসের শেষ দিকে (কার্তিকের মাঝামাঝি) ধান কাটা যাবে।
সরিষা: স্বল্প মেয়াদী সরিষার জাত নির্বাচন করতে হবে। এক্ষেত্রে বারি সরিষা ১৪ ও বারি সরিষা ১৫ সবচেয়ে উপযুক্ত জাত। ৮৫-৯০ দিনের মধ্যে এ দুটো জাতের সরিষা কাটা যায়। নভেম্বর মাসের ১ম সপ্তাহে (কার্তিকের শেষ সপ্তাহে) সরিষার বীজ বপন করে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে বা ফেব্রুয়ারির ১ম সপ্তাহে (মাঘের শেষ সপ্তাহে) ফসল ঘরে তোলা যায়। বিঘা প্রতি ৫-৬ মন সরিষা পাওয়া যায়।
রোপা আমন-সরিষা-শুকনা পদ্ধতিতে বোরো ফসল বিন্যাসটি প্রচলিত ফসল বিন্যাসের তুলনায় বাংলাদেশের জন্য একটি অত্যন্ত সময়োপযোগী ফসল বিন্যাস। সাধারণত কৃষক আমন মৌসুমে দীর্ঘ জীবন বিশিষ্ট ধান চাষ করেন যা নভেম্বর মাসের শেষের দিকে কাটার উপযুক্ত হয়। অন্যদিকে জানুয়ারি মাসে রোপা পদ্ধতির বোরো ধান চাষ হয় বলে কোন ক্রমেই সরিষা চাষ করা সম্ভব হয় না। বিগত দুই-তিন দশকের চাষাবাদের দিকে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, বোরো ধানের কারণে এদেশে তেল ও ডালজাতীয় শস্যসহ অধিকাংশ রবি শস্যের আবাদ ব্যাপক হারে কমে গেছে। এমতাবস্থায়, ডাল ও ভোজ্য তেলের জন্য আমদানি নির্ভর হয়ে পড়েছি। নতুন উদ্ভাবিত ফসল বিন্যাসটি অনুসরণ করলে একদিকে যেমন সরিষাসহ অন্য অনেক রবি শস্যের উৎপাদন এলাকা বাড়বে অন্য দিকে আমন ও বোরো ধান উৎপাদনের ওপর কোন বিরূপ প্রভাব পড়বে না। উল্লেখ্য যে, রোপা আমন-সরিষা-রোপা বোরো ফসল বিন্যাসটি দেশের বিভিন্ন এলাকায় ইতোমধ্যে সম্প্রসারিত হয়েছে কিন্তু এ বিন্যাসটি সেচ সাশ্রয়ী নয় এবং রোপা আমন-সরিষা-শুকনা পদ্ধতিতে বোরো শস্য বিন্যাসের চেয়ে বেশি ফলন দিতে অক্ষম। সুতরাং স্বল্প সেচে লাভজনক উপায়ে দেশের সর্বত্র বোরো ধান চাষকে অব্যাহত রাখতে এবং ভোজ্য তেলসহ অন্যান্য রবি শস্যের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে আমদানি নির্ভরতা কাটিয়ে উঠতে নতুন উদ্ভাবিত শুকনা পদ্ধতির বোরো চাষ এবং একে কেন্দ্র করে গড়ে উঠা ফসল বিন্যাসটির ব্যাপক সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। এ ব্যাপারে কৃষকসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এগিয়ে আসবেন বলে আমরা আশা করি।

কৃষিবিদ ড. মো. মশিউর রহমান*
কৃষিবিদ মোজাহার হোসেন আহম্মদ**

*প্রফেসর **পিএইচডি ফেলো, কৃষিতত্ত্ব বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ-২২০২, মোবাইল: ০১৭১১০৭২৫৬১


Share with :

Facebook Facebook