কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

পরিবর্তিত জলবায়ু মোকাবিলায় দক্ষিণাঞ্চলের উপযোগী প্রাণিসম্পদ প্রযুক্তি

বাংলাদেশ পৃথিবীর দুর্যোগ প্রবণ এলাকার মধ্যে অন্যতম একটি দেশ। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে গত ৩০ বছরে বাংলাদেশে ছোট বড় প্রায় ২০০টি দুর্যোগ সংঘটিত হয়েছে। এসব দুর্যোগে লক্ষাধিক মানুষের প্রাণহানিসহ গবাদিপ্রাণী, হাঁস-মুরগি, বাড়িঘর এবং পশুখাদ্যের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়েছে। যার আর্থিক মূল্যমান প্রায় ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এদের অধিকাংশই প্রায় দক্ষিণাঞ্চলে সংগঠিত হয়েছে। দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলো সাধারণত যেসব দুর্যোগ সংঘটিত হয়ে থাকে তার মধ্যে অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত, বন্যা, সাইক্লোন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধিজনিত কারণে জলোচ্ছ্বাস, লোনা পানি প্রবেশ, নদীভাঙন, রোগব্যাধির আক্রমণ, খাবার পানিসহ নিত্য ব্যবহার্য প্রয়োজনীয় পানির অভাব, কর্মসংস্থানের অভাব ফলে দেশ ত্যাগ।
বাংলাদেশের বিপদাপন্ন গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও পুষ্টির চাহিদা মেটাতে এবং আয় রোজকার বাড়াতে গবাদিপ্রাণী  ও হাঁস-মুরগি প্রতিপালনের গুরুত্ব অপরিসীম। সম্প্রতি ঘন ঘন এবং অসময়ে বন্যার প্রাদুর্ভাব গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর গবাদিপশু ও  হাঁস-মুরগির প্রতিপালনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে। পরিবর্তিত বন্যাকালীন পরিস্থিতি ক্রমাগতভাবে বাড়িয়ে দিচ্ছে  গবাদিপ্রাণী ও পাখির বাসস্থানের ঝুঁকি, গো-খাদ্যের দু®প্রাপ্যতা এবং নানা ধরনের রোগ ব্যাধির আশংকা। এসব ঝুঁকির অন্যতম কারণগুলো হচ্ছে নিচু স্থানে গবাদিপ্রাণী ও পাখির আবাসস্থল তৈরি, নিরাপদ উঁচু স্থানের অভাব, চারণভূমি প্লাবিত হওয়া, স্থানীয়ভাবে চিকিৎসক ও ওষুধপত্রের অভাব এবং প্রস্তুতি ও ঝুঁকি কমাতে জনগোষ্ঠীর যথাযথ পদক্ষেপের অভাব ও অসচেতনতা।   
উপকূলীয় অঞ্চলের অধিকাংশ জেলাগুলোর পানিতে  আশঙ্কাজনকভাবে লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় শুধু মানুষই নয়, গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির  জীবনধারণও মারাত্মক চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে। লবণাক্ত পানি পান করার ফলে  গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি নানা ধরনের রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। লবণাক্ততা বেড়ে যাওয়ায় গোখাদ্যের উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। ফলে উপকূল অঞ্চলে দেখা দিয়েছে গোখাদ্যের চরম অভাব। একই সাথে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মাত্রা এবং তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির বাসস্থান ও খাদ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ে জনগোষ্ঠীকে নানা বিপাকে পড়তে হচ্ছে। দুর্যোগ পরিস্থিতিতে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি নানা ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়। এসব রোগব্যাধির মধ্যে  ক্ষুরা, বাদলা, তড়কা রোগ, কৃমি, রানীক্ষেত ইত্যাদি। কখনও কখনও এসব রোগ মহামারী আকার ধারণ করে এবং বিপদাপন্ন জনগোষ্ঠীর জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবার অভাব এবং গবাদিপ্রাণী ও হাঁস-মুরগি পালনে জনগোষ্ঠীর যথাযথ প্রস্তুতি, ঝুঁকি হ্রাস পদক্ষেপের অভাব ঝুঁকির মাত্রাকে আরও বাড়িয়ে দেয়।
গত দুই দশক ধরে সমুদ্রের লোনা পানি নদী, খাল, নালা, বিলে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। এছাড়া চিংড়ি চাষি কর্তৃক সমুদ্রের লোনা পানি উপকূলের ভেতরে প্রবেশ করানোর ফলে কৃষি, মৎস্য, গোখাদ্য, গাছপালা  ও বনাঞ্চলের গাছপালার জীবন ধারণ কঠিন হয়ে পড়েছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে প্রাণিসম্পদ রক্ষায় অভিযোজন প্রযুক্তি হতে পারে অন্যতম উপযুক্ত কৌশল।
 অভিযোজন (অফধঢ়ঃধঃরড়হ) : অভিযোজন হচ্ছে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে খাপ খাওয়ানো। জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত কারণে মানুষের জীবন ও জীবিকার ওপর যে নেতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যায়, সে পরিস্থিতি উত্তরণে গৃহীত কৌশলকে জলবায়ু ঝুঁকি অভিযোজন বলা হয়।
প্রাণিসম্পদের অভিযোজন কৌশল (খরাবংঃড়পশ অফধঢ়ঃধঃরড়হ ঞবপযহড়ষড়মু  ঃড় ঈষরসধঃব ঈযধহমব) : আমাদের জাতীয় উন্নয়ন ও নিজেদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে জলবায়ু পবির্তনের ঝুঁকি ও অভিঘাত মোকাবিলায় সবার সর্বস্তরে খাপ খাওয়ানো, অভিযোজন করণীয় ও দায়িত্ব রয়েছে। প্রাণিসম্পদের অভিযোজনের সুযোগ ও কৌশল হলো প্রাণিসম্পদের অভিযোজনে যেসব খাতকে প্রাধান্য দিয়ে কৌশল নির্ধারণ করা যায়; সেগুলো হলো-
পানি : বৃষ্টির পানি ধারণ, পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ কৌশল রপ্ত করা, ব্যবহৃত পানি পুনরায় ব্যবহার, লবণাক্ততা দূরীকরণ, গবাদিপ্রাণী ও পাখির জন্য পানি ব্যবহার।
প্রাণিসম্পদ ও কৃষি : অঞ্চলভিত্তিক দুর্যোগ সহনশীল জাতের গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন সফল করা। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে দুর্যোগ সহনশীল জাতের প্রাণী উৎপাদন করা। যেহেতু প্রাণী উদ্ভিদের ওপর নির্ভরশীল। প্রাণী ব্যবস্থাপনায় যেসব শস্য সরাসরিযুক্ত  সেসব শস্যের চাষকে উৎসাহিত করা, ফডার বৃক্ষ ও ফলমূলের চারা রোপণ, দুর্যোগসহনশীল ঘাসের প্রচলন, অঞ্চলভিত্তিক ঘাস উৎপাদনের প্রযুক্তিগুলো জনসাধারণের মাঝে বিতরণ করা, কৃষি ব্যবস্থাপনার উন্নতি করা, ভূমি ক্ষয় নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধে বৃক্ষরোপণ।
হাইব্রিড নেপিয়ার
নেপিয়ার একটি উন্নত জাতের এবং বহুবর্ষজীবী দ্রতবর্ধনশীল ঘাস। সহজে চাষ করা যায় এবং একবার চাষ করলে ৩-৪ বছর পর্যন্ত ঘাস পাওয়া যায়। জলাবদ্ধ স্থান ছাড়া বাংলাদেশের সব ধরনের মাটিতে এমনকি পাহাড়ের ঢালে ও সমুদ্র তীরবর্তী লবণাক্ত জমিতেও জন্মে। উত্তমরূপে চাষ করে জমি তৈরি করতে হয়। কাদামাটিতেও লাগানো যেতে পারে। বছরের যে কোনো সময় এ ঘাস চাষ করা যায় তবে উত্তম সময় হচ্ছে ফাল্গুন চৈত্র মাস। চাষের জন্য শতাংশ প্রতি ১০০ কাটিং বা মোথা প্রয়োজন হয়। রোপণের ক্ষেত্রে লাইন থেকে লাইন ৫ মি. (১.৫ ফুট) বা এক হাত এবং মোতা থেকে মোথার দূরত্ব ৫ মি. (১.৫ ফুট) বজায় রাখতে হয়। জমি তৈরিতে শতাংশ প্রতি গোবর-জৈব সার ৬০-৭০ কেজি, ইউরিয়া-টিএসপি-এমওপি ২০০ঃ২৮০ঃ১২০ গ্রাম এবং ঘাস লাগানোর এক মাস পর ইউরিয়া ২০০-৩০০ গ্রাম প্রয়োগ করতে হয়। এছাড়া প্রতিবার ঘাস কাটার পর ইউরিয়া ২০০-৩০০ গ্রাম প্রতি শতকে প্রয়োগ করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়। খরা মৌসুমে ১৫-২০ দিন পর পর, গ্রীষ্মকালে ৩০-৪৫ দিন পর পর  এবং শীতকালে ৫০-৬০ দিন পর পর সেচ দিতে হয়। ১ম বছর ৫-৬ বার, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ বছর ৭-৯ বার ঘাস কাটা যায়। অন্যান্য ঘাসের চেয়ে এর পুষ্টিমান অনেক বেশি, এ জন্য নেপিয়ার ঘাস গরুকে খাওয়ালে দুধ উৎপাদন বাড়ে, দ্রুত ওজন বাড়ে, পুষ্টির ঘাটতি কমানো যায় এবং গরুর খাদ্য খরচ কম হয়। বছরে শতাংশ প্রতি ৭০০-৯০০ কেজি ঘাস পাওয়া যায়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস, ব্যক্তিমালিকানাধীন খামার এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা প্রতিষ্ঠান, সাভার, ঢাকায় এ ঘাসের ভিজ চারা পাওয়া যাবে।
অবকাঠামো : পুনর্বাসন, ঘূর্ণিঝড় প্রতিরোধক্ষম বাসস্থান ও বসতি স্থাপন, খানা পর্যায়ে এবং এলাকা ভিত্তিক মজবুত এবং স্থায়ী আশ্রয় কেন্দ্র/মাটির কিল্লা স্থাপন, বৃষ্টির পানি ধরে রাখাসহ প্রতিকূল সময়ে ব্যবহারের জন্য জলাধার স্থাপন। প্রাণিসম্পদের সেবা ও সম্প্রসারণের জন্য লাগসই প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক অবকাঠামো স্থাপন জরুরি।
প্রাণী স্বাস্থ্যসেবা-জনস্বাস্থ্য : ভোগ্যপণ্য হিসেবে ব্যবহৃত প্রাণী এবং প্রাণীজ পণ্য দূষণমুক্ত, জীবাণু মুক্ত এবং জনস্বাস্থের সহায়কভাবে উৎপাদন করা। জলবায়ুজনিত রোগ নির্ণয়, রোগের চিকিৎসা ও প্রতিরোধ, বিশুদ্ধ পানির ব্যবহার, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণ, স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক রোগগুলো মোকাবিলায় সক্ষমতা তৈরি করা। প্রাণী রোগ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে নিবিড় টিকাদান কর্মসূচি বাস্তবায়ন। প্রাণিসম্পদের সেবা প্রদানের লক্ষ্যে ভেটেরিনারি সার্ভিসের পরিধি গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত করা, সার্ভিসের মান বৃদ্ধি করা এবং জনবল তৈরি করা।
যোগাযোগ : পুনর্বিন্যাস ও পুনর্বাসন, প্রাণীর উৎপাদন, সংরক্ষণ, বাজারজাতকরণ, ব্যবস্থাপনা ও উন্নয়নের জন্য যোগাযোগ ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই। চাহিদা মাফিক রাস্তা নির্মাণ, মেরামত এবং অবকাঠামো স্থাপন করা। দ্রুত তথ্য আদান-প্রদান এবং যোগাযোগের জন্য আইসিটি ব্যবস্থার উন্নয়ন ও ব্যবহার করা।
শক্তি : গ্রীন হাউস প্রতিক্রিয়া মোকাবিলায় প্রাণিসম্পদ খাত থেকে সম্ভাব্য গ্রীন হাউস গ্যাসকে রিসাইক্লিংকরে পুনঃব্যবহারের প্রচলন করা। প্রাকৃতিক নির্ভরতাকে কমিয়ে এনে সৌরবিদ্যুৎ বা রিসাইক্লিং প্রক্রিয়ায় শক্তি উৎপাদন করা। উৎপাদিত শক্তিকে রান্নাসহ পারিবারিক সব কাজে ব্যবহার করে জাতীয় গ্রিডের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো।
বিভিন্ন ধরনের অভিযোজন (উরভভবৎবহঃ ঞুঢ়বং ড়ভ অফধঢ়ঃধঃরড়হ) : কাঠামোগত অভিযোজন (ঝঃৎঁপঃঁৎধষ অফধঢ়ঃধঃরড়হ) : এ প্রক্রিয়ায় বর্তমানে প্রচলিত প্রযুক্তিগুলোর কিছুটা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের মাধ্যমে অভিযোজিত হওয়া যায়। যেমন- বন্যার জন্য গবাদিপ্রাণী ও পাখির ঘর উঁচু করা, মজবুত কাঠামো দিয়ে ঘর তৈরি করা। অ-কাঠামোগত অভিযোজন (ঘড়হ-ংঃৎঁপঃঁৎধষ অফধঢ়ঃধঃরড়হ) : অনেক ক্ষেত্রে জীবন চর্চা ও ব্যবহারে পরিবর্তনের মাধ্যমেই খাপ খাওয়ানো বা অভিযোজিত হওয়া সম্ভব। ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে নিরাপদ স্থানে গিয়ে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন। নিবৃত্তিমূলক অভিযোজন (অহঃরপরঢ়ধঃড়ৎু অফধঢ়ঃধঃরড়হ): জলবায়ু পরিবর্তনে প্রতিকূল প্রভাব পরিলক্ষিত হওয়ার আগেই অভিযোজন ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। যেমন- বন্যার আগেই খাদ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা, টিকা প্রদান করা, জরুরি ওষুধপত্র মজুদ রাখা। প্রতিক্রিয়ামূলক অভিযোজন (জবধপঃরাব অফধঢ়ঃধঃরড়হ): জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবগুলো দেখার পর যে অভিযোজন প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয় তাকে প্রতিক্রিয়ামূলক অভিযোজন বলা হয়। লোনা এলাকায় লোনা সহনশীল ঘাষের প্রচলন করা। আকষ্মিক বন্যা এলাকায় হাঁস চাষের প্রচলন করা। হাঁস পালন, ভেড়া পালন,ছাগল পালন এসব করতে হয়।
পরিবর্তিত জলবায়ু মোকাবিলায় দুর্যোগ প্রস্তুতি, ঝুঁকি কমানোর জন্য যেসব পদক্ষেপ করা যায়-
০১. দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা  ও জলবায়ু পরিবর্তনে প্রাণিসম্পদ বিষয়ে গবেষণা, দক্ষতা ব্যবস্থাপনা গ্রহণ;
০২. স্থানীয় জনসাধারণকে পূর্বপ্রস্তুতি সম্পর্কে ধারণা প্রদান, আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা প্রদান। আশ্রয়কেন্দ্রে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির খাবার ও পানির ব্যবস্থাকরণ;
০৩. পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ যেখানে দুর্যোগ ও অভিযোজন বিষয়ে নীতিমালা গ্রহণ করেছে সেগুলো অনুসরণ করা;
০৪. সাইক্লোন রেজিলিয়েন্ট গৃহ নির্মাণ করা;
০৫. দীর্ঘমেয়াদি দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ অভিযোজন  বিষয়ে পুস্তিকা প্রণয়ন;
০৬. জনসাধারণকে দুর্যোগ প্রতিরোধে নেতৃত্ব প্রদান ও সহযোগিতা করা, স্থানীয় বেসরকারি সংস্থা ও সিবিওদের কাজে সম্পৃক্তকরণ;
০৭. দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং মোকাবিলা করার জন্য ভলান্টিয়ার্স গ্রুপ তৈরি করা এবং তাদের সাপোর্ট প্রদানের ব্যবস্থা করা।
০৮. বিকল্প জীবিকায়নের ব্যবস্থা করা যাতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

ডা. মো. রফিকুল ইসলাম*
*ফোকাল পয়েন্ট (দুর্যোগ ও জলবায়ু পরিবর্তন) ও ইউএলও, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট ঢাকা


Share with :

Facebook Facebook