কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (BARC)

(সাত বছরের সাফল্য)
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেমভুক্ত প্রতিষ্ঠান ও সহযোগী সংস্থাগুলোকে জাতীয় নীতিমালার ভিত্তিতে গবেষণা পরিকল্পনা প্রণয়ন ও অগ্রাধিকার নির্ধারণ, গবেষণা কর্মকা- পরিবীক্ষণ, মূল্যায়ন, কর্মসূচি সমন্বয় এবং কৃষি গবেষণার মান উন্নয়নে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করে থাকে। দেশের সামগ্রিক কৃষি গবেষণাকে অধিকতর গতিশীল, যুগোপযোগী ও কার্যকর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের কার্যপরিধি বর্ধিত, সুসংহত ও জোরদার করে কাউন্সিলকে অধিকতর দায়িত্ব প্রদান করা হয়। কাউন্সিল খাদ্য উৎপাদন ও দারিদ্র্য নিরসনে বিভিন্ন সময়ে সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপ ও অগ্রাধিকারের আলোকে সরকারকে পরামর্শ প্রদান করে আসছে। এছাড়া কাউন্সিল কৃষি গবেষণা সিস্টেমের গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহের মানবসম্পদ উন্নয়নের কাজ সম্পাদন করে থাকে।
কোর গবেষণা, প্রযুক্তি হস্তান্তর এবং মানবসম্পদ উন্নয়ন
এ সময়ে কৃষি গবেষণাসহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ৭০টি কোর গবেষণা ও প্রযুক্তি হস্তান্তর কার্যক্রমে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। এ কর্মসূচির আওতায় ফসল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের ১৫টি জাতসহ দক্ষিণাঞ্চল ও পাহাড়ি অঞ্চলে চাষাবাদের উপযোগী প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে। এ ছাড়া ৪৩ জন বিজ্ঞানীকে দেশের অভ্যন্তরে পিএইচডি অধ্যয়নের সুযোগ দেয়া হয়েছে। তদুপরি দেশীয় প্রশিক্ষণ, কর্মশালা আয়োজনের মাধ্যমে মোট ১ হাজার বিজ্ঞানী/সম্প্রসারণবিদ/ কৃষককে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।
ধান ও ডাল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন কর্মসূচি
এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ধান ও ডাল ফসলের উন্নত প্রযুক্তি, সমন্বিত শস্য উৎপাদন ও বালাইব্যবস্থাপনা, মানসম্পন্ন বীজ উৎপাদন ও বিতরণ এবং ডালের সাথে উন্নত শস্যবিন্যাস প্রযুক্তি ব্যবহারের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ধান ও ডাল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের ফলে ওই ফসলগুলোর উৎপাদন যথাক্রমে  ১৭.৫% ও ১৫% বৃদ্ধি পেয়েছে।
এগ্রিকালচারাল বায়োটেকনোলজি সাপোর্ট প্রজেক্ট (Agriculter Biotechnology Support Project)
কাউন্সিল ২০০৫ সাল থেকে এ প্রকল্পের বাংলাদেশ অংশের সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছে। এ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক সরকারের অনুমোদনক্রমে ৪টি বিটি বেগুনের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে ও এগুলো সম্প্রসারণের কার্যক্রম চলছে।
এশিয়ান ফুড সিকিউরিটি প্রকল্প
এশিয়ান ফুড সিকিউরিটি (আফাসি) শীর্ষক প্রকল্পটি ২০১০ সাল থেকে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের আওতায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ধান ও গমের প্রতিকূল আবহাওয়ার জাত উন্নয়নসহ পরিচর্যা কলাকৌশল নির্ধারণপূর্বক বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকের মাঝে সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক ধান ও গমের মাঠ প্রদর্শনী এবং বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক ধান ও গমের বীজ উৎপাদন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে তাপসহিষ্ণু গমের জাত (বারিগম-২৫, ২৬) এবং ধানের জাতসহ (ব্রিধান-৪৭, ব্রিধান-৫৫ এবং বিনাধান-৮) বেশ কিছু উন্নত প্রযুক্তি দক্ষিণাঞ্চলের লবণাক্ত এলাকায় সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
জাতীয় কৃষি প্রযুক্তি প্রকল্প-১
জাতীয় কৃষি প্রযুক্তি প্রকল্প (National Agriculter Technology Project (NATP) শীর্ষক প্রকল্পটির আওতায় দেশের প্রথিতযশা বিজ্ঞানী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক দ্বারা ১০৮টি গবেষণা কার্যক্রম (শস্য, প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য, খাদ্য পুষ্টি, আর্থসামাজিক ও বাজার ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি) মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন হয়েছে। এনএটিপি-১ প্রকল্প বাস্তবায়ন হওয়ার মাধ্যমে ৫০টিরও অধিক সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে। এ প্রকল্পের আওতায় ২৯ জন বিজ্ঞানীকে বিদেশে পিএইচডি, ১০ জনকে বিদেশে পোস্ট-ডক্টোরাল এবং ৭৯ জনকে দেশে পিএইচডি অধ্যয়নের সুযোগ প্রদান করা হয়েছে।
প্রতিযোগিতামূলক গবেষণা কার্যক্রম
কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে কোম্পানি আইনের আওতায় কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন (KGF) গঠন করা হয়। বিএআরসি কর্তৃক কৃষি গবেষণার অগ্রাধিকার নির্ধারিত হওয়ার পর কেজিএফ বোর্ড ২০০৯ সাল থেকে দুই পর্যায়ে অদ্যাবধি ১০১টি প্রকল্প প্রস্তাব অনুমোদন ও বাস্তবায়ন করে। এ কার্যক্রমের আওতায় এ পর্যন্ত মসুর ও রসুনের ৩টি নতুন জাত উদ্ভাবনসহ লবণাক্ত, খরা ও পাহাড়ি অঞ্চলের জন্য উপযুক্ত প্রযুক্তি নির্বাচন করা হয়েছে।
কৃষি প্রযুক্তি হস্তান্তর প্রকল্প
এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রযুক্তি বিশোধন ও প্রযুক্তি হস্তান্তরের আওতায় শস্য, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য সম্পদ ও কৃষি বনায়ন কার্যক্রমে মোট ৫৫টি প্রযুক্তি ৪৩টি উপজেলায় বাস্তবায়ন করা হয়েছে। উপযুক্ত প্রযুক্তির ওপর ১৬,৭৪৪ জন  কৃষককে প্রশিক্ষণ, ১১,৮৪০টি মাঠ দিবস আয়োজন এবং ৭৬৭টি প্রদর্শনী বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
নীতিনির্ধারণী ডকুমেন্ট, আইন ও গাইডলাইন প্রণয়ন
কাউন্সিল বিভিন্ন সহযোগী সংস্থা ও বিশেষজ্ঞ সমন্বয়ে কমিটি গঠনের মাধ্যমে জাতীয় কৃষিনীতি, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল আইন ২০১২, মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিকল্পনা ২০২৫, কৃষি গবেষণা অগ্রাধিকার ও ভিশন ডকুমেন্ট ২০৩০, নার্সারি আইন/গাইডলাইন-২০০৭, Intellectual Property Rights (IPR) Rules এবং Biotechnology and Biosafety Regulation & Act, Crop Zoning ম্যাপসহ বিভিন্ন জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নীতিনির্ধারণী ডকুমেন্ট প্রণয়নসহ তথ্য ও পরামর্শ প্রদানের মাধ্যমে সরকারকে সক্রিয় সহায়তা করছে।
জমির উপযোগিতাভিত্তিক ক্রপ জোনিং ম্যাপ প্রণয়ন
মাটি, জলবায়ু ও এলাকা উপযোগী ফসল নির্বাচন এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মাননীয় কৃষিমন্ত্রীর নির্দেশে ক্রপ জোনিং ম্যাপ প্রণয়ন করা হয়েছে। এনএআরএস প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে এসআরডিআই, বিএআরআই এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহায়তায় বিএআরসি কর্তৃক এ ম্যাপ তৈরির কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। এ ম্যাপ অনুসরণ করে এলাকাভিত্তিক উপযোগী ফসল উৎপাদনের জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করার কার্যক্রম অব্যাহত আছে।
সার এবং সারজাতীয় দ্রব্যের মান নির্ধারণ
বিগত ২০০৭ সালে থেকে হাল নাগাদ বিএআরসি কর্তৃক জৈবসার ৭০টি; রাসায়নিক সার ২টি ও চএজ: ৮টি মূল্যায়ন করা হয়েছে এবং জাতীয় সার প্রমিতকরণ কমিটি কর্তৃক  অনুমোদিত ও দেশে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত  করা হয়েছে।
ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কার্যক্রম
কাউন্সিল জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেমভুক্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের কৃষি গবেষণা সংক্রান্ত বিভিন্ন ধরনের তথ্য/উপাত্ত যেমন- গবেষণালব্ধ ফলাফল/প্রযুক্তি, অর্থ ব্যবস্থাপনা, ক্রয়, মানবসম্পদ, প্রকাশনা ইত্যাদি ডাটাবেজ স্থাপনের মাধ্যমে সংরক্ষণ, ব্যবস্থাপনা এবং তা সরবরাহ সেবা প্রদান করে থাকে। তথ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম কার্যকরীভাবে পরিচালনা করার মাধ্যমে ICTকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার জন্য ইতোমধ্যে কাউন্সিলসহ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানসমূহে ICT এবং MIS Cell গঠন করা হয়েছে এবং এর বাস্তবায়নের জন্য কাউন্সিলে ডাটা সেন্টার প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কাউন্সিলে জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেমের (GIS) কাজ অব্যাহত আছে।
ডিজিটাল  ডিসপ্লে কেন্দ্র স্থাপন   
কৃষির ইতিহাস-ঐতিহ্য, সাফল্যগাথা, কৃষি উপকরণ, ফসলের জাত, উৎপাদন কলাকৌশল ইত্যাদি সম্পর্কে ছাত্র-শিক্ষক, বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণবিদ, কৃষকসহ দেশি-বিদেশি পরিদর্শকদের মাঝে বাস্তব ধারণা দেয়ার মাধ্যমে কৃষি বিষয়ে আগ্রহ তৈরি এবং উদ্বুদ্ধকরণে বিএআরসির চত্বরে জাতীয় কৃষি প্রদর্শনী কেন্দ্র (NADC) স্থাপন করা হয়েছে, যা কৃষি বিপ্লবে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে।
ফসলের জাত ছাড়করণ, বীজ উৎপাদন ও মান নিশ্চিতকরণ
বিগত ৭ বছরে এই কমিটির মাধ্যমে বিভিন্ন কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উদ্ভাবিত ১৭০টিরও বেশি জাত ছাড়করণের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।

বৃহত্তর বরিশাল ও সিলেট জেলার পতিত জমির পরিমাণ নির্ধারণ ও ফসল উৎপাদন পরিকল্পনা
দেশের খাদ্য ঘাটতি পূরণকল্পে কিছু এলাকার পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় এনে উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। লাগসই কৃষি প্রযুক্তির যথাযথ ব্যবহার ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় এনে উৎপাদন বৃদ্ধি করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের জীবন ও জীবিকার মান উন্নয়ন করাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য।
গবেষণা-সম্প্রসারণ ও প্রযুক্তি হস্তান্তর কার্যক্রম সমন্বয়
গবেষণা ও সম্প্রসারণ কার্যক্রম সমন্বয় সাধনের লক্ষ্যে কাউন্সিলের নেতৃত্বে একটি জাতীয় কৃষি কারিগরি সমন্বয় কমিটি (National Agricultural Technical Coordination Committee-NATCC গঠিত আছে। এই কমিটি বিভিন্ন কৃষি কারিগরি কমিটির (Agricultural Technical Committee) কার্যক্রম পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে।
আন্তর্জাতিক ও দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা
কৃষি গবেষণা ও উন্নয়নে সম্প্রতি আমেরিকা, মেক্সিকো, অস্ট্রেলিয়া, শ্রীলঙ্কা, ভারত, চীন, দক্ষিণ কোরিয়া, ফিলিপাইন, ভুটান, ভিয়েতনামের সাথে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করা হয়েছে।  তাছাড়া আন্তর্জাতিক কৃষি গবেষণা সংস্থাসমূহ যেমন- (IRRI, CIMMYT, World Fish ইত্যাদির সাথে সহযোগিতামূলক কর্মকা- জোরদার করা হয়েছে। এ সহযোগিতার মাধ্যমে জার্মপ্লাজম এবং দক্ষতা উন্নয়ন ও কারিগরি জ্ঞান বিনিময়ে প্রতিটি দেশ উপকৃত হচ্ছে।
নিরাপদ ও সুষম খাবার গ্রহণে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ‘ফুড প্লেট’ তৈরি
পুষ্টি জ্ঞানের প্রচার, প্রসার ও নিরাপদ খাদ্য গ্রহণে জন সচেতনতা সৃষ্টিতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের  পুষ্টি ইউনিট একটি সচিত্র ‘ফুড প্লেট’ তৈরি করেছে। সুস্থ, সবল থাকতে ও অসুখ-বিসুখ হতে রক্ষা পেতে সুষম খাবার গ্রহণের অত্যাবশ্যকতা ও নিরাপদ খাদ্য গ্রহণে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে ইতোমধ্যে এ ‘ফুড প্লেট’ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বিতরণ ও প্রচারের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং যা ইতোমধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
অন্যান্য  প্রকাশনা
গবেষণা ও সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের ব্যবহারের জন্য জমির স্থানীয় তথ্যের ভিত্তিতে সার সুপারিশমালা (Fertilizer Recommendation Guide-2012) প্রণীত হয়েছে। দারিদ্র্যবিমোচনে ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ পুস্তক প্রকাশ করা হয়েছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ফসল নিবিড়তা ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য ‘দক্ষিণাঞ্চলের উপযোগী কৃষি প্রযুক্তি’ শীর্ষক একটি পুস্তক প্রকাশ করা হয়েছে।
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত এবং এগুলোর পরিচিতি ও উৎপাদন ব্যবস্থাপনা সমন্বয়ে  ‘Plant vatieties developed by NARS institutes and Agrictural universities’ শীর্ষক একটি সংকলন প্রকাশ করা হয়েছে। বিভিন্ন কৃষি প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে প্রসারের লক্ষ্যে ‘Hand book of Agricultural Technology’ শীর্ষক একটি পুস্তক প্রকাশ করা হয়েছে। পতিত জমির ব্যবহারের লক্ষ্যে বৃহত্তর বরিশাল ও সিলেট জেলার পতিত জমির পরিমাণ নির্ধারণ ও ফসল উৎপাদন পরিকল্পনা বিষয়ে ডকুমেন্ট প্রকাশ করা হয়েছে। ২০১৪ সালে বিএআরসি কর্তৃক Mature Technologies of the NARS Institutes শীর্ষক একটি বই প্রকাশিত হয়েছে।

*সংকলিত, কৃষি তথ্য সার্ভিস, খামারবাড়ি, ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫; www.barc.gov.bd


Share with :

Facebook Facebook