কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে মৎস্য খাতের ভূমিকা

সুস্থ-সবল ও মেধাসম্পন্ন জাতি গঠনে মৎস্য খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয় অর্থনীতিতে এ সম্ভাবনাময় সেক্টরের ভূমিকা ক্রমাগতভাবে বেড়েই চলেছে। বলা যায়, এ দেশের আর্থসামাজিক অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি মৎস্যসম্পদ উন্নয়নের ওপর অনেকাংশেই নির্ভরশীল। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ২০১২-১৩ সনে মাছের মোট উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩৪.১০ লাখ টনে, যার বর্তমান বাজারমূল্য প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৩-এর তথ্যমতে, এ দেশের মোট দেশজ উৎপাদ বা জিডিপির ৪.৩৭ শতাংশ এবং মোট কৃষিজ জিডিপির প্রায় এক-চতুর্থাংশ (২৩.৩৭ শতাংশ) মৎস্য খাতের অবদান। সাম্প্রতিক সময়ে মৎস্য খাতে জিডিপির প্রবৃদ্ধি কৃষির অন্যান্য উপ খাত যেমন- শস্য, প্রাণিসম্পদ ও বনের তুলনায় অনেক বেশি। এ দেশের খাদ্য নিরাপত্তা বিধানেও মৎস্য খাতের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় প্রায় ৬০% প্রাণিজ আমিষের জোগান দেয় মাছ। দেশের মোট জনগোষ্ঠীর ১১ শতাংশের অধিক লোক এ সেক্টরের বিভিন্ন কার্যক্রমে নিয়োজিত থেকে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করে। বিগত পাঁচ বছরে এ খাতে বার্ষিক অতিরিক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে প্রায় ৬ লক্ষাধিক লোকের। দেশের রপ্তানি আয়ের ২ শতাংশের অধিক আসে মৎস্য খাত থেকে। গত পাঁচ বছরে মৎস্য উৎপাদনে গড় প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৫.৮৮ শতাংশ।


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত রূপকল্প ২০২১-এ উল্লিখিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে মৎস্য অধিদপ্তর নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ফলশ্রুতিতে মৎস্য সেক্টরে অর্জিত হয়েছে দৃশ্যমান সাফল্য। আশা করা যায় ২০১৪-১৫ সনের মধ্যে ইপ্সিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অনেকাংশেই সম্ভব হবে।

 

২০১৪-১৫ সনের মধ্যে অর্জিতব্য লক্ষ্যমাত্রা
মাছের উৎপাদন ২০০৮-০৯ (২৭.০১ লাখ টন)-এর চেয়ে ২৫% বৃদ্ধিকরণ,
(২০১২-১৩ সনের মধ্যেই উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্থাৎ ২৬.২৫% বৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হয়েছে)
জনপ্রতি ৫৬ গ্রাম আমিষের চাহিদা পূরণ,
(২০১২-১৩ সালের মধ্যে জনপ্রতি আমিষের প্রাপ্তি ৫২ গ্রামে উন্নীত হয়েছে)
চিংড়ি ও মংস্যজাত পণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক আয় ১ বিলিয়ন ইউএস ডলারে উন্নীতকরণ,
বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা,
(বিগত ৫ বছরে বার্ষিক অতিরিক্ত কর্মসংস্থান প্রায় ৬ লাখ)
মৎস্যচাষি/মৎস্যজীবীদের আয় ২০% বৃদ্ধিকরণ,
মৎস্যচাষে মহিলাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ,
(মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা সংশ্লিষ্ট সব ক্ষেত্রে গড়ে ২০ শতাংশ মহিলার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে)
দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে উদ্যোগ গ্রহণ।
বাজারে নিরাপদ খাদ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে উদ্যোগ গ্রহণ।


মৎস্য খাতে উল্লেখযোগ্য সাফল্য ও উন্নয়ন সম্ভাবনা
১. মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও গ্রামীণ কর্মসংস্থান : দেশের মৎস্যসম্পদের কাক্সিক্ষত উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির বিভিন্ন সময়োপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করে। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে মাছের মোট উৎপাদন ছিল ২৭.০১ লাখ টন, সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ তথা মৎস্যবান্ধব কার্যক্রম এবং চাষি-উদ্যোক্তা পর্যায়ে চাহিদামাফিক কারিগরি পরিসেবা প্রদানের ফলে ২০১২-১৩ অর্থবছরে এ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩৪.১০ লাখ টন। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে মৎস্য উৎপাদনের ইপ্সিত লক্ষ্যমাত্রা ৩৫.৫৫ লাখ টন অর্জিত হবে বলে প্রাথমিক তথ্যে প্রতীয়মাণ হয়। প্রবৃদ্ধির এ ক্রমধারা অব্যাহত থাকলে আগামী ২০২০-২১ সনের মধ্যে দেশে মৎস্য উৎপাদন ৪৫.৫২ লাখ টন অর্জিত হবে বলে আশা করা যায়। ফলে ২০২০-২১ সনে দেশের বর্ধিত জনগোষ্ঠীর জন্য প্রক্ষেপিত মৎস্য চাহিদা (৪৫.২৮ লাখ টন) পূরণ করা সম্ভব হবে। গত ১০ বছরের মৎস্য উৎপাদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, এ খাতে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি বেশ উৎসাহব্যঞ্জক (গড় প্রবৃদ্ধি ৫.৪৯ শতাংশ) এবং এ ক্ষেত্রে প্রায় স্থিতিশীলতা বিরাজমান।


দেশে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে দরিদ্র মৎস্যজীবীদের আয় বৃদ্ধির সাথে সাথে অতিরিক্ত কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুসারে, পুরুষ-মহিলা নির্বিশেষে দেশের ১১ শতাংশের অধিক বা প্রায় ১৭১ লাখ লোক তাদের জীবন-জীবিকার জন্য প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মৎস্য উপ খাতের ওপর নির্ভরশীল। মৎস্য সেক্টরে সংশ্লিষ্ট এ জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশ নারী, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক শতাংশ। এছাড়াও বিগত পাঁচ বছরে এ সেক্টরে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অতিরিক্ত বার্ষিক ৬ লক্ষাধিক দরিদ্র জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। তাছাড়া বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা যায়, বর্তমানে মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানাগুলোতে নিয়োজিত শ্রমিকের ৮০ শতাংশের অধিক নারী।


বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ের (নদী, সুন্দরবন, কাপ্তাই লেক, বিল ও প্লাবনভূমি) পরিমাণ প্রায় ৩৯ লাখ ২০ হাজার হেক্টর, বদ্ধ জলাশয়ের (পুকুর, মৌসুমি চাষকৃত জলাশয়, বাঁওড় ও চিংড়ি ঘের) পরিমাণ ৭ লাখ ৮৩ হাজার হেক্টর, সামুদ্রিক পানিসীমার পরিমাণ ১ লাখ ৬৬ হাজার বর্গ কিমি. এবং সমুদ্র উপকূল রয়েছে ৭১০ কিমি.। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, ১৯৮৩-৮৪ সনে মাছের মোট উৎপাদন ছিল ৭.৫৪ লাখ টন, সেখানে তিন দশকের ব্যবধানে এ উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩৪.১০ লাখ টন। বিগত প্রায় তিন দশকের খাতওয়ারি উৎপাদন পর্যালোচনায় দেখা যায়, ১৯৮৩-৮৪ সনে উন্মুক্ত জলাশয়ের অবদান ৬৩ শতাংশ হলেও ২০১২-১৩ সালে এ খাতের অংশ দাঁড়িয়েছে মাত্র ২৮ শতাংশে। অন্যদিকে প্রায় তিন দশকের ব্যবধানে বদ্ধ জলাশয়ের অবদান সাড়ে তিন গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। মুক্ত জলাশয়ের মৎস্য উৎপাদন হ্রাস না পেলেও প্রবৃদ্ধি কাক্সিক্ষত পর্যায়ে ধরে রাখা সম্ভব হয়নি মূলত বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক ও মনুষ্যসৃষ্ট প্রতিবন্ধকতার কারণেই।


২. পোনা অবমুক্তি কার্যক্রম ও বিল নার্সারি স্থাপন : উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা অবমুক্তি কার্যক্রমের আওতায় ২০১৩-১৪ বছরে রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের আওতায় দেশব্যাপী প্রায় ৪৯০ টন গুণগতমানসম্পন্ন ও বিপন্ন প্রায় প্রজাতির পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। বিগত পাঁচ বছরে মোট পোনামাছ অবমুক্তির পরিমাণ প্রায় সাড়ে তিন হাজার টন। এ পোনামাছ অবমুক্তি কার্যক্রমের ফলে বার্ষিক প্রায় ৭,৫০০ টন অতিরিক্ত মাছ উৎপাদিত হচ্ছে এবং এরই মধ্যে অনেক বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির মাছের আবির্ভাব ঘটেছে। তাছাড়া এ সরকারের আমলেই মৎস্য অধিদপ্তরের আওতায় দেশে প্রথমবারের মতো বিল নার্সারি কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়। বিগত ২০০৯-১০ থেকে ২০১৩-১৪ পর্যন্ত পাঁচ বছরে রাজস্ব বাজেটে মোট ৭১৫টি বিল নার্সারি স্থাপিত হয়েছে। ২০১৩-১৪ বছরে বিল নার্সারি স্থাপন করা হয়েছে ২০৬টি। প্রাথমিক তথ্যে দেখা যায়, এ কার্যক্রম পরিচালনার ফলে দেশের উন্মুক্ত জলাশয়ে বার্ষিক প্রায় দুই হাজার টন অতিরিক্ত মাছ উৎপাদিত হচ্ছে এবং জলমহালের ওপর নির্ভরশীল জেলে/ সুফলভোগীদের আয় বৃদ্ধিসহ স্থানীয় পর্যায়ে প্রাণিজ আমিষের সরবরাহ বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশব্যাপী বিল নার্সারি কার্যক্রম আরো স্থায়িত্বশীল করার লক্ষ্যে সরকার সম্প্রতি ১১৮ কোটি ৯ লাখ টাকা ব্যয়ে উন্মুক্ত জলাশয়ে বিল নার্সারি স্থাপন ও পোনা অবমুক্তকরণ শীর্ষক একটি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন করেছে।


৩. সমাজভিত্তিক মৎস্য ব্যবস্থাপনা ও মৎস্য অভয়াশ্রম স্থাপন : জলাশয় সংশ্লিষ্ট মৎস্যজীবী-জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সুফলভোগীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জলাশয়ের জৈবিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকার এরই মধ্যে সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতি ২০০৯ প্রণয়ন করেছে। এ নীতির আওতায় অভ্যন্তরীণ জলসম্পদের স্থায়িত্বশীল উন্নয়নের জন্য জলাশয় সংশ্লিষ্ট সুফলভোগী/জেলেদের সমন্বয়ে সমাজভিত্তিক সংগঠন গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বিপন্ন প্রায় মৎস্য প্রজাতির সংরক্ষণ, প্রজনন ও বংশবৃদ্ধির জন্য অভয়াশ্রম স্থাপন একটি অন্যতম কারিগরি কৌশল। বিগত পাঁচ বছরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন নদ-নদী ও অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে ৫৩৪টি অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। পাঁচ বছরে স্থাপিত ৫৩৪টি অভয়াশ্রমসহ বর্তমানে দেশব্যাপী প্রায় ৫৫০টি অভয়াশ্রম স্থানীয় সুফলভোগী কর্তৃক সফলতার সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে। এসব অভয়াশ্রম স্থাপনের ফলে বিপন্ন প্রায় মৎস্য প্রজাতি যথা-চিতল, ফলি, বামোস, কালিবাউস, আইড়, টেংরা, মেনি, রানী, সরপুঁটি, মধু পাবদা, রিটা, কাজলী, চাকা, গজার, তারা বাইম ইত্যাদি মাছের প্রাপ্যতা বহুলাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে।


৪. পরিবেশবান্ধব চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণ : চিংড়ি বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান রপ্তানিযোগ্য পণ্য। আন্তর্জাতিক বাজারে চিংড়ির চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে এ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের চিংড়ি খামারে উত্তম চাষ ব্যবস্থাপনা প্রবর্তনের উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে। এসব খামারে পরিবেশবান্ধব চিংড়ি চাষ সম্প্রসারণের পাশাপাশি স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে সমন্বিত চিংড়ি-শস্য/সবজি চাষ ব্যবস্থাও প্রবর্তিত হচ্ছে। জাতীয় চিংড়ি নীতিমালা ২০১৪ অনুমোদিত হয়েছে। আশা করা যায়, এ নীতিমালা মোতাবেক পরিবেশবান্ধব চিংড়ি চাষ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ ও লাগসই সম্প্রসারণ সেবা প্রদান, চাষি প্রশিক্ষণ, প্রদর্শনী খামার পরিচালনা ইত্যাদি কার্যক্রম বাস্তবায়িত হলে চিংড়ি খামার থেকে কাক্সিক্ষত উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পাশাপাশি একটি স্থায়িত্বশীল চিংড়ি চাষ ব্যবস্থাপনার প্রবর্তন সম্ভব হবে। নানাবিধ অপপ্রচার ও নেতিবাচক কার্যক্রমকে মোকাবিলা করে এ ক্রমবর্ধনশীল শিল্পকে অধিক স্থায়িত্বশীল করার লক্ষ্যে মৎস্য অধিদপ্তর সরকারি-বেসরকারি  সুফলভোগীদের নিয়ে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।


চাষিপর্যায়ে রোগমুক্ত ও গুণগতমানসম্পন্ন চিংড়ি পোনার সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ৬টি জীবাণু শনাক্তকরণের জন্য মৎস্য অধিদপ্তর ও ওয়ার্ল্ড ফিশের যৌথ উদ্যোগে পিসিআর প্রটোকল তৈরির পাশাপাশি পিসিআর পরীক্ষিত পোনা মজুদের বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। তাছাড়া চিংড়ি চাষকে আরো লাভজনক ও পরিবেশবান্ধব করার নিমিত্ত জলাশয় বা ঘেরের গভীরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি চিংড়ির পিএল নার্সিং-এর মাধ্যমে ঘেরে জুভেনাইল মজুদের বিষয়ে চাষি পর্যায়ে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। (চলবে)।

 

লেখক:

সৈয়দ আরিফ আজাদ*
* মহাপরিচালক, মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য ভবন, রমনা, ঢাকা


Share with :

Facebook Facebook