কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

প্যারিস চুক্তি ও বাংলাদেশের কৃষি

জলবায়ু সম্মেলন ‘কপ ২১’ শেষ হয়েছে গত ডিসেম্বরে প্যারিসে। রাজনীতিবিদ,  পরিবেশবাদী, বিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ, সুশীল সমাজসহ বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে ‘প্যারিস চুক্তি ২০১৫’ এর সবল-দুর্বল দিক নিয়ে, সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাবনা নিয়ে, অঙ্গীকার ও স্বদিচ্ছা নিয়ে। প্রায় প্রতিদিনই প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াতে, সেমিনার-সিম্পোজিয়ামে  আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে আসন্ন ক্ষতি ও অভিযোজনের  বিষয় নিয়ে  বিশ্লেষণ ও আলোচনা চলছে  দুনিয়াতে। ১৯৯৫ সনে বার্লিনে শুরু হয়ে এ পর্যন্ত ২১টি সম্মেলন হয়েছে। কপ ৩ সম্মেলনে ১৯৯৭ সনে  কিওটা প্রটোকল গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি জলবায়ু সম্মেলনেই পরিকল্পনা করা হয়েছে সুন্দর ও সবুজ পৃথিবীর জন্য। প্রতিটি সম্মেলনেই কার্বন নিঃসরণ কমানোর অঙ্গীকার করা হয়েছে।  নবায়নযোগ্য গ্রিন এনার্জি নিয়ে পৃথিবীর অধিকাংশ দেশ কমবেশি কাজ করলেও কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। পূর্বের  চুক্তিগুলোতে আইনগত বাধ্যবাধকতা না থাকায় অনেক দেশই চুক্তি মানেনি অথবা চুক্তি থেকে বেরিয়ে গেছে।
নানা কারণে ‘কপ-২১’ বিশ্ববাসীর কাছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত ‘কপ ১৫’ সম্মেলনের হতাশা কাটিয়ে অধিকাংশ দেশ আশার আলো দেখেছে প্যারিস চুক্তিতে। কেউ কেউ আগের যে কোনো জলবায়ু চুক্তির চেয়ে প্যারিস চুক্তি অনেক শক্তিশালী ও উচ্চাভিলাসী আখ্যায়িত করেছে। বিশ্ব নেতৃবৃন্দ নিজ নিজ অবস্থানে থেকে কার্বন নিঃসরণে অবদান রাখার কথা বলেছে। কৃষিপ্রধান ও ভৌগোলিকভাবে দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশের জন্য এবারের জলবায়ু সম্মেলন অনেক গুরুত্বপূর্ণ।  
সব জলবায়ু সম্মেলনের মূল এজেন্ডা ছিল কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাস। বায়ুম-লে প্রাক শিল্প যুগে কার্বন ডাই অক্সাইডের ঘনত্ব ছিল ০.০২৮০ পিপিএম। বর্তমানে ০.০৩৮৪ পিপিএম। বার্ষিক বৃদ্ধির হার ০.৪ শতাংশ। কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসের মাত্রা   ১০৪ পিপিএম বৃদ্ধির ফলে প্রকৃতির সার্কিট ও সফ্টওয়ার এলোমেলো হয়ে গেছে।  এখন কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস এক আতঙ্কের নাম, বিভীষিকার নাম, ঘুম হারাম করা বিষয়ের নাম।
কার্বন নিঃসরণ এবং গ্লোবাল ওয়ার্মিং নাটকে বাংলাদেশ এক ট্র্যাজিডির নাম, চরম দুর্ভাগা দেশের নাম। মাথাপিছু কার্বন নিঃসরণ বিশ্বে সর্বনিম্ন হওয়া সত্ত্বেও  এর প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ। যেখানে যুক্তরাষ্ট্রের মাথাপিছু কার্বন নিঃসরণ ১৮.৫ টন, জাপানের ৯.৫ টন, মালয়েশিয়ার ৭.৭ টন, ভারতের ০.৮ টন, সেখানে বাংলাদেশের নিঃসরণ মাত্র ০.৩ টন। গ্রিন হাউস গ্যাস নিঃসরণে আমাদের অবদান অনেক কম হলেও ক্ষতির  সবচেয়ে বড় দানব আমাদের ঘাড়ে। ‘কার পাপের প্রায়শ্চিত্ত কে করে’!
প্যারিস চুক্তি অনুযায়ী ২১০০ সন পর্যন্ত পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২০ সেলসিয়াস (সে.) এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ।  একুশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ‘কার্বন নিউট্রাল’ পৃথিবীর স্বপ্ন দেখা হয়েছে। প্যারিস চুক্তির এই ২০ সে. আবার অনেক ‘যদি’ ‘কিন্তু’ এর ওপর নির্ভরশীল। কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের পূর্ববর্তী কোনো অঙ্গীকারই পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি। সব ‘যদি’ , ‘কিন্তু’ উত্তীর্ণ হয়ে যদি আমরা তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২০ সে. এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে পারি তখন বাংলাদেশের কৃষির অবস্থা কী হবে, আমাদের খাদ্য নিরাপত্তার অবস্থা কী হবেÑ এসব বিষয় দারুণভাবে ভাবিয়ে তোলে। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে আমাদের দুশ্চিন্তাটা অন্য দেশের তুলনায়  অনেক বেশি।
আইপিসিসির ৪র্থ সমীক্ষায় দেখা যায়,  গত শতাব্দীতে বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেয়েছে ০.৭৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা এ শতাব্দীর শেষ নাগাদ ২.৫০ থেকে ৩.৫০ সেলসিয়াস বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা আছে।  বাংলাদেশের গড় বার্ষিক তাপমাত্রা গত ১৪ বছরে (১৯৮৫-১৯৯৮) মে মাসে ১০ সেলসিয়াস এবং নভেম্বর মাসে ০.৫ ০ সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশে মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধিতে ৮৩০০০০ হেক্টর জমির ক্ষতি করেছে।  ২০৩০ সালে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ১০-১৫% এবং ২০৭৫ সাল নাগাদ ২৭% বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়তে পারে ৪৫ সেমি.।
বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২০ সে. বাড়লে মৃত্তিকা অনুজীব, মৃত্তিকা রসায়ন ও প্রাণরসায়ন,  মাটির বুনটও গঠন, মৃত্তিকা জৈব পদার্থের কি পরিবর্তন হবে। এসব পরিবর্তনের ফলে মাটির উর্বরতা ও উৎপাদনশীলতায় কি প্রভাব পড়বে। এসব ঝুঁকি মোকাবেলায় আমাদের সক্ষমতা কতটুকু, আমাদের আগ্রগতি কতটুকু এসব বিষয় নিয়ে ভাবার সময় এখনই। ২০৫০ সাল নাগাদ বৈশ্বিক তাপমাত্রা যদি আরও ১০ সেলসিয়াসও বাড়ে তাহলে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত হবে মৃত্তিকা ইকোসিস্টেম, জলজ ইকোসিস্টেম এবং বায়ুম-ল। মৃত্তিকা অনুজীবের কার্যাবলি, আয়ন বিনিময়, পুষ্টি উপাদানের সহজলভ্যতা, মৃত্তিকা পানি চলাচল, মৃত্তিকা অম্লতা, জৈব পদার্থের পচন,  শিকড়ের বৃদ্ধি মারাত্মকভাবে বিঘিœত হবে এবং ফলশ্রুতিতে ফসলের উৎপাদন হ্রাস পাবে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে সালোকসংশ্লেষণ, শ্বসনসহ উদ্ভিদের শরীরবৃত্তীয় সব কার্যাবলি প্রভাবিত হবে এবং ফলন কমে যাবে। ধানের পরাগায়ন, আলুর টিউবারাইজেশন  তাপমাত্রা বাড়ার ফলে বিঘিœত হবে। ফসলের স্বাদ, আকার-আকৃতি, গুণগতমান, সংরক্ষণ গুণ  অবনমিত হবে। রোগ ও পোকার আক্রমণ বাড়বে। বাংলাদেশের  এখন প্রধান শস্য ঋতু রবি। অক্টোবর থেকে মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে উৎপাদিত ফসলের ৭০% উৎপাদিত হয়। শীতকালে তাপমাত্রা বাড়ার ফলে বোরো ধান, গম, আলু, শীতকালীন সবজি, আম, ফুল, ডাল ফসল,  তেল ফসলসহ সব অপ্রধান ফসলের ফলন কমে যাবে। আবার বর্ষাকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেড়ে গেলে বন্যা ও জলাবদ্ধতার কারণে আউশ ধান, আমনধানসহ বর্ষাকালীন শাকসবজির উৎপাদন মারাত্মকভাবে হ্রাস পাবে। আকস্মিক বন্যায় বিঘিœত হবে হাওর এলাকার কৃষি। উপকূল, মোহনা ও নদী অববাহিকার ইকোসিস্টেম  ও কৃষি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
২০৫০ সনে  বর্তমানের তুলনায় ৬০% বেশি খাদ্য লাগবে। পক্ষান্তরে আবাদি জমি কমে যাবে অন্তত ২০ ভাগ। বর্তমানে হেক্টরপ্রতি ফসল উৎপাদন ৩.৪ টন, ২০৫০ সনে প্রতি হেক্টর জমিতে ফসল উৎপাদন করতে হবে ৬.০  টন। সঠিক অভিযোজন কৌশল বাস্তবায়ন করতে না পারলে দেশ খাদ্য সংকটের কবলে পড়বে।
গত তিন দশকে বাংলাদেশের কৃষিতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হলেও আমাদের কৃষি নানামুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন। ক্রমহ্রাসমান আবাদি জমি, উর্বরতা হ্রাস, কৃষিতে জ্বালানির ব্যবহার, লবণাক্ততা বৃদ্ধি, প্রাকৃতিক দুর্যোগ,  সেচের পানি সঙ্কট, নদীভাঙন, রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ বাংলাদেশের কৃষিকে আরও নাজুক করেছে। বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে কৃষিতে চ্যালেঞ্জসমূহ আরও জটিল হচ্ছে। আমরা দানাশস্য  উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে উৎপাদন হ্রাস পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ফলন হ্রাসের সম্ভাবনা আছে সবজি, ফল ও মসলা ফসলের।
বাংলাদেশের জন্য একটি নিশ্চিত ও কঠিন  বাস্তবতা হচ্ছে পরিবর্তিত জলবায়ুতে আগামীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হলে   লড়াই করতে হবে খরার সাথে, লবণাক্ততার সাথে, বন্যার সাথে, জলাবদ্ধতার সাথে, তাপদাহের সাথে,  রোগ ও পোকামাকড়ের সাথে। আর এ লড়াই করতে হবে প্রযুক্তি দিয়ে, প্রজ্ঞা দিয়ে, সাহস আর স্বপ্ন দিয়ে। বৈরী পরিবেশ ও দুর্যোগ ঝুঁকি মোকাবেলায় সক্ষম ফসলের জাত উদ্ভাবন করতে হবে। ‘ক্লাইমেট স্মার্ট ’ টেকসই প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
প্যারিস চুক্তির ৯ম ধারার ১নং অনুচ্ছেদে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিযোজন ও মিটিগেশনের জন্য উন্নত বিশ্বের উন্নয়নশীল বিশ্বকে আর্থিক সহযোগিতার কথা বলা হয়েছে। প্যারিস চুক্তিতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এমন দেশকে ক্ষতিপূরণের কলাকৌশল সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে। আমাদের জোর লবিং অব্যাহত রাখতে  হবে আর্থিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার জন্য। আমরা কোনো ঋণ চাই না। যাদের বিলাসিতার আগুনে আমার সোনার বাংলার মাটি দগ্ধ হচ্ছে, পানি দূষিত হচ্ছে, বাতাস বিষাক্ত হচ্ছে তাদের কাছে কোনো করুণা বা ঋণ চাই না, আমরা ক্ষতিপূরণ চাই। চুক্তির ১০ম ধারায় জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ হিসেবে প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনের কথা বলা হয়েছে। অভিযোজনের জন্য আমরা প্রযুক্তিগত ও আর্থিক  সহায়তা চাই। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জলবায়ু পুরস্কার ‘ঈযধসঢ়রড়হ ড়ভ ঃযব ঊধৎঃয’  পাওয়ার পর আমাদের দাবি আরও জোরাল হয়েছে।
পরিবর্তিত জলবায়ুতে অভিযোজনের জন্য বাংলাদেশের কৃষি বিজ্ঞানী, কৃষিবিদসহ সংশ্লিষ্ট সবাই নিরলস পরিশ্রম করছে। জলাবদ্ধতা, খরা, লবণাক্ততা ও দুর্যোগের বিষয়টি মাথায় রেখেই চলছে কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনের কাজ। বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনের যুগান্তকারী সফলতা দেখিয়েছে। বাংলাদেশের সরকার ও প্রযুক্তিবিদরা দেখিয়ে দিয়েছে কার্বনের উত্তাপে পুড়িয়ে মারতে চাইলেও আমরা বাঁচার পথ উদ্ভাবন করতে জানি। সরকারের সব পরিকল্পনায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হয়েছে। কৃষি শিক্ষা, কৃষি গবেষণা, কৃষি সম্প্রসারণের সব কার্যক্রমে জলবায়ু ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হচ্ছে। আমাদের কৃষি বিজ্ঞানীরা ইতোমধ্যে খরা, জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততা সহিষ্ণু ফসলের জাত উদ্ভাবন করেছে। উন্নত পানি ব্যবস্থাপনা শুরু করা হয়েছে। স্বল্পমেয়াদি ফসলের জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় শস্য বহুমুখীকরণ, ক্রপিং প্যাটার্ন পরিবর্তনসহ নানামুখী গবেষণা করা হচ্ছে। নাজিরপুরের  ভাসমান সবজি চাষ জাতিসঙ্ঘের এফএও কর্তৃক এষড়নধষষু ওসঢ়ড়ৎঃধহঃ অমৎরপঁষঃঁৎধষ ঐবৎরঃধমব ঝুংঃবস(এওঅঐঝ) স্বীকৃতি লাভ করেছে।
যে কোনো বৈরিতা মানুষকে সাহসী করে, যে  কোনো চ্যালেঞ্জ মানুষকে সৃজনশীল ও সক্ষম করে, দুর্যোগ-মহামারী করে আত্মপ্রত্যয়ী। জলবায়ু পরিবর্তনের এ মহাচ্যালেঞ্জ আমাদের সরকারকে সদাজাগ্রত, কৃষি বিজ্ঞানী ও কৃষিবিদদের করেছে উদ্ভাবনী (রহহড়াধঃরাব), কৃষককে করেছে আত্মপ্রত্যয়ী ও সাহসী। আমাদের কৃষকরা এখন ‘ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার’ চর্চা করছে, আমাদের বিজ্ঞানীরা ‘ক্লাইমেট রেজিলিয়েন্ট’ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করছে, আমাদের সরকার ‘গ্রিন ইকোনমি’ নিয়ে কাজ করছে। আমরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্যাপক সফলতা ও সক্ষমতা দেখিয়ে চলেছি। জলবায়ু  পরিবর্তনজনিত  ক্ষতি পূরণের ন্যায্য হিস্যা পেলে আমাদের নিজস্ব প্রযুক্তি, নিজস্ব জনবল দিয়ে আগামীর  খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যাবে  বলে দৃঢ়বিশ্বাস। 

 


Share with :

Facebook Facebook