কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৫ জানুয়ারি ২০১৮

খাগড়াছড়িতে বিনা উদ্ভাবিত বোরো ধানের জাত পরিচিতি ও বিনাধান-১৪ চাষাবাদ বিষয়ে কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত


প্রকাশন তারিখ : 2018-01-23

বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) উপকেন্দ্রে, খাগড়াছড়ি এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার উদ্যোগে খাগড়াছড়ি সদরে অবস্থিত বিনা উপকেন্দ্রের প্রশিক্ষণ কক্ষে গত ২২/০১/২০১৮ তারিখ বিনা উদ্ভাবিত বোরো ধানের জাত পরিচিতি ও বিনাধান-১৪ জাতের বৈশিষ্ট্য, চাষাবাদ পদ্ধতি, বীজ প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্রদর্শনী স্থাপন এবং নতুন শস্য বিন্যাস উদ্ভাবন বিষয়ে কৃষক-কৃষানী প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। বিনা উপকেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ সুশান চৌহান এর স্ঞ্চালনায় এ উপলক্ষে আয়োজিত উদ্বোধনী সভায় বিষয় ভিত্তিক বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) কৃষিবিদ আাবুল কাশেম, উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ,বিনা, ময়মনসিংহ এর মুখ্য বেজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: আবুল কালাম আজাদ, কৃষিতত্ত বিভাগ, বিনা, ময়মনসিংহ এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বিভাগীয় প্রধান ড. মো: মুনজুরুল ইসলাম, কৃষি তথ্য সার্ভিস, রাঙ্গামাটি এর আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার কৃষিবিদ প্রসেনজিৎ মিস্ত্রী এবং মহালছড়ি উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ ওঙ্কার বিশ্বাস। প্রশিক্ষণ পর্বে ড. মো: আবুল কালাম আজাদ বলেন বাংলাদেশের বেশিরভাগ এলাকায় আমন ধান কাটার পর এবং বোরো ধান লাগানোর মধ্যবর্তী স্বল্প সময়ে ডাল, তেলসহ অন্যান্য রবি ফসল চাষের সুযোগ খুব একটা থাকে না। এই বাস্তবতায় স্বপ্ল জীবনকালসম্পন্ন (১১০-১২০ দিন) আমন ধানের জাত ও নাবিতে রোপন উপযোগী বোরো ধানের জাত চাষ করে সহজেই মধ্যবর্তী সময়ে লাভজনক রবি ফসল চাষ করা যায়। তিনি আরো বলেন এক্ষেত্রে স্বপ্ল জীবনকালসম্পন্ন আমন ধানের জাত বিনাধান-৭, বিনাধান-১৭, ব্রি ধান-৩৩, ব্রি ধান-৫৬ ও ব্রি ধান-৬২ এবং বোরো ধানের একটি মাত্র নাবি জাত বিনাধান-১৪ চাষ করে সাফল্যের সাথে এ সমস্যার সমাধান করা যেতে পারে। ড. মো: মুনজুরুল ইসলাম বলেন বিনাধান-১৪ ব্রাউশ নামে সমধিক পরিচিত। উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল এ জাতটির জীবনকাল ১০৫ থেকে ১২৫ দিন বিধায় আগাম পাকে। এ নাবি জাতটি ফেব্রুয়ারি মাসের ২য় সপ্তাহ হতে মার্চ মাসের ৩য় সপ্তাহে রোপণ করলেও মে মাসের ২য় সপ্তাহ হতে জুন মাসের ১ম সপ্তাহে কাটা যায় এবং গড় ফলন ৬.৮৫ টন/হেক্টর। কৃষিবিদ আাবুল কাশেম এ প্রসংগে বলেন পার্বত্য এলাকার সর্বত্র, বিশেষ করে কাপ্তাই লেক সংলগ্ন অনেক জমিতে রবি মৌসুমে নাবিতে বিনাধান-১৪ জাতটি চাষ করা যায়। সেচের পানি সাশ্রয়ী, উচ্চ আমিষ সমৃদ্ধ চিকন চালের এ জাতটি পার্বত্য এলাকার জন্য রবি মৌসুমের একটি সম্ভাবনাময় ধানের জাত হিসাবে কৃষকদের মাঝে গ্রহনযোগ্য হবে মর্মে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। প্রশিক্ষণে ৫০ জন কৃষক-কৃষানী অংশগ্রহন করেন। প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক কৃষককে ৫ কেজি করে বিনাধান-১৪ ধানের প্রত্যায়িত বীজ প্রদান করা হয়।                     
 


Share with :
Facebook Facebook