কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ৭ এপ্রিল ২০১৯

সঠিক তথ্য পেতে একটি কৃষি তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তোলা হবে-মাননীয় কৃষিমন্ত্রী


প্রকাশন তারিখ : 2019-04-07

কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও বিবিএসের মধ্যে তথ্যের যে ফারাক রয়েছে তা কমিয়ে আনা হবে। পাশাপাশি সঠিক তথ্য পেতে একটি কৃষি তথ্য ভাণ্ডার গড়ে তোলা হবে। তথ্য প্রচারে মিডিয়া সারা পৃথিবীতে  অপরিহার্য। সংবাদে মিডিয়ার গুরুত্ব অপরিসীম। অনেক বিধিবর্হিভূত কাজ ও অর্জন গণমাধ্যম তুলে ধরে।


বুধবার (০৩ এপ্রিল) প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলে আয়োজিত ‘কৃষিভিত্তিক মিডিয়া সংলাপ ২০১৯’ এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
 

মাননীয় কৃষিমন্ত্রী বলেন, যে কোন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়নর জন্য মিডিয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ মন্ত্রণালয়ে কি কাজ হচ্ছে তার গঠন মূলক সমালোচনা হলে সংশ্লিষ্টরা তা সুধরে আরো ভালো ভাবে কাজ করতে পারে। মিডিয়া শুধু এটুকুই নয়, বিদেশীরা এ দেশে বিনিয়োগ করতে পারবে কি না, বিনিয়োগ করার মতো পরিবেশ আছে কিনা। মিডিয়ার মাধ্যমে তা তুলে ধরতে পারে এবং এ বিষয়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করতে পারে।


তিনি আরও বলেন, আগামী ৫বছরে কৃষিকে সত্যিকার অর্থে বাণিজ্যিক কৃষিতে রুপান্তর করা হবে। সেই সঙ্গে আমরা নিরাপদ খাদ্যের নিশ্চয়তাও দিতে পারবো। আগামীতে কৃষির গুরুত্ব আরো বাড়বে। আমাদের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ রয়েছে। আমি খাদ্যমন্ত্রী থাকার সময় নিরাপদ খাদ্য আইন নিয়ে এসেছিলাম। আমি চাই এই কর্তৃপক্ষ যথযথ কাজটি করুক। খাদ্যে ভেজাল দেয়া কিংবা বালাইনাশকের যাচ্ছে তাই ব্যবহার হয়, দূষিত পানি সবজিতে দেয়া হয় এসব রুখতে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ নির্দয় ও নিষ্ঠুর দেখভাল করুক।


ভর্তুকির বিষয় উল্লেখ করে মাননীয় মন্ত্রী বলেন, সরকার যদি কৃষিতে ভর্তুকি না দিত তাহলে এত পরিমান খাদ্য উৎপাদন কখনই সম্ভব হতো না। স্বাধীনতার বছরে বাংলাদেশে খাদ্যে উৎপাদন ছিল  ১০লাখ মেট্রিক টন। সেখানে বর্তমানে দেশে খাদ্য উৎপাদন হচ্ছে ৪কোটি ১৩লাখ মেট্রিক টন। এবার খাদ্য উৎপাদনের যে টার্গেট নির্ধারণ করা হয়েছিল তার চেয়ে ১৩লাখ টন খাদ্য বেশী উৎপাদন হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশ স্বাধীন হওয়ার আগে পশ্চিমা সাংবাদিক, অর্থনীতিবিদ ও বুদ্ধিজীবীরা নানা কটুক্তি করেছিল। শেখ হাসিনার সরকার বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ করে এবং  বিভিন্ন ক্ষেত্রে উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের সমস্ত আশংকা মিথ্যা প্রমাণ করেছে। বর্তমানে কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণ করার চেষ্টা করছি। আশা করছি দ্রুত আমরা এ কাজও  করতে পারবো। তাদের আশংকা আমরা বার বার মিথ্যা প্রমান করবো।


কৃষি তথ্য সার্ভিসের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি তথ্য সার্ভিসের পরিচালক ড. মো. নুরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান এমপি ও কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মো. নাসিরুজ্জামান। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রধান তথ্য অফিসার ড. মো. খালেদ কামাল।


সংলাপে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণসংযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগি অধ্যাপক ড. শামীম রেজা। মূল প্রবন্ধ ওপর আলোচনা করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি (এপিএ) এর সদস্য মো. হামিদুর রহমান। পরে মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন পত্রিকা, টেলিভিশন ও অনলাইনের সিনিয়র সাংবাদিকগণ মুক্ত আলোচনায় অংশ নেন। তারা কৃষি বিষয়ক সাংবাদিকতার ক্ষেত্রে তথ্যের অভাবের কথা তুলে ধরেন। একটি রিপোর্ট করার সময় প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যায় না। তথ্য চাইলে সংশ্লিষ্টরা অনেক সময় এড়িয়ে চলেন। এ ছাড়া তারা নিরাপদ খাদ্য, খাদ্যের পুষ্টি মান, সমন্বিত কৃষি, কৃষির উন্নয়ন, কৃষি পণ্যে রপ্তানীসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।


অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়, বিভিন্ন, সংস্থা প্রধান, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্পাদক, প্রধান বার্তা সম্পাদক, প্রযোজক ও রিপোর্টারসহ প্রায় ১২০ জন অংশগ্রহন করেন।

 


Share with :

Facebook Facebook