AIS RSS http://ais.gov.bd Agriculture Information Service, Bangladesh. Agriculture Information Service, Bangladesh http://www.ais.gov.bd/system/application/views/css/images/logo-ais.png http://ais.gov.bd 330 120 সংবাদ->নিবিড় রবি ফসল ২০১১-১২ অগ্রগতি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2529.html বিস্তারিত দেখতে পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করুন।

]]>
2012-02-01
সংবাদ->কেসিএম পাওয়ার টিলার পরিচিতি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2528.html  

কেসিএম পাওয়ার টিলার পরিচিতি

বর্তমানে দেশের অধিকাংশ জমি (শুকনো বা কাদা) পাওয়ার টিলার দিয়ে চাষ করা হয়। প্রচলিত পাওয়ার টিলার দিয়ে জমি তৈরি করতে ৫-৬টি চাষের প্রয়োজন হয়। KGF(কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন), CASEED এবং MAWTS-এর যৌথ উদ্যোগে উদ্ভাবিত কেসিএম পাওয়ার টিলার দিয়ে সেখানে ২/৩টি চাষ যথেষ্ট।এই যন্ত্রের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শুকনো জমিতে অর্থাৎ যে জমির উপর দিয়ে হেঁটে যেতে পায়ে কাদা লাগে না, এমন জমিতে গভীরভাবে চাষ দিয়ে অধিক ফসল পাওয়া সম্ভব। শুকনো জমিতে মোল্ডবোর্ড লাঙল সংযোগ করে জমিতে পূর্ববর্তী শস্যের অবশিষ্টাংশ ও ঘাস মাটির নিচে চাপা দেয়া সম্ভব, যা পরে মাটির সাথে মিশে জৈবসারে পরিণত হয়। মোল্ডবোর্ড লাঙলের ফলা প্রথম চাষে ৪-৫ ইঞ্চি এবং পরবর্তী চাষে ৬-৭ ইঞ্চি পর্যন্ত গভীরে মাটি কেটে উল্টিয়ে দেয়। ফলে উপরের মাটি নিচে এবং নিচের মাটি উপরে উঠে আসে, রোদ ও বৃষ্টির ফলে মাটির গুণগত পরিবর্তন হয়।

প্রধান বৈশিষ্ট্য

বিজ্ঞপ্তি

বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) কর্তৃক উৎপাদিত ও সংরক্ষিত এবং ২০১১-১২ সালে বিপণনযোগ্য বোরো, গম,ভূট্রা, যব, কাউন ও চিনা বীজের বিক্রয়মুল্য সংস্থা কর্তৃক নিম্নোক্তভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে



ফসল বীজের
  নাম
বীজের জাত বীজের শ্রেণী অনুমোদিত বিক্রয়মূল্য
  (টাকা/কেজি)

ব্রিধান-৫০ ভিত্তি ৫০.০০


প্রত্যায়িত/মানঘোষিত বাদামী গাছ ফড়িং দমন সম্পর্কিত বিজ্ঞপ্তি


কৃষক ভাইয়েরা, এ সময়ে আমন ধান ক্ষেতে বাদামি গাছ ফড়িং বা বিপিএইচ পোকার আক্রমণ হতে পারে। এ পোকাকে কোন কোন এলাকায় “গুণগুনি” বা “কারেন্ট পোকা” বলে ।এ পোকা বাচ্ছা ও পূর্ণ বয়স্ক দু’অবস্থায় ধান গাছের গোড়ায় বসে রস চুষে খায়। এর ফলে গাছ নিস্তেজ হয়ে যায় এবং “ফড়িং পোড়া বা বাজ পোড়া” (হপার বার্ন) অবস্থার সৃষ্টি হয়। এ পোকার আক্রমণ হলে ধানের ফলন অনেক কমে যায়, তাই আক্রমণের সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পোকা দমনের জন্য যে ব্যবস্থাগুলো নিতে হবে তা হলো:

১) নিয়মিতভাবে গাছের গোড়া ভালভাবে খেয়াল করতে হবে;

২) জমিতে বাদামি গাছফড়িংয়ের সংখ্যা বেড়ে গেলে ক্ষেতের পানি বের করে জমি শুকাতে হবে;

৩) ধান ক্ষেতে দু’হাত পর পর লাইন বরাবর ফাঁকা করে (কেলি ভেংগে) গাছের গোড়ায় রোদ ও আলো বাতাস লাগার ব্যবস্থা করতে হবে;

৪) ধান ক্ষেতে আলোক ফাঁদের ব্যবস্থা করা দরকার। জমিতে হাঁস ছেড়ে দিয়েও এ পোকা দমন করা সম্ভব;

৫) জমিতে পরিমিত মাত্রায় সার ব্যবহার করা প্রয়োজন। উর্বর...]]> 2011-10-04 সংবাদ->নিবিড় শরৎকালীন ফসল http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2449.html নিবিড় শরৎকালীন ফসল


নিবিড় শরৎকালীন ফসল উৎপাদন কর্মসূচী ২০১১-২০১২ এর (৩০-০৯-২০১১) ইং তারিখ পর্যন্ত সময়ের অগ্রগতি প্রতিবেদনের সার সংক্ষেপ:



                                                 অগ্রগতির শতকরা হার     জমির পরিমাণ (লক্ষ হেক্টরে)

ফসলের নাম


লক্ষ্যমাত্রা


অগ্রগতি


লক্ষ্যমাত্রার
 তুলনায়

গত বছর একই
সময়েরঅগ্রগতির
   তুলনায়
গত বছর একই সময়ের
...]]> 2011-08-11 সংবাদ->ভেজাল সার সনাক্তকরণের সহজ উপায় http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2396.html কৃষক পর্যায়ে ভেজাল রাসায়নিক সার সনাক্তকরণের সহজ উপায়

পিডি এফ ফাইলটি ওপেন করুন


                         বিভিন্ন সার চেনার উপায়

সারের নাম

রং/বর্ণ

আকার/আকৃতি

গন্ধ

2011-06-08 সংবাদ->নিবিড় গ্রীষ্মকালীন ফসল http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2362.html নিবিড় গ্রীষ্মকালীন ফসল

নিবিড় গ্রীষ্মকালীন ফসল উৎপাদন কর্মসূচী ২০১১-২০১২ এর (১৫-০৬-২০১১) ইং তারিখ পর্যন্ত সময়ের অগ্রগতি প্রতিবেদনের সার সংক্ষেপ:


                                                               অগ্রগতির শতকরা হার

ফসলের নাম


লক্ষ্যমাত্রা


অগ্রগতি


লক্ষ্য মাত্রার
তুলনায়

গত বছর একই সময়ের
অগ্রগতির তুলনায়  

গত বছর একই সময়ের
অগ্রগতির তুলনায়

(ডিএই'রপ্রাক্কলিত)

১)আউশধান আবাদ হাইব্রিড
                উফশী
                স্থানীয়
             ...]]> 2011-05-03 সংবাদ->স্ট্রবেরি চাষ http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2361.html স্ট্রবেরি চাষ


শীতের দেশে স্ট্রবেরি ভালো হয়। গরমের দেশে গাছ হয় কিন্ত সহজে ফল হতে চায় না। তবে গবেষকদের প্রচেষ্টায় এদেশে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু জাতের চাষ হচ্ছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কিছু জেলায় স্ট্রবেরি ফলানো সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে যেসব জেলায় শীত বেশি পড়ে ও বেশিদিন থাকে সেসব এলাকায় স্ট্রবেরি চাষ করা যেতে পারে। পঞ্চগড়, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও এমনকি পাবনা, নাটোরেও চাষ করা যায়।


জাত:

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) থেকে বারি স্টবেরি-১ জাতটি উদ্ভাবন করা হয়েছে। বারি স্টবেরি-১ বাংলাদেশের সব জায়গায় চাষ করার উপযোগী একটি উচ্চফলনশীল জাত। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে রোপণ করা হলে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে গাছে ফুল আসতে শুরু করে এবং ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত ফল পাওয়া যায়। প্রতি গাছে গড়ে ৩২টি ফল হয়, যার গড় ওজন ৪৫০ গ্রাম। প্রতি বিঘায় ফলন ১.৫-২ টন।


উপযুক্ত মাটি:
বেলে দোঁআশ ও মাটিতে প্রচুর জৈব সার প্রয়োগ করে স্ট্রবেরি ফলানো যায়। যেসব...]]> 2011-05-03 মৎস্য সম্পদ->পাবদা মাছের চাষ পদ্ধতি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2531.html পাবদা মাছের চাষ


পুকুর নির্বাচন


• এ মাছ চাষের জন্য ৭-৮ মাস পানি থাকে এ রকম ১৫-২০ শতাংশের পুকুর/জলাশয় নির্বাচন করা যায়।
• পুকুরটি বন্যামুক্ত এবং পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা থাকতে হবে।

পুকুর প্রস্তুতি, পোনা মজুদ,খাদ্য ও সার প্রয়োগ


•  পুকুরের পাড় মেরামত জলজ আগাছা পরিষ্কার করার পর শতাংশে ১কেজি হারে চুন প্রয়োগ করতে হবে।
•  চুন প্রয়োগের ৩ দিন পর প্রতি শতাংশে ৭-৮ কেজি গোবর প্রয়োগ করতে হবে।
•  শতাংশ প্রতি ৩-৪ গ্রাম ওজনের সুস্থ্য-সবল ২০০-২৫০ টি পোনা মজুদ করা যাবে।
•  সম্পুরক খাদ্য হিসেবে দেহ ওজনের ৫-১০ ভাগ হারে ২৫-৩০% আমিষ সমৃদ্ধ খাবার প্রতিদিন ২ বার প্রয়োগ করতে হবে।
•  প্রাকৃতিক খাবার উৎপাদনের জন্য ১৫ দিন অন্তর ৪ কেজি গোবর সার প্রয়োগ করা যেতে পারে।


মাছ আহরণ ও উৎপাদন  



• ৭-৮ মাসের মধ্যে ৩০-৩৫ গ্রাম ওজনের হলে মাছ আহরণ করা যাবে।
• আধা- নিবিড় পদ্ধতিতে একক চাষের মতাংশে ১৪-১৫ কেজি মাছ উৎপাদন করা যেতে...]]> 2012-02-02 ->ফেব্রুয়ারি -২০১২ দরপত্র বিজ্ঞপ্তি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2530.html PDF ফাইলটি OPEN করুন।

]]>
2012-02-02
কৃষিকথা->মাঠ ইস্‌কুল http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2527.html মাঠ ইস্‌কুল
মোছলেহ্‌ উদ্দিন সিদ্দিকী*

পর্ব-১
বিষয় : সমন্বিত ফসল ব্যবস্থাপনা
কুশিলব

ক্রমিক
নং
চরিত্র

বয়স

ভূমিকা

১.

রজব আলী চৌধুরী

৬৮ বছর

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক,
চৌধুরী পরিবারের প্রভাবশালী ব্যক্তি
২.
মঙ্গলী
১৬ বছর জব্বর আলীর পালিতা কন্যা (ক্ষ্যাপা)
৩. জব্বর আলী
৫০ বছর
সার, বীজ, কীটনাশক ব্যবসায়ী
৪. দোতলা কৃষি : বার্ষিক তিন বিলিয়ন ডলারের হাতছানি
কৃষিবিদ মো. জাফর সাদেক*

 

১৯৯৬ সনের কৃষি শুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে ১৯৮৩ সন থেকে ১৯৯৬ সন সময় কাল পর্যন্ত প্রায় ১ মিলিয়ন বা দশ লাখ হেক্টর আবাদী জমি হ্রাস পেয়েছে। যা বাংলাদেশের মোট আবাদী জমির ১১.৮%। গত দশ বছরে আরো ১.২ মিলিয়ন বা ১২ লাখ হেক্টর আবাদী জমি হ্রাস পায়। বর্তমানে বাংলাদেশে ৮.২৯ মিলিয়ন বা ৮২.৯০ লাখ হেক্টর আবাদী জমি আছে। ১৯৭০ সনে বাংলাদেশে ১০ মিলিয়ন বা ১ কোটি হেক্টরেরও বেশি আবাদী জমি ছিল। মহান স্বাধীনতার পর ৪০ বছরে ২ মিলিয়ন বা ২০ লাখ হেক্টরেরও বেশি আবাদী জমি অকৃষি খাতে ব্যবহৃত হয়েছে। এ হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিদিন ২২০ হেক্টর আবাদী জমি হারিয়ে যাচ্ছে যা বছরে মোট আবাদী জমির ১.১৮%। এই ধারা অব্যাহত থাকলে ২০৫০ সনের মধ্যে বাংলাদেশে মোট আবাদী জমির পরিমাণ ৫ মিলিয়ন বা ৫০ লাখ হেক্টরে নেমে আসবে। বর্তমান ধারায় বাংলাদেশে আবাদী জমি হ্রাস পেতে থাকলে এবং জনসংখ্যা বৃদ্ধি প্রাপ্ত হতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ গভীর খাদ্য সংকটে পতিত হবে। দোতলা কৃষি এবং ভার্টিক্যাল ভিলেজই বাংলাদেশের সম্ভাব্য খাদ্য সংকট উত্তরণের এবং আবাদী জমি স্বল্পতার একমাত্র সমাধান।


৪-৫ বছর আগে...]]> 2011-12-01 কৃষিকথা->চলতি আমন ধানের ব্লাস্ট ও খোলপোড়া রোগ দমনে কৃষকের করণীয় http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2525.html চলতি আমন ধানের ব্লাস্ট ও খোলপোড়া রোগ দমনে কৃষকের করণীয়
ড. মুহম্মদ আশিক ইকবাল খান*
ড. মো: আনছার আলী**

 

সারাদেশ ব্যাপী চলতি মৌসুমের আমন ধান ব্যাপক খরার কবলে পড়েছে। সেই সাথে ধানের রোগবালাই বিশেষ করে ব্লাস্ট ও খোলপোড়ার প্রার্দুভাব এরই মধ্যে দেখা দিয়েছে। খরার কারণে যেসব জমিতে পানি নেই সেসব জমির ধান ব্লাস্ট রোগে আক্রান্ত হচ্ছে।  অন্যদিকে যেসব জমিতে দাঁড়ানো পানি আছে সেখানে খোলপোড়া রোগ তীব্র আকার ধারণ করছে। মেঘলা আকাশ, রাতের শিশির, শুকনা জমি, দিনে উচ্চ তাপমাত্রা (২৫-৩২ সে.) এবং রাতের নিম্ন তাপমাত্রা (২০-২২ সে.) ব্লাস্ট রোগ মহামারী আকারে ধারণ করার জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বিশেষ করে সুগন্ধী আতব ধান কালিজিরা, বিআর৫, ব্রি ধান৩৪, চিনিআতব কাটারিভোগ ইত্যাদি জাতে এ রোগটি বেশি হয়।  অন্যদিকে ভ্যাবসা গরম ও উচ্চ আর্দ্রতা খোলপোড়া রোগের জন্য অনুকূল অবস্থা। এ অবস্থায় কৃষক ভাইরা যদি এ রোগ দুটি  সফলভাবে দমন করতে চান তা হলে প্রথমে রোগ দুটিকে ভালোভাবে চিনতে হবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। নিম্নে রোগ দুটির সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেয়া হলো-


ব্লাস্ট রোগ চেনার উপায়
হাওর অঞ্চলের কৃষি ও সার্বিক অবস্থা : প্রেক্ষিত মুক্তাচাষ
শেখ অলিনেওয়াজ (অলিউল্লাহ)*

 

হাওরের কথা বলতে গেলে সাগরের দৃশ্য মনে ভেসে উঠে। সাগর শব্দের অপভ্রংশ শব্দ হাওর। কালক্রমে উচ্চারণ বিবর্তনে সাগর থেকে সায়র এবং সায়র থেকে হাওর শব্দের উৎপত্তি হয়েছে বলে পণ্ডিতরা ধারণা করেন। বর্ষাকালে বড় বড় হাওরে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যোগাযোগের জন্য পাড়ি জমালে এবং নৌকা ভাসালে মনে হয় অকূল দরিয়ার কূল নাই কিনারা নাই। অষ্টগ্রামের বড় হাওরের জলরাশি ভেদ করে রঙিন সূর্য উদিত হয় এবং দগদগে লাল সূর্যটি জলের ভেতরেই ডুবতে দেখা যায়। কিন্তু ষড়ঋতুর পরিবর্তনে প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি হাওরাঞ্চল। বাংলাদেশর উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় ৭টি জেলা কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে হাওরাঞ্চলের অবস্থান।


প্রাচীন যুগ :  প্রাচীন যুগে হাওরাঞ্চলের অবস্থান কি ছিল তা স্পষ্টভাবে জানা যায় না। তবে ঐতিহাসিক সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশে মানুষ পুরাতন পাথরের যুগ, নতুন পাথরের যুগ এবং তাম্র যুগ পার হয়ে এসেছে। বাংলাদেশ বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত ছিল। যেমন- পুন্ড্র,...]]> 2011-12-01 কৃষিকথা->ঢাকার বারিধারায় দৃষ্টিনন্দন ছাদে বাগান http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2523.html ঢাকার বারিধারায় দৃষ্টিনন্দন ছাদে বাগান
কৃষিবিদ মো. আবুল কালাম*

যানজট আর বায়ু দূষণের নগরী ঢাকা শহর। নির্মল বায়ু এবং প্রকৃতির ছোঁয়া পাওয়া কঠিন। গুটি কয়েক পার্ক বিশেষ করে রমনা, বলদা, চন্দ্রিমা, জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা আর ধানমন্ডি লেকের পাড়ে ছাড়া ঢাকা নগরীতে নির্মল বায়ু সেবনের জায়গা আর কোথায় পাবেন। তার পরও ইট, কংক্রিটের ছাদে কেউ কেউ সখের বসে টবে গাছ লাগিয়ে বাগান তৈরি করে থাকেন। কেউ কেউ হয়ত সময় কাটানের জন্য শাকসবজি, ফল, ফুল, বাহারি গাছসহ ছাদে সবজি লাগিয়ে বাজারের কয়েকদিনের বাসি শাকসবজির পরিবর্তে সতেজ ও নির্ভেজাল এবং কীটনাশক মুক্ত স্বাস্থ্যসম্মত সবজি খেয়ে রসনায় তৃপ্তি পেয়ে থাকেন। কেননা আমাদের চারপাশে ভেজাল এমনভাবে ছেয়ে গেছে এবং কীটনাশকের যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে এর প্রয়োগের ২/১ দিনের মধ্যে শাকসবজি এমন কি ফল-মূল বাজারজাত করছে। তাই এ ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকিপূর্ণ শাকসবজি, ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকার জন্য সচেতন নাগরিকরা বেশি পয়সা খরচ করেও ছাদে বাগান করার দিকে ঝুঁকছে। এতে স্বাস্থ্যসম্মত র্বচিমাফিক ফল, শাকসবজি খেয়ে ক্যান্সার, পেটের পীড়া, কিডনি বিকল, গ্যাস্ট্রিকসহ নানা ব্যাধি হতে রেহাই পাওয়ার জন্য কিছুটা হলেও চেষ্টা সত্যি প্রশংসার দাবিদার। এক সময় কৃষি কাজসহ ...]]> 2011-11-30 কৃষিকথা->নৈতিকতা, সতর্কতা ও বাংলাদেশে বীজ শিল্পের বিকাশ http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2522.html নৈতিকতা, সতর্কতা ও বাংলাদেশে বীজ শিল্পের বিকাশ
কৃষিবিদ মো. শাফায়েত হোসেন*


কৃষি প্রধান এবং কৃষিনির্ভর অর্থনীতির দেশ বাংলাদেশ। ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৭০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের দেশটিতে জনসংখ্যা এখন ১৪ কোটির ঊর্ধ্বে। মোট ১৪৮.৪৬ লাখ হেক্টর জমির মধ্যে ফসলি জমির পরিমাণ ১৪২.০২ লাখ হেক্টর। এই কৃষি জমি অকৃষি কাজে ব্যবহারের কারণে তা প্রতি বছর প্রায় ১% হারে হ্রাস পাচ্ছে। পক্ষান্তরে ১.৫৪% হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে জনসংখ্যা। বর্ধিত জনসংখ্যার খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা কৃষির জন্য একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভালো বীজ, সুষম সার, পরিমিত পানি সেচ ও আধুনিক ফসল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষির চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা সম্ভব, সম্ভব কৃষির উন্নয়নের মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।


বীজের গুরুত্ব
কৃষি কাজের উৎপত্তি, বিস্তার এবং উন্নতি সবকিছুর মূল চালিকাশক্তি হচ্ছে গুণগতমান সম্পন্ন প্রয়োজন পরিমাণ বীজের ব্যবহার। বীজ ও কৃষি একে অপরের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গের মতো। বীজ ছাড়া যেমন কৃষিকাজ করা যায় না তেমনি কৃষিকাজ ছাড়া বীজের গুরুত্ব বহুলাংশে খর্ব হয়ে যায়। বীজ ভালো না হলে...]]> 2011-11-30 কৃষিকথা->ছড়ায় ছড়ায় পুষ্টি কথা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2521.html ছড়ায় ছড়ায় পুষ্টি কথা
কৃষিবিদ মো. ওসমান গণি*


গ্রাম বাংলার আনাচে-কানাচে সাহিত্যের যে অমূল্য সম্পদ মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে আছে তা-ই ছড়া। অনাদিকাল হতে বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে ছন্দময় পঙক্তিতে রচিত এসব ছড়া, বচন, প্রবচন আমাদের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের ধারক। বিচিত্র্যগামী এসব ছড়া প্রায়ই অশিক্ষিতের পটুত্বের সফলতার ফসল। জীবন ঘনিষ্ঠ বিষয়ে রচিত লোক ছড়ায় সামাজিক রীতিনীতি, জীবনধারা, সংস্কৃতি, কৃষি ও কৃষ্টি, খাদ্য ও পুষ্টিসহ বহুবিধ অর্থবহ কথামালার সমাবেশ ঘটেছে। নিচে পুষ্টি সম্পর্কিত কয়েকটি ছড়া উল্লেখ করে সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা দানের প্রয়াস নেয়া হলো-‘আখের কত গুণ/শরবতে মোটা, শরবরতেই চিকন’। তাৎক্ষণিক শক্তির উৎস হিসেবে মিষ্টিজাতীয় খাবার অনন্য। আখের রস, গুড় বা চিনির শরবত খাবার পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সারা দিনের উপবাস বা কঠোর পরিশ্রমজনিত ক্লান্তি দূর করে শরীরে শক্তি ও কর্মদ্যোম ফিরিয়ে দেয়। আমরা যেসব খাবার খেয়ে থাকি তার প্রায় সবটাই বিপাক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চিনিজাতীয় পদার্থে রূপান্তরিত হয়ে শরীরে শোষিত হয় ও পুষ্টি সাধন করে। মস্তিষ্কের কার্যকারিতা ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধিতে চিনিজাতীয় খাদ্যের ভূমিকা অনন্য। বিশেষ করে বাড়ন্ত শিশু ও বিদ্যার্থীদের। বেশি পরিমাণে চিনি খেলে...]]> 2011-11-30 কৃষিকথা->শীতে গাঁদা ফুলের চাষ লাভজনক http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2520.html শীতে গাঁদা ফুলের চাষ লাভজনক
কৃষিবিদ ফরহাদ আহাম্মেদ*

 

বিভিন্ন ফসলের চেয়ে ফুল চাষ করা লাভ বেশি। ফুল চাষে খরচ কম, চাষ সহজ, রোগ পোকামাকড় দ্বারা আক্রান্ত কম হয় এবং সময় কম লাগে। সারা বছর ফুলের চাহিদা আছে, দামও বেশি। তবে শীতকালে চাহিদা বেশি। শীতকালের ফুলের মধ্যে গাঁদা অন্যতম। বিয়ে, জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী, ঘর অফিস সাজাতে, তোড়া  তৈরি, মালা তৈরিসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গাঁদা ফুলের বিকল্প নেই। একটি গাঁদা ফুলের চারা উৎপাদনে টবসহ খরচ হয় ১০-১৫ টাকা। বিক্রি করা যায় ২৫-৩০ টাকা। একটি ফুলের উৎপাদন খরচ হয় এক টাকা। বিক্রি করা যায় ২ থেকে ৫ টাকা। অল্প জায়গায়, টবে বারান্দায়, ছাদে-বাড়ির সামনে গাঁদা ফুল চাষ করা যায়। এই ফুল চাষ করতে তেমন  সময় দিতে হয় না। বেকার, কর্মজীবী, ছাত্রছাত্রী, গৃহিণী সবাই চাষ করে লাভবান হতে পারেন। কেটে যাওয়া ত্বকের রক্ত পড়া বন্ধ করতে, কাটা ঘা শুকাতে ও জীবাণুনাশক হিসেবে গাঁদা পাতার রস খুব উপকারী।


জাত : চাইনিজ, রাজগাঁদা, আফ্রিকান ও ফরাসি জাতের গাঁদা আমাদের দেশে বেশি চাষ হয়। রঙভেদে গাদা জাত হচ্ছে হলুদ, লাল, কমলা, গাঢ় খয়েরি, লাল, হলুদের মিশ্রণ ইত্যাদি। আফ্রিকান জাতের গাছ সোজা ও লম্বা, ৩০-১০০...]]> 2011-11-30