ফাইলস্

  • Image

ছবি

মনত্মব্য

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জুলাই, আগস্ট মাসে বিভিন্ন পাতা জাতীয় সবজি যেমন, লাল শাক, কলমী শাক, ডাঁটা শাক, পুঁই শাক চাষ করা যায়। এছাড়াও ঢেড়স, সীম, বরবটি এসবের চাষ করা যেতে পারে। এসবের পাশাপাশি শীতকালীন সবজির জন্য বীজতলাও তৈরি করা যেতে পারে। বিস্তারিত জানতে এ ওয়েবসাইটির ই-কৃষি অংশের সবজি ফসলে ক্লিক করুন।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। তবে রোগের বিস্তার, আবাদি জমির পরিমান, বিগত মৌসুমে চাষকৃত ফসল, মাটির প্রকৃতি ইত্যাদি বিস্তারিত জানা দরকার। আপনি দয়াকরে এগুলো বিস্তরিত জনাবেন। এ ব্যাপারে নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

ধানের বিভিন্ন রোগবালাই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের দানা ফসল এ ক্লিক করুন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমের উন্নত জাত সম্পর্কে জানতে এ ওয়েবসাইটির ই-কৃষি অংশের ফল ফসল এ ক্লিক করুন।

wrote...

প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ভূমি ক্রয় সংক্রান্ত নিয়মাবলী জানতে নিকটস্থ উপজেলা ভূমি অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্ন এবং আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ। মৌমাছি চাষ বিষয়ক ভিডিও ক্লিপসসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে কৃষি তথ্য সার্ভিস, খামারবাড়ি, ঢাকা-১২১৫ এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিস অথবা মৎস্য ভবন, রমনা, ঢাকা-কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আমের চাষাবাদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য এ ওয়েব সাইটটির ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে লগইন করুন। আশাকরি উপকৃত হবেন।

wrote...

প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। এই বিষয়ে আপনার নিকটস্থ পশু সম্পদ অফিসে যোগাযোগ করুন।

wrote...

এ পোকা দমনের জন্য সকাল বেলায় সবজির ক্ষেত পরিদর্শন করে আক্রন্ত চারার নিকটবর্তী মাটি থেকে কীড়া সংগ্রহ করে মেরে ফেলা দরকার। আক্রমণ বেশি হলে সেচ দেয়া দিতে হয়। সেচের পানির সাথে কেরোসিন মিশিয়ে ১০০মি.লি প্রতি শতাংশে দিলে ভাল ফল পাওয়া যায়। জমিতে পাখি বসার জন্য ডাল পুঁতে দেয়া দরকার এবং মাটি আলগা করে দেয়া যেতে পাড়ে।

wrote...

স্ট্রবেরি চাষ স্ট্রবেরি চাষের এলাকা: শীতের দেশে স্ট্রবেরি ভালো হয়। গরমের দেশে গাছ হয় কিন' সহজে ফল হতে চায় না। কিন' গবেষকদের প্রচেষ্টায় এদেশে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু জাতের চাষ হচ্ছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কিছু জেলায় স্ট্রবেরি ফলানো সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে যেসব জেলায় শীত বেশি পড়ে ও বেশিদিন থাকে সেসব এলাকায় স্ট্রবেরি চাষ করা যেতে পারে। পঞ্চগড়, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও এমনকি পাবনা, নাটোরেও চাষ করা যায়। উপযুক্ত মাটি: বেলে দোঁআশ ও মাটিতে প্রচুর জৈব সার প্রয়োগ করে স্ট্রবেরি ফলানো যায়। যেসব জমিতে পানি জমে সেখানে স্ট্রবেরি ফলানো যাবে না। চারা তৈরি: স্ট্রবেরির চারা এখনও তেমন সহজে পাওয়া যায় না। বিশেষ করে কাঙ্ক্ষিত চারা অবশ্যই বিশ্বস- কোনো নার্সারি থেকে সংগ্রহ করা দরকার। স্ট্রবেরি গাছগুলো গুল্ম ও লতা জাতীয় গাছ বলে গাছের গোড়া থেকে বেশ কিছু লম্বা লম্বা লতা মাটির উপর দিয়ে লতিয়ে যায়। মাটির সংস্পর্শে লতার গিট থেকে শিকড় গজায়। শিকড়যুক্ত গিট কেটে নিয়ে মাটিতে পুতে দিলে নতুন চারা তৈরি হবে। অর্ধেক মাটি অর্ধেক গোবর সার মিশিয়ে পলিব্যাগে ভরে একটি করে শিকড়যুক্ত গিটসহ লতা পুঁতে দিতে হয়। এক্ষেত্রে একটি গাছ থেকে ১৮-২০ টি চারা তৈরি করা সম্ভব। জমি তৈরি: জমি ভালভাবে চাষ করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে অন-ত ৩০ সেন্টিমিটার গভীর করে জমি চাষ দিতে হবে। যেহেতু স্ট্রবেরি গাছের শিকড় মাটির উপর দিকে থাকে সেজন্য মাটি ঝুরঝুরা করে নির্ধারিত মাত্রায় সার মাটিতে ভালোভাবে মিশিয়ে দতিে হবে। চারা রোপণ: স্ট্রবেরির চারা মধ্যঅক্টোবর থেকে মধ্যডিসেম্বর পর্যন- রোপণ করা যায়। তবে নভেম্বর মাস স্ট্রবেরি চারা রোপণের জন্য সবচে ভাল। জমি তৈরির পর লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব হবে ৫০ সেন্টিমিটার ও প্রতি সারিতে ৩০ সেন্টিমিটার দূরে দূরে স্ট্রবেরির চারা লাগাতে হয়। বৃষ্টি হলে ক্ষেত থেকে অতিরিক্ত পানি সরিয়ে দিতে হবে না হলে গাছ পঁচে যাবে। সার প্রয়োগ ও সেচ: স্ট্রবেরির জন্য দরকার প্রচুর জৈব সার। এজন্য প্রতি একরে ৫০-৬০ কেজি ইউরিয়া সার, ৭০ কেজি টিএসপি সার এবং ৮০ কেজি এমওপি সার প্রয়োগ করতে হবে। এসব সারকে সমান দুভাগে ভাগ করে একভাগ দিতে হয় ফুল আসার একমাস আগে এবং অন্য ভাগ দিতে হবে ফুল ফোটার সময়। ফল ধরা শুরু হলে ২-৩ দিন পর পরই সেচ দিতে হবে। অন্যান্য যত্ন: স্ট্রবেরি গাছে ফুল ধরাতে চাইলে বিশেষ যত্ন নিতে হবে। গাছ লাগানোর পর তার গোড়া থেকে প্রচুর রানার বা কচুর লতির মতো লতা বের হতে থাকে। এগুলো জমি ঢেকে ফেলে। এতে ফলন ভাল হয় না। এসব লতা যাতে কম বের হয় সেজন্য গাছের গোড়ায় খড় বা পলিথিন বিছিয়ে দিতে হয়। পলিথিন সিট ৩০ সেন্টিমিটার পর গোলাকার ছিদ্র করে স্ট্রবেরি গাছের ঝোপকে মুঠো করে ঢুকিয়ে দিতে হয়। বেশি ফলন ও তাড়াতাড়ি ফল পেতে হরমোন গাছ পাতায় সেপ্র করা যেতে পারে। ফল সংগ্রহ ও বিক্রি: কাঁচা ফল যখন হলদে বা লালচে রঙের হতে শুরু করে তখন বুঝা যাবে ফল পাকা শুরু হয়েছে। ফল পুরো পাকলে লাল হয়ে যায়। তবে বিক্রির জন্য ফল পুরো লাল হওয়ার দরকার নেই। সেক্ষেত্রে ফলগুলো শক্ত থাকা অবস'ায় তুলতে হবে। আর ফল তুলতে হবে বোটা সমেত। পরে কাগজের প্যাকেটে করে বাজারজাত করতে হবে। ফল তোলার পর ১০-১২ দিন পর্যন- ভালো থাকে। গড়ে প্রতি গাছে ১৫০-২০০ গ্রাম ফল ধরে। ফলটি এদেশে নতুন তাই ঝুঁকিও বেশি। তবুও মেধা ও বুদ্ধি প্রয়োগ করে স্ট্রবেরি চাষ একদিন লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হবে সে কথা বলা যায়।

wrote...

বর্তমানে এ সম্পর্কিত কোন ছবি আমাদের নিকট নাই। অনুগ্রহ করে কৃষি অফিসের সংগে যোগাযোগ করুন। প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। স্ট্রবেরি বিষয়ে এই ওয়েবসাইটির ই-কৃষি অংশের অন্যান্য তে লগইন করুন। স্ট্রবেরি চাষ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর অথবা প্রফেসর ড. মনজুর হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (মোবাইল: ০১৭১৬-২৮৮৩৫৬)এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। আপনার প্রশ্নের উত্তরের জন্য নিকটস্থ উপজেলা পশু সম্পদ অফিস এবং উপজেলা মৎস্য অফিস অথবা পশু সম্পদ অধিদপ্তর, ঢাকা এবং মৎস্য ভবন, রমনা, ঢাকা-তে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

Good

wrote...

sijif dsf jklsdjfljsdlkf

wrote...

কৃষি তথ্য সার্ভিসের বাংলা ওয়েব সাইটে আপনাদের শুভেচ্ছা ও সুস্বাগতম। কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি উন্নয়ন সহায়ক গণযোগাযোগ সংস্থা।কৃষি তথ্য সার্ভিসের বাংলা ওয়েব সাইটে আপনাদের শুভেচ্ছা ও সুস্বাগতম। কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি উন্নয়ন সহায়ক গণযোগাযোগ সংস্থা।

wrote...

কৃষি তথ্য সার্ভিসের বাংলা ওয়েব সাইটে আপনাদের শুভেচ্ছা ও সুস্বাগতম। কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি উন্নয়ন সহায়ক গণযোগাযোগ সংস্থা।কৃষি তথ্য সার্ভিসের বাংলা ওয়েব সাইটে আপনাদের শুভেচ্ছা ও সুস্বাগতম। কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি উন্নয়ন সহায়ক গণযোগাযোগ সংস্থা।কৃষি তথ্য সার্ভিসের বাংলা ওয়েব সাইটে আপনাদের শুভেচ্ছা ও সুস্বাগতম। কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি উন্নয়ন সহায়ক গণযোগাযোগ সংস্থা।কৃষি তথ্য সার্ভিসের বাংলা ওয়েব সাইটে আপনাদের শুভেচ্ছা ও সুস্বাগতম। কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি উন্নয়ন সহায়ক গণযোগাযোগ সংস্থা।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। কৃষিকথা নিয়মিত পেতে চাইলে আপনাকে এই পত্রিকাটির গ্রাহক হতে হবে। এজন্য আপনি কৃষি তথ্য সার্ভিস এর সদর দপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকাতে অথবা কৃষি তথ্য সার্ভিসের আঞ্চলিক অফিসে কিংবা নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ২০০৬-০৭ সালে দেশে বিভিন্ন প্রকারের সারের চাহিদা ছিল ৪৩ লক্ষ ৫৫ হাজার মে.টন। এর মধ্যে আমাদের দেশে উৎপাদিত হয় ২১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮৬০ মে.টন। মোট সার বিক্রি হয় ৩৫ লক্ষ ৫১ হাজার মে.টন। আর বিদেশ থেকে আমদানী করা হয় ১৪ লক্ষ ৮১ হাজার মে.টন সার।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে জানতে কাছের উপজেলা মৎস্য অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।সাধারনভাবে তামাকে পটাশ সার ব্যবহার করা হয় না, কেননা এতে তামাকের পাতা ঝলসে যায় এবং তামাক সংগ্রহের পর গুদামে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় না। জমি তৈরির শেষ চাষে অথবা চারা গজানোর পর গাছে ৩-৫টি পাতা আসার পর চারার গোড়ায় মাটি উঠিয়ে কেইল করে কেটলের দু’পাশে বিঘাপ্রতি ২ কেজি করে এমওটি সার প্রয়োগ করা যেতে পারে।

wrote...

এ বিষয়ে জানতে আপনার কাছের উপজেলা পশু সম্পদ অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা পশু সম্পদ অধিদপ্তর, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকা-কার্যালয়েও যোগাযোগ করতে পারেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে বিগত ২০০৭-০৮ সালে আলুর মোট উৎপাদন ছিল ৯২ লক্ষ ৩৭ হাজার মে.টন। মোট ৫ লক্ষ ২০ হাজার হেক্টর জমিতে আলুর চাষ করা হয়েছিল। প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আমাদের ওয়েব সাইটে প্রথম পাতায় ই-কৃষিতে মৎস সম্পদ ব্রাউজ করুন।পাঙ্গাস মাছের চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া আছে।

wrote...

Common Name of Products Trade Name of Products Name of Registration Holder Dosage rate/ha 2,4-D Salix SAMP Limited 450 gm/acare Oxadiazon Ronstar 25 EC Bayer CropScience Limited 2.00 Litre Oxadiazon Oxastar 25 EC Shetu Pesticides Limited 2.00 Litre Oxadiazon Longstar 25 EC Sea Trade Fertilizer Limited 2.00 Litre Butachlor Golteer 5G Auto Crop Care Limited 25.00 Litre

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই সাইটরি ই-কৃষি পাতার অধীন সবচি ফসল লিংক-এ সবচির প্রধান প্রধান পোকার দমন দির্নেশনা আছে। অনুগ্রহ করে ব্রাউজ করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আসদের ওয়েব সাইটে প্রথম পাতায় (আর্টিকেল পাঠান)ব্রাউজ করে পাঠিয়েদিন। অনুগ্রহ করে ব্রাউজ করুন।

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার কুল গাছের সমস্যার বিবরণটি আরেকটু বিস্তারিত দিলে ভাল হতো। তবে আপনার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গাছটিতে পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি আছে বলে মনে হচ্ছে। অবশ্য অনেক সময় জাতের বৈশিষ্ট্য এর কারনেও এমন দেখা যায়। সার দেয়া না হয়ে থাকলে গাছ প্রতি পচা গোবর সার ১০ কেজি, ইউরিয়া সার ৩০০ গ্রাম, টিএসপি ২৫০ গ্রাম, এমওপি ২৫০ গ্র্রাম, বোরণ সার ২০ গ্রাম দিতে হবে। সার গুলোকে সমান তিনভাগে ভাগ করে ফল ধরার পর একবার, ফল সংগ্রহের পর একবার এবং বর্ষার পর আরেকবার দিতে হবে। এ ছাড়াও প্রয়োজনমতো পানি দিতে হবে। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে তথ্য পেতে স্থানীয় উপজেলা কৃষি অফিস অথবা ব্যাংকের কোন শাখায়(কৃষি ব্যাংক, জনতা ব্যাংক প্রভৃতি) যোগাযোগ করতে পারেন। ভবিষ্যতে কিছু জানতে আবার প্রশ্ন করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বন্যার পূর্বাভাস সংক্রান্ত তথ্যের জন্য এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতাতেই সংবাদ অংশে দেখুন। গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন কোন জাত বা প্রযুক্তি সম্পর্কিত তথ্য পেলে সাথে সাথেই এ ওয়েবসাইটে দেয়া হয়ে থাকে। বিভিন্ন ফসলের জন্য এলাকা ভিত্তিক কোন জাত এর তথ্য পেতে এই ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশে লগইন করুন। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইটেও প্রয়োজনীয় তথ্য খুজতে পারেন।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। এ বিষয়ে আপনি কৃষি তথ্য সার্ভিস, খামারবাড়ি, ঢাকা-১২১৫ অথবা কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। কুলের বিভিন্ন জাত এবং উৎপাদন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে ক্লিক করুন। আপনার এলকার মাটির ধরণ ও জলবায়ু ওপর ভিত্তি করে জাত নির্বাচন করতে হবে। এ বিষয়ে নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে লগইন করুন। আশাকরি আপনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে জানতে আপনার নিকটস্থ উপজেলা পশুসম্পদ অফিস অথবা পশুসম্পদ অধিদপ্তর এর সদর দপ্তর, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট,ঢাকা তে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশের অন্যান্য তে লগইন করুন। আশাকরি আপনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। স্ট্রবেরি বিষয়ে এই ওয়েবসাইটির ই-কৃষি অংশের অন্যান্য তে লগইন করুন। স্ট্রবেরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর অথবা প্রফেসর ড. মনজুর হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (মোবাইল: ০১৭১৬-২৮৮৩৫৬)এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ফল ঝরে পড়ার জন্য বিভিন্ন বিষই কিন্ত জড়িত। যেমন-সুষম সারের অভাব, রোগবালাই এর আক্রমণ ইত্যাদি। আপনি গাছে সার ব্যবহার করেছেন কিনা তা উল্লেখ করলে ভাল হতো। যদি সার ব্যবহার না করা হয়ে থাকে তাহলে প্রতি গাছে ইউরিয়া ১.৫ কেজি, টিএসপি ১ কেজি, এমওপি ১.৭৫ কেজি, জিপসাম ৫০০ গ্রাম, জিংক সালফেট ২০০ গ্রাম, বোরাক্স ২০ গ্রাম গাছের চারিদিকে গোল করে মাটি কুপিয়ে প্রয়োগ করতে হবে। শুকনা মৌসুমে ১৫ দিন পর পর সেচ দিতে হবে। অনেকসময় ছত্রাক জনিত রোগের কারণে ডাব ঝরে যায়। এ জন্য বর্দোমিশ্রন (১%) অথবা কপার অক্সিক্লোরাইড বা কুপ্রাভিট ছত্রাকনাশক ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রকৃতপক্ষে সারের মাত্রা নির্ভর করে মাটির প্রকৃতি, ফসলের জাত, বিগত বছরে ফসলের চাষ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর। সেজন্য মাটি পরীক্ষা করে সার প্রয়োগ করা সবচেয়ে ভাল। উপজেলা কৃষি অফিসে বিনামূল্যে মাটি পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে। সাধারণ হিসেবে রোপা আমন এর ক্ষেত্রে প্রতি হেক্টরে (২৪৭ শতকে)ইউরিয়া ১৫০-১৮০ কেজি, টিএসপি ১০০ কেজি, এমওপি ৭০ কেজি, জিপসাম ৬০ কেজি, জিংক সালফেট ১০ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। ইউরিয়া ছাড়া অন্যান্য সকল সার জমি তৈরির শেষ সময়ে দিতে হবে। ইউরিয়া সার চার কিস্তিতে রোপণের ১৫,৩০,৪৫,৬০ দিন পর প্রয়োগ করতে হয়।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে আমের ৪ টি জাত রিলিজ করা হয়েছে। । এগুলো হলো- বারি আম ১, বারি আম ২, বারি আম ৩ (আম্রপালি) ও বারি আম ৪(হাইব্রিড)। এ ছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভাবিত জাতগুলো হলো- বাউ আম-১, বাউ আম-২, বাউ আম-৩, বাউ আম-৪, বাউ আম-৫, বাউ আম-৬, বাউ আম-৭, বাউ আম-৮, বাউ আম-৯ ও বাউ আম-১০।

wrote...

wrote...

(Trade Name of Products) (Name of Registration Holder) (Dosage rate/ha) (2,4-D Salix SAMP Limited 450 gm/acare) (Oxadiazon Ronstar 25 EC Bayer CropScience Limited 2.00 Litre) (Oxadiazon Oxastar 25 EC Shetu Pesticides Limited 2.00 Litre) (Oxadiazon Longstar 25 EC Sea Trade Fertilizer Limited 2.00 Litre) (Butachlor Golteer 5G Auto Crop Care Limited 25.00 Litre)

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আমাদের ওয়েব সাইটে প্রথম পাতায় ই-কৃষিতে তেল ফসল ব্রাউজ করুন। সয়াবিনের চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া আছে।

wrote...

এ ওয়েবসাইটটিতে কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য দেয়া হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত হালনাগাদ করা হচ্ছে। আপনি নিয়মিত ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। এ ছাড়া নির্দিস্ট কোন বিষয় জানতে এখানে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আম্রপালী (বারি আম-৩) আমটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে উদ্ভাবিত একটি উন্নত আমের জাত। তবে এটি হাইব্রিড জাতের আম নয়। তবে বারি আম-৪ একটি হাইব্রিড আম।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে বারি স্ট্রবেরি-১ নামে একটি উন্নত জাতের স্ট্রবেরি উদ্ভাবন করা হয়েছে। স্ট্রবেরির চাষ ও অন্যান্য তথ্য পেতে এই ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশে অন্যান্য তে লগইন করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পিপড়ার আক্রমণ কম হলে হাতেনাতে দমন করাই সবচেয়ে উত্তম। অনেক সময় ঝাঝড়ি বা পাইপ দিয়ে সজোরে পানি দিলেও পিপড়া গাছ থেকে পড়ে যায়। পানিতে খুবই সামান্য পরিমান কেরোসিন মিশিয়ে নেয়া যেতে পারে। তবে আক্রমণ বেশি হলে কৃষিকর্মীর পরামর্শ মতো কীটনাশক ব্যবহার করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্রে জন্য ধন্যবাদ। তবে প্রশ্নটি ঠিক পরিষ্কার নয় বিধায় উত্তর দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা। দয়াকরে প্রশ্নটি আরেকটু বিস্তারিতভাবে করলে উত্তর দিতে সুবিধা হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পোকার ধরণ সম্পর্কে একটু বর্ণনা করলে পোকা চিহ্নিত করতে সুবিধা হতো। তবে গাছে মুকুল আসার পর কিন্ত ফুল ফোটার আগে টিল্ট নামক ছত্রাক নাশক এবঙ ম্যালাথিয়ন জাকীয় কীটনাশক একত্রে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। এ ছাড়া ভেজিমেক্স বা অন্যকোন নামক তরল খাদ্যউপাদান সমস্ত গাছে একবার স্প্রে কররে ফল ভাল হয়। ফলবান গাছে কীটনাশক হিসেবে নিম তেল চমৱকার কাজ করে। এ বিষয়ে আপনি নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশ বিশাল জনসংখ্যার ক্ষুদ্র একটি দেশ। প্রতবিছর প্রায় ১% করে কৃষি জমি কমে যাচ্ছে। তবে জনসংখ্যা কিন্ত দিন দিন বাড়ছে। তাই অল্প জমি থেকে অধিক ফসল উৱপাদন এবং ফসল চাষ করে বেশি লাভবান হওয়ার কোন বিকল্প নেই। সনাতনী বিভিন্ন ফসল বা ফসলের জাত চাষ করে কৃষক ভাইয়েরা তেমন লাভবান হতে পারেন না। তাই পুষ্টিমূল্য বেশি, বাজারে চাহিদা আছে এবং দাম বেশি এমন ফসল চাষ করে অধিক লাভবান হওয়া যেতে পারে। বিভিন্ন উচ্চ মূল্যের ফসলের ভেতর রয়েছে-বাউকুল, আপেলকুল, ভূট্টা, টমেটো মাশরুম ইত্যাদি। অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে হলে উচ্চ মূল্যের ফসল চাষের কোন বিকল্প নেই। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নের উত্তরটি আমাদের কাছে এ মূহুর্তে প্রস্তত নেই বিধায় অতি অল্প সময়ের মধ্যে প্রদান করা হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। দয়া করে আপনি রোগের বর্ণনা টি আরেকটু বিস্তারিত দিন। এতে করে উত্তর দিতে সুবিধা হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

এ বিষয়ে তথ্য এ মুহুর্তে আমাদের হাতে নেই। তথ্য পাওয়া মাত্রই তা সরবরাহের চেষ্টা করা হবে। তবে আপনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা-এর অর্থকরী ফসল উইং এ যোগাযোগ করতে পারেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনি কোন ফসলের বীজ বাজারজাত করতে চান সেটি অবশ্য উল্লেখ করেন নাই। যাহোক, এ বিষয়ে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, গাজীপুর-১৭০১ অফিসে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বোরো ধানের সারের মাত্রা জানতে এ ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশের দানা ফসলের ধান এ লগইন করুন।

wrote...

আপনার মেইল এর জন্য ধন্যবাদ। লিচুতে বিভিন্ন কারণেই এ সমস্যাটি হতে পারে। যেমন, সুষম সারের অভাব, পানি সেচের অভাব, রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ ইত্যাদি। সুতরাং যথানিয়মে চাষ করতে হবে। এ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলের "লিচু"তে ক্লিক করুন।

wrote...

আপনার মেইল এর জন্য ধন্যবাদ। লিচুতে বিভিন্ন কারণেই এ সমস্যাটি হতে পারে। যেমন, সুষম সারের অভাব, পানি সেচের অভাব, রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ ইত্যাদি। সুতরাং যথানিয়মে চাষ করতে হবে। এ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলের লিচু'তে ক্লিক করুন।

wrote...

আপনার মেইল এর জন্য ধন্যবাদ। লিচুতে বিভিন্ন কারণেই এ সমস্যাটি হতে পারে। যেমন, সুষম সারের অভাব, পানি সেচের অভাব, রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ ইত্যাদি। সুতরাং যথানিয়মে চাষ করতে হবে। এ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলের লিচুতে ক্লিক করুন।

wrote...

প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। দয়াকরে আক্রমণের ধরণটি আরেকটু বিস্তারিত জনালে পরামর্শ দিতে সুকিধা হবে।

wrote...

আপেল কুলের চারা কোথায় পাব - মুসলেহ উদ্দীন .সিলেট আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপেল কুলেরর চারা আপনার নিকটস্থ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হর্টিকালচার সেন্টার থেকে পেতে পারেন। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ থেকে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে পেতে পারেন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত নার্সারী ( যারা মান সম্পন্ন চারা বিক্রি করে) থেকে আপেল কুলের চারা পেতে পারেন। আমাদের ওয়েব সাইটে ই-কৃষিতে অন্যান্য ভিতরে চারা প্রাপ্তিস্থান নার্সারীর ঠিকানা আছে।

wrote...

মরিচের গোড়া পচা রোগে কি করনীয় আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ডাইথেন এম-৪৫ মিশিয়ে ৭ থেকে ১০ দিন পর পর স্প্রে করলে মরিচের গোড়া পচা রোগ ভাল হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে উপজেলা পশুসম্পদ অফিস বা পশুসম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫ কার্যালয়ে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জনাতে পারেন।

wrote...

আপনি এ সব তথ্য পেতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.moa.gov.bd তে লগইন করতে পারেন। প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে জানতে ই-কৃষি অংশে দানাদার ফসলে লগইন করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ঢাকা শহরে সিদ্দিকবাজারে বিভিন্ন কোম্পানীর বীজের দোকান রয়েছে। আপনার প্রয়োজনীয় বীজ বা এ সম্পর্কিত তথ্য পেতে পারেন।

wrote...

এ বিষয়ে জানতে ঢাকা খামারবাড়িস্থ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশাসন ও পার্সোনেল উইং এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

কৃষি তথ্য সার্ভিস এর ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য বেশ কিছু বিষয় জানা প্রয়োজন। যেমন-জমির অবস্থা, আশেপাশের পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, মাটির ভেৌত গুণাবলী ইত্যাদি। সঠিক পরিকল্পনা মাঢফক চাষাবাদ করলে নিশ্চিতভাবেই লাভবান হতে পারেন। আপনি আপনার নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি যে ভিডিও সিডি'র কথা বলছেন তেমন কোন ভিডিও সিডি আমাদের কাছে নেই। তবে কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে বিভিন্ন ভিডিও চিত্র নির্মাণ করা হয়ে থাকে। প্রয়োজন হলে আপনি আমাদের কাছে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নর জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা এ ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের কন্দাল ফসলে দেয়া আছে। জনাতে লগইন করুন।

wrote...

মাছ মরে যাওয়ার অনেক কারণই থাকতে পারে। পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত করে বলা সম্ভব না। এ বিষয়ে পরামর্ম নিতে কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারেন। প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। খরগোস পালন ইদানিঙ একটি লাভজনক ব্যবসা হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। খরগোস পালন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আপনার কাছের উপজেলা পশুসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

এই ওয়েব সাইটটি থেকে সহযোগিতা নেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ এবং কৃষক ভাইদেরকে ও ধন্যবাদ।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আসলে ক্ষতর ধরণ, মাছের জাত ইত্যাদি বিষয় না জেনে সঠিক পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে না বলে দু:খিত। আপনি কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করকত পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত এ তথ্যটি এ মুহুর্তে আমাদের হাতে নেই। আপনি উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা-তে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পাতা মরা অনেক কারণেই হতে পারে। কিভাবে পাতা মারা যাচ্ছে একটু বিস্তারিত বর্ণনা করুন। ধানের জাত, চারার বয়স কত, কি পরিমানে সার দেয়া হয়েছে, কোন বালাইনাশক দিয়েছেন কিনা-ইত্যাদি জানিয়ে দ্রুত আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

wrote...

আপনি যে প্রশ্নটি করেছেন তার উত্তরটি প্রথম পাতায় প্রশ্নের উত্তর ঘরে পাবেন।

wrote...

ধন্যবাদ আবারো লেখার জন্য। ভিডিও সামগ্রী পেতে আপনি কৃষি তথ্য সার্ভিস এর সদর দপ্তর খামারবাড়ি,ঢাকা-১২১৫ কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় সংবাদ অংশে "ভেজাল সার চেনার উপায়" তে ক্লিক করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নর জন্য ধন্যবাদ। কৈ মাছের চাষ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের মৎস্য সম্পদে ক্লিক করুন। আরো বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। ডেয়রী ফার্ম করতে অনেক বিষয় জড়িত। গরু নির্বাচন, স্থান, খাদ্য সরবরাহ, বাজারজাতকরণ ইত্যাদি অনেক বিষয় এর সাথে জড়িত রয়েছ্ বিস্তারিত তথ্য পেতে কাছের উপজেলা পশুসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নে জন্য ধন্যবাদ। ঢাকার কাটাবনে খরগোসের বাচ্চা কিনতে পাওয়া যায়।

wrote...

উত্তর:আপনার প্রশ্নের জন্য। লেবুর বাগানের জন্য গুটি কলম ও কাটিং তৈরি করে (মে-সেপ্টেম্বর) মাসে ২.৫ x ২.৫ মিটির দূরত্বে রোপন করতে হবে। সারের নাম, ইউরিয়া ৪৫০-৫৫০ গ্রাম, টিএসপি ৩৭৫-৪২৫ গ্রাম, এমপি ৩৭৫-৪২৫ গ্রাম,গোবর ১৫-২০ কেজি।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বোরো ধানের পাতা মরিচা পড়েছে এটা দস্তার অভাবে হয়ে থাকতে পারে। জমিতে প্রতি শতাংশে ৩০ গ্রাম দস্তা প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া স্প্রে করা যেতে পারে। প্রতি লিটার পানির যাথ ২-৩ গ্রাম দস্তা মিশিয়ে ধান গাছের পাতায় স্প্রে করতে হবে। এছাড়া স্থীনীয় কৃষি আফিসের সাথে যোগাযোগ করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কবে দু:খিত এ মুহুর্তে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। আপনি অনুগ্রহ করে এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেষ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

কৃষির সকল টেকনোলজি সম্পর্কে ভাল ধারনা রাখতে হবে এবং এ সম্পর্কিত কৃষি প্রযুক্তি হাতবই, কৃষি ডাইরি এবং কৃষি বিষয়ক ম্যাগাজিন, লিফলেট বুকলেট সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কি একর প্রতি বা বিঘা প্রতি সেচের বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন নাকি সারাদেশের হিসেবে জানতে চাচ্ছেন? দয়া করে জানালে উত্তর দিতে সুবিধে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রচন্ড শীতে কুয়াশাজনিত কারনে অথবা অতিরিক্ত লবনাক্ত কারনে এমনটি হতে পারে । শীত বা কুয়াশাজনিত কারনে হলে বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে এবং প্রতিদিন বীজতলা পুরানো পানি সরিয়ে নতুন পানি দেওয়ার ব্যবন্থা রাখতে হবে। এছাড়া সামান্য পরিমান ইউরিয়া পানির সাথে মিশিয়ে স্প্রে করা যেতে পারে। অতিরিক্ত লবনাক্ত হলে সে জমির লবনাক্ততা কমানোর জন্য জমিতে কয়েকবার স্বাদু পানি প্রবেশ করাতে হবে এবং তা বের করে দিয়ে জমির লবনাত্ততা কমিয়ে আনলে প্রধান প্রি-ধান ৪৭ আবাদ করে ভাল ফলন পাওয়া যাবে।

wrote...

প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। পূর্ণ বয়স্ক ফলন্ত লিচু গাছে সার প্রয়োগের বেলায় দিনের মধ্যভাগে মাটিতে গাছের পাতার অঞ্চলের যে ছায়া পড়ে বৃত্তাকার সেই ছায়ায় পরিধি বরাবর ৪-৬ ইঞ্চি গভীরতার নালা তৈরী করে অনুমোদিত মাত্রার সার ৩টি সমান ভাগে ভাগ করে প্রয়োগ করে মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। প্রথম অংশ পুষ্প মহুরী বের হবার পর ২য় অংশ ফলের আকার মটর দানা সমান হলে এবং ৩য় অংশ ফল পাকার ২ সপ্তাহ আগে প্রয়োগ করতে হবে। সারের পরিমাণ আমাদের ওয়েব সাইটের প্রথম পাতার 'ই-কৃষি' অংশের ফল ফসল লিংকে দেয়া আছে।ব্রাইজ করে জেনে নিন।

wrote...

আনপার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাছের জাত, ক্ষতের ধরণ, পুকুরের অবস্থা ইত্যাদি বিষয়ে না জেনে উত্তর দেোয়া সম্ভব নয়। আপনি কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে অবলিম্বে যোগাযোগ করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কুল বা যেকোন ফলেরই আকার, আকৃতি নির্ভর করে সুষম সার প্রয়োগ, সেচ ও অন্যান্য পরিচর্যা, রোগবালাই এর থেকে মুক্ত রাখা ইত্যাদি। এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসল এ কুল চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম দেওয়া আছে। আপনি এখান থেকে কুল চাষের উৱপাদন সম্পর্কে জানতে পারবনে। আশাকরি এখান থেকেই আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ধারণা করা যায় এক ধরণের ছত্রাকের আক্রমণে এমনটি ঘটছে। এ জন্য গাছে ফুল দেখা দেযার পর থিওভিচ ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম বা টিল্ট ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি.লি মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে। পরবর্তী ১৫ দিন পর পর দুইবার সেপ্র করতে হবে। এ ছাড়া সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। গাছে পোকার আক্রমণ হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস বা কৃষি কর্মীর পরামর্শ নিন।

wrote...

আপনার মূল্যবান পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ। শীঘ্রই এ বিষয়ে তথ্য সংযোজন করা হবে। ধন্যবাদ আপনাকে।

wrote...

ধন্যবাদ ওয়েবসাইট টি ভিজিট করার জন্য। দু:খিত কারিগরী ত্রুটির কারণে এমনটি হচ্ছে। দ্রুততম সময়ে এটি সংশোধন করার চেষ্টা চলছে। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত এ মুহর্তে আপনার চাহিত তথ্যটি সরবরাহ করা যাচ্ছে না। আপনি এ বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.moa.gov.bd) অথবা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা এর সরেজমিন উইং/খাদ্য শস্য উইং এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আমাদের ওয়েবসাইটটিতে বাংলায় এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হয়েছে। ইংরেজি অংশটি এখনো সম্পন্ন হয়নি। তবে আপনার জরুরি প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর-১৭০১ এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে এ মুহূর্তে এ ধরণের সাহায্য করা যাচ্ছে না বলে দু:খিত। তবে আপনি কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইট এ ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে এ বিষয়ে বিস্তারিত দেওয়া হয়েছে। আশাকরি এখান থেকে আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ধান কলা পাকা রং ধারণ করার পর পরই কেটে ফেলতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই সাইটরি ই-কৃষি পাতার অধীন ফল ফসল লিংক-এ বাউকুল এর উৎপাদন প্রযুক্তি বনর্ণা করা আছে। আবার একই পাতার অন্যান্য অংশে দেশব্যাপী বিভিন্ন নার্সারীসমুহের ঠিকানাসহ তালিকা দেয়া আছে। অনুগ্রহ করে ব্রাউজ করুন।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটের প্রথম পাতার '‌‌‌‍ই-কৃষি'অংশের আওতায় মৎস্য সম্পদ লিংকে মনোসেক্স তেলাপ্রিয়া চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া আছে। ব্রাউজ করে জেনে নিন। এছাড়া ও আপনার নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে পারে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পেয়ারা গাছের পাতার রং গোলাপী আকার ধারন করেছে এমন বিষয়টি আমাদের জানা নাই। তবে যদি পাতার রং বাদামী বা মরিচার মত হয়ে থাকে তবে বুঝতে হবে সখোনে পুষ্টির অভাব রয়েছে। এক্ষেত্রে গাছের গোড়া থেকে সামান্য দূরে ম্যাগনেশিয়াম সালফেট প্রয়োগ করতে হবে। ম্যাগনেশিয়াম সালফেট প্রয়োগের পরিমাণ হবে গাছ প্রতি ৫০-১০০ গ্রাম।

wrote...

wrote...

১। মাছের ক্ষত রোগের জন্য প্রতি কেজি খাবারে রেনামাইসিন ৫০০ মি:গ্রা:ঔষধ এক সপ্তাহ ব্যাপি খাওয়াতে হবে। ২। পুকুরে চুন প্রয়োগ করতে হবে। যদি মাছের ঘনত্ব বেশী হয় তাহলে প্রতি শতকে ২৫০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করতে হবে ৩ সপ্তাহ ব্যাপি।

wrote...

প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। যদি আপনার মাছগুলো মনোসেক্স তেলাপিয়া হয় তবে সেক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩০-৪০ ভাগ প্রোটিনযুক্ত পিলেট খাবার দিতে হবে। তবে যদি পোনার গুনগত মান খারাপ হয় তাহলেই যতই খাবার দেয়া হোক না কেন তার বৃদ্ধি হবে না। মাছের পুকুরে কাচা খৈল দেয়া যাবে না। খৈল দিতে হলে তা কমপক্ষে ২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে তারপর পুকুরে দিতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ফল ছিদ্রকারী পোকার হাত থেকে কাঁঠাল ফলকে রক্ষা করতে হলে ছোট অবস্থায় আক্রান্ত কাঁঠাল ঝরে পড়লে তা সংগ্রহ করে মাটিতে পুতে ফেলতে হবে। অপ্রয়োজনীঢ ডালপালা,পুরুষ মুচি, আগের বছরের ফলের ফোঁটা, কাঠালের সাথে লেগে থাকা মঞ্জরিপত্র ছাটাই করতে হবে। ফল ছোট অবস্থায় ছিদ্র যুক্ত ব্যাগ দিয়ে ঢেকে রাখতেও এ পোকার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

wrote...

কেচোঁ কম্পোষ্ট সারের প্রস্ত্ততপ্রণালী : যেকোনো কেঁচো দিয়ে যেমন ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচোমল সার তৈরি হবে না তেমন অসতর্কতার কারণে নির্দিষ্ট কেঁচো দিয়েও ভালো কেঁচোমল সার তৈরি সম্ভব নয়। এ বিষয়ে কিছু নির্দেশনা পালনীয়। সাধারণত এসব কম্পোস্ট তৈরির কাজে দুই ধরণের কেঁচোর জাত রয়েছে। তাহলো- এপিজিক ও এন্ডোজিক নামের। এপিজিক জাতগুলো দেখতে লাল রঙের। এরা মাটির উপরের সরেই বিচরণ করে থাকে। অপরদিকে এন্ডোজিক জাতগুলো প্রধানত ছাই রঙের হয়ে থাকে। এরা সাধারণত সার উৎপাদন করতে পারে না তবে এরা মাটির ভৌত ও জৈব গুণাবলির উন্নতি করে। কেঁচোর দ্বারা জৈব সার তৈরির জন্য এ সাথে তরকারির খোসা, গরু , ছাগল ও হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা ও নাড়িভুঁড়ি, পাতাসহ পচা আবর্জনারও প্রয়োজন হয়। * কেঁচো কম্পোস্ট তৈরি করতে হলে প্রথমে গর্ত তৈরি করতে হয়। এরপর এসব গর্তে ঘাস, আমের পাতা বা খামারের ফেলে দেয়া অংশ এসবের যেকোনো একটি ছোট ছোট করে কেটে এর প্রায় ২৫ কেজি হিসেবে নিতে হয়। * তবে এসব আবর্জনা গর্তে ফেলার আগে গর্তের তলদেশসহ চারপাশে পলিথিন দিয়ে মুড়ে দিতে হবে। এতে করে গর্তের কেঁচো পিট থেকে বাইরে যেতে পারবেনা। * কেঁচো কম্পোস্ট তৈরির জন্য প্রথমেই পলিথিন বিছানোর পরে গর্তের নিচে ১৫ সে. মি. পুরু করে বেড বানাতে হবে। এ বেড তৈরির জন্য ভালো মাটি ও গোবর সমপরিমাণে মিশাতে হবে এবং এসব মিশানো গোবর ও মাটি পরে কেঁচোর খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। * কেঁচো কম্পোস্ট তৈরির জন্য এসব গর্ত গোবর ও মাটি দিয়ে ভর্তি করার পর এতে প্রায় ২ হাজার কেঁচো প্রয়োগ করতে হয়। কেঁচো প্রয়োগের পর গর্তের উপরিভাগ পাটের ভিজানো চট দিয়ে ঢেকে দিতে হবে এবং কেঁচো সারের গুণগত মান বজায় রাখার জন্য গর্তের উপরিভাগে ছায়া প্রদানের ব্যবস'া খুবই জরুরি। * এসব কেঁচো যেসব খাবার খায় তা গর্তে নিয়মিতভাবে সরবরাহ করতে হবে। কেঁচোর খাবারের মধ্যে রয়েছে স'ানীয় ঘাস, খামারজাত পদার্থ, আখের ও কলার ফেলে দেয়া অংশ এসব। এছাড়া এসব অংশ মাটিতে পচে জৈব সারও তৈরি হয়। * ভার্মি কম্পোস্ট তৈরি হলে তা চা পাতার মতো ঝুরঝুরে দানাদার আকারের হবে। * ৯০ দিনের মধ্যে ১ টি পাত্রে ৮ গুণ কেঁচো বাড়ে এবং প্রায় ৮০ কেজি ভার্মি কম্পোস্ট উৎপন্ন হয়। * ভার্মি কম্পোস্ট জমিতে এবং কেঁচোগুলো নতুন কম্পোস্ট স-ূপে ব্যবহারের জন্য প্রস'ত হয়। সবুজ সার প্রস'ত এর নিয়মাবলী সারা বছরই সবুজ সার হিসাবে ধৈঞ্চা,শন ইত্যাদির চাষ করা যায়, তবে বৈশাখ জ্যৈষ্ঠ মাস বীজ বপনের উপযুক্ত সময়। দু’একটি চাষ ও মই দিয়ে ধৈঞ্চার বীজ ঘন করে বুনতে হয়।কোন সার ছাড়াই প্রতিক'ল আবহাওয়ায় ও যে কোন ধরনের মাটিতে ভাল জন্মে। তবে শিকড়ে শুঁটির সংখ্যা বৃদ্ধিও জন্য হেক্টর প্রতি ১৭.০ কেজি টি.এস.পি ব্যবহার করা উচিত।প্রতি হেক্টরে ৪০/৫০ কেজি বীজ ঘন করে ছিটিয়ে বুনতে হয়।কোন যত্ন বা নিড়ানি ছাড়াই গাছ দ্রুত বড় হযে উঠে।বীজ বপনের ৬-৮ সপ্তাহ পরে গাছগুরো ১-১.৫ মিটার উঁচু হলে বা ফুল ফুটলে সবুজ সার তৈরীর উপযুক্ত সময়।ধৈঞ্চা গাছ নোয়ানোর পর একই দিক থেকে চাষ দিয়ে মাটির সাথে মিশাতে হবে। ঐসময় ক্ষেতে পানি থাকলে মাটির সাথে সহজে মিশে যায়।ক্ষেতে পানি জমা করে রাখলে গাছ দ্রুত পচে।প্রায় ১০/১৫ দিন পর পুনঃ চাষ/মই দিলে তাড়াতাড়ি পচে যায়।ধৈঞ্চা গাছ পচতে ২০/২৫ দিন সময় লাগতে পারে। সবুজ সারের চাষ করার পর রোপা আমন ধান ভাল জন্মে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। খিরার গাছ বিভিন্ন কারনে শুকনা হয়ে যেতে পারে । এটা হতে পারে পরিনিত পানির অভাবে এবং ছত্রাক ও ভাইরাসের আক্রমনের কারনে। এক্ষেত্র জমিতে প্রয়োজনীয় সেচ দিয়ে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ গ্রাম ম্যানকোজব মিশিয়ে সমস্ত গাছ ভিজিয়ে স্প্রে করুন। আর ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে গাছ উঠিয়ে ফেলে পুড়িয়ে দিতে হবে অথবা মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের কৃষি কাথা আপনি আমারেদ ওয়েব সাইট (www.ais.gov.bd)ব্রাউজের মাধ্যমে পড়তে পারেন। তবে আপনি যদি আমাদের গ্রাহক হতে চান তাহলে বাৎসরিক ৪০ টাকার বিনিময়ে গ্রাহক হতে পারেন। এর জন্য কৃষি তথ্য সার্ভিস,খামারবাড়ি,ঢাকা যোগাযোগ করুন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাজরা পোকা দমনের জন্য ধানের চারা লাগানোর পর পর ডাল পোতা, মাজরার মথ হাত জাল দিয়ে ধরা, আলোর ফাঁদ ব্যবহার ও আক্রান্ত গাছ হলে কীড়া মেরে ফেলা।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে ই-কৃষির অন্যান্যতে স্ট্রবেরী চাষ সর্ম্পকে বিস্তারিত দেওয়া আছে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে কন্দাল ফসলে আলু চাষাবাদ সর্ম্পকে বিস্তারিত আছে।

wrote...

উত্তর:আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। টমেটো সংরক্ষণ করতে হলে রং ধরার আগে অথবা কেবল বোঁটার দিকে রং ধরছে এমন অবস্থায় টমেটো পেড়ে, পানিতে ধুয়ে, ঠান্ডা জায়গায় রেখে ঠান্ডা করে নিতে হবে। এরপর ঘরের শীতলতম জায়গায়, যেখানে তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সে:এর মত থাকে, সেখানে বিছিয়ে রাখতে হবে;এক স্থরে বিছিয়ে রাখাই ভাল। সরাসরি মেঝেতে না রেখে চট, প্লাষ্টিক শীট বা পুরু খবরের কাগজও ব্যবহার করা যায়। টমেটো গাছসহ তুলে ঝুলিয়ে রাখলেও, অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায় বলে দেখা গেছে। পাতা বহুল শাক : এগুলোর সংরক্ষণ-ক্ষমতা অত্যান্ত সীমিত। সেজন্য এগুলো ক্ষেত থেকে তুলেই খেয়ে ফেলা বা বাজারে বিক্রি করা দরকার। ছিদ্রযুক্ত পলিথিন প্যাকেটে ভরে ঠান্ডা জায়গায় রেখে দিয়ে, এর সংরক্ষণ কাল ২/১ দিন বাড়ানো যায়।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ছত্রাকের আক্রমনে পটলের ডগা পচে যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রতি লিটার পানিতে ৪ গ্রাম কপার অক্সি ক্লোরাইড মিশিয়ে গাছে স্প্রে করতে হবে। মাকড় অথবা জ্যাসিড এর আক্রমনে করলার পাতা কুঁচকে যেতে পারে। যদি পাতার নিচে ছোট ছোট লাল রংয়ের মাকড় দেখা যায় তাহলে প্রতি লিটার পানিতে ৪ গ্রাম থিওভিট মিশিয়ে গাছে স্প্রে করতে হবে। আর যদি পাতার নীচে ছোট ছোট সবুজ রংয়ের পোকা দেখা গেলে এডমায়ার অনুমোদিত মাত্রায় প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার এ সমন্বিত খামার স্থাপনের জন্য সরেজমিন পরিদর্শন পূর্বক বিশেষঞ্জের পরামর্শ প্রয়োজন। এজন্য আপনি আপনার নিকট্থ প্রাণী সম্পদ ও মৎস কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর:আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে এই সীমিত পরিসরে রাবার উৎপাদন প্রযুক্তি সর্ম্পকে পুরোপুরি ধারনা দেয়া দূরহ। আপনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য বাংলাদেশ বনজ শিল্প উন্নয়ন করর্পোরেশন এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর:আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। হাইড্রোপনিক প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত দ্রবণটি গাছের প্রয়োজীয় খাদ্য উপাদানগুলোর একটি আনুপাতিক মিশ্রিত দ্রবণ হাইড্রোপনিক প্রযুক্তির চাষ জাপানসহ উন্নত দেশগুলোতে হলেও আমাদের দেশে তা এখনও গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে। এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানার জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুরে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে কৃষিতে প্রভৃত উন্নতি সাধিত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ দানাদার শস্য উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। কৃষি গবেষণা ও সম্প্রসারনের মাধ্যমে কৃষকের মাঝে প্রায় ৫৭টি উচ্চফলনশীল ধানের জাত রয়েছে। এছাড়া শাকসবজি ফলসহ আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি যেমন আপেল কুল,বাউল কূল, আম্রোপলি এবং অনেক আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি যেমন এল সি সি ,গুটি ইউরিয়া,এ ডব্লিউ ডি,কুইক কম্পোষ্ট ইত্যাদি কৃষক পর্যায়ে জনপ্রিয ও বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে। এ সম্পর্কিত বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে হলে কৃষি তথ্য সার্ভিসের প্রধানও আঞ্চলিক কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তরমুজের রোগ এবং পোকা মাকড়ের আক্রমনে তরমুজের পাতা কুঁকড়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে আপনাকে প্রকৃত বিষয়টি সনাক্ত করা প্রয়োজন। যদি মাকড়ের আক্রমনে পাতা কুঁচকে যায় তাহলে যে কোন মাকড়নাশক যেমন ক্যালথেন ১০ লিটার পানিতে ১০-১৫ মিলি মিশিয়ে পাতার নীচের দিকে ৭ দিন পর পর ২ বার স্প্রে করতে হবে। আর রোগের কারণে হলে ডাইথেন এস ৪৫ বা মেটাসিসটক্স জাতীয় ছত্রাক নাশক স্প্রে করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আম যখন মটর দানার মতো হবে তখন টিল্ট ও সিমবুশ একত্রে মিশিয়ে ফুট পাম্প দিয়ে গাছ সম্পূর্ণ ভিজিয়ে দিতে হবে ১০-১২ দিন পর ২-৩ বার। সেই সাথে আম গাছে সার দেয়ার পর নিয়মিত পানি দিতে হবে।

wrote...

দু:খিত এই তথ্যটি আমাদের কাছে এ মূহুর্তে নেই। তথ্যটি পেলে আপনাকে সাথে সাথেই জানিয়ে দেয়া হবে। তবে আপনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা-১২১৫ এর সরেজমিন উইং এ যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে এ বিষয়ে তথ্যটি এ মূহুর্তে দিতে পারছি না বলে দু:খিত। শ্রীঘ্রই তথ্যটি আপনাকে দিতে পারবো বলে আশাকরছি। ধন্যবাদ।

wrote...

আমাদের এই ওয়েব সাইটে কৃষি বিষয়ক প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়ে থাকে। আপনার কৃষি বিষয়ক কোনো সমস্যা থাকলে জানতে চেয়ে সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন করুন। আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (প্রাক্তন উপজেলা পশু সম্পদ অফিস)এ যোগাযোগ করে ফোন নম্বর পেতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (প্রাক্তন উপজেলা পশু সম্পদ অফিস)এ যোগাযোগ করতে পারেন। তাছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকাতেও যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

বিভিন্ন কারণেই ফল ঝড়ে পড়তে পারে। তবে স্বাভাবিক নিয়মে কিছু ফল এমনিতেই ঝড়ে পড়ে যায়। তবে রোগের আক্রমণ বেশি হলে ফল ঝড়ে পড়ার হার বেড়ে যায়। এক ধরণের ছত্রাকের আক্রমণে কচি ফলের গায়ে বাদমি রঙের দাগের সৃষ্টি হয় এবং শেষ পর্যন্ত আক্রান্ত ফল গাছ থেকে ঝড়ে পড়ে। এ জন্য গাছের নিচে ঝড়ে পড়া পাতা ও ফল পুড়ে ফেলতে হয়। ফলিকুর ছত্রাকনাশক ০.০৫% হারে পানিতে মিশিয়ে গাছে ফুল আসার পর থেকে ১৫ দিন পর পর ৩ বার সেপ্র করা দরকার। এ ছাড়া, আরেক ধরণের ছত্রাকের আক্রমণের কারনে ছোট অবস্থাতেই কালো হয়ে ঝড়ে পড়ে। এ জন্য ডাইথেন এম ৪৫ অথবা রিডোমিল এম জেড ৭৫, প্রতিলিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম করে মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে। পাশাপাশি পরিমান মতো সার ও সেচ দিতে হবে। এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে কাঠাল চাষ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশাকরি আপনি উপকৃত হবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। এটি নির্ভর করে পুকুরের আয়তন, পানির অবস্থা, কি মাছ চাষ করা হচ্ছে ইত্যাদি বিষয়ের ওপর। আপনি আপনার কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করে বিস্তারিত তথ্য নিতে পারবেন।

wrote...

বিভিন্ন কারণেই এমনটি হতে পারে। যেমন, পরিমান মত সুষম সারের অভাব, রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ, মাটিতে রস না থাকা ইত্যাদি। এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে পেপে চাষ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশাকরি আপনি উপকৃত হবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য তবে আপনার বাড়ি কোথায় জানালে সুবিধা হতো। আপনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর-১৭০১ (ফোন নং-পিএবিএক্স ৯২৬১৫০১-৫) অথবা মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়া তে যোগাযোগ করতে পারেন। এ ছাড়া ঢাকা সিদ্দিক বাজারেও যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। ঢাকাতে কাটাবন মার্কেটে আপনি কোয়েল পাখি পাবেন। এ ছাড়া পশু হাসপাতাল সংলগ্ন মার্কেট, ফুলবাড়িয়াতেও কোয়েল পাখি পাওয়া যায়। কোয়েল পালন সম্পর্কে জানতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকাতে অথবা নিকটস্থ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস (প্রাক্তন উপজেলা পশু সম্পদ অফিস)এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে আপনার কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনি সম্ভবত:ঢেড়শ গাছের সমস্য বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। সাধারণত মোজাইক ভাইরাস দ্বারা গাছ আক্রান্ত হলে পাতা হলুদ হয়ে যায় এবং কুচকে যায়। এ রকম হলে বাহক পোকাকে দমন করতে প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি লিটার ম্যালাথিয়ন/সুমিথিয়ন মিশিয়ে ১০-১৫ দিন পর পর স্প্রে করতে হবে। এ ছাড়া আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলে মাটিতে পুতে ফেলতে হবে। বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। চারা লাগানোর তিন সপ্তাহ আগে প্রতি হেক্টরে (প্রায় আড়াই একর) আধা পঁচা মুরগীর বিষ্ঠা ৫-১০ টন অথবা সরিষার খৈল ৩০০-৫০০ কেজি প্রয়োগ করে জমিতে পঁচালে কৃমিজনিত রোগ (রুটনট নেমাটোড)দমন করা যায়। এ ছাড়া ফুরাডান (কার্বোফুরান) প্রতি হেক্টর জমিতে ২৫ কেজি হারে ব্যবহার করে কৃমি রোগ সহজে দমন করা যায়।

wrote...

আপনার প্রশ্নটি আরেকটু সুস্পষ্ট হলে ভাল হতো। গাছের পাতা হলুদ নানা কারণে হতে পারে। যেমন-সুষম সারের অভাব, মাটিতে রসের অভাব এবঙ রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ ইত্যাদি। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে পেপে চাষের কিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে আশাকরি সেখান থেকে আপনার প্রশ্নের উত্তর পাবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

wrote...

এ জন্য সবচেয়ে ভাল হলো একজন মৎস্য বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নেয়া। আপনি আপনার কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। সেখান থেকে কই মাছ চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকেই দেওয়া হয়ে থাকে। উপজেলা কৃষি অফিস-এ কৃষি প্রযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নির্দিষ্ট সময়ে সময়ে প্রদান করা হয়ে থাকে। আপনি এ ব্যাপারে আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন। তাছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

দু:খিত এ বিষয়ের তথ্য আমাদের কাছে এ মূহুর্তে নেই। তথ্যটি পেলে সহসাই আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

জিডিপি'তে কৃষি খাতের অবদান ২৩.৮৭ ভাগ (বিবিএস, ২০০৮)। ধানের মৌসুম ভিত্তিক ফলন জানতে নিচের লিঙকটিতে ক্লিক করুন। http://www.moa.gov.bd/statistics/Table3.01CY.htm আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সুষম সারের অভাব, মাটিতে রসের ঘাটতি, রোগ-বালাই এর আক্রমণ বিভিন্ন কারণে ফল ঝরে পড়ে। আম চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন জানতে আমাদের ওয়েবসাইটের ফল ফসলে ক্লিক করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। হাস-মুরগীর বিভিন্ন রোগবালাই এবং পালন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (প্রাক্তন উপজেলা পশু সম্পদ অফিস) এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রবাসে থেকেও আমাদের এই ওয়েবসাইটটি আপনি দেখছেন এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার পরামর্শটি খুব ভাল। তবে জিআইএফ ফরম্যাটে আপলোড এবং ডাউনলোড সহজে করা যায় বলে ফাইলগুলোকে জিআইএফ ফরম্যাটে রাখা হয়েছে। তবে রেজুলেশন যাতে ঠিক থাকে সেজন্য পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনার চাহিত ফোল্ডারটি পেতে আপনার ইমেইল ঠিকানাটি আমাদেরকে জানান। আমরা পাঠিয়ে দিতে চেষ্টা করব। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মতামতের জন্য।

wrote...

কৃষক টিভি পরীক্ষামূলকভাবে সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এটি একটি অন লাইন টিভি চ্যানেল। তবে পূর্ণাংগভাবে এটি সম্প্রচার করার জন্য চেষ্টা চলছে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনি লিচুর মাকড় সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। এখানে এ পোকা সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হলো। লিচু গাছের পাতা, ফুল ও ফলে এর আক্রমণ দেখা যায়। এর আক্রমণে আক্রান্ত পাতা কুঁকড়িয়ে যায় এবং পাতার নীচের দিক লাল মখমলের মত হয়। পরবর্তীতে পাতা দুর্বল হয়ে মরে যায় এবং ডালে ফুল, ফল বা নতুন পাতা হয় না। আক্রান্ত ফুলে ফল হয় না। ব্যবস্থাপনা: আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলা। ইথিয়ন ৪৬.৫ তরল বা নিউরণ ৫০০ তরল ২ মি.লি হারে প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে আক্রান্ত গাছে ভালভাবে সেপ্র করা। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

মাটি পরীক্ষা করা ছাড়া সঠিকভাবে মাটির পিএইচ জানা সম্ভব না। আর ভাল ফলন পেতে শুধু পিইচ বা অম্লত্ত বা ক্ষারত্ব পরীক্ষা নয়, দরকার উপস্থিত পুষ্টি উপাদানের পরিমান জানা। অর্থাৎ, মাটির পূর্ণাংগ পরীক্ষা করলেই জানা সম্ভব ঐ মাটিতে কোন ফসল ভাল হবে বা কি পরিমান পুষ্টি দরকার হবে। ঢাকা মহানগরীতে তেজগাও, গুলশান, মো:পুর ও মিরপুর এ মেট্রোপলিটন কৃষি অফিস আছে। আপনি সেখানে যোগাযোগ করতে পারেন। এ ছাড়া উপ-পরিচালকের কার্যালয়,ঢাকা জেলা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫ তেও যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউট,কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫ তে যোগাযোগ করে মাটি পরীক্ষার বিষয়ে জানতে পারবেন। আপনি কৃষি বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর কোথায় পাবেন জানতে চেয়েছেন। কৃষি একটি বহুমুখী বিষয়। অনেক গুলো ব্রাঞ্চ এর সাথে জড়িত। যেমন-শস্য, মাছ, গবাদী পশু , মাটি ইত্যাদি। প্রত্যেকটির জন্য পৃথক পৃথক সংস্থা জড়িত আছ্ কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি বিষয়ক তথ্য জনগণের কাছে পেৌছে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত আছে। আপনি আমাদের কাছেও আপনার প্রশ্ন রাখতে পারেন। আমাদের ওয়েবসাইট এ কৃষি বিষয়ক নানা তথ্য দেওয়া আছে, আপনি আশাকরি উপকৃত হবেন। ফ্লাশের সমস্যার জন্য আপনি ব্রাউজার হিসাবে মজিলা ব্যবহার করে উপকার পাবেন। আপনার পূর্বের প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যে। তবে ভবিষ্যতে একই প্রশ্নের ভেতর ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন না রেখে আলাদা করে নির্দিষ্টভাবে প্রশ্ন করলে যথাযথ উত্তর প্রদান সহজতর হবে। ফলে অন্যান্য ওয়েবসাইট ভিজিটর রাও সেখান থেকে উপকৃত হতে পারেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

wrote...

পেপে চাষের বিস্তারিত নিয়মাবলী এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে দেওয়া আছে। আশাকরি আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

লীফ কালার চার্ট টি এখনো বিক্রির জন্য সহজলভ্য না। প্রত্যেক উপজেলা কৃষি অফিসে লীফ কালার চার্ট দেওয়া হয়েছে, আপনি ব্যবহারের জন্য আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। কৃষিকথা পত্রিকাটি ডাক যোগে পাওয়া যায়। এ জন্য পত্রিকায় ঠিকানা ও বিস্তারিত নিয়ম দেওয়া আছে, আশাকরি আপনি আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

পরিকল্পিত বাগান করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আপনাকে সাধুবাদ জানাই। তবে আপনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে কর্মরত কোন কর্মকর্তা বা কোন কৃষি বিশেষজ্ঞ এর মতামত নিয়ে কাজটি করলে ভাল হবে। কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকাতে অবস্থিত উপ-পরিচালকের কার্যালয়, ঢাকা অঞ্চল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে নানা ধরণের ফল সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে। আপনি সেখান থেকে তথ্য পেতে পারেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর এ যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আমাদের ওয়েবসাইটটিতে ই-কৃষি অংশে বিভিন্ন ফসল এর চাষ পদ্ধতি, সার, রোগবালাই ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া আছে। আপনি আশাকরি সেখান থেকে আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

দু:খিত এ বিষয়ে তথ্য এ মুহুর্তে আমাদের হাতে নেই। তথ্য পাওয়া সাপেক্ষে আপনাকে জানানো হবে। তবে আপনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং, খামারবাড়ি, ঢাকা-তে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার সুন্দর প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আম ফেটে যাওয়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যেমন, আমের গুটি বাধার পর দীর্ঘসময় বৃষ্টি না হলে অর্থাৎ খরা চলার পর হঠাৎ করে বৃষ্টিপাত হলে আম ফেটে যেতে পারে। এ ছাড়া সুষম সারের অভাব (বিশেষ করে পটাশ বা বোরণ সার), মাটিতে রসের অভাব, রোগ বালাই এর আক্রমণ ইত্যাদি নানা কারণে আম ফেটে যেতে পারে। সুতরাং এ বিষয় গুলোর প্রতি খেয়াল রাখা দরকার। আমাদের এই ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে আম চাষের নিয়মকানুন বিস্তারিতভাবে দেওয়া হয়েছে। আশাকরি আপনি উপকার পাবেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

লিচু চাষের জন্য উন্নত জাতের কলম এর চারা ব্যবহার করুন। সরকারি হর্টিকালচার সেন্টার বা বেসরকারি কোন মান সম্পন্ন নার্সারী থেকে আপনি উন্নত জাতের লিচুর চারা পেতে পারেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে, লিচুর চারা রোপণের সময় অবশ্যই মূল গাছের গোড়ার কিছু মাটি চারা রোপণের গর্তে দিতে হবে। লিচু চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে দেওয়া আছে। আশাকরি আপনি উপকৃত হবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

কুমড়া জাতীয় ফসলে মাছি পোকার আক্রমণে এমনটি হয়ে থাকে। এ জন্য আপনি বিষটোপ ফাদ ব্যবহার করতে পারেন। কুমড়া জাতীয় ফসলে মাছি পোকা দমনে বিষটোপ ফাঁদ অত্যন্ত কার্যকরী একটি পদ্ধতি। এ জন্য ১০০ গ্রাম পাকা মিষ্টি কুমড়া কুচিকুচি করে কেটে তা থেতলিয়ে ১ গ্রাম কার্বারিল জাতীয় কীটনাশক এবং ১০০ মিলিলিটার পানি মিশিয়ে ছোট একটি মাটির পাত্রে রেখে তিনটি খুটির সাহায্যে এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যাতে বিষটোপের পাত্রটি ফুলের কাছাকাছি থাকে। বিষটোপ তৈরির পরে ৩-৪ দিন ব্যবহার করে তা ফেলে দিয়ে আবার নতুন করে বিষটোপ তৈরি করতে হয়। এ পদ্ধতিতে একদিকে যেমন পরিবেশ সম্মত তেমনি আবাদে লাভও হয়। এ ছাড়া সেক্স ফেরোমন ফাদ দিয়েও কার্যকরভাবে মাছি পোকা দমন করা যায়। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনি যে ছবি তুলেছেন সেটি ইমেইল এ পাঠিয়ে দিন। ইমেইল: dirais@ais.gov.bd ছবি দেখে আপনার সমাধান দেওয়া সহজতর হবে। পাতার উপরের দিক এবং নিচের দিক অর্থাৎ দুই দিকের ছবিই পাঠালে ভাল হয়। আপনার ছবি পেলে দ্রুততম সময়ে উত্তর দেওয়া হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

সাধারণত গাছের গোড়া বেশি স্যাতসেতে থাকলে এরকম হতে পারে। আপনি গাছের ডালপালা ছেটে দিন। গোড়ার মাটি আলগা করে দিয়ে আলো বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করে দিন। এ ছাড়া বর্ষার আগে ও পরে দুই দফা সার প্রয়োগ করতে হয়। গাছের গোড়ার চারিদিকে রিং করে ১০০ গ্রাম করে ইউরিয়া, টিএসপি এবং এমওপি সার এবং সেইসাথে যথেষ্ট পরিমানে পচা গোবর সার প্রয়োগ করুন। রোগ-বালাই এর আত্রমণ হয়ে থাকলে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস বা কোন কৃষি বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ মোতাবেক বালাইনাশক প্রয়োগ করুন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

এ বিষয়ে আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের সবজি ফসল/ফল ফসলে বিস্তারিত বলা হয়েছে। আশাকরি আপনি সেখান থেকে উত্তর পেয়ে যাবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

বিনা ধান-৭ আমন মৌসুমের একটি উচ্চ ফলনশীল ধান। গড় ফলন প্রতি হেক্টরে ৫.০ টন। জীবনকাল ১১৫-১২০ দিন। চাল সরু ও লম্বা এ জাত চাষ করে সহজেই রবিশস্য চাষ করা যায় এবঙ মঙ্গা মোকাবেলায় খুবই কার্যকর। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

সুর্যের আলো কম পায় এবং স্যাতসেতে এমন জায়গায় কচু সবচেয়ে ভাল জন্মে। লতিরাজ কচু, মৌলভী কচু ইত্যাদি কচু চাষ করা যেতে পারে। কচু চাষের নিয়মকানুন এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের কন্দাল ফসলে দেওয়া আছে। অন্যান্য প্রশ্নগুলো সুস্পষ্ট নয় বিধায় উত্তর দেওয়া সম্ভব হলো না। দয়া করে নির্দিষ্ট করে প্রশ্ন জানাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

কোয়েল পাখির চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (সাবেক উপজেলা পশু সম্পদ অফিস) অথবা প্রানি সম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকা-এ যোগাযোগ করতে পারেন। সেখানকার বিশেষজ্ঞরা আপনাকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন। ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য।

wrote...

ফাইটপথোরা ইনফেসটেনস নামক ছত্রাকের আক্রমনে এ রোগ হয়ে থাকে। আলুর নাবী ধ্বসাকে আলুর মড়ক বলে। ফাইটপথোরা ইনফেসটেনস নামক ছত্রাকের আক্রমনে এ রোগ হয়ে থাকে। প্রথমে পাতা, ডগা, ও কান্ডে কিছু অংশ ঘিরে ফেলে। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকলে ২-৩ দিনের মধ্যে জমির অধিকাংশ ফসল আক্রান্ত হয়ে পড়ে। ভোরের দিকে আক্রান্ত পাতার নিচে সাদা পাউডারের মত ছত্রাক চোখে পড়ে। আক্রান্ত ক্ষেতে পোড়া-পোড়া গন্ধ পাওয়া যায় এবং মনে হয় যেন জমির ফসল পুড়ে গেছে । এ জন্য রোগমুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে। আক্রান্ত জমিতে সেচ যথা সম্ভব বন্ধ করে দিতে হবে। রোগ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে রিডোমিল (০.২%), ডাইথেন এম-৪৫ (০.২%) ইত্যাদি অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ১০-১২ দিন পর পর সেপ্র করতে হবে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

লাক্ষা বাংলাদেশের একটি লাভজনক অর্থকরী ফসল। সারা দেশের আবহাওয়া লাক্ষা চাষের উপযোগি। বর্তমানে বাংলাদেশে সারা বছরে প্রায় ৩০০ হেক্টর জমিতে লাক্ষা চাষ হয়। এ পরিমাণ জমি থেকে মাত্র ১৮০ টনের মতো ছাড়ানো লাক্ষা উৎপাদিত হয়। কিন্তু বাংলাদেশে লাক্ষার চাহিদা প্রায় ১২০০ টনের বেশি। বিশ্ব্ব বাজারে লাক্ষার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে লাক্ষার বিভিন্নমুখী ব্যবহার এ চাহিদার মূল কারণ। লাক্ষা চাষ সমপ্রসারণ করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি প্রান্তিক ও ভূমিহীন চাষিদের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব। লাক্ষাকীটের পোষক গাছ কুলগাছে কুল উৎপাদনের পাশাপাশি লাক্ষা চাষ করা যায়। বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে তিনহাজার জমিতে কুল চাষ হয়। মোট উৎপাদন প্রায় তের হাজার টন এবং হেক্টর প্রতি ফলন প্রায় ৩.৫ টন। কুল গাছে লাক্ষা চাষ করলে যদিও কুলের ফলন শতকরা ১০ থেকে ২০ ভাগ কম হয়। তবুও কুলের চেয়ে কুল ও লাক্ষার চাষ একত্রে অধিক লাভজনক। কুলছাড়াও শিরিস, বট, পাকুর, পলাশ, পলাশ, খয়ের, বাবলা, ডুমুর, অড়হর, কসুম এসব গাছেও লাক্ষা ভালো জন্মে। পোষক গাছ ছাঁটাইকরণ লাক্ষা কীটসমূহ কেবলমাত্র গাছের কচি ডগা বা ডাল হতে রস শোষন করতে পারে সেজন্য যে পোষক গাছে লাক্ষা কীট চাষ করা হবে তার পাতা ও কচি ডগা খাবে তা আগেই ছাঁটাই করা উচিত। শিশু কীট সংক্রমণ ভালো লাক্ষার ফলন কীট সংক্রমণের ওপর অনেকটা নির্ভরশীল। সে কারণে যেসব বিষয়ের প্রতি নজর দিতে হবে। তাহলো- শত্রুকীটমুক্ত; পরিপক্ক ও স্বাস্থ্যকর বীজ লাক্ষা ব্যবহার করা; বীজলাক্ষা গাছ হতে কাটার পর পরই সংক্রমণ করা; সংক্রমণের জন্য সঠিক পরিমাণ বীজলাক্ষা ব্যবহার করা; বীজলাক্ষা সমেত টুকরাটি এমনভাবে শোষক গাছের ডালে বাঁধতে হবে যেন সেটা গাছের ডালের সাথে বেশ ভালোভাবে লেগে থাকে। বীজ লাক্ষাগুলো কচি ডালের যত কাছাকাছি বাঁধা যায় ততই ভালো; বীজলাক্ষা লাগানোর পর শিশু কীটগুলো গাছের কচি ডালে বসে গেলে যতশীঘ্র সম্ভব বীজলাক্ষার টুকরাগুলো সরিয়ে নিতে হবে। কূপ পদ্ধতিতে লাক্ষা চাষ চক্রাকারে লাক্ষা চাষের মাধ্যমে পোষক গাছকে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম দেয়া দরকার। কূপ পদ্ধতির মাধ্যমে একটি এলাকার পোষক গাছসমূহকে তিন বা চারভাগে ভাগ করা হয়। প্রথমত কোনো একটি কূপের সকল গাছে পোকা সংক্রমণ করা হয়। যখন ফসল পরিপক্ক হয় তখন অন্য কূপের গাছ সমূহকে সংক্রমিত করা হয়। এভাবে আগের কূপটির গাছসমূহকে নতুন পাতা ও ডগা বের হওয়ার যথেষ্ট সময় পায় ও সম্পূর্ণ প্রাণশক্তি ফিরে পায়। নতুন ডালে লাক্ষা তৈরি নতুন ডালে অবস্থান নেয়ার পর শিশুকীটগুলো তাদের চুলের মতো লম্বাশুর গাছের বাকলের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয় ও প্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহ করে। ত্বকের নিচে সর্বত্র ছড়িয়ে থাকা এক প্রকার গ্রন্থি থেকে এরা পাতলা উজ্জল রঙের রস নি:সরণ শুরু করে যা লাক্ষা নামে পরিচিত। ফসল কাটা, লাক্ষা ছাড়ানো ও প্রক্রিয়াজাতকরণ লাক্ষা সম্পূর্ণভাবে পরিপক্ক হওয়ার পর কাটা দরকার। জুন-জুলাই মাসে (আষাঢ়) বীজ লাক্ষা লাগালে অক্টো্বর- নভেম্বর কার্তিক) মাসে ফসল সংগ্রহের সময় হয়। অক্টো্বর- নভেম্বর (কার্তিক) মাসে বীজ লাক্ষা লাগালে এপ্রিল- মে (বৈশাখ) মাসে ফসল সংগ্রহের সময় হয়। পোষক ডাল হতে পরিপক্ক লাক্ষা দা বা কাঁচির সাহায্যে ছাড়াতে হয় যা ছাড়ানো লাক্ষা নামে পরিচিত। ছাড়ানো লাক্ষা প্রক্রিয়াজাত করে চাঁচ, টিকিয়া ও গালা তৈরি করা হয়। একশ কেজি ছাড়ানো লাক্ষা হতে ৬০ কেজি চাঁচ/ টিকিয়া/গালা পাওয়া যায়। লাক্ষার সাথী ফসল কুল,পলাশ, বাবলা, খয়ের কড়ই এসব গাছে সফলতার সাথে লাক্ষা চাষ হয়ে আসছে। পোষক গাছ জমিতে থাকলে সেখানে ছায়া পড়বে। তাই লাক্ষার সাথী ফসল হিসেবে ঐ সমস্ত শস্যকেই বেছে নিতে হবে যেগুলো ছায়াযুক্ত বা আংশিক ছায়াযুক্ত স্থানে ভালো জন্মাতে পারে। লাক্ষা গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা যেসব ফসলকে লাক্ষার উপযোগি সাথী ফসল হিসেবে তাহলো আদা, হলুদ, মুখীকচু, মিষ্টি আলু,ধান, গম এসব। দেশের ভূমিহীন কিংবা প্রন্তিক চাষিরা নিজের এলাকার সরকারি, বেসরকারি সড়ক কিংবা মাঠঘাট প্রান্তরে জন্মানো পোষক গাছে লাক্ষা চাষ করে নিজেদের দারিদ্র্য বিমোচন করতে পারেন। আর বাণিজ্যিক ভিত্তিতে লাক্ষা চাষ হলে দেশও এগিয়ে যেতে পারে অনেকদূর।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমের ফলন বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন সুষম সারের ব্যবহার, প্রয়োজনমতো সেচ এবং দরকার হলে বালাইনাশক প্রয়োগ। তাছাড়া অন্যান্য যত্ন বিশেষ বিশেষ সময়ে করতে হবে। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে আম চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। আশাকরি আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন। সাধারণত আমের 'অলটারনেট বেয়ারিং' অর্থাত এক বছরে বেশি ফল হয় অন্য বছরে হয় না/সামান্য ফল হয়-এই স্বভাবের কারণে এ রকম হয়। তবে আধুনিক উচ্চ ফলনশীল জাতগুলোতে এ সমস্যা সাধারণত দেখা যায় না।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আসলে জনপ্রিয়তা নির্ভর করে ব্যক্তি এবং স্থানের ওপর। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে উদ্ভাবিত বিভিন্ন উফশী জাতের ধান কৃষক সমাজে যথেষ্ঠ সমাদৃত। উল্লেখযোগ্য আমন ধানের জাত গুলো হলো-বিআর ১১, ব্রিধান ৩০, ব্রিধান ৪১ ইত্যাদি।

wrote...

আপনার আগ্রহ এবং উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ। আসলে যেকোন ব্যবসাই লাভজনক হতে পারে, যদি আপনি বিজ্ঞান সম্মতভাবে, পরিকল্পিত উপায়ে এবং সর্বপরি নিষ্ঠার সাথে সম্পাদন করেন। আর এ বিষয়ে আপনাকে সাহায্য সহযোগিতার জন্য উপজেলা কৃষি অফিস/উপজেলা মৎস্য অফিস/উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস আপনাকে বিভিন্নভাবে সেবাদান করতে পারে। আপনি এসব অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বর্তমান সরকার কৃষি ঋণ বিষয়ে অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আপনি আপনার নিকটস্থ কৃষি ব্যাংক বা অন্য কোন তফসীলি ব্যাংক এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার আগ্রহ এবং উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ। আসলে যেকোন ব্যবসাই লাভজনক হতে পারে, যদি আপনি বিজ্ঞান সম্মতভাবে, পরিকল্পিত উপায়ে এবং সর্বপরি নিষ্ঠার সাথে সম্পাদন করেন। আর এ বিষয়ে আপনাকে সাহায্য সহযোগিতার জন্য উপজেলা কৃষি অফিস/উপজেলা মৎস্য অফিস/উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস আপনাকে বিভিন্নভাবে সেবাদান করতে পারে। আপনি এসব অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বর্তমান সরকার কৃষি ঋণ বিষয়ে অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আপনি আপনার নিকটস্থ কৃষি ব্যাংক বা অন্য কোন তফসীলি ব্যাংক এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার আগ্রহ এবং উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ। আসলে যেকোন ব্যবসাই লাভজনক হতে পারে, যদি আপনি বিজ্ঞান সম্মতভাবে, পরিকল্পিত উপায়ে এবং সর্বপরি নিষ্ঠার সাথে সম্পাদন করেন। আর এ বিষয়ে আপনাকে সাহায্য সহযোগিতার জন্য উপজেলা কৃষি অফিস/উপজেলা মৎস্য অফিস/উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস আপনাকে বিভিন্নভাবে সেবাদান করতে পারে। আপনি এসব অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বর্তমান সরকার কৃষি ঋণ বিষয়ে অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আপনি আপনার নিকটস্থ কৃষি ব্যাংক বা অন্য কোন তফসীলি ব্যাংক এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্রের জন্য ধন্যবাদ। জিংক (দস্তা সার) ও ফসফেট সার (টিএসপি সার) একত্রে প্রয়োগ করলে জিঙক ফসফাইট নামক জটিল একটি যৌগ তৈরি হয়। যা গাছ গ্রহণ করতে পারে না। এ জন্য দস্তা সার এবং ফসফেট সার আলাদা আলাদা ভাবে ব্যবহার করতে হয়।

wrote...

আপনার প্রশ্রের জন্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য পাম চাষের বিস্তরিত তথ্য দেওয়া হলো- পামঅয়েল চাষ শুরুর আগে ভাবনা: পামওয়েল গাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে তিন থেকে চার বছর এ সময়ের আগে গাছে কোন ফল ধরবে না। সে কারণে অর্থ উপার্জনের কোন সম্ভাবনাও থাকবে না। শধু এ সময়ে পামওয়েল চাষিকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। কারণ জমি চাস শুরু করে সবধরনের কাজেই অনেক শ্রমিক লাগবে। সে কারণে যখন যে সময় যে কোন অংকের টাকা খরচ করার মানসিকতা থাকতে হবে। কারণ পামওয়েল চাষে যত্ন আত্তিতে এতটুকু অবহেলা করলে তা ভাল পামওয়েল উৎপাদনে সহায়তা করবে না। তাতে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি। পামওয়েল চাষের ধারা: বীজ সংগ্রহ ও চারা উত্তোলন: পরিপক্ক, সুস্থ, সবল পামওয়েল বীজ সংগ্রহ করতে হয়। তবে পামওয়েল বীজের সুপ্ততা ভাঙতে যে ঘরে তাপমাত্রা অনেক বেশি সেখানে ০২ দিন রাখতে হয়। তারপর পলিব্যাগে পামওয়েলের বীজ বপন করলে তা থেকে চারা বের হতে ৯০ থেকে ১০০ দিন লাগবে। একটি কচি চারা পলিব্যাগ বা কনটেইনারে এক নাগাড়ে ৪ থেকে ৫ মাস রাখতে হয়। এরপর ২ থেকে ৪ পাতা হলেই চারাটি নার্সারিতে নিতে হয়। নার্সারিতে চারার বয়স: ছোট্ট একটি চারা নার্সারিতে বসবাস করবে কমপক্ষে ১ বছর । তারপর যখন চারাটিতে ১৫ টি পাতা আসবে তখন সে চারাটি মূলজমিতে লাগানোর উপযোগি হবে। মূল জমিতে চারা লাগানো: মূলজমিতে পামওয়েল চারা লাগানোর পর আবার অপেক্ষার পালা। এক সময় গাছে ফুল আসবে। প্রথমে আসবে পুরুষ ফুল। প্রত্যেকটি পাতার গোড়ায় গোড়ায় আসবে পুরুষ ফুল। কয়েক মাস ধরে গাছে শুধু পুরুষ ফুল ধরবে। তারপর আসে স্ত্রী ফুল। উভয়ের বসবাস আলাদা। এক সময়ে উপযুক্ত মাধ্যমের সাহায্যে পুরুষ ফুল স্ত্রী ফুলকে নিষিক্ত করে। তারপর এ নিষিক্ত স্ত্রী ফুল আস্তে আস্তে ফলের গোছায় পরিণত হয়। পামওয়েলের জাত: বনে জঙ্গলে পামওয়েল গাছ জন্মালেও ভাল জাতের পামওয়েল গাছ সংগ্রহ না করলে সব পরিশ্রমই বৃথা যেতে পারে। চাষাবাদ উপযোগি পামওয়েলের জাতগুলো হলো- দুরা, পিসিফেরা, তেনেরা। এসব জাতের মাঝে তেনেরা জাত থেকে সবচে’ বেশি পামওয়েল তেল সংগ্রহ করা যায়। পামওয়েল ফল থেকে তেল সংগ্রহ: পামওয়েলের জাতের ওপর নির্ভর করে তেল সংগ্রহের হার। তাল, নারকেলের মতো পামওয়েলের ফলও বেশ কয়েকটি অংশে বিভক্ত। এগুলো হলো পাল্প বা শাঁস, বীজ ও কার্নেল। শাঁসের রঙ হলুদ। শাঁস মাড়াই কলে মাড়াই করার পর পাওয়া যায় পামওয়েল তেল। শাঁসের পরের অংশটি হলো খোল বা খোসা। এর ভিতরে থাকে কার্নেল। কার্নেল মাড়াই করে যে তেল পাওয়া যায় তাকে বলা হয় পাম কার্নেল ওয়েল।

wrote...

আপনার জমিতে মাজরা পোকার আক্রমণ হতে পারে। তবে প্রশ্নটি আরেকটি ভালভাবে ব্যাখ্যা করলে উত্তর প্রদান সহজ হতো। সাধারণত মাজরা পোকার কীড়াগুলো কান্ডের ভেতরে থেকে খাওয়া শুরু করে এবং ধীরে ধীরে গাছের ডিগ পাতার গোড়া খেয়ে কেটে ফেলে। ফলে ডিগ পাতা মারা যায়। একে ‘মরা ডিগ’ বা ‘ডেডহার্ট ’ বলে। আপনি দ্রুত কাছের উপজেলা কৃষি অফিস/উপসহকারী কৃষি অফিসার এর পরামর্শ নিন।

wrote...

আপনার জমিতে মাজরা পোকার আক্রমণ হতে পারে। তবে প্রশ্নটি আরেকটি ভালভাবে ব্যাখ্যা করলে উত্তর প্রদান সহজ হতো। সাধারণত মাজরা পোকার কীড়াগুলো কান্ডের ভেতরে থেকে খাওয়া শুরু করে এবং ধীরে ধীরে গাছের ডিগ পাতার গোড়া খেয়ে কেটে ফেলে। ফলে ডিগ পাতা মারা যায়। একে ‘মরা ডিগ’ বা ‘ডেডহার্ট ’ বলে। আপনি দ্রুত কাছের উপজেলা কৃষি অফিস/উপসহকারী কৃষি অফিসার এর পরামর্শ নিন।

wrote...

ভাল ফলন পেতে হলে উপযুক্ত বয়সের চারা রোপণ করা জরুরি। সাধারণভাবে জাত ভেদে আউশে ২০-২৫ দিন, রোপা আমনে ২৫-৩০ দিন এবং বোরাতে ৩৫-৪৫ দিন হওয়া উচিত। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

ভাল ফলনের জন্য সুষম মাত্রায়, সার, সেচ এবঙ দরকার হলে বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে। এ জন্য প্রতি গর্তে ইউরিয়া সার ২২৫ গ্রাম, টিএসপি সার ৯০ গ্রাম, এমওপি সার ১৬০ গ্রাম এবং গোবর ১১ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। তবে বয়স্ক গাছে সারের পরিমান বাড়াতে হয়। এ সার মধ্য মাঘ থেকে মধ্য ফাল্গুন, মধ্য বৈশাক থেকে মধ্য জৈষ্ঠ্য এবং মধ্য আশ্বিন থেকে মধ্য কার্তিক মাসে প্রয়োগ করতে হয়। এ ছাড়া, শুকনা মৌসুমে ২-৩ বার সেচ দিতে হয়। বর্ষার সময় গাছের গোড়ায় যাতে পানি জমে না থাকে সেজন্য পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা দরকার। প্রতি বছর ফল আহরণের পর অবাঞ্ছিত ডারপালা ছাঁটাই করতে হয়। গাছে কোন পোকামাকড় বা রোগ দেখা গেলে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস/উপসকারী কৃষি অফিসারের পরামর্শ নিয়ে বালাইনাশক ব্যবহার করুন।

wrote...

বাঙলাদেশের আবহাওয়াতে আপেল চাষ করা সম্ভব নয়। এখন পর্যন্ত দেশে আপেল চাষের কোন প্রযুক্তি আবিষ্কার হয়নি। তবে আপনি নিশ্চিত হন যে, আপনার চারাটি আপেল চারা কিনা। অনেকে স্টার আপেলকে আপেল চারা বলে ভুল করে থাকেন। স্টার আপেল চাষের নিয়ম জাসতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে ক্লিক করুন।

wrote...

deciphering your problem precisely, it requires to discern some particulars of the tree, like- age of the tree, soil stipulation, whether any pest/disease influx happened or not, whether any fertilizer has been applied or not (If yes, what was the rate), Moisture state of the soil etc. We would be highly delighted if you kindly let us know the above said features, so that we can unravel your problem. Thank You So much for visiting the website.

wrote...

আপনি দ্রুত কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন। আশাকরি সেখান থেকে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ পেয়ে উপকৃত হবেন।

wrote...

wrote...

আক্রমণের ধরণ সুস্পষ্ট করে লিখলে সমস্যার সমাধান প্রদান সহজ হয়। সম্ভবত আপনার জমিতে মাজরা পোকার আক্রমণ হয়েছে। মাজরা পোকার আক্রমণের ধরণ,ক্ষতি,সমাধান ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশের দানাদার ফসলের ধানের পোকামাকড় এ ক্লিক করুন। তবে আপনি কাছের উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিন।

wrote...

আপনার প্রশ্নটি বোঝা যাচ্ছে না, দু:খিত। গাছের নামটি আপনি কি বলেছেন, সেটি বোধগম্য হচ্ছে না। দয়াকরে পুনরায় লিখুন। ধন্যবাদ।

wrote...

সাধারণভাবেই ৭০-৮০ভাগ নারিকেল পরিপক্ক হওয়ার পর ঝড়ে যায়। এজন্য সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। সার প্রয়োগের নিয়ম: রোপণের আগে চারিদিকে ১ মিটার করে গর্ত তৈরি করে নিয়ে প্রতি গর্তে টিএসপি সার ২৫০ গ্রাম, এমওপি সার ৪০০ গ্রাম ও গোবর ১০ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। তবে পূর্ণবয়স্ক গাছের ক্ষেত্রে সারের পরিমান বাড়াতে হবে। প্রতি বছর ১০ কেজি পরিমান গোবর সার প্রয়োগ করতে হয়। সমস্ত সার দুইভাগে প্রয়োগ করতে হয়। এক ভাগ মধ্য বৈশাখ থেকে মধ্য আষাঢ় ও অন্যভাগ মধ্য ভাদ্র থেকে মধ্য কার্তিক মাসে প্রয়োগ করতে হয়। গাছের গোড়া থেকে অন্তত: ১.৭৫ দূরে বৃত্তাকার রিং করে সার প্রয়োগ করতে হয়। গাছে পটাশিয়াম ও বোরণের অভাব হলে ফল ঝরে যেতে পারে। তাই এ সারগুলো দেওয়া দরকার। পাশাপাশি পরিমানমতো সেচ দিতে হবে। এ ছাড়া কোন পোকামাকড় আছে কিনা তাও পরীক্ষা করা দরকার। নারিকেলের উইপোকা ও গন্ডার পোকা একটি মারাত্নক ক্ষতিকারক পোকা।

wrote...

এ জাতীয় একটি প্রশ্নের সমাধান ইতোমধ্যেই দেওয়া হয়েছে। আশাকরি উপকার পাবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

ষুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করুন। প্রতি গাছে ২৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ১২৫ গ্রাম টিএসপি, ১২৫ গ্রাম এমওপি ও ৩০ গ্রাম বোরণ সার গাছের চারিদিকে রিং করে প্রয়োগ করুন। গাছে ম্যালাথিয়ন ৫৭ তরল/লিবাসিড ৫০ তরল/ডায়াজিনন ৬০ তরল ২ মিলি./১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করুন।

wrote...

এ বিষয়ে আপনি নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিস/সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ গ্রহণ করুন।

wrote...

আপনার কুল গাছটি কেন মড়ে যাচ্ছে, সেটি জানতে গেলে কিছু তথ্য দরকার। যেমন, ১. গাছটির বয়স কত? ২. কলমের গাছ কিনা? ৩. রোগ বা পোকামাকড় এর আক্রমণ হয়েছে কিনা বা হয়ে থাকলে ক্ষতির বিবরণ? ৪. সার দেওয়া হয়েছে কিনা? ৫. মাটিতে রসের পরিমান কেমন? ইত্যাদি। এসব তথ্য পেলে আপনার প্রশ্নের সমাধান দেওয়া যাবে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

wrote...

এ মূহুর্তে আপনার তথ্যটি আমাদের কাছে নেই বলে দু:খিত। এ বিষয়ে তথ্য পেলে আপনাকে দ্রুত জানানো হবে। তবে আপনি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকাতে যোগাযোগ করেও তথ্যটি পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

এ মূহুর্তে আপনার তথ্যটি আমাদের কাছে নেই বলে দু:খিত। এ বিষয়ে তথ্য পেলে আপনাকে দ্রুত জানানো হবে। তবে আপনি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকাতে যোগাযোগ করেও তথ্যটি পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

thank u so much for visiting our website. yes, there are many sources of information on onion cultivation. one of the easiest way is, searching in our website. first click on e-krishi, then 'mosla foshol', here u will find onion cultivation. if u have any further question on it, pls let us know. thank u so much once again.

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে মাটিবিহীন পরিবেশে স্ট্রবেরীসহ বিভিন্ন শাকসবজি চাষাবাদ করা যায়। এক্ষেত্রে মাটি ছাড়া পানিতে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান মিশিয়ে গাছের প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান সরবরাহ করা হয়। তবে এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে অর্থাত গ্রীন হাইজ বা শেড হাউজে চাষ করতে হয়। তবে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করার জন্য কিছুটা কারিগরী জ্ঞান দরকার, তাছাড়া পুষ্টি উপাদানগুণো এ মূহুর্তে বাজারে সহজলভ্য নয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে গাজীপুরস্থ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের উদ্যান গবেষণা বিভাগ(ফোন নং ৯২৬১৫০১-৫)এ যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানা যেতে পারে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আশানুরুপ ফলন পেতে সার, সেচ, প্রয়োজনমতো বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে। সারের জন্য উপরি হিসেবে গাছ প্রতি ৪৫০-৫০০ গ্রাম ইউরিয়া এবং ৪৫০-৫০০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের এক মাস পর হতে প্রতি মাসে গাছ প্রতি ৫০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল আসার পর এই মাত্রা দ্বিগুণ করতে হবে। তাছাড়া গাছ প্রতি ২০ গ্রাম বোরণ সার প্রয়োগ অবশ্যই করতে হবে। পাশপাশি মাটিতে রস না থাকলে পানি সেচের ব্যবস্থা করা আবশ্যক। এ ছাড়া গাছে রোগ বালাই দেখা দিলে বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে। আমাদের এই ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে পেপে চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া আছে, আশাকরি সেখান থেকে উপকৃত হবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। ভাল ফলন পেতে হলে পেঁপেতে সময়মত সার প্রয়োগ করতে হবে। উপরি হিসেবে গাছ প্রতি ৪৫০-৫০০ গ্রাম ইউরিয়া এবং ৪৫০-৫০০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের এক মাস পর হতে প্রতি মাসে গাছ প্রতি ৫০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল আসার পর এই মাত্রা দ্বিগুণ করতে হবে। বোরণ সার না দিলে ফল আকাবাকা হয়ে থাকে। তাই প্রতি গাছে ২০ গ্রাম করে বোরণ সার প্রয়োগ করতে হবে। পোকামাকড়ের আক্রমণের ফলেও ফর ঝরে পড়ে বা বিকৃত হয়ে যেতে পারে। এ রকম হলে বালাইনাশক দিতে হবে। মাটিতে রস না থাকলে পানি সেচের ব্যবস্থা করা আবশ্যক। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি প্রয়োজনমতো সার প্রয়োগ করেছেন কিনা তা অবশ্য জানাননি। যাহোক, প্রতি শতকে ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম, টিএসপি ৬০০ গ্রাম, পটাশ ৫০০ গ্রাম, বোরণ সার ৩০ গ্রাম এবং পচা গোবর/কমেপাস্ট সার ২৫-৩০ কেজি প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া ও পটাশ সার সমান তিনভাগে ভাগ করে চারা রোপণের সময় প্রথম ভাগ, ১০-১২ দির পর ২য় ভাগ এবং ৩৫-৪০ দিন পর ৩য় ভাগ প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল আসার আগেই সব সার দিয়ে দেয়া ভালো। এ ছাড়া প্রয়োজনমতো পানিসেচ অবশ্যই দিতে হবে। পাশাপাশি রোগবালাই দেখা দিলে বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া লাউ গাছে হাত পরাগায়ন (পুরুষ ফুল দিয়ে স্স্ত্রী ফুলের গর্ভমুন্ডে, যেটি গর্ভাশয়ের পিছনে পাপড়ির মাঝখানে থাকে) করে ফলন অনেক বাড়ানো যায়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বেশি বৃষ্টির ফলে গোড়ায় যাতে পানি না জমে যায় সে ব্যবস্থা নিতে হবে। গোড়ায় পানি জমলে পানি বের করে দিয়ে মাটি উল্টিয়ে দিয়ে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। গোড়ার মাটি চটা ভেংগে দেয়া খুব দরকার। আগাছা পরিষ্কার করে সার না দেয়া হলে পরিমান মতো সার দিতে হবে। প্রতি শতকে ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম, টিএসপি ৬০০ গ্রাম, পটাশ ৫০০ গ্রাম, বোরণ সার ৩০ গ্রাম এবং পচা গোবর/কমেপাস্ট সার ২৫-৩০ কেজি প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া ও পটাশ সার সমান তিনভাগে ভাগ করে চারা রোপণের সময় প্রথম ভাগ, ১০-১২ দির পর ২য় ভাগ এবং ৩৫-৪০ দিন পর ৩য় ভাগ প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল আসার আগেই সব সার দিয়ে দেয়া ভালো। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে এই স্বল্প পরিসরে বিস্তারিতভাবে আপনাকে এ বিষয়ে তথ্য প্রদান সম্ভব হচ্ছে না বলে আন্তরিকভাবে দু:খিত। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ/প্রশিক্ষণ নিতে আপনি আপনার কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

Thank u so much for visiting our website and produced a technical/academic question. whatever, you must have known that, diffusion can take place anywhere in a liquid or gas and osmosis is a special type of diffusion that must involve a watery substance and a passage through a membrane. However WHY is osmosis and diffusion different in this way? Osmosis is simply a special type of diffusion. It occurs when water molecules pass through a partially permeable membrane. During osmosis, more water molecules pass from the pure water into the dilute solution than pass back the other way. This is because there is a higher concentration of water molecules in the pure water than in the solution. Osmosis is the overall movement of water from a dilute solution to a more concentrated solution through a partially permeable membrane. This is still like diffusion, as the water is moving from a higher concentration of water to a lower concentration of water. thank u so much once again.

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রথমেই জানিয়ে দেই এ পোকার আক্রমণের ধরণ সম্পর্কে। টমেটোর ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণের ফলে টমেটোর গায়ে পুরাতন কালচে বা নতুন ছিদ্র ও পোকার তৈরি সুড়ঙ্গ দেখা যাবে। সুড়ঙ্গে কীড়াসহ পোকার বিষ্ঠা ও পঁচা অংশ নজরে পড়বে। এদের কীড়া সম্পূর্ণ ফল নষ্ট না করে অংশ বিশেষের ক্ষতি করে। এভাবে একটি কীড়া অনেকগুলো ফল নষ্ট করে থাকে। এদের দমনের জন্য যা করতে হবে তা হলো: ১. পাতাসহ আক্রান্ত ফল হাতবাছাই করে মেরে ফেলা দরকার; ২. এক কেজি আধাভাঙ্গা নিমবীজ ১০ লিটার পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে উক্ত পানি স্প্রে করা দরকার; ৩. সেক্স ফেরোমোন ফাদ ব্যবহার করা; ৪. আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে সাইপারমেথ্রিন ৪০ ইসি জাতীয় কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি. পরিমানে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। এবং আমাদের এ ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের সবজি ফসলে লগইন করেও বিস্তারিত জানতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

এজন্য সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। সার প্রয়োগের নিয়ম: রোপণের আগে চারিদিকে ১ মিটার করে গর্ত তৈরি করে নিয়ে প্রতি গর্তে টিএসপি সার ২৫০ গ্রাম, এমওপি সার ৪০০ গ্রাম ও গোবর ১০ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। তবে পূর্ণবয়স্ক গাছের ক্ষেত্রে সারের পরিমান বাড়াতে হবে। প্রতি বছর ১০ কেজি পরিমান গোবর সার প্রয়োগ করতে হয়। সমস্ত সার দুইভাগে প্রয়োগ করতে হয়। এক ভাগ মধ্য বৈশাখ থেকে মধ্য আষাঢ় ও অন্যভাগ মধ্য ভাদ্র থেকে মধ্য কার্তিক মাসে প্রয়োগ করতে হয়। গাছের গোড়া থেকে অন্তত: ১.৭৫ দূরে বৃত্তাকার রিং করে সার প্রয়োগ করতে হয়। গাছে পটাশিয়াম ও বোরণের অভাব হলে ফল ঝরে যেতে পারে। তাই এ সারগুলো দেওয়া দরকার। পাশাপাশি পরিমানমতো সেচ দিতে হবে। এ ছাড়া কোন পোকামাকড় আছে কিনা তাও পরীক্ষা করা দরকার। নারিকেলের উইপোকা ও গন্ডার পোকা একটি মারাত্নক ক্ষতিকারক পোকা।

wrote...

কৃষি তথ্য সার্ভিস ১৯৬১ সনে কৃষি তথ্য সঙস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৫ সনে কৃষি তথ্য সার্ভিস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এর সদন দপ্তর ঢাকা ফার্মগেট খামারবাড়িতে। কৃষি বিষয়ক প্রচার প্রচারণার ক্ষেত্রে এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের ফোকাল পয়েন্ট। কৃষি তথ্য বিস্তারে এ সঙস্থাটি কাজ করে যাচ্ছে।

wrote...

আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা থেকে উদ্ভাবিত হাইব্রিড জাতের ভুট্টা ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি বীজ কোম্পানির নানা জাতের হাইব্রিড ভুট্টার বীজ বাজারে পাওয়া যায়। আপনার জমির ধরণ এবং সেচ সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধার কথা বিবেচনা করে জাত নির্বঅচন করতে হবে। সেজন্য সবচেয়ে ভালো স্থানীয় উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ নেওয়া। ভুট্টা খুবই সম্ভাবনাময় ফসল। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে দানা ফসলে ক্লিক করলে আপনি ভুট্টা চাষের যাবতীয় নিয়মকানুন জানতে পারবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি গাছে আগে কখনো সার দিয়েছেন কিনা তা জানান নি। না দিয়ে থাকলে গাছ প্রতি ১২৫ গ্রাম ইউরিয়া, ২৫০ গ্রাম টিএসপি, ২৫০ গ্রাম পটাশ এবং অবশ্যই ২৫-৩০ গ্রাম বোরণ সার প্রয়োগ করুন। সেই সাথে ১০-১৫ কেজি পচা গোবর সার দিন। গাছের চারিদিকে রিং করে (গোড়া থেকে আনুমানিক ২ হাত দুরে) এই সার গুলো দিতে হবে। মাটিতে পর্যাপ্ত পরিমান সেচ দিন। এ ছাড়া গাছে কোন পোকা বা রোগ আছে কিনা লক্ষ করুন। দেখা গেলে উপজেলা কৃষি অফিস বা কৃষি বিশেষজ্ঞ এর মতামত অনুযায়ী বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি গাছে আগে কখনো সার দিয়েছেন কিনা তা জানান নি। না দিয়ে থাকলে গাছ প্রতি ১২৫ গ্রাম ইউরিয়া, ২৫০ গ্রাম টিএসপি, ২৫০ গ্রাম পটাশ এবং অবশ্যই ২৫-৩০ গ্রাম বোরণ সার প্রয়োগ করুন। সেই সাথে ১০-১৫ কেজি পচা গোবর সার দিন। গাছের চারিদিকে রিং করে (গোড়া থেকে আনুমানিক ২ হাত দুরে) এই সার গুলো দিতে হবে। মাটিতে পর্যাপ্ত পরিমান সেচ দিন। এ ছাড়া গাছে কোন পোকা বা রোগ আছে কিনা লক্ষ করুন। দেখা গেলে উপজেলা কৃষি অফিস বা কৃষি বিশেষজ্ঞ এর মতামত অনুযায়ী বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত পেপে গাছের ক্ষেত্রে শতকরা ১০ ভাগ পুরুষ গাছ থাকা দরকার। তা না হলে পরাগায়ন বাধাগ্রস্থ হয় এবঙ ফল ঝড়ে পরে। তবে এই হার ৭০%, এটি অনেক বেশি। যাহোক, ভাল ফলন পেতে হলে পেঁপেতে সময়মত সার প্রয়োগ করতে হবে। উপরি হিসেবে গাছ প্রতি ৪৫০-৫০০ গ্রাম ইউরিয়া এবং ৪৫০-৫০০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে। সেই সাথে অবশ্যই ২৫-৩০ গ্রাম বোরণ সার প্রয়োগ করা দরকার। চারা রোপণের এক মাস পর হতে প্রতি মাসে গাছ প্রতি ৫০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল আসার পর এই মাত্রা দ্বিগুণ করতে হবে। মাটিতে রস না থাকলে পানি সেচের ব্যবস্থা করা আবশ্যক। খেয়াল রাখতে হবে কোন পোকামাকড় বা রোগবালাই এর আক্রমণ হয়েছে কিনা। হলে কৃষি বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নিতে হবে।

wrote...

আমরা আপনার মেমো নম্বর অনুযায় সন্ধান করে দেখছি। যতশীঘ্রই সম্ভব আপনাকে এ বিষয়ে জানাতে চেষ্টা করবো। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকার কৃষক তথা কৃষির উন্নয়নের জন্য অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে এবং নিচ্ছে। গভীর নলকুপ স্থাপনের মাধ্যমে কৃষকদের পানি সেচে সহায়তা প্রদান, ডিজেলে ভর্তুকি প্রদান ইত্যাদি পদক্ষেপ অন্যতম। তবে ডিপ টিউবয়েল এর মালিকরা যাতে কৃষকদের ঠকাতে বা ক্ষতিগ্রস্থ না করে সেজন্য কিন্ত কৃষক ভাইদেরও এক থাকতে হবে। এ বিষয়ে সমিতির মাধ্যমে আয় ব্যয় এর হিসাব পরিচালনা করা যেতে পারে। তাছাড়া কাছের উপজেলা কৃষি অফিস বা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবঙ নির্বাচিত প্রতিনিধি যারা আছেন তাদের সাথে পরামর্শ করে বিভিন্ন পদক্ষেপ আপনার গ্রহণ করতে পারেন।

wrote...

ভাই রাজু আহমেদ আপনার প্রশ্নের জন্য অনেক ধন্যবাদ। পেপে চাষের নিয়ম আমাদের এই ওয়েবসাইটেই দেওয়া আছে। এ জন্য এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে ক্লিক করুন। সেখানে পেপেসহ বিভিন্ন ফলের চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। আশাকরি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যটি সেখান থেকে পেয়ে যাবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

ভাই দয়া করে আপনি কোন জাতটির চাষ করছেন সেটি জানালে বুঝতে সুবিধা হবে। যদি গাছের অন্যান্য অবস্থা ভাল থাকে এবং দানার পুষ্টতা থাকে,রোগবালাইয়ের এর আক্রমণ না থকে তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সম্ভবত আপনার আলু গাছে কাটুই পোকার আক্রমণ হয়েছে। এখন জানিয়ে দেই এ পোকা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য: কাটুই পোকা গাছের গোড়া কেটে ক্ষতি করে। ডিম ফুটে বের হয়ে কীড়া পাতার বাইরের (ত্বক) অংশ খেয়ে থাকে। পোকা চেনার উপায়: কাটুই পোকা বেশ শক্তিশালী| পোকার উপর পিঠ কালচে বাদামী বর্ণের, পার্শ্বদেশ কালো রেখাযুক্ত এবং বর্ণ ধূসর সবুজ। শরীর নরম ও তৈলাক্ত । ক্ষতির নমুনা: কাটুই পোকা চারা গাছ কেটে দেয় এবং আলুতে ছিদ্র করে আলো ফসলের ক্ষতি করে থাকে। পোকা দিনের বেলায় মাটির নিচে লুকিয়ে থাকে। আলুর কাটা গাছ অনেক সময় কাটা গোড়ার পাশেই পড়ে থাকতে দেখা যায়। ব্যবস্থাপনা: কাটুই পোকার উপদ্রব খুব বেশী না হলে কাটা আলু গাছ দেখে তার কাছাকাছি মাটি উল্টে পাল্টে পোকা খুঁজে সংগ্রহ করে মেরে ফেলা উচিত। আলু ক্ষেতে সেচ দেওয়ার সময় পানির সাথে ২০ মি.লি/শতক হারে কেরোসিন তেল মিশিয়ে দিয়ে মাটিতে লুকিয়ে থাকা কাটুই পোকা মেরে ফেলা যায়। এ ছাড়া পাখিকে উৎসাহিত করার জন্য ক্ষেতের মাঝে বাঁেশর কাঠি বা ডাল পালা পুঁতে রাখা দরকার। কাটুই পোকার উপদ্রব খুব বেশি হলে কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। প্রতি লিটার পানির সাথে ৫ মি.লি ক্লোরোপাইরিফস (ডারসবান) ২০ ইসি হারে মিশিয়ে গাছের গোড়া ও মাটিতে সেপ্র করে ভিজিয়ে দিতে হবে। আলু লাগানোর ৩০-৪০ পর সেপ্র করতে হবে।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গাছগুলোর বয়স কত জানাননি, তাছাড়া এ পর্যন্ত কোন সার দেওয়া হয়েছে কিনা তাও জানাননি। দয়া করে এ বিষয়গুলো জানালে উত্তর দেওয়া সুবিধাজনক হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সীমের ফুল বিভিন্ন কারণে ঝড়ে পড়তে পারে। পোকামাকড় বা রোগবালাইয়ের আক্রমণ হতে পারে, মাটিতে সারের পরিমান কম থাকলে বা প্রয়োজনমতো সেচ না দেওয়া হলেও এমন হতে পারে। সার না দেওয়া হয়ে থাকলে প্রতিটি মাদায় ৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ৫০ গ্রাম টিএসপি, ৫০ গ্রাম এমওপি এবং ২০ গ্রাম বোরণ সার দিতে হবে। এছাড়া প্রয়োজনমতো সেচ দিতে হবে। সীম গাছে জাবপোকা, ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ দেখা যায়। এগুলোর ফলে ফুল/ফল ঝড়ে যায়। এগুলো দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিয়ে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পৃথিবীর অনেকদেশেই জাতীয় বৃক্ষ নির্ধারণ করা আছে। আমাদের দেশেও জাতীয় পশু, জাতীয় ফল, জাতীয় ফুল ইত্যাদি থাকলেও জাতীয় বৃক্ষ নির্ধারিত ছিলনা। বর্তমান সরকার বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে আম গাছ কে জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে নির্ধারণ করেছে। আম ফল হিসেবেই শুধু নয়,গাছ হিসেবেও ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে খুব জনপ্রিয় বৃক্ষ। এছাড়া আমের আদি নিবাসও আমাদের এই উপমহাদেশই। আরেকটি সৌভাগ্যের বিষয় হলো, বাঙলঅদেশ ছাড়া এখন পর্যন্ত কোন দেশই আমকে জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে নির্ধারণ করেনি। সেক্ষেত্রে এটিও একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। আমরা আশাকরি এর ফলে সামনের দিন গুলোতে আম খাওয়ার পাশপাশি আম গাছ রোপণ ও তার পরিচর্যার বিষয়ে আমরা সবাই আরো সচেতন হতে পারবো। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এসব গাছের ভালভাবে বেড়ে ওঠার জন্য প্রতি গাছে ১২৫ গ্রাম ইউরিয়া, ১৫০ গ্রাম টিএসপি ও ১৫০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করতে হবে। এ ছাড়া ১২-১৫ কেজি গোবর সার প্রয়োগ করলে বাড়বাড়তি ভাল হবে। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, গাছের উচ্চতা ৬-৭ ফুট পর্যন্ত মূল কান্ড ছাড়া অন্য কোন শাখা প্রশাখা রাখা যাবে না। তাহলে মূল কান্ডটি লম্বা হবে ও কাঠ ভাল হবে। তবে আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, ইউক্যালিপটাস, একাশিয়া এসব গাছ পরিবেশ বান্ধব নয়। কারণ এ গাছগুলো মাটি থেকে প্রচুর পরিমানে পানি শোষণ করে ফেলে, গোড়ায় মাটি থাকে না বলে মাটি ধরে রাখার ক্ষমতা কম। এ ছাড়া এসব গাছের নীচে অন্যকোন গাছও বৃদ্ধি পায় না এবং মানব স্বাস্থ্যের জন্যও এসব গাছ ক্ষতিকর। তাই এসব গাছের বদলে আম, কাঠাল এ ধরণের ফলের গাছ রোপন করলে একদিকে যেমন ফল পাওয়া যাবে ।ন্যদিকে উন্নত মানের কাঠও পাওয়া যাবে। পরিবেশ ভাল থাকবে, পুষ্টির চাহিদাও মিটবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্ট্রবেরী লাগানোর উপযুক্ত সময় হলো মধ্য অক্টোবর। ছাদে ১২ ইঞ্চি টবে স্ট্রবেরীর চারা লাগানো যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রতিটি টবে ২ টি করে সুস্থ চারা লাগাতে পারেন। টবের মাটিতে ২৫০ গ্রাম মিশ্র সার মিশিয়ে চারা রোপণ করতে হবে। এ ছাড়া ছাদে সিমেন্ট দিয়ে বেড তৈরি করেও চারা রোপণ করা যায়। এ জন্য ১ মিটার প্রশস্ত এবং ১৫-২০ সেমি. উচু বেড তৈরি করতে হবে। প্রতি বেডে ৫০ সেমি. দূরত্বে দুই সারিতে ৫০ সেমি. দূরে দূরে চরা রোপণ করতে হবে। প্রয়োজনমতো সার ও সেচ এর সাথে দিতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি সম্ভবত বোরো ধানের বীজতলায় চারাকে ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষার বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। বীজতলায় চারা থাকা অবস্থায় প্রচন্ড শীত পড়লে রাতের বেলায় বীজতলা পাতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ভোর বেলা হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে বীজতলায় সেচ দিতে হবে এবং পানিটি বের করে দিতে হবে। প্রতিদিন পানি সেচ দিয়ে পানি বের করে নতুন করে সেচ দিতে হবে। এছাড়া আরেকটি বিষয় জেনে রাখবেন, তা হলো- বোরো মৌসুমের ব্রিধান ৩৬ জাতের ধানটি কিন্তু ঠান্ডা সহ্যকারী একটি ধান। বেশি ঠান্ডা পড়লেও এর চারা কম মারা যায়।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কাঁঠালের মুচি ধরার জন্য পরিমানমতো সার প্রয়োগ করা দরকার। গাছের বয়স অনুযায়ী ইউরিয়া সার ১২৫-১৫০ গ্রাম, টিএসপি সার ২০০-২৫০ গ্রাম, এমওপি সার ২০০-২৫০ গ্রাম, বোরণ সার ২০-৩০ গ্রাম এবং গোবর সার/কম্পোস্ট সার ২৫-৩০ কেজি প্রতি গাছে দিতে হবে। এ ছাড়া গাছে প্রয়োজনমতো সেচ দেওয়া, মরা ডালপালা ছেটে দেওয়া, রোগাবালাই হলে অনুমোদিত বালাইনাশক স্প্রে করতে হবে। বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন। http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/134

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সরকার অনুমোদিত বীজ ডিলার এর কাছ থেকে বিএডিসি/অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মানসম্মত বীজ নির্ধারিত মূল্যে কিনতে পারেন। এ ছাড়া আদর্শ কৃষকের কাছ থেকেও ভাল বীজ বা মানসম্মত বীজ সংগ্রহ করতে পারেন। তবে এ বিষয়ে আপনার কাছেল উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে পরামর্শ নিতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সম্ভবত আপনার গাছে ‌'স্টেম বোরার' পোকার আক্রমণ হয়েছে। আপনি একটি চিকন গুণা তার আক্রান্ত স্থানের গর্তে ঢুকিয়ে পোকাকে বের করার চেষ্টা করুন। এরপর আলকাতরা বা শক্ত কিছু দিয়ে গর্তের মুখটি বন্ধ করে দিন। আক্রান্ত স্থানে যদি কষ ঝড়ে, তাহলে ঐ স্থানটুকু ছুরি দিয়ে চেঁছে ফেলুন। তারপর আক্রান্ত স্থানে বোঁর্দো মিক্সচার লাগাতে পারেন। অথবা কপার জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন কুপ্রাভিট স্প্রে করতে পারেন।

wrote...

আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটে স্ট্রবেরী চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া আছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/665.html এই লিংকে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

পাউডারী মিলডিও এক ধরণের ছত্রাক এর আক্রমণে হয়ে থাকে। গাছের পরিত্যক্ত অংশে এবং অন্যান্য পোষক উদ্ভিদে এ রোগের জীবাণু বেঁচে থাকে। এটি বাতাসের মাধ্যমে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। উষ্ণ ও ভিজা আবহাওয়ায় বিশেষকরে মেঘাচ্ছন্ন অবস্থায় এ রোগ দ্রুত বিস্তার লাভ করে। গাছে ফুল দেখা দেখার পর থিওভিট ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম বা টিল্ট ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি.লি মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে। পরবর্তী ১৫ দিন পর পর দুইবার সেপ্র করতে হবে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত আপনার প্রশ্নটি সঠিকভাবে বুঝতে পারছিনা। দয়া করে পুনরায় প্রশ্নটি করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত আপনার প্রশ্নটি সঠিকভাবে বোঝা যায়নি। আপনি কি এআইসিসি ক্লাবটি কিভাবে গঠিত হয় এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন? দয়াকরে জানালে সঠিকভাবে উত্তর দেয়া যাবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের সময় আপনি ডিক্লিয়ার ফর্ম এ যে গাছটি আনছেন তা উল্লেখ করবেন। কর্তৃপক্ষ সেটি পরীক্ষা করে ফাইটোস্যানেটারী সার্টিফিকেট প্রদান করবেন। গাছটি সুস্থ হলে গাছটিতে কোন রোগজীবানু নাই এই মর্মে একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করবেন। এপর সেটি আনতে পারবেন। এ বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর/প্ল্যান্ট কোয়ারেন্টাইন বিভাগ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। নারিকেলের প্রধান প্রধান রোগবালাইগুলো হলো নিম্নরুপ: নারিকেলের উইপোকা: বীজতলায় বীজ নারিকেল অথবা বাগানে চারা লাগানোর পর উইপোকা দ্বারা আক্রান্ত হয়। উইপোকা নারিকেলের খোসা, ভিতরের অংশ এবং গাছেল শিকড় খাওয়ার ফলে আক্রান্ত গাছেল শিকড় খাওয়ার ফলে আক্রান্ত গাছটি বিবর্ণ হয়ে শুকিয়ে মারা যায়। বয়স্ক গাছের কান্ডের উপর দিয়ে সুড়ঙ্গ তৈরি করে উইপোকা পাতা ও মঞ্জরী পর্যন্ত চলে যায়। বেশি আক্রান্ত হলে সমস্ত কান্ড জুড়ে সুড়ঙ্গের সৃষ্টি হয়ে গাছটি মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ব্যবস্থাপনা: ১. বাগান সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। মরা গাছ, গাছের গুড়ি ও অবশিষ্টাংশ সরিয়ে ফেলা। ২. উইপোকার ঢিবি ভেঙ্গে রাণী উইপোকা সংগ্রহ করে মেরে ফেলা। গন্ডার পোকা: এ পোকার আক্রমণে শীর্ষ পাতা শুকিয়ে যায়। পূর্ণ বয়স্ক পোকা গাছের মাথায় আক্রমণ করে ও পত্রকান্ড ছিদ্র করে ঢুকে ভেতরের কোষকলা খেতে পাকে। ব্যবস্থাপনা: বাগান ও গাছের নিচে গোবর বা কম্পোস্টের গাদা রাখতে নেই। ছিদ্রের মধ্যে পেট্রোল/কেরোসিন দিয়ে গর্তের মুখ কাদামাটি বা বর্দোমিক্সচার দিয়ে বন্ধ করে এ পোকা দমন করা যায়। মাইজ মরা রোগ: এটি একটি ছত্রাক জাতীয় রোগ। আক্রান্ত গাছের কেন্দ্রীয় পাতা হলুদ হয়ে নেতিয়ে পড়ে। গাছের অন্যান্য পাতা গুলো ধীরে ধীরে হলুদ হয়ে মরে যায়। গাছের আগা পচে দুর্গন্ধ হয়। ব্যবস্থাপনা: মরা গাছ ধ্বংস করতে হবে। গাছে যাতে রোগ না হয় সেজন্য রিডোমিল জাতীয় ছত্রাকনাশক ০.২% হারে বর্ষা মৌসুমে ১৫ দিন পর পর ৩-৪ বার স্প্রে করতে হবে। ডাব পঁচা রোগ: এটি একটি ছত্রাক জাতীয় রোগ। ছত্রাক আক্রান্ত অপরিপক্ক ফল গাছ থেকে ঝড়ে যায়। ব্যবস্থাপনা: বর্দোমিক্সচার অথবা কুপ্রাভিট (২ গ্রাম/লিটার) স্প্রে করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পাউডারী মিলডিও রোগ এক প্রকার ছত্রাকের জন্য হয়ে থাকে। এ জন্য থিওভিট ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম বা টিল্ট ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি.লি মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে। পরবর্তী ১৫ দিন পর পর দুইবার সেপ্র করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পুরুষ পুষ্পমঞ্জুরী স্বাভাবিকভাবেই কালো হয়ে ঝড়ে পরে। স্ত্রী পুষ্পমঞ্জুরী কিছু ঝড়ে পরতে পারে। তবে যদি বেশি ঝড়ে পরে তাহলে মুচি ধরার আগে ও পরে ১০-১২ দিন পর পর কুপ্রাভিট ২ গ্রাম/লিটার অথবা ডাইথেন এম-৪৫ ছত্রাকনাশক ২.৫ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। ভাল ফলনের জন্য পরিমিত মাত্রায় সার প্রয়োগ দরকার। সাধারণত বসন্তে,বর্ষার আগে এবং বর্ষার পরে এই তিন সময়ে সার প্রয়োগ করা যেতে পারে। পূর্ণ বয়স্ক কমলা গাছের ক্ষেত্রে প্রতি গাছে ৪০০-৫০০ গ্রাম ইউরিয়া, ৩০০-৪০০ গ্রাম টিএসপি, ২৫০-৩০০ গ্রাম এমওপি, ২৫-৩০ গ্রাম বোরণ সার এবং ১০-১৫ কেজি গোবর সার প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া মাটিতে দস্তা বা লোহার পরিমান কম থাকলে সেই সারগুলোও দিতে হবে। এ জন্য মাটি পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সার গুলো দিতে হবে। পাশাপাশি মরা ডালপালা ছাটাই করে দিতে হবে। এবং গাছের গোড়ায় মাঝে মাঝে পানি দিতে হবে। রোগবালাই এর আক্রমণ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ এর মতামত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

wrote...

Thank you so much for asking question. pls let us know in which volume of Krishi kotha you have found slogan? pls let us know detail so that we can send your desired slogan. Thank you once again.

wrote...

wrote...

আনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কোন জাতের ধানের চারা তৈরি করছেন সেটা জানলে ভাল হতো। হঠাৎ লবণাক্ততার কোন বিশেষ কারণ আছে কিনা তাও জানা দরকার। যাহোক,আপনি বীজতলায় প্রচুর পরিমানে সেচ দিন এবং সেচের পানি বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। প্রতিদিন কয়েকবার সেচ দিন এবং সেচের পানি বের করে দিন এতে করে লবণাক্ততা কমে যাবে। প্রয়োজনে সামান্য ইউরিয়া সার ও জিপসাম সার প্রয়োগ করতে পারেন। পাশাপাশি শীতের হাত থেকে বীজতলাকে রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এ বিষয়ে সাহায্য নিতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ সময়ে ছত্রাক জাতীয় রোগের আক্রমণ দেখা দিতে পারে। এ জন্য গাছে মুকুল আসার পর কিন্ত ফুল ফোটার আগে ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট-২৫০ ইসি প্রতি দশলিটার পানিতে ৫ মিলি.হারে মিশিয়ে প্রয়োগ করা দরকার।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। অধিক ঠান্ডার কারণেও এমন হতে পারে। এ জন্য চারা গাছকে শীতের হাত থেকে রক্ষার ব্যবস্থা নিন। রাতের বেলা বীজতলায় পলিথিন বিছিয়ে রাখতে পারেন। তাছাড়া ভোরে ও সন্ধায় হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে সেচ দিতে পারেন। সারের কারণে বীজতলায় চারাগাছ হলদে হয়ে গেলে প্রতি বর্গমিটারে ৭ গ্রাম করে ইউরিয়া সার উপরি-প্রযোগ করলেই চলে। ইউরিয়া প্রয়োগের পর চারা সবুজ না হলে গন্ধকের অভাব হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়। তখন প্রতি বর্গমিটারে ১০ গ্রাম করে জিপসাম সার উপরি-প্রয়োগ করা দরকার। ইউরিয়া সারের উপরি-প্রয়োগের পর বীজতলার পানি নিষ্কাশন করা উচিত নয়।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার এলাকার অনেকেরই এ সমস্যা আছে বলে জানিয়েছেন। সেক্ষেত্রে মাটি পরীক্ষা করে মাটিতে পুষ্টিমান কি অবস্থায় আছে তা জেনে সার প্রয়োগ করা দরকার। কাছের যেকোন উপজেলা কৃষি অফিসে বা মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউট (এসআরডিআই) অফিসে মাটি পরীক্ষা করতে পারেন। তবে সাধারণ হিসেবে সার প্রয়োগের নিয়ম হলো-রোপণের আগে চারিদিকে ১ মিটার করে গর্ত তৈরি করে নিয়ে প্রতি গর্তে টিএসপি সার ২৫০ গ্রাম, এমওপি সার ৪০০ গ্রাম ও গোবর ১০ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। তবে পূর্ণবয়স্ক গাছের ক্ষেত্রে সারের পরিমান বাড়াতে হবে। প্রতি বছর ১০ কেজি পরিমান গোবর সার প্রয়োগ করতে হয়। সমস্ত সার দুইভাগে প্রয়োগ করতে হয়। এক ভাগ মধ্য বৈশাখ থেকে মধ্য আষাঢ় ও অন্যভাগ মধ্য ভাদ্র থেকে মধ্য কার্তিক মাসে প্রয়োগ করতে হয়। গাছের গোড়া থেকে অন্তত ১.৭৫ মিটার দূরে বৃত্তাকার রিং করে সার প্রয়োগ করতে হয়। গাছে পটাশিয়াম ও বোরণের অভাব হলে ফল ঝরে পড়ে। তাছাড়া গাছে পোকা বা রোগের আক্রমণ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ মোতাবেক বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পুরুষ পুষ্পমঞ্জুরী স্বাভাবিকভাবেই কালো হয়ে ঝড়ে পরে। স্ত্রী পুষ্পমঞ্জুরী কিছু ঝড়ে পরতে পারে। তবে যদি বেশি ঝড়ে পরে তাহলে মুচি ধরার আগে ও পরে ১০-১২ দিন পর পর কুপ্রাভিট ২ গ্রাম/লিটার অথবা ডাইথেন এম-৪৫ ছত্রাকনাশক ২.৫ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

wrote...

Thank you so much for visiting our website. We are very sorry to say we are not clear about your question. Do you mean the required nutrient status for crop production? if yes then pls be specify the crop. because there are enormous crops are being cultivated in Bangladesh. anyway, thank you very much once again. pls let us know your specific requirement.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ঝড়ে পড়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। সুষম মাত্রায় সার না দেওয়া হলে বা রোগ-বালাই দেখা দিলে অথবা সেচ এর অভাব হলে ইত্যাদি। আপনি সার ঠিক মতো না দিলে জেনে নিন সারের মাত্রা। ১-২ বছর বয়সের গাছের গাছ প্রতি পচা গোবর ১২ কেজি, টিএসপি সার ২৫০ গ্রাম, এমওপি সার ২৫০ গ্রাম এবং ইউরিয়া সার ৩০০ গ্রাম প্রয়োগ করতে হয়। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে সারের পরিমানও বাড়াতে হবে। এ সারগুলো সারা বছরে ২/৩ কিসি-তে প্রয়োগ করতে হয়। ফল ধরার পর, ফল সংগ্রহের পর ও বর্ষার পর উপরোক্ত সার প্রয়োগ করা ভাল। পাশপাশি জমিতে পর্যাপ্ত সেচ দিতে হবে। শুকনা মৌসুমে বিশেষ করে ফুল ও ফল ধরার সময়ে মাসে ১ বার সেচ দিরে ভাললন পাওয়া যায়। ফল ধরার পর ১৫ দিন পরপর সেচ দিলে আশানুরুপ ফলন পাওয়া যাবে। তাছাড়া গাছের গোড়া ও নালার আগাছা সব সময় পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। চারা গাছের কাঠামো মজবুত রাখার জন্য প্রথম বছরে গাচের গোড়া থেকে ৭৫ সে.মি উঁচু পর্যন্ত কোন ডালপালা রাখা যাবেনা। এর পাশাপাশি মনে রাখতে হবে কুল গাছের বৃদ্ধি ও পরিমিত ফল ধরনের জন্য ডাল ছাঁটাই একটি জরুরি কাজ। ঠিকমতো ছাঁটাই না হলে বাগান নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। শৈত্যপ্রবাহ থেকে বোরো ধানের চারা রক্ষার জন্য রাতে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। এছাড়া রাতের বেলায় ও ভোরে হালকা কসুম গরম পািন বীজতলায় দেয়া যেতে পারে। বীজ তলায় চারা হলুদ হয়ে গেলে প্রতি শতক জমিতে ২৮০ গ্রাম ইউরিয়া সার এবং সালফার ঘাটতি এলাকায় সামান্য পরিমাণে জিপসাম সার প্রয়োগ করতে হবে। শৈত্যপ্রবাহ চলাকালীন সময়ে বোরো ধানের বীজতলায় চারা উত্তোলন না করাই শ্রেয়।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। নারিকেল গাছের বয়স কত? এর আগে কোন সার দিয়েছিলেন কি? অথবা কোন রোগবালাই হয়েছে কিনা-এটা জানা দরকার। আমাদের এই ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশে নারিকেল চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া আছে। আশাকরি আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন। তারপরও কোন প্রশ্ন থাকলে আবার লিখুন দয়াকরে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশে দানা ফসলে ধান চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া আছে। http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/262.html এই লিংকে ক্লিক করুন। বিস্তারিত জনাতে পারবেন আশাকরি। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার চারার বয়স, জমিতে পরিমানমতো সার, সেচ ইত্যাদি দিয়েছেন কিনা জানলে ভাল হতো। অতিরিক্ত শীতে আলু/টমেটোতে নাবী ধ্বসা বা লেট ব্লাইট রোগের আক্রমণ দেখা দিতে পারে। এ রকম হলে বর্দো মিক্সচার বা কপার জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন-কুপ্রাভিট) প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া জাব পোকার আক্রমণ ো বেশি হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিশকাটালীর রস অথবা যে কোন জৈব বালাইনাশক (নিমজাত, তামাকের রস) প্রয়োগ করতে হবে এবং আক্রমনের তীব্রতা খুব বেশি হলে যেকোন অনুমোদিত কীটনাশক সঠিক মাত্রায় সঠিক সময়ে সঠিক পদ্ধতিতে প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজন হলে উপজেলা কৃষি অফিস/ উপসহকারী কৃষি অফিসার বা কৃষি বিশেষজ্ঞ এর মতামত নিন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। রোগের বর্ণনাটি সমাধান দেওয়ার মতো যথেস্ট নয়। যাহোক, আপনি জমিতে সেচ দেওয়া বন্ধ করুন। আক্রান্ত গাছের গোড়ার কিছুটা মাটিসহ তুলে দূরে পুতে ফেলুন। আক্রমণের তীব্রতা খুব বেশি হলে দেরী না করে উপজেলা কৃষি অফিস/ উপসহকারী কৃষি অফিসার বা কৃষি বিশেষজ্ঞ এর মতামত নিন।

wrote...

Thank you very much for visiting the website. we are very sorry to say that your desired information is not available to us right at this moment. we have been looking for, once it is reached, we will try to provide. Meanwhile, you can please contact with Field service wing of Department of Agriculture Extension (DAE), Khamarbari, Dhaka-1215 for this regard.

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। বাংলাদেশ বীরের দেশ। আমাদের কৃষক ভাইয়েরা নানান প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে জয় করে সোনালী ফসল ফলিয়ে আসছেন। বর্তমান সরকারও এ বিষয়ে সর্বোচচ চেষ্ট করে যাচ্ছেন। তাই আশাকরি প্রতি বছরের মতো এবার বোরো মৌসুমেও আমাদের কৃষকেরা বাম্পার ফলন উপহার দিতে সক্ষম হবেন। তবে প্রচন্ড শীতের হাত থেকে বোরো বীজতলা রক্ষার বিষয়ে অবশ্যই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। আমাদের ওয়েবসাইটের প্রথম পাতয় সংবাদ অংশে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2249.html এই লিংকে ক্লিক করে এ ব্যাপারে করণীয় জানতে পারবেন। এ সব নিয়ম কানুন মেনে চললে বোরো বীজতলাকে শীতের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং মূল্যবান চারাও সুরক্ষিত থাকবে। ধন্যবাদ আপনাকে।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। মাটি ছাড়া পানিতে সবজি চাষের পদ্ধতিকে হাইড্রোপনিক চাষাবাদ বলা হয়। এক্ষেত্রে কোনো মাটির প্রয়োজন হয়না। পানিতে বিভিন্ন তরল পুষ্টি উপাদান দেওয়া হয়ে থাকে। তবে শুধু নির্দিষ্ট একটি বা দুইটি উপাদান দেওয়া হয় না। বেশ কিছু উপাদানই এক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। এগুলো বাজারে এখন পর্যন্ত খুব সহজলভ্য নয়। আপনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর এর উদ্যান গবেষণা কেন্দ্র (পিএবিএক্স নং: (০২)৯২৬১৫০১-৫)এ যোগাযোগ করে আরো বিস্তারিত জানতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বারি মসুর-৬ এর জীবনকাল ১০৫-১১০ দিন। এর ফলন ২.২ থেকে ২.৩ টন/হেক্টর হয়ে থাকে।

wrote...

Thank you so much for visiting our website. To protect the boro seed bed from cold injury, we have posted our suggestion on this website. Please click on this link, http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2249.html Thank you so much.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সারের পরিমান নির্ভর করে জাত, মাটিতে পুষ্টির অবস্থা, মাটির গুণাগুণ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর। তাই সাথান এবং জাতের পার্থক্যের কারণে ফসলে সারের পরিমানও ভিন্ন হয়। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের দানা ফসলে ধান চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1478.html এই লিংকে ক্লিক করেও তা জানতে পারবেন। আপনি কোন জাতের আবাদ করবেন আর আপনার জমিতে মাটির পুষ্টি কেমন আছে এসব জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

wrote...

ধন্যবাদ। আম গাছের মুকুল একটি নির্দিষ্ট পরিমান প্রাকৃতিকভাবেই পড়ে যায়। তবে এই ঝরে পড়ার হার অনেক বেশি হলে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রচন্ড শীতের কারণে মুকুল ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। কুয়াশার হাত থেকে মুকুলকে রক্ষার করা গেলে মুকুল ঝড়া এবং এ কারণে ছত্রাকের আক্রমণও কম হয়। এ ছাড়া এ সময়ে ছত্রাক জাতীয় রোগের আক্রমণ দেখা দিতে পারে। এ জন্য গাছে মুকুল আসার পর কিন্ত ফুল ফোটার আগে ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট-২৫০ ইসি প্রতি দশলিটার পানিতে ৫ মিলি.হারে মিশিয়ে প্রয়োগ করা দরকার।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রাকৃতিক নিয়মেই কিছু ফল গাছ থেকে ঝড়ে যেতে পারে। তবে পরিমানে খুব বেশি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। অবশ্য আপনি আপনার গাছের বয়স, রোগবালাই এর আক্রমণ হয়েছে কিনা অথবা অন্য কোন সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট করে লিখেন নাই। যাহোক, পরিমানমতো সুষম সার এবং সেচ দেওয়ার পাশাপাশি গাছে রোগবালাই দেখা দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমাদের এই ওয়েবসাইটে নারিকেল গাছে সারের পরিমান, সেচ, রোগবালাই ইত্যাদি সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/745.html লিংকে ক্লিক করে জানতে পারবেন। সেমতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে পরবর্তীতে দয়া করে আবার লিখুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নটি কিন্ত সুসস্পষ্ট নয়। গাছ মরে যাওয়ার লক্ষণগুলো এবং বয়স ইত্যাদি উল্লেখ করলে প্রশ্নের উত্তর দিতে সুবিধা হতো। যাহোক, প্রচন্ড শীত ও কুয়াশার কারণে আলুতে বিবিধ রোগবালাই এর আক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। এর মধ্যে নাবী ধ্বসা রোগ অন্যতম। এ রোগের লক্ষণগুলো হলো-প্রথমে পাতা, ডগা, ও কান্ডে কিছু অংশ ঘিরে ফেলে। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকলে ২-৩ দিনের মধ্যে জমির অধিকাংশ ফসল আক্রান্ত হয়ে পড়ে। ভোরের দিকে আক্রান্ত পাতার নিচে সাদা পাউডারের মত ছত্রাক চোখে পড়ে। আক্রান্ত ক্ষেতে পোড়া-পোড়া গন্ধ পাওয়া যায় এবং মনে হয় যেন জমির ফসল পুড়ে গেছে । এ থেকে রক্ষা পেতে রোগমুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে। আক্রান্ত জমিতে সেচ যথা সম্ভব বন্ধ করে দিতে হবে। রোগ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে রিডোমিল (০.২%), ডাইথেন এম-৪৫ (০.২%) ইত্যাদি অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ১০-১২ দিন পর পর সেপ্র করতে হবে। আপনি আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিস বা কৃষি বিশেষজ্ঞ এর সাথে এ বিষয়ে পরামর্ম গ্রহণ করতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তিসির তেল সাধারণত ভোজ্য তেল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এটি 'ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল ওয়েল' হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানাই। পরিকল্পিতভাবে একটি খামার গড়ে তুলতে হলে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। তাই আপনি কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (আগের পশু সম্পদ অফিস)এ কর্মকর্তাগণের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। পাশাপাশি সফল খামারীদের সাথে আলাপ করেও অনেক কিছু জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নটি আরেকটু বিস্তারিত হলে উত্তর দিতে সুবিধা হতো। যেমন, চারার বয়স, জাত, সার ব্যবহারের পরিমান, রোগবালাই হয়েছে কিনা, মাটির অবস্থা ইত্যাদি। রোগবালাই এর আক্রমণ না হলে শুধু শুধু কীঠনাশখ বা ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করা মোটেই উচিত নয়। আপনি মাদা করে গাছ লাগিয়ে থাকলে প্রতি মাদায় শুকনা গোবর সার ১০-১২ কেজি, টিএসপি ১০০ গ্রাম, ছাই ২-৩ কেজি এবং বোরণসার ২০ গ্রাম হারে প্রয়োগ করুন। পাশাপাশি গোড়ায় মাটি হালকা করে কুপিয়ে দিয়ে সামান্য সেচ দিন। তবে রোগবালাই হলে বশেষজ্ঞ পরামর্শ নিতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস বা কৃষিকর্মীর পরামর্শ নিন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রাকৃতিক নিয়মেই কিছু ফল গাছ থেকে ঝড়ে যেতে পারে। তবে পরিমানে খুব বেশি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। অবশ্য আপনি আপনার গাছের বয়স, রোগবালাই এর আক্রমণ হয়েছে কিনা অথবা অন্য কোন সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট করে লিখেন নাই। যাহোক, পরিমানমতো সুষম সার এবং সেচ দেওয়ার পাশাপাশি গাছে রোগবালাই দেখা দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমাদের এই ওয়েবসাইটে নারিকেল গাছে সারের পরিমান, সেচ, রোগবালাই ইত্যাদি সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/745.html লিংকে ক্লিক করে জানতে পারবেন। সেমতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে পরবর্তীতে দয়া করে আবার লিখুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রাকৃতিক নিয়মেই গাছ থেকে কিছু ফল ঝড়ে যাবে-এটিই স্বাভাবিক। গাছে পরিমানমতো সার না দিয়ে থাকলে প্রতি গাছে ২৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ৩৫০ গ্রাম টিএসপি, ৩৫০ গ্রাম এমওপি, ৩০ গ্রাম বোরণ সার এবঙ ১৫-২০ কেজি পঁচা গোবর সার দিতে হবে। ফলবান গাছে সাধারণত বছরে দুইবার-একবার বর্ষার আগে আরেকবার বর্ষার পরে সার দিতে হয়। সেইসাথে শুকনার সময় পানি দিতে হবে। ফল পাড়া শেষ হয়ে গেল মরা ডালপালা ছেটে দিতে হবে। গাছে মুকুল আসার পর (কিন্ত ফুল ফোটার সময় নয়)থেকে ২/৩ বার ১০-১২ দিন পর পর ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট ছত্রাক নাশক এবং ম্যালাথিয়ন ধরণের কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। এতে ফল ঝরার পরিমান কমে যাবে। তবে হরমোন স্প্রে করেও অনেকক্ষেত্রে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ঢাকা জেলার সাভারে অবস্থিত মাশরুম উন্নয়ন কেন্দ্র। এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাভূক্ত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি প্রতিষ্ঠান। এই কেন্দ্র থেকে মাশরুম চাষ, বাজারজাতকরণসহ সামগ্রিকভাবে মাশরুম উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরামর্শ, প্রশিক্ষণ ইত্যাদি দেওয়া হয়ে থাকে। এই কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে অনেক চাষী মাশরুম চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। আপনি প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতে মাশরুম উন্নয়ন কেন্দ্র, সাভার, ঢাকা তে যোগাযোগ করতে পারেন। স্ট্রেনদেনিং মাশরুম ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট এর প্রকল্প পরিচালক মহোদয়ের ফোন নং:৭৭৪২৯৬। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গম রোপণ সময়মতো করতে হয়। সাধারণ হিসেবে ডিসেম্বর মাসের ১৫ তারিখ (বাংলায় ১লা পৌষ) এর মধ্যেই গম রোপণ করতে হয়। দেরী হলে ফলন কম হয় পাশাপাশি সমস্যাও হতে থাকে। যাহোক, আপনি কি কি সার দিয়েছেন উল্লেখ করেন নাই। সুষম সার অবশ্যই দিতে হবে। বিশেষ করে অন্যান্য সারের সাথে জিপসাম সার দিতে হবে। আমাদের এই ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশের দানা ফনলে গম চাষে সারের পরিমান ভালভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/892.html এই লিংকে ক্লিক করে জানতে পারবেন।

wrote...

ওয়েবসাইট পরিদর্শন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার অভিযোগটি নিয়ে আপনি আপনার উপজেলা কৃষি অফিসার এর সাথে কথা বলুন। প্রয়োজনে তার সাথে আলাপ করে তার কাছে আপনার অভিযোগ বিষয়ে লিখিত দরখাস্তও দিতে পারেন। তারপরো সন্তষ্ট না হলে আপনি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস এ উধ্বর্তন কর্মকর্তাগণের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ। তবে এ জন্য সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ এর মতামত নিয়ে শুরু করা প্রয়োজন। আপনি আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (আগের উপজেলা পশু সম্পদ অফিস) এ যোগাযোগ করতে পারেন। সেখানে বিশেষজ্ঞবৃন্দ আপনাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করবেন। পাশাপাশি যেকোন সফল খামারীদের সাথেও আলাপ করতে পারেন, খামার পরিদর্শন করতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্ত্রী ফুল থেকে ফল ধরবে, পুরষ ফুল থেকে কিন্ত কোন ফল ধরবে না। তবে পরাগায়নে যাতে করে কোন অনুসবিধা না হয় সেজন্য কীটনাশক ওষুধ বিকেলের দিকে স্প্রে করা দরকার। সুষম মাত্রায় সার ব্যবহার করুন। নিয়মিত গাছের গোড়ায় পানি সেচ দিন। খেয়াল রাখবেন যেন গাছে মাছি পোকার আক্রমণ না দেখা যায়। মাছি পোকার আক্রমণে ফল পচে নষ্ট হয়ে ঝড়ে পড়ে। তাছাড়া স্ত্রী ফুলে পুরষ ফুলের রেণু দিয়ে হাত পরাগায়ন করেও লাভবান হতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধ্যবাদ। এখন লিচুর বিভিন্ন আধুনিক জাতের চাষ হচ্ছে (যেমন, বারি লিচু-২, বারি লিচু-৩ ইত্যাদি। এসব জাত প্রতিবছরই নিয়মিত ফল দিয়ে যায়। তবে গাছে মুকুল আসর সময় বেশি করে পানি দিলে মুকুল না ধরে গাছের বাড়বাড়তিতে সহায়তা করে। সেক্ষেত্রে ফলন খুব কম হয়। তাছাড়া সুষম সারের অভাব অথবা রোগ বালাইয়ের আক্রমণ কম হলেও ফলন কম হতে পারে। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে লিচু চাষের উৎপাদন প্রযুক্তি বর্ণনা করা হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/741.html এই লিংকে যেয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমের মুকুল বিভিন্ন কারণে ঝরে যেতে পারে। ছত্রাকজনিত কারণে আমের মুকুল ঝরে যেতে পারে। এ জন্য আমের মৌসুম শেষে গাছের মরা ডালপালা কেটে পুড়ে ফেলতে হয়। কাটা অংশে বোঁর্দো মিশ্রণ লাগাতে হয়। গাছে মুকুল আসার পর কিন্ত ফুল ফোটার আগে ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট-২৫০ ইসি প্রয়োগ করা দরকার। তাছাড়া আমের হপার পোকার আক্রমণ হলেও মুকুল ঝড়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে রিপকর্ড বা সিমবুশ জাতীয় কীটনাশক ১০ মিলি/১০ লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করলে উপকার পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ। আম চাষের বিস্তারিত নিয়ম জানতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/740.html লিংকে ক্লিক করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমের মুকুল বিভিন্ন কারণে ঝরে যেতে পারে। ছত্রাকজনিত কারণে আমের মুকুল ঝরে যেতে পারে। এ জন্য আমের মৌসুম শেষে গাছের মরা ডালপালা কেটে পুড়ে ফেলতে হয়। কাটা অংশে বোঁর্দো মিশ্রণ লাগাতে হয়। গাছে মুকুল আসার পর কিন্ত ফুল ফোটার আগে ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট-২৫০ ইসি প্রয়োগ করা দরকার। তাছাড়া আমের হপার পোকার আক্রমণ হলেও মুকুল ঝড়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে রিপকর্ড বা সিমবুশ জাতীয় কীটনাশক ১০ মিলি/১০ লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করলে উপকার পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ। আম চাষের বিস্তারিত নিয়ম জানতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/740.html লিংকে ক্লিক করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কি ওয়েব সাইটে বাংলায় প্রশ্নর করার বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন? এ জন্য আপনাকে ইউনিকোড এ লেখা যায় এমন একটি সফটওয়্যার (যেমন অভ্র একটি এরকম সফটওয়্যার)ব্যবহার করতে হবে। এবং এজন্য বাংলা ইউনিকোড ফন্ট (যেমন সোলাইমান লিপি)ইন্সটল করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এখন জানিয়ে দিচ্ছি সহজ উপায়ে কম্পোষ্ট তৈরির নিয়ম: উদ্ভিদ ও প্রাণীর বিভিন্ন উচ্ছিষ্টাংশ ও আবর্জনা পচিয়ে যে জৈব সার প্রস্ত্রত করা হয় তাই কম্পোস্ট। কম্পোস্ট তৈরিতে যে সকল উপাদান ব্যবহ্নহৃত হয় তা হচ্ছে, মরাপাতা, খড়কুটা, আগাছা, কচুড়িপানা, গৃহস্থালীর উচ্ছিষ্টাংশ, যেমন খাওয়ার অণুপযুক্ত খাদ্য, ফলমূল, শাকসবজি ও খাওয়ার পরের উচ্ছিষ্টাংশ, শহুরে আবর্জনা, করাতের গুড়া, চামড়া মিলের আবর্জনা, আঁখ কলের আবর্জনা, চালের গুড়া এসব। শহরের এবং চামড়া মিলের আবর্জনাকে, ভারী ধাতব ও বিষাক্ত পদার্থ হতে মুক্ত করার জন্য ব্যবহারের আগে তা ভালভাবে পরিশোধন করা দরকার। কম্পোস্টে পরিণত করার জন্য এ সকল পদার্থকে একটির উপর আরেকটি স্তরে স্তরে সাজিয়ে রাখতে হবে। প্রতিটি স্তর হবে ২৫-৩০ সেন্টিমিটার পুরু। পুরা স্তুপটি হবে ১.২-২.০ মিটার প্রস্থ এবং ১.৫ মিটার এর চেয়ে উঁচু নয়। আবর্জনার স্তুপে অণুজীবীয় কার্যক্রম তরান্বিত করার লক্ষ্যে প্রতিটি স্তরের মাঝে মাটি বা টাটকা গোবরের পাতলা (৪-৫সেন্টিমিটার) প্রলেপ দিতে হবে। স্তুপের উপরি ভাগও মাটির প্রলেপ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। নিয়মিত বিরতিতে স্তুপটিকে পানি ছিটিয়ে সিক্ত করে রাখতে হবে। পরিপূর্ণ পচন সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য ১.৫-২.০ মাস পর আবর্জনার স্তরগুলিকে উল্টিয়ে নূতন স্তুপ তৈরি করে দিতে হবে। আবহাওয়া ও আবর্জনার ধরন বুঝে কম্পোস্ট তৈরীতে ৪-৬ মাস সময় লেগে থাকে। উচ্চ তাপমাত্রা ও অধিক আর্দ্রতা দ্রুত পচনে সহায়তা করে। অল্প পরিমাণ ইউরিয়া ও টিএসপি প্রয়োগে, খড়কুটা, আখের ছোবড়া, ধানের তুষ এসব ধরণের ধীর পচনশীল কাঁচামাাল পচন তরান্বিত হয়। অণুজীবীয় অণুবীজ ব্যবহারেও পচন তরান্বিত করা যায়। আরেক ধরণের কম্পোস্ট আছে যাকে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেচো কম্পোস্ট বলে। আমাদের এই ওয়েবসাইটের http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2299.html লিংকে যেয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

wrote...

স্টিভিয়া ভেষজ গুণে সমৃদ্ধ একটি মিষ্টি গাছ। বর্তমানে চীনে ব্যাপকভাবে স্টিভিয়ার চাষ হয়ে থাকলেো জাপান বাণিজ্যিকভাবে এর ব্যবহারের দিক থেকে অনেক এগিয়ে। মজার ব্যাপার হলো জাপানে প্রায় ৪০% চিনির চাহিদা মেটানো হয় স্টিভিয়া খেকে। বর্তমানে বাংলাদেশেও এর পরিচিতি বাড়ছে। স্টিভিয়া একটি ভেষজ গাছ। এর উচ্চতা ৬০-৭০ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এর ফুল ছোট, সাদা রঙের হয়ে থাকে। এটি রোদ পছন্দ করে, তবে দিনে ১৩ ঘন্টার রেশি আলো পেলে বাড়বাড়তিতে সমস্যা হয়। স্টিভিয়া গাছের সবুজ পাতাই মূলত কার্যকর মিষ্টি উপাদানের উৎস। স্টিভিয়া এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর মিষ্টতায় কোন ক্যালরী বা শর্করা নেই। এজন্য ডায়বেটিস রোগীরা এটি সহজে ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, ক্লান্তি, পাকস্থলীর সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় এটি উপকার নিয়ে আসে। বাড়ির বারান্দায় বা ছাদে সহজেই টবে বা পলিথিনে এটির চারা রোপণ করা যায় বলে ধীরে ধীরে এর কদরও বাড়ছে। বীজ থেকে নয়, টিস্যু কালচারের মাধ্যমে এর চারা তৈরি করা হয় বলে এখনো ব্যাপকহারে চারা সহজলভ্য নয়। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট,ঈশ্বরদী (ফোন:০৭৩২৬-৬৩৪১৪)এবং ব্র্যাক টিস্যু কালচার গবেষণা কেন্দ্র, গাজীপুর এ যোগাযোগ করে চারা সংগ্রহ করা যেতে পারে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রয়োজনে আপনি আবারো আমাদের ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি মিষ্টি টমেটো বলতে আসলে কি বুঝিয়েছেন তা পরিষ্কার না। প্রকৃতপক্ষে এ নামের কোনো টমেটোর জাত এদেশে এখন পর্যন্ত চাষ হচ্ছে না। তবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে ‌"বারি টমেটো-১১" নামক একটি টমেটোর জাত উদ্ভাবন হয়েছে, যেটির মিষ্টতার পরিমান প্রচলিত অন্যান্য টমেটোর চেয়ে অনেক বেশি। বারি টমেটো-১১ শীতকালিন একটি টমেটো। অক্টোবর মাসে এর চারা তৈরি করে নভেম্বর মাসে এটি জমিতে রোপণ করতে হয়। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ। প্রয়োজনে আপনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর এর উদ্যান ফসল বিভাগে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। নারিকেল গাছের পাতা বিভিন্ন কারণেই শুকিয়ে যেতে পারে। যেমন-গন্ডার পোকার আক্রমণ হলে সবচেয়ে আগার পাতা বা শীর্ষ পাতা শুকিয়ে যায়। কালো মাথাযুক্ত সুয়ো পোকার আক্রমণে আগার পাতা ঝলসে শুকিয়ে যায়। মাইজ মরা রোগের আক্রমণ হলেও পাতা শুকিয়ে নেতিয়ে পড়তে পারে। এজন্য আপনি কাছের উপজেলা কৃষি অফিস বা স্থাণীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে পরামর্শ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কোন বীজ আনতে চাচ্ছেন বা কোন পথে আনতে চাচ্ছেন সেটি অবশ্য উল্লেখ করেন নাই। আপনার আমদানীকৃত বীজটি এদেশে আমদানী করা যাবে কি না এবং এর ফাইটোস্যানিটারী সার্টিফিকেট (রোগবালাইমুক্ত, ক্ষতিকর নয়) সহ অন্যান্য সরকারি অনুমোদন থাকতে হবে। যাহোক, আপনাকে এজন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা এর উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং এর থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

Thank you very much for visiting our website. In our website we have provided detailed information of strawberry. If u want to know that. just go through this link: http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/665.html Thank you once again.

wrote...

Thank you very much for visiting our website. In our website we have provided detailed information of strawberry. If u want to know that. just go through this link: http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/665.html Thank you once again.

wrote...

আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি কৃষিকথা পত্রিকাটি পড়েন-এ জন্য আবারো ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তবে দু:খ প্রকাশ করছি যে, কুয়েতে ডাকযোগে পত্রিকাটি পাঠানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে আপনি আমাদের ওয়েবসাইট থেকেও এ পত্রিকাটি পড়তে পারবেন। কৃষিকথার সংথ্যাগুলো আমরা অনলাইনে আপলোড করে থাকি। তাই ছাপানো পত্রিকার পাশাপাশি এর অনলাইন কপিও এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাঠ করতে পারেন। এ জন্য আপনি আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকামণা বাটনে ক্লিক করুন। অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/krishikotha-12.html লিংকে যেয়ে কৃষিকথা পত্রিকাটি পড়তে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রাকৃতিক নিয়মেই গাছ থেকে কিছু ফল ঝড়ে যাবে-এটিই স্বাভাবিক। গাছে পরিমানমতো সার না দিয়ে থাকলে প্রতি গাছে ২৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ৩৫০ গ্রাম টিএসপি, ৩৫০ গ্রাম এমওপি, ৩০ গ্রাম বোরণ সার এবঙ ১৫-২০ কেজি পঁচা গোবর সার দিতে হবে। ফলবান গাছে সাধারণত বছরে দুইবার-একবার বর্ষার আগে আরেকবার বর্ষার পরে সার দিতে হয়। সেইসাথে শুকনার সময় পানি দিতে হবে। ফল পাড়া শেষ হয়ে গেল মরা ডালপালা ছেটে দিতে হবে। গাছে মুকুল আসার পর (কিন্ত ফুল ফোটার সময় নয়)থেকে ২/৩ বার ১০-১২ দিন পর পর ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট ছত্রাক নাশক এবং ম্যালাথিয়ন ধরণের কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। এতে ফল ঝরার পরিমান কমে যাবে। তবে হরমোন স্প্রে করেও অনেকক্ষেত্রে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন রকম পোকা মরিচ গাছে আক্রমণ করতে পারে। আপনি নির্দিস্ট করে ক্ষতির ধরণ বা চিহ্ন উল্লেখ করলে সমস্যার সমাধান দিতে সুবিধা হতো। যাহোক, আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের মসলা জাতীয় ফসলে ক্লিক করে মরিচসহ বিভিন্ন মসলা ফসলের চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারবেন। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/388.html লিংকে ক্লিক করে মরিচের রোগবালাই সম্পর্কে জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য। আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কৃষি বিষয়ক কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা থাকলে আমরা সেগুলোর উত্তর দিয়ে থাকি। সাধারণত সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের ভেতরই(সাধারণত ২৪-৪৮ ঘন্টা)এর উত্তর দেওয়া হয়ে থাকে। যেকোন সময়েই আপনারা কৃষি বিষয়ক প্রশ্ন করতে পারেন। প্রশ্ন করার কোন নির্দিষ্ট সময় নেই। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাসায় আপনি বড় ড্রামে আঙ্গুর চাষ করতে পারেন। প্রতি ড্রামে ১০০ গ্রাম খৈল, ১০০ গ্রাম হাড়ের গুড়া, ১০০ গ্রাম চুন এবং গোবর সার মিশ্রিত মাটি দিয়ে ড্রাম ভরতে হবে। আঙ্গুর এর চারা তৈরি করে নিয়ে অথবা ভালো চারা সংগ্রহ করে রোপণ করতে হবে। ফেব্রুয়ারী-এপ্রিল চারা/কলম রোপণের উপযুক্ত সময়। আঙ্গুর এর জন্য পটাশ সার খুব গুরত্বপূর্ণ। প্রথম বছর প্রতিটি আঙ্গুর গাছের জন্য ইউরিয়া-১০০ গ্রাম, টিএসপি-১০০ গ্রাম, পটাশ-২৫০ গ্রাম এবং গোবর সার ১৫-২০ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। পাশপাশি ডাল ছাটাই, হরমোন প্রয়োগ, রোগবালাই দমন ইত্যাদি নিয়মিত করতে হবে। আরো বিস্তারিত তথ্যের জন্য কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

wrote...

Thank u so much for visiting the website. To know the steps taken by the present government for agricultural development u please follow the link: http://www.moa.gov.bd/Flood_Damage/Detail_Report.pdf Thank u so much.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। চৈত্রমাস হলুদ লাগানো উপযুক্ত সময়। হলুদ চাষাবাদের নিয়মকানুন আমাদের এই ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছ্ আপনি দয়া করে http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-51.html/false/90 লিংকে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আদা বা হলুদ এগুলো ছায়া সহ্য করতে পারে। তবে দিনের কিছুটা সময় রোদ না পেলে ফলন খারাপ হতে পারে। আপনি গাছের কিছু ডালপালা ছেটে দিন যাতে কিছুটা আলো বাতাস আসতে পারে। ভাল বীজ ব্যবহার কুরন, সুষম মাত্রায় সার দিন এবং অন্যান্য পরিচর্যা ভালভাবে করলে ভাল ফলন পাবেন। আদা চাষের নিয়ম কানুন আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের মলা ফসলে দেওয়া হয়েছে। আশাকরি বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত মাকড়ের আক্রমণে এমনটি হয়ে থাকে। আপনি ভালকরে দেখুন পাতার নীচ দিকে মাকড়ের মতো ছো ছোট পোকা আছে কিনা। থাকলে মাকড়নাশক ব্যবহার করুন। সালফার জাতীয় কীটনাশক ব্যবহার করলেও কিছুটা ফল পাবেন। তবে মাকড়নাশক ব্যবহার করা উত্তম। তকে মাকড় ছাড়াও অন্যান্য কিছু পোকার আক্রমণ হতে পারে। এক্ষেত্রে ম্যালথিয়ন জাতীয় কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সবচেয়ে ভাল হলো আপনি আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে বা উপসহকারী কৃষি অফিসের পরামর্শ গ্রহণ করুন। তারা মাঠ পরিদর্শন করে ভাল করে মতামত দিতে পারবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জিংক বা দস্তা সার ব্যবহার করলে পাতা বেশি হওয়ার কথা না। কারণ পাতা বেশি হয় ইউরিয়া সার ব্যবহার করলে। যাহোক, হয়তো কোন কারণে আপনি ভুল করে ফেলেছেন বেশি দস্তার সার ব্যবহার করে। পরবর্তীতে সাবধানের সাথে সার ব্যবহার করবেন আশাকরি। এ মুহুর্তে খুব বেশি করার আছে বলে মনে হচ্ছে না। তবে আপনি জমি থেকে সব পানি বের করে দিয়ে আবার জমি ২/১দিন শুকনা করে নিন। আবার ভালকরে সেচ দিন। এরকম কয়েকবার করুন। তাহলে অতিরিক্ত দস্তার প্রভাব কিছুটা কমতে পারে। আপনি প্রয়োজনে আপানার কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

wrote...

Thank u very much for visiting our website. We have provided information on coconut in this website. please go this link below: http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/745.html Thank you once again.

wrote...

আপনার উদ্যোগের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনি আপনার পরিকল্পনা বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিস/উপজেলা মৎস্য অফিস/উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস (প্রাক্তন উপজেলা পশুসম্পদ অফিস)এ যোগাযোগ করুন। সেখানকার কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে আগে পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত করে নিন। কারণ সঠিকভাবে সমন্বিত (ফসল, মাছ, পশু ইত্যাদি একসাথে)খামার না করলে আপনি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। সবকিছু ঠিক করার পরে আপনার কাছের যেকোন তফসীলি ব্যাংক যেমন-সোনালী ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক ইত্যাদি ব্যাংকে যোগাযোগ করুন। তারা আপনাকে কৃষি ঋণ এর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আলুর পচন রোগ বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। যেমন-শুকনা পচন, কান্ড পচন, বাদামী পচন ইত্যাদি। আপনি দয়া করে আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের কন্দাল ফসলে ক্লিক করুন। সেখানে আলু চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/364.html এই লিংকে ক্লিক করেও একবারে আলু চাষের নিয়মকানুন সম্পর্কে জানতে পারবেন। সেখানে আলু বিভিন্ন রোগবালাই এর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। আপনি এর প্রতিকার/করণীয় বিষয়েও বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে ইতোমধ্যে দেশব্যাপী ২০টি কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র (এআইসিসি)স্থাপিত হয়েছ্ আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে,এই কেন্দ্রগুলো সর্ব মহলে প্রশংসিত হয়েছে। এরই ধরাবাহিকতায় আরো ৭৫টি এআইসিসি অতি সম্প্রতি স্থাপন করা হয়েছে। কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রগুলো দেশব্যপী বিস্তৃত আইপিএম/আইসিএম ক্লাব থেকে বাছাই করে নেওয়া হয়েছ্ এসব কেন্দ্রগুলোর সদস্যরা সবাই কৃষক-কৃষাণী্। এসব কেন্দ্রে কম্পিউটার,ল্যাপটপ,ইন্টারনেট মডেম, প্রিন্টার, মাল্টিমিডিয়া ইত্যাদি দেওয়া হয়েছে। এবং এসব কৃষকদের হাতে কলমে কম্পিউটার পরিচালনার ওপর সাধারণ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো গ্রাম পর্যায়ে স্থাপিত এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে ঐ এলাকার সকল কৃষকদের আধুনিত তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি তথ্য ও প্রযুক্তি বিস্তারে সহায়তা করা। আমাদের এই ওয়েবসাইটের প্রকাশনা তে ক্লিক করে কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রতে ক্লিক করুন অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1677.html এই লিংক ব্যবহার করে সরাসরি দেখতে পাবেন, বিভিন্ন এআইসিসির নাম ঠিকানা। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

দু:খিত। আপনার প্রশ্নটি বুঝতে পারছি না। দয়া করে একটু ব্যাখ্যা করবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

স্টিভিয়া ভেষজ গুণে সমৃদ্ধ একটি মিষ্টি গাছ। বর্তমানে চীনে ব্যাপকভাবে স্টিভিয়ার চাষ হয়ে থাকলেো জাপান বাণিজ্যিকভাবে এর ব্যবহারের দিক থেকে অনেক এগিয়ে। মজার ব্যাপার হলো জাপানে প্রায় ৪০% চিনির চাহিদা মেটানো হয় স্টিভিয়া খেকে। বর্তমানে বাংলাদেশেও এর পরিচিতি বাড়ছে। স্টিভিয়া একটি ভেষজ গাছ। এর উচ্চতা ৬০-৭০ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এর ফুল ছোট, সাদা রঙের হয়ে থাকে। এটি রোদ পছন্দ করে, তবে দিনে ১৩ ঘন্টার রেশি আলো পেলে বাড়বাড়তিতে সমস্যা হয়। স্টিভিয়া গাছের সবুজ পাতাই মূলত কার্যকর মিষ্টি উপাদানের উৎস। স্টিভিয়া এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর মিষ্টতায় কোন ক্যালরী বা শর্করা নেই। এজন্য ডায়বেটিস রোগীরা এটি সহজে ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, ক্লান্তি, পাকস্থলীর সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় এটি উপকার নিয়ে আসে। বাড়ির বারান্দায় বা ছাদে সহজেই টবে বা পলিথিনে এটির চারা রোপণ করা যায় বলে ধীরে ধীরে এর কদরও বাড়ছে। বীজ থেকে নয়, টিস্যু কালচারের মাধ্যমে এর চারা তৈরি করা হয় বলে এখনো ব্যাপকহারে চারা সহজলভ্য নয়। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট,ঈশ্বরদী (ফোন:০৭৩২৬-৬৩৪১৪)এবং ব্র্যাক টিস্যু কালচার গবেষণা কেন্দ্র, গাজীপুর এ যোগাযোগ করে চারা সংগ্রহ করা যেতে পারে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রয়োজনে আপনি আবারো আমাদের ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার সুন্দর মতামতের জন্য ধন্যবাদ। আপনি দয়া করে, আপনার ঠিকানাটি উল্লেখ করুন। অথবা কোন এলাকা থেকে চারা কিনতে চান, সেটি জানালে ঐ এলাকার কাছের কোন সুবিধাজনক চারা সংগ্রহের স্থানের কথা বলতে পারবো। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনাকে আবারো ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনার দ্রুত উত্তরের প্রেক্ষিতে জানাচ্ছি যে, আপনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীন হর্টিকালচার সেন্টার চাপাইনবাবগঞ্জ (কর্মকর্তার নং-০১৭১৬১২৬১৮৫), হর্টিকালচার সেন্টার, নাটোর (কর্মকর্তার নং-০১৭১১১৯২৮০৬)তে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদেঁর সাথে যোগাযোগ করে জানা গেছে যে, উল্লেখিত নার্সারী গুলোতে তালের চারা পাওয়া যাবে। তবে এজন্য আপনাকে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। তবে আপনার এলাকার কাছাকাছি কোন স্থানে তালের চারা পাওয়া যাবে কিনা সেটি জানাতে হলে দয়া করে আমাকে একটু সময় দিন। সন্ধান পেলে আমি পরবর্তীতে আপনাকে জানানো চেষ্টা করবো। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণ পুরষ ফুলগুলো কিছুদিন পর এমনিতেই ঝড়ে পড়ে। কিছু স্ত্রী ফুলও প্রাকৃতিকভাবেই ঝড়ে পড়তে পারে। তবে যদি বেশি পরিমানে ঝড়তে থাকে তাহলে প্রতিকার গ্রহণ করতে হবে। সাধারণত এক প্রকার ছত্রাকের আক্রমণে ফল কালো হয়ে ঝড়ে যায়। এ রকম হলে ডাইথেন এম ৪৫ অথবা রিডোমিল এম জেড ৭৫, প্রতিলিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম করে মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে। পাশপাশি সুষম মাত্রায় সার দিতে হবে। প্রতি গাছে ইউরিয়া ২৫০ গ্রাম, টিএসপি ২৫০ গ্রাম, পটাশ সার ২৫০ গ্রাম ও বোরণ ৩০ গ্রাম করে গাছের চারিদিকে রিং করে দিন। এ ছাড়া ১৫-২০ কেজি শুকনা গোবর সার দিতে হবে। প্রয়োজনমতো পানিও দিতে হবে। বালি মাটিতে তরমুজ, বাঙি, ফুট্রি, চীনাবাদাম এসবে বেশি ভাল জন্মে। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

thank u so much for visiting the site. you will find detailed information on mango production from this site. you have to go e-krishi first, then go fruit crop and select mango. or, you can use this link for direct access on the page: http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/130 thank you once again.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মিটার হলো কোন জিনিসের দৈর্ঘ্য অর্থাৎ জিনিসটি কতটুক লম্বা তা পরিমাপ করার একক। ১ মিটার=১০০ সেন্টিমিটার=৩.২১ ফুট=৩৯.৩৭ ইঞ্চি। অর্থাৎ, ১ মিটার হলো প্রায় ৩ ফুটের কাছাকাছি। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। হেক্টর হলো জমি পরিমাপের একক। ১ হেক্টর জমি= ২.৪৭ একর (প্রায় ২.৫ একর)। আবার ১ একর=১০০ শতক। বর্তমানে হেক্টর একক দিয়েই জমির পরিমান পরিমাপ করা হয়ে থাকে।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে্ যোগাযোগ করে মাটি পরীক্ষা করে নিন। জমিতে সুষম সার ব্যবহার করতে হবে। তা ছাড়া রো্গ-বালাই হলে অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। আমাদের এই ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে কলা চাষের বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে, সেই মোতাবেক চাষ করলে ভাল ফলন পাবেন আশা করি। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/129 লিংকে ক্লিক করে কলা চাষের নিয়ম সম্পর্কে জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

দয়া করে কতটুকু পরিমান জমিতে কোন জাতের ধান লাগিয়েছেন এই তথ্যটি জানান। তাছাড়া আবাদের কোনো পর্যায়ে মাজরা পোকা বা গোড়া পচা অথবা অন্য কোন রোগবালাই দেখা দিয়েছিল কিনা সেটিও জানান। দ্রুত আপনার উত্তর পাওয়ার প্রেক্ষিতে সমস্যার সমাধান দিতে সুবিধা হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। শীল পড়ার কারণে এমনটি হতে পারে। তবে ছত্রাক জনিত কারণেও এমন ঘটনা হতে পারে। শীল পড়ে পচে গেলে করণীয় তেমন কিছু নেই। তবে ছত্রাক জনিত রোগের ক্ষেত্রে যা করণীয় তা হলো: আমের মৌসুম শেষে গাছের মরা ডালপালা কেটে পুড়ে ফেলতে হয়। কাটা অংশে বোঁর্দো মিশ্রণ লাগাতে হয়। গাছে মুকুল আসার পর কিন্ত ফুল ফোটার আগে ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট-২৫০ ইসি প্রয়োগ করা দরকার। পাশপাশি সুষম সার ও সময়মতো সেচ দেওয়া দরকার হয়।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। দু:খের সাথে জানাচ্ছি এ বিষয়ে তথ্যটি এ মুহুর্তে আমাদের কাছে নেই। তবে সন্ধান করা হচ্ছে, পাওয়া মাত্র আপনাকে জানানো হবে। আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আম গাছের কলমের জন্য প্রধানতঃ জোড় কলম পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আমাদের দেশে ক্লেফ্‌ট ও ভিনিয়ার গ্রাফটিং পদ্ধতি বেশি জনপ্রিয়। কলমের জন্য যে চারা গাছে কলম করা হবে তাকে স্টক গাছ বলে, আর ভাল গুণাগুণ সম্পন্ন অন্য গাছের ডালকে সায়ন বলে। এ জন্য রোগমুক্ত ও পাকা আম হতে ষ্টক চারা তৈরী করে নিয়ে তার উপর ভাল জাতের ডগা বা সায়ন জোড়া দিয়ে এ কলম করা হয়। সাধারণত মে থেকে জুলাই মাস আমের জোড় কলমের জন্য উপযুক্ত সময়। তবে আপনি আপনার কাছের উপজেলা অফিসে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। তাছাড়া ভাল কোন নার্সারী থেকেও প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

Thank you very much for visiting the site. AIS is the organization under the ministry of agriculture, has been involved for dissemination of agro technologies among the farmers using mass media. Besides modern ICT media we do use several traditional means including Mobile Cinema Van. Basically these mobile cinema vans are being utilized by the regional offices of AIS. These regional offices have a schedule for each month, in which date and in which place the van will move and shows the video materials among the farmers. So,utilization of mobile cinema van is still going on. Anyway, thanks for ur kind suggestion/question. Regards.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য এবং আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ। কলম করার কাজটি হাতে নাতে দেখিয়ে না দিলে প্রকৃতপক্ষে বোঝানোটা কঠিন। এজন্য আপনি দয়া করে আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। অফিস থেকে আপনাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শের পাশাপাশি হাতে নাতে কলম করাটাও শিখিয়ে দেবে। তাছাড়া যেকোন ভাল নার্সারী থেকেও এ ব্যাপারে সাহায্য পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য ধন্যবাদ। কিছু ফসলের পোকামাকড়ের ছবি ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে। তবে খুব সহসাই সব গুলো ফসলের পোকামাকড়ের ছবি ওয়েবসাইটে দেওয়ার কাজ চলছে। আপনাকে পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রয়োজন না হলে ফসলে কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করা মোটেই উচিত নয়। সামান্য কিছু রোগবালাই হলে হাতেনাতেই দমন করতে হয়। তবে আক্রমণ খুব বেশি হলেই শুধু বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হয়। তাই অযথা এসব প্রয়োগ করা মোটেই ঠিক না। তিল ফসলে এক ধরণের ছত্রাকের আক্রমণ ঘটে থাকে। এ রোগের আক্রমণে প্রথমে পাতার উপর অসম আকৃতির গাঢ় বাদামী বর্ণের দাগ পড়ে। দাগগুলো ধীরে ধীরে বড় হওয়ার পর অনেকগুলো দাগ একত্রিত হয়ে পাতার অধিকাংশ স্থান দখল করে ফেলে। আক্রমণ বেশী হলে পাতা ঝরে পড়ে। আক্রমণ বেশি হলে রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম রোভরাল-৫০ ডবিৱউ পি অথবা ডাইথেন-এম-৪৫ মিশিয়ে জমিতে ২/৩ বার প্রয়োগ করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত মরিচ গাছে এক ধরণের ছোট মাকড়ের আক্রমণ হলে পাতা কুকড়িয়ে যায়। তাছাড়া ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ ফল ছিদ্র হয়ে যায়, মরিচ ঝড়ে পড়ে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের মসলাজাতীয় ফসলের মরিচ এর ভেতরে পাওয়া যাবে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/388.html ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটের অন্যান্য এর ভেতর অঞ্চলের কৃষি বিষয়ক তথ্য দেওয়া হয়েছে। আপনি দয়া করে http://www.ais.gov.bd/images/resources/Rajshahi.pdf লিংকটি ব্যবহার করতে পারেন। তবে বিস্তারিত তথ্যের জন্য রাজশাহী জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শস্য উৎপাদন বিশেষজ্ঞ (০৭২১-৭৬০৬৬৫) এবং চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শস্য উৎপাদন বিশেষজ্ঞ (০৭৮১-৫৫০৩৫)কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে আলাপ করে আরো বেশি তথ্য জানতে পারবেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ইউরিয়া সার উপরিপ্রয়োগের নিয়ম: ১. কোন জমিতে ১০টির মধ্যে ৬ বা ৬টির বেশি এলসিসি মাপক নম্বর যখনই রোপা ধানে ৩.৫ এবং বোনা ধানে ৩.০ এর কম হবে তখনই ওই জমিতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করুন। ২. ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হলে প্রতিবার উপরিপ্রয়োগে প্রতি ৩৩ শতক জমিতে আমন মৌসুমে ৭.৫ কেজি ও বোরো মৌসুমে ৯ কেজি ইউরিয়া সার প্রয়োগ করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি দয়া করে পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এ কাজটি করবেন। এ জন্য আপনার উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিস (আগের উপজেলা পশুসম্পদ অফিস) এ যোগাযোগ করে পশু বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তাদের সাথে যথাযথভাবে পরামর্শগ্রহণ করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি দয়া করে আরো কিছু তথ্য দিলে উত্তর দিতে সুবিধা হতো। যেমন, কোন জাতের ধান লাগিয়েছেন, কতুটকু জমিতে আবাদ করেছেন, সার কতুটুক ব্যবহার করেছেন, রোগবালাই দেখা দিচ্ছে কিনা ইত্যাদি। এসব তথ্য পেলে উত্তর দিতে সুবিধা হবে। তবে প্রাথমিকভাবে মনে হয়, আপনি প্রয়োজনমতো সার ব্যবহার করেন নাই। না করে থাকলে ইউরিয়া প্রতি শতকে ৫০০ গ্রাম এবং এমওপি ২৫০ গ্রাম ব্যবহার করুন। বিস্তারিত তথ্যের জন্য কাছেল উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

wrote...

আপনি অবিলম্বে আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (আগের উপজেলা পশু সম্পদ অফিসে) যোগাযোগ করুন। কেন মারা যাচ্ছে বা মারা যাওয়ার ধরণ টি কিরকম, মুরিগির বয়স ইত্যাদি না জেনে পরামর্শ দেওয়া কঠিন হবে। তাই আপনি দেরি না করে সেখানকার বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

দয়া করে আপনি প্রশ্নটি একটু বঝিয়ে বলবেন কি? কৃষি বিষয়ক কোন কিছু জানতে আপনি আমাদের কাছে প্রশ্ন লিখতে পারেন। আমরা প্রশ্নের উত্তর গুলো যথাসম্ভব দ্রুত দেওয়ার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। কতগুলো প্রকল্প এ বিষয়ে নেওয়া হয়েছে এটি এই মুহুর্তে বলা যাচ্ছে বলে দু:খিত। আপনার উত্তরটি আমরা সন্ধান করে দেখছি,পাওয়া মাত্র আপনাকে অবহিত করা হবে। সরকার সেচের ক্ষেত্রে ভুগর্ভস্থ পানির চেয়ে ভূউপরিস্থ অর্থাৎ মাটির উপরের পানি ব্যবহারের জন্য গুরুত্ব আরোপ করছে। এ জন্য পানির উৎস যেমন, পুকুর, খাল, বিল, নদী ইত্যাদি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া বৃষ্টির পানি ধরে রেখে সেচ কাজে ব্যবহার, রাবার ড্যামের মাধ্যমে সেচ সুবিধা ইত্যাদির ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সেচেরে পানি সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য পাকা ড্রেনের ব্যবস্থা, ফিতা পাইপ ব্যবহার ইত্যাদি পদ্ধতিগুলো ব্যবহারের ওপরো গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি তথ্য সার্ভিসের ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ প্রযুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এখানে শ্রেণীবিন্যাস করে অর্থাৎ দানা ফসল (এর মধ্যে আছে ধান, ভুট্টা, গম ইত্যাদি), তেল ফসল (এর মধ্যে আছে, চীনাবাদাম, সরিষা, সুর্যমুখী ইত্যাদি) এরকম ফসলের যাবতীয় তথ্য দেওয়া হয়েছে। তারপরও আরো বিস্তারিত কিছু জানার থাকলে আপনি এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রশ্ন করতে পারেন। আমরা যতদ্রুত সম্ভব উত্তর প্রদানের চেষ্টা করবো। পাশাপাশি জাতীয় ই-তথ্যকোষেও আপনি কৃষি বিষয়ক অনেক তথ্য বা কনটেন্ট সম্পর্কে জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত এটি সম্পূর্ণ প্রাশাসনিক বিষয় সম্পর্কিত বিষয় বলে এ মুহুর্তে তথ্যটি আমাদের হাতে নাই। এ বিষয়ে তথ্য পেলে আপনাকে দ্রুততম সময়ে জানানো হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত এটি সম্পূর্ণ প্রাশাসনিক বিষয় সম্পর্কিত বিষয় বলে এ মুহুর্তে তথ্যটি আমাদের হাতে নাই। এ বিষয়ে তথ্য পেলে আপনাকে দ্রুততম সময়ে জানানো হবে।

wrote...

হর্টিকালচার সেন্টার, কুলাউরা, মৌলভিবাজার অফিস এর ফোন নম্বর: ০৮৬২৪-৫৬০৪৯। আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, আকবরপুর,মৌলভিবাজার এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার ইমেইল: cso.akbor@bari.gov.bd এবং উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার ইমেইল: azizul.rars@bari.gov.bd । তাদের মোবাইল নম্বরটি এই মহুর্তে দিতে পারছিনা বলে দু:খিত। পাওয়া মাত্রই আপনাকে জানানো হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার মূল্যবান পরামর্শের জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। ভূলক্রমে এমনটি ঘটেছে। এটি সংশোধন করা হয়েছে। আর লটকনের কনটেন্টটিও ইতোমধ্যে আপলোড করা হয়েছে। আপনার মুল্যবান পরামর্শের জন্য আবারো ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

wrote...

দু:খিত আপনার প্রশ্নটি সঠিকভাবে বুঝতে পারছি না। একাঙ্গী চাষ-বলতে আসলে আপনি কী বুঝিয়েছেন, তা দয়া করে আবার ব্যাখ্যা করলে উত্তর দিতে সুবিধা হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলা কলা এমনিতেই খুব বেশি বড় হয় না। তবে কলার আকার আকৃতি খুব বেশি ছোট হলে এবং কোন সার না দিয়ে থাকলে সুষমমাত্রায় সার প্রয়োগ করুন। এখন জানিয়ে দিচ্ছি কলা গাছে সারের পরিমান: প্রতি গর্তে গোবর ২০ কেজি, টিএসপি সার ৪০০ গ্রাম, ৩০০ গ্রাম এমওপি সার এবং ইউরিয়া সার ৬৫০ গ্রাম প্রয়োগ করতে হয়। সারের ৫০ ভাগ গোবর জমি তৈরির সময় এবং বাকি ৫০ভাগ গর্তে দিতে হয়। এ সময় অর্ধেক ট্রিপি গর্তে প্রয়োগ করা দরকার। রোপণের দেড় থেকে দুই মাস পর ২৫ ভাগ ইউরিয়া, ৫০ ভাগ এমওপি এবং বাকি টিএসপি জমিতে ছিটিয়ে ভালভাবে কুপিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়। এর দুই থেকে আড়াই মাস পর গাছপ্রতি বাকি ৫০ ভাগ ইউরিয়া ও ৫০ ভাগ এমওপি সার প্রয়োগ করা দরকার। ফুল আসার সময় অবশিষ্ট ২৫ ভাগ ইউরিয়া জমিতে ছিটিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়। তাছাড়া রোগবালাই এর আক্রমণ যাতে না হয়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।

wrote...

wrote...

Thank you very much for visiting our website. Actually first of all, it is needed to know how much salinity exists in your soil. It can be easily possible to measure. If you contact with your Upazilla Agriculture Office, they will let you how to collect the soil for soil testing. If it is required they will send the soil sample to SRDI (Soil Resource Development Institute), Dhaka for detailed testing. Most of the vegetables and fruits can not tolerate high soil salinity. So it is very much essential to know how much salinity exists. Anyway, after knowing your soil condition, then it is possible to suggest what crops would be suitable for that particular land. Moreover, you need to talk with a fisheries expert and Livestock expert for the fisheries and Dairy production. If you please let us know the name of your upazilla, we can send you the concerned official’s telephone number. Thank you very much. If you want to know further detail you can write us without any hesitation.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পৃথিবীতে প্রায় ১২০ জাতের কবুতর পাওয়া যায়। বাংলাদেশে প্রায় ২০ প্রকার কবুতর রয়েছে। বাংলাদেশের সর্বত্র এসকল কবুতর রয়েছে। বাংলাদেশের জলবায়ু এবং বিস্তীর্ণ শষ্যক্ষেত্র কবুতর পালনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বাংলাদেশে পালন করা হয় এমন ধরণের কবুতর সম্পর্কে জানতে আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে পশু সম্পদ এ ক্লিক করুন। অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1861.html লিংকে ক্লিক করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কবুতরের খাবার, পানি, বাসস্থান ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে পশু সম্পদ এ ক্লিক করুন। অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1861.html লিংকে ক্লিক করুন। আশাকরি আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যটি পেয়ে যাবেন। তারপরও কোন কিছু জানার দরকার হলে আবারো প্রশ্ন করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। প্রকৃতপক্ষে আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ, মতামত এসব নিয়েই প্রতিনিয়ত এই সাইটটি সমৃদ্ধ হচ্ছে। ওয়েবসাইটের সমৃদ্ধকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া, আমরা বিশ্বাস করি আপনাদের প্রতিনিয়ত মূল্যবান পরামর্শ ও সহযোগিতায় সাইটটির আরো শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে। ই-কৃষি অংশে পশুসম্পদ শব্দটির পরিবর্তে প্রানিসম্পদ শব্দ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত বাংলাদেশী বিভিন্ন জাতের কবুতরের ছবি দেখাতে পারছিনা এজন্য। ইতিপূর্বে কবুতরের চাষ পদ্ধতি, বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন জাত, ইত্যাদি জানানো হয়েছিল। ত