ফাইলস্

  • Image

ছবি

মনত্মব্য

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জুলাই, আগস্ট মাসে বিভিন্ন পাতা জাতীয় সবজি যেমন, লাল শাক, কলমী শাক, ডাঁটা শাক, পুঁই শাক চাষ করা যায়। এছাড়াও ঢেড়স, সীম, বরবটি এসবের চাষ করা যেতে পারে। এসবের পাশাপাশি শীতকালীন সবজির জন্য বীজতলাও তৈরি করা যেতে পারে। বিস্তারিত জানতে এ ওয়েবসাইটির ই-কৃষি অংশের সবজি ফসলে ক্লিক করুন।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। তবে রোগের বিস্তার, আবাদি জমির পরিমান, বিগত মৌসুমে চাষকৃত ফসল, মাটির প্রকৃতি ইত্যাদি বিস্তারিত জানা দরকার। আপনি দয়াকরে এগুলো বিস্তরিত জনাবেন। এ ব্যাপারে নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

ধানের বিভিন্ন রোগবালাই সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের দানা ফসল এ ক্লিক করুন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমের উন্নত জাত সম্পর্কে জানতে এ ওয়েবসাইটির ই-কৃষি অংশের ফল ফসল এ ক্লিক করুন।

wrote...

প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ভূমি ক্রয় সংক্রান্ত নিয়মাবলী জানতে নিকটস্থ উপজেলা ভূমি অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্ন এবং আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ। মৌমাছি চাষ বিষয়ক ভিডিও ক্লিপসসহ প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে কৃষি তথ্য সার্ভিস, খামারবাড়ি, ঢাকা-১২১৫ এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় তথ্যের জন্য নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিস অথবা মৎস্য ভবন, রমনা, ঢাকা-কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আমের চাষাবাদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য এ ওয়েব সাইটটির ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে লগইন করুন। আশাকরি উপকৃত হবেন।

wrote...

প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। এই বিষয়ে আপনার নিকটস্থ পশু সম্পদ অফিসে যোগাযোগ করুন।

wrote...

এ পোকা দমনের জন্য সকাল বেলায় সবজির ক্ষেত পরিদর্শন করে আক্রন্ত চারার নিকটবর্তী মাটি থেকে কীড়া সংগ্রহ করে মেরে ফেলা দরকার। আক্রমণ বেশি হলে সেচ দেয়া দিতে হয়। সেচের পানির সাথে কেরোসিন মিশিয়ে ১০০মি.লি প্রতি শতাংশে দিলে ভাল ফল পাওয়া যায়। জমিতে পাখি বসার জন্য ডাল পুঁতে দেয়া দরকার এবং মাটি আলগা করে দেয়া যেতে পাড়ে।

wrote...

স্ট্রবেরি চাষ স্ট্রবেরি চাষের এলাকা: শীতের দেশে স্ট্রবেরি ভালো হয়। গরমের দেশে গাছ হয় কিন' সহজে ফল হতে চায় না। কিন' গবেষকদের প্রচেষ্টায় এদেশে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু জাতের চাষ হচ্ছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কিছু জেলায় স্ট্রবেরি ফলানো সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে যেসব জেলায় শীত বেশি পড়ে ও বেশিদিন থাকে সেসব এলাকায় স্ট্রবেরি চাষ করা যেতে পারে। পঞ্চগড়, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও এমনকি পাবনা, নাটোরেও চাষ করা যায়। উপযুক্ত মাটি: বেলে দোঁআশ ও মাটিতে প্রচুর জৈব সার প্রয়োগ করে স্ট্রবেরি ফলানো যায়। যেসব জমিতে পানি জমে সেখানে স্ট্রবেরি ফলানো যাবে না। চারা তৈরি: স্ট্রবেরির চারা এখনও তেমন সহজে পাওয়া যায় না। বিশেষ করে কাঙ্ক্ষিত চারা অবশ্যই বিশ্বস- কোনো নার্সারি থেকে সংগ্রহ করা দরকার। স্ট্রবেরি গাছগুলো গুল্ম ও লতা জাতীয় গাছ বলে গাছের গোড়া থেকে বেশ কিছু লম্বা লম্বা লতা মাটির উপর দিয়ে লতিয়ে যায়। মাটির সংস্পর্শে লতার গিট থেকে শিকড় গজায়। শিকড়যুক্ত গিট কেটে নিয়ে মাটিতে পুতে দিলে নতুন চারা তৈরি হবে। অর্ধেক মাটি অর্ধেক গোবর সার মিশিয়ে পলিব্যাগে ভরে একটি করে শিকড়যুক্ত গিটসহ লতা পুঁতে দিতে হয়। এক্ষেত্রে একটি গাছ থেকে ১৮-২০ টি চারা তৈরি করা সম্ভব। জমি তৈরি: জমি ভালভাবে চাষ করে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করে অন-ত ৩০ সেন্টিমিটার গভীর করে জমি চাষ দিতে হবে। যেহেতু স্ট্রবেরি গাছের শিকড় মাটির উপর দিকে থাকে সেজন্য মাটি ঝুরঝুরা করে নির্ধারিত মাত্রায় সার মাটিতে ভালোভাবে মিশিয়ে দতিে হবে। চারা রোপণ: স্ট্রবেরির চারা মধ্যঅক্টোবর থেকে মধ্যডিসেম্বর পর্যন- রোপণ করা যায়। তবে নভেম্বর মাস স্ট্রবেরি চারা রোপণের জন্য সবচে ভাল। জমি তৈরির পর লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব হবে ৫০ সেন্টিমিটার ও প্রতি সারিতে ৩০ সেন্টিমিটার দূরে দূরে স্ট্রবেরির চারা লাগাতে হয়। বৃষ্টি হলে ক্ষেত থেকে অতিরিক্ত পানি সরিয়ে দিতে হবে না হলে গাছ পঁচে যাবে। সার প্রয়োগ ও সেচ: স্ট্রবেরির জন্য দরকার প্রচুর জৈব সার। এজন্য প্রতি একরে ৫০-৬০ কেজি ইউরিয়া সার, ৭০ কেজি টিএসপি সার এবং ৮০ কেজি এমওপি সার প্রয়োগ করতে হবে। এসব সারকে সমান দুভাগে ভাগ করে একভাগ দিতে হয় ফুল আসার একমাস আগে এবং অন্য ভাগ দিতে হবে ফুল ফোটার সময়। ফল ধরা শুরু হলে ২-৩ দিন পর পরই সেচ দিতে হবে। অন্যান্য যত্ন: স্ট্রবেরি গাছে ফুল ধরাতে চাইলে বিশেষ যত্ন নিতে হবে। গাছ লাগানোর পর তার গোড়া থেকে প্রচুর রানার বা কচুর লতির মতো লতা বের হতে থাকে। এগুলো জমি ঢেকে ফেলে। এতে ফলন ভাল হয় না। এসব লতা যাতে কম বের হয় সেজন্য গাছের গোড়ায় খড় বা পলিথিন বিছিয়ে দিতে হয়। পলিথিন সিট ৩০ সেন্টিমিটার পর গোলাকার ছিদ্র করে স্ট্রবেরি গাছের ঝোপকে মুঠো করে ঢুকিয়ে দিতে হয়। বেশি ফলন ও তাড়াতাড়ি ফল পেতে হরমোন গাছ পাতায় সেপ্র করা যেতে পারে। ফল সংগ্রহ ও বিক্রি: কাঁচা ফল যখন হলদে বা লালচে রঙের হতে শুরু করে তখন বুঝা যাবে ফল পাকা শুরু হয়েছে। ফল পুরো পাকলে লাল হয়ে যায়। তবে বিক্রির জন্য ফল পুরো লাল হওয়ার দরকার নেই। সেক্ষেত্রে ফলগুলো শক্ত থাকা অবস'ায় তুলতে হবে। আর ফল তুলতে হবে বোটা সমেত। পরে কাগজের প্যাকেটে করে বাজারজাত করতে হবে। ফল তোলার পর ১০-১২ দিন পর্যন- ভালো থাকে। গড়ে প্রতি গাছে ১৫০-২০০ গ্রাম ফল ধরে। ফলটি এদেশে নতুন তাই ঝুঁকিও বেশি। তবুও মেধা ও বুদ্ধি প্রয়োগ করে স্ট্রবেরি চাষ একদিন লাভজনক ব্যবসায় পরিণত হবে সে কথা বলা যায়।

wrote...

বর্তমানে এ সম্পর্কিত কোন ছবি আমাদের নিকট নাই। অনুগ্রহ করে কৃষি অফিসের সংগে যোগাযোগ করুন। প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। স্ট্রবেরি বিষয়ে এই ওয়েবসাইটির ই-কৃষি অংশের অন্যান্য তে লগইন করুন। স্ট্রবেরি চাষ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর অথবা প্রফেসর ড. মনজুর হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (মোবাইল: ০১৭১৬-২৮৮৩৫৬)এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। আপনার প্রশ্নের উত্তরের জন্য নিকটস্থ উপজেলা পশু সম্পদ অফিস এবং উপজেলা মৎস্য অফিস অথবা পশু সম্পদ অধিদপ্তর, ঢাকা এবং মৎস্য ভবন, রমনা, ঢাকা-তে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

Good

wrote...

sijif dsf jklsdjfljsdlkf

wrote...

কৃষি তথ্য সার্ভিসের বাংলা ওয়েব সাইটে আপনাদের শুভেচ্ছা ও সুস্বাগতম। কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি উন্নয়ন সহায়ক গণযোগাযোগ সংস্থা।কৃষি তথ্য সার্ভিসের বাংলা ওয়েব সাইটে আপনাদের শুভেচ্ছা ও সুস্বাগতম। কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি উন্নয়ন সহায়ক গণযোগাযোগ সংস্থা।

wrote...

কৃষি তথ্য সার্ভিসের বাংলা ওয়েব সাইটে আপনাদের শুভেচ্ছা ও সুস্বাগতম। কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি উন্নয়ন সহায়ক গণযোগাযোগ সংস্থা।কৃষি তথ্য সার্ভিসের বাংলা ওয়েব সাইটে আপনাদের শুভেচ্ছা ও সুস্বাগতম। কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি উন্নয়ন সহায়ক গণযোগাযোগ সংস্থা।কৃষি তথ্য সার্ভিসের বাংলা ওয়েব সাইটে আপনাদের শুভেচ্ছা ও সুস্বাগতম। কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি উন্নয়ন সহায়ক গণযোগাযোগ সংস্থা।কৃষি তথ্য সার্ভিসের বাংলা ওয়েব সাইটে আপনাদের শুভেচ্ছা ও সুস্বাগতম। কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি উন্নয়ন সহায়ক গণযোগাযোগ সংস্থা।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। কৃষিকথা নিয়মিত পেতে চাইলে আপনাকে এই পত্রিকাটির গ্রাহক হতে হবে। এজন্য আপনি কৃষি তথ্য সার্ভিস এর সদর দপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকাতে অথবা কৃষি তথ্য সার্ভিসের আঞ্চলিক অফিসে কিংবা নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ২০০৬-০৭ সালে দেশে বিভিন্ন প্রকারের সারের চাহিদা ছিল ৪৩ লক্ষ ৫৫ হাজার মে.টন। এর মধ্যে আমাদের দেশে উৎপাদিত হয় ২১ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮৬০ মে.টন। মোট সার বিক্রি হয় ৩৫ লক্ষ ৫১ হাজার মে.টন। আর বিদেশ থেকে আমদানী করা হয় ১৪ লক্ষ ৮১ হাজার মে.টন সার।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে জানতে কাছের উপজেলা মৎস্য অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।সাধারনভাবে তামাকে পটাশ সার ব্যবহার করা হয় না, কেননা এতে তামাকের পাতা ঝলসে যায় এবং তামাক সংগ্রহের পর গুদামে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় না। জমি তৈরির শেষ চাষে অথবা চারা গজানোর পর গাছে ৩-৫টি পাতা আসার পর চারার গোড়ায় মাটি উঠিয়ে কেইল করে কেটলের দু’পাশে বিঘাপ্রতি ২ কেজি করে এমওটি সার প্রয়োগ করা যেতে পারে।

wrote...

এ বিষয়ে জানতে আপনার কাছের উপজেলা পশু সম্পদ অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা পশু সম্পদ অধিদপ্তর, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকা-কার্যালয়েও যোগাযোগ করতে পারেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে বিগত ২০০৭-০৮ সালে আলুর মোট উৎপাদন ছিল ৯২ লক্ষ ৩৭ হাজার মে.টন। মোট ৫ লক্ষ ২০ হাজার হেক্টর জমিতে আলুর চাষ করা হয়েছিল। প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আমাদের ওয়েব সাইটে প্রথম পাতায় ই-কৃষিতে মৎস সম্পদ ব্রাউজ করুন।পাঙ্গাস মাছের চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া আছে।

wrote...

Common Name of Products Trade Name of Products Name of Registration Holder Dosage rate/ha 2,4-D Salix SAMP Limited 450 gm/acare Oxadiazon Ronstar 25 EC Bayer CropScience Limited 2.00 Litre Oxadiazon Oxastar 25 EC Shetu Pesticides Limited 2.00 Litre Oxadiazon Longstar 25 EC Sea Trade Fertilizer Limited 2.00 Litre Butachlor Golteer 5G Auto Crop Care Limited 25.00 Litre

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই সাইটরি ই-কৃষি পাতার অধীন সবচি ফসল লিংক-এ সবচির প্রধান প্রধান পোকার দমন দির্নেশনা আছে। অনুগ্রহ করে ব্রাউজ করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আসদের ওয়েব সাইটে প্রথম পাতায় (আর্টিকেল পাঠান)ব্রাউজ করে পাঠিয়েদিন। অনুগ্রহ করে ব্রাউজ করুন।

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার কুল গাছের সমস্যার বিবরণটি আরেকটু বিস্তারিত দিলে ভাল হতো। তবে আপনার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গাছটিতে পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি আছে বলে মনে হচ্ছে। অবশ্য অনেক সময় জাতের বৈশিষ্ট্য এর কারনেও এমন দেখা যায়। সার দেয়া না হয়ে থাকলে গাছ প্রতি পচা গোবর সার ১০ কেজি, ইউরিয়া সার ৩০০ গ্রাম, টিএসপি ২৫০ গ্রাম, এমওপি ২৫০ গ্র্রাম, বোরণ সার ২০ গ্রাম দিতে হবে। সার গুলোকে সমান তিনভাগে ভাগ করে ফল ধরার পর একবার, ফল সংগ্রহের পর একবার এবং বর্ষার পর আরেকবার দিতে হবে। এ ছাড়াও প্রয়োজনমতো পানি দিতে হবে। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে তথ্য পেতে স্থানীয় উপজেলা কৃষি অফিস অথবা ব্যাংকের কোন শাখায়(কৃষি ব্যাংক, জনতা ব্যাংক প্রভৃতি) যোগাযোগ করতে পারেন। ভবিষ্যতে কিছু জানতে আবার প্রশ্ন করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বন্যার পূর্বাভাস সংক্রান্ত তথ্যের জন্য এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতাতেই সংবাদ অংশে দেখুন। গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে নতুন কোন জাত বা প্রযুক্তি সম্পর্কিত তথ্য পেলে সাথে সাথেই এ ওয়েবসাইটে দেয়া হয়ে থাকে। বিভিন্ন ফসলের জন্য এলাকা ভিত্তিক কোন জাত এর তথ্য পেতে এই ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশে লগইন করুন। এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইটেও প্রয়োজনীয় তথ্য খুজতে পারেন।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। এ বিষয়ে আপনি কৃষি তথ্য সার্ভিস, খামারবাড়ি, ঢাকা-১২১৫ অথবা কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। কুলের বিভিন্ন জাত এবং উৎপাদন প্রযুক্তি সম্পর্কে জানতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে ক্লিক করুন। আপনার এলকার মাটির ধরণ ও জলবায়ু ওপর ভিত্তি করে জাত নির্বাচন করতে হবে। এ বিষয়ে নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে লগইন করুন। আশাকরি আপনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে জানতে আপনার নিকটস্থ উপজেলা পশুসম্পদ অফিস অথবা পশুসম্পদ অধিদপ্তর এর সদর দপ্তর, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট,ঢাকা তে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশের অন্যান্য তে লগইন করুন। আশাকরি আপনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। স্ট্রবেরি বিষয়ে এই ওয়েবসাইটির ই-কৃষি অংশের অন্যান্য তে লগইন করুন। স্ট্রবেরি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর অথবা প্রফেসর ড. মনজুর হোসেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (মোবাইল: ০১৭১৬-২৮৮৩৫৬)এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ফল ঝরে পড়ার জন্য বিভিন্ন বিষই কিন্ত জড়িত। যেমন-সুষম সারের অভাব, রোগবালাই এর আক্রমণ ইত্যাদি। আপনি গাছে সার ব্যবহার করেছেন কিনা তা উল্লেখ করলে ভাল হতো। যদি সার ব্যবহার না করা হয়ে থাকে তাহলে প্রতি গাছে ইউরিয়া ১.৫ কেজি, টিএসপি ১ কেজি, এমওপি ১.৭৫ কেজি, জিপসাম ৫০০ গ্রাম, জিংক সালফেট ২০০ গ্রাম, বোরাক্স ২০ গ্রাম গাছের চারিদিকে গোল করে মাটি কুপিয়ে প্রয়োগ করতে হবে। শুকনা মৌসুমে ১৫ দিন পর পর সেচ দিতে হবে। অনেকসময় ছত্রাক জনিত রোগের কারণে ডাব ঝরে যায়। এ জন্য বর্দোমিশ্রন (১%) অথবা কপার অক্সিক্লোরাইড বা কুপ্রাভিট ছত্রাকনাশক ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রকৃতপক্ষে সারের মাত্রা নির্ভর করে মাটির প্রকৃতি, ফসলের জাত, বিগত বছরে ফসলের চাষ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর। সেজন্য মাটি পরীক্ষা করে সার প্রয়োগ করা সবচেয়ে ভাল। উপজেলা কৃষি অফিসে বিনামূল্যে মাটি পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে। সাধারণ হিসেবে রোপা আমন এর ক্ষেত্রে প্রতি হেক্টরে (২৪৭ শতকে)ইউরিয়া ১৫০-১৮০ কেজি, টিএসপি ১০০ কেজি, এমওপি ৭০ কেজি, জিপসাম ৬০ কেজি, জিংক সালফেট ১০ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। ইউরিয়া ছাড়া অন্যান্য সকল সার জমি তৈরির শেষ সময়ে দিতে হবে। ইউরিয়া সার চার কিস্তিতে রোপণের ১৫,৩০,৪৫,৬০ দিন পর প্রয়োগ করতে হয়।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ পর্যন্ত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে আমের ৪ টি জাত রিলিজ করা হয়েছে। । এগুলো হলো- বারি আম ১, বারি আম ২, বারি আম ৩ (আম্রপালি) ও বারি আম ৪(হাইব্রিড)। এ ছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভাবিত জাতগুলো হলো- বাউ আম-১, বাউ আম-২, বাউ আম-৩, বাউ আম-৪, বাউ আম-৫, বাউ আম-৬, বাউ আম-৭, বাউ আম-৮, বাউ আম-৯ ও বাউ আম-১০।

wrote...

wrote...

(Trade Name of Products) (Name of Registration Holder) (Dosage rate/ha) (2,4-D Salix SAMP Limited 450 gm/acare) (Oxadiazon Ronstar 25 EC Bayer CropScience Limited 2.00 Litre) (Oxadiazon Oxastar 25 EC Shetu Pesticides Limited 2.00 Litre) (Oxadiazon Longstar 25 EC Sea Trade Fertilizer Limited 2.00 Litre) (Butachlor Golteer 5G Auto Crop Care Limited 25.00 Litre)

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আমাদের ওয়েব সাইটে প্রথম পাতায় ই-কৃষিতে তেল ফসল ব্রাউজ করুন। সয়াবিনের চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া আছে।

wrote...

এ ওয়েবসাইটটিতে কৃষি বিষয়ক বিভিন্ন তথ্য দেয়া হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত হালনাগাদ করা হচ্ছে। আপনি নিয়মিত ওয়েবসাইট ভিজিট করুন। এ ছাড়া নির্দিস্ট কোন বিষয় জানতে এখানে প্রশ্ন করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আম্রপালী (বারি আম-৩) আমটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে উদ্ভাবিত একটি উন্নত আমের জাত। তবে এটি হাইব্রিড জাতের আম নয়। তবে বারি আম-৪ একটি হাইব্রিড আম।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে বারি স্ট্রবেরি-১ নামে একটি উন্নত জাতের স্ট্রবেরি উদ্ভাবন করা হয়েছে। স্ট্রবেরির চাষ ও অন্যান্য তথ্য পেতে এই ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশে অন্যান্য তে লগইন করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পিপড়ার আক্রমণ কম হলে হাতেনাতে দমন করাই সবচেয়ে উত্তম। অনেক সময় ঝাঝড়ি বা পাইপ দিয়ে সজোরে পানি দিলেও পিপড়া গাছ থেকে পড়ে যায়। পানিতে খুবই সামান্য পরিমান কেরোসিন মিশিয়ে নেয়া যেতে পারে। তবে আক্রমণ বেশি হলে কৃষিকর্মীর পরামর্শ মতো কীটনাশক ব্যবহার করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্রে জন্য ধন্যবাদ। তবে প্রশ্নটি ঠিক পরিষ্কার নয় বিধায় উত্তর দেয়া সম্ভব হচ্ছেনা। দয়াকরে প্রশ্নটি আরেকটু বিস্তারিতভাবে করলে উত্তর দিতে সুবিধা হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পোকার ধরণ সম্পর্কে একটু বর্ণনা করলে পোকা চিহ্নিত করতে সুবিধা হতো। তবে গাছে মুকুল আসার পর কিন্ত ফুল ফোটার আগে টিল্ট নামক ছত্রাক নাশক এবঙ ম্যালাথিয়ন জাকীয় কীটনাশক একত্রে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। এ ছাড়া ভেজিমেক্স বা অন্যকোন নামক তরল খাদ্যউপাদান সমস্ত গাছে একবার স্প্রে কররে ফল ভাল হয়। ফলবান গাছে কীটনাশক হিসেবে নিম তেল চমৱকার কাজ করে। এ বিষয়ে আপনি নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশ বিশাল জনসংখ্যার ক্ষুদ্র একটি দেশ। প্রতবিছর প্রায় ১% করে কৃষি জমি কমে যাচ্ছে। তবে জনসংখ্যা কিন্ত দিন দিন বাড়ছে। তাই অল্প জমি থেকে অধিক ফসল উৱপাদন এবং ফসল চাষ করে বেশি লাভবান হওয়ার কোন বিকল্প নেই। সনাতনী বিভিন্ন ফসল বা ফসলের জাত চাষ করে কৃষক ভাইয়েরা তেমন লাভবান হতে পারেন না। তাই পুষ্টিমূল্য বেশি, বাজারে চাহিদা আছে এবং দাম বেশি এমন ফসল চাষ করে অধিক লাভবান হওয়া যেতে পারে। বিভিন্ন উচ্চ মূল্যের ফসলের ভেতর রয়েছে-বাউকুল, আপেলকুল, ভূট্টা, টমেটো মাশরুম ইত্যাদি। অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে হলে উচ্চ মূল্যের ফসল চাষের কোন বিকল্প নেই। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নের উত্তরটি আমাদের কাছে এ মূহুর্তে প্রস্তত নেই বিধায় অতি অল্প সময়ের মধ্যে প্রদান করা হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। দয়া করে আপনি রোগের বর্ণনা টি আরেকটু বিস্তারিত দিন। এতে করে উত্তর দিতে সুবিধা হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

এ বিষয়ে তথ্য এ মুহুর্তে আমাদের হাতে নেই। তথ্য পাওয়া মাত্রই তা সরবরাহের চেষ্টা করা হবে। তবে আপনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা-এর অর্থকরী ফসল উইং এ যোগাযোগ করতে পারেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনি কোন ফসলের বীজ বাজারজাত করতে চান সেটি অবশ্য উল্লেখ করেন নাই। যাহোক, এ বিষয়ে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, গাজীপুর-১৭০১ অফিসে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বোরো ধানের সারের মাত্রা জানতে এ ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশের দানা ফসলের ধান এ লগইন করুন।

wrote...

আপনার মেইল এর জন্য ধন্যবাদ। লিচুতে বিভিন্ন কারণেই এ সমস্যাটি হতে পারে। যেমন, সুষম সারের অভাব, পানি সেচের অভাব, রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ ইত্যাদি। সুতরাং যথানিয়মে চাষ করতে হবে। এ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলের "লিচু"তে ক্লিক করুন।

wrote...

আপনার মেইল এর জন্য ধন্যবাদ। লিচুতে বিভিন্ন কারণেই এ সমস্যাটি হতে পারে। যেমন, সুষম সারের অভাব, পানি সেচের অভাব, রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ ইত্যাদি। সুতরাং যথানিয়মে চাষ করতে হবে। এ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলের লিচু'তে ক্লিক করুন।

wrote...

আপনার মেইল এর জন্য ধন্যবাদ। লিচুতে বিভিন্ন কারণেই এ সমস্যাটি হতে পারে। যেমন, সুষম সারের অভাব, পানি সেচের অভাব, রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ ইত্যাদি। সুতরাং যথানিয়মে চাষ করতে হবে। এ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলের লিচুতে ক্লিক করুন।

wrote...

প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। দয়াকরে আক্রমণের ধরণটি আরেকটু বিস্তারিত জনালে পরামর্শ দিতে সুকিধা হবে।

wrote...

আপেল কুলের চারা কোথায় পাব - মুসলেহ উদ্দীন .সিলেট আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপেল কুলেরর চারা আপনার নিকটস্থ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হর্টিকালচার সেন্টার থেকে পেতে পারেন। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ থেকে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে পেতে পারেন এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত নার্সারী ( যারা মান সম্পন্ন চারা বিক্রি করে) থেকে আপেল কুলের চারা পেতে পারেন। আমাদের ওয়েব সাইটে ই-কৃষিতে অন্যান্য ভিতরে চারা প্রাপ্তিস্থান নার্সারীর ঠিকানা আছে।

wrote...

মরিচের গোড়া পচা রোগে কি করনীয় আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম ডাইথেন এম-৪৫ মিশিয়ে ৭ থেকে ১০ দিন পর পর স্প্রে করলে মরিচের গোড়া পচা রোগ ভাল হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে উপজেলা পশুসম্পদ অফিস বা পশুসম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫ কার্যালয়ে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জনাতে পারেন।

wrote...

আপনি এ সব তথ্য পেতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট www.moa.gov.bd তে লগইন করতে পারেন। প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে জানতে ই-কৃষি অংশে দানাদার ফসলে লগইন করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ঢাকা শহরে সিদ্দিকবাজারে বিভিন্ন কোম্পানীর বীজের দোকান রয়েছে। আপনার প্রয়োজনীয় বীজ বা এ সম্পর্কিত তথ্য পেতে পারেন।

wrote...

এ বিষয়ে জানতে ঢাকা খামারবাড়িস্থ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশাসন ও পার্সোনেল উইং এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

কৃষি তথ্য সার্ভিস এর ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার পরিকল্পনাটি বাস্তবায়নের জন্য বেশ কিছু বিষয় জানা প্রয়োজন। যেমন-জমির অবস্থা, আশেপাশের পরিবেশ, যোগাযোগ ব্যবস্থা, মাটির ভেৌত গুণাবলী ইত্যাদি। সঠিক পরিকল্পনা মাঢফক চাষাবাদ করলে নিশ্চিতভাবেই লাভবান হতে পারেন। আপনি আপনার নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে বিস্তারিত আলোচনা করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি যে ভিডিও সিডি'র কথা বলছেন তেমন কোন ভিডিও সিডি আমাদের কাছে নেই। তবে কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে বিভিন্ন ভিডিও চিত্র নির্মাণ করা হয়ে থাকে। প্রয়োজন হলে আপনি আমাদের কাছে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নর জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা এ ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের কন্দাল ফসলে দেয়া আছে। জনাতে লগইন করুন।

wrote...

মাছ মরে যাওয়ার অনেক কারণই থাকতে পারে। পরীক্ষা নিরীক্ষা ছাড়া নিশ্চিত করে বলা সম্ভব না। এ বিষয়ে পরামর্ম নিতে কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে দ্রুত যোগাযোগ করতে পারেন। প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। খরগোস পালন ইদানিঙ একটি লাভজনক ব্যবসা হিসেবে পরিচিতি লাভ করছে। খরগোস পালন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আপনার কাছের উপজেলা পশুসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

এই ওয়েব সাইটটি থেকে সহযোগিতা নেওয়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ এবং কৃষক ভাইদেরকে ও ধন্যবাদ।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আসলে ক্ষতর ধরণ, মাছের জাত ইত্যাদি বিষয় না জেনে সঠিক পরামর্শ দেয়া যাচ্ছে না বলে দু:খিত। আপনি কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করকত পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত এ তথ্যটি এ মুহুর্তে আমাদের হাতে নেই। আপনি উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা-তে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পাতা মরা অনেক কারণেই হতে পারে। কিভাবে পাতা মারা যাচ্ছে একটু বিস্তারিত বর্ণনা করুন। ধানের জাত, চারার বয়স কত, কি পরিমানে সার দেয়া হয়েছে, কোন বালাইনাশক দিয়েছেন কিনা-ইত্যাদি জানিয়ে দ্রুত আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন।

wrote...

আপনি যে প্রশ্নটি করেছেন তার উত্তরটি প্রথম পাতায় প্রশ্নের উত্তর ঘরে পাবেন।

wrote...

ধন্যবাদ আবারো লেখার জন্য। ভিডিও সামগ্রী পেতে আপনি কৃষি তথ্য সার্ভিস এর সদর দপ্তর খামারবাড়ি,ঢাকা-১২১৫ কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় সংবাদ অংশে "ভেজাল সার চেনার উপায়" তে ক্লিক করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নর জন্য ধন্যবাদ। কৈ মাছের চাষ বিষয়ে জানতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের মৎস্য সম্পদে ক্লিক করুন। আরো বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। ডেয়রী ফার্ম করতে অনেক বিষয় জড়িত। গরু নির্বাচন, স্থান, খাদ্য সরবরাহ, বাজারজাতকরণ ইত্যাদি অনেক বিষয় এর সাথে জড়িত রয়েছ্ বিস্তারিত তথ্য পেতে কাছের উপজেলা পশুসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নে জন্য ধন্যবাদ। ঢাকার কাটাবনে খরগোসের বাচ্চা কিনতে পাওয়া যায়।

wrote...

উত্তর:আপনার প্রশ্নের জন্য। লেবুর বাগানের জন্য গুটি কলম ও কাটিং তৈরি করে (মে-সেপ্টেম্বর) মাসে ২.৫ x ২.৫ মিটির দূরত্বে রোপন করতে হবে। সারের নাম, ইউরিয়া ৪৫০-৫৫০ গ্রাম, টিএসপি ৩৭৫-৪২৫ গ্রাম, এমপি ৩৭৫-৪২৫ গ্রাম,গোবর ১৫-২০ কেজি।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বোরো ধানের পাতা মরিচা পড়েছে এটা দস্তার অভাবে হয়ে থাকতে পারে। জমিতে প্রতি শতাংশে ৩০ গ্রাম দস্তা প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া স্প্রে করা যেতে পারে। প্রতি লিটার পানির যাথ ২-৩ গ্রাম দস্তা মিশিয়ে ধান গাছের পাতায় স্প্রে করতে হবে। এছাড়া স্থীনীয় কৃষি আফিসের সাথে যোগাযোগ করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কবে দু:খিত এ মুহুর্তে আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। আপনি অনুগ্রহ করে এ বিষয়ে জানতে বাংলাদেষ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

কৃষির সকল টেকনোলজি সম্পর্কে ভাল ধারনা রাখতে হবে এবং এ সম্পর্কিত কৃষি প্রযুক্তি হাতবই, কৃষি ডাইরি এবং কৃষি বিষয়ক ম্যাগাজিন, লিফলেট বুকলেট সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কি একর প্রতি বা বিঘা প্রতি সেচের বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন নাকি সারাদেশের হিসেবে জানতে চাচ্ছেন? দয়া করে জানালে উত্তর দিতে সুবিধে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রচন্ড শীতে কুয়াশাজনিত কারনে অথবা অতিরিক্ত লবনাক্ত কারনে এমনটি হতে পারে । শীত বা কুয়াশাজনিত কারনে হলে বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে এবং প্রতিদিন বীজতলা পুরানো পানি সরিয়ে নতুন পানি দেওয়ার ব্যবন্থা রাখতে হবে। এছাড়া সামান্য পরিমান ইউরিয়া পানির সাথে মিশিয়ে স্প্রে করা যেতে পারে। অতিরিক্ত লবনাক্ত হলে সে জমির লবনাক্ততা কমানোর জন্য জমিতে কয়েকবার স্বাদু পানি প্রবেশ করাতে হবে এবং তা বের করে দিয়ে জমির লবনাত্ততা কমিয়ে আনলে প্রধান প্রি-ধান ৪৭ আবাদ করে ভাল ফলন পাওয়া যাবে।

wrote...

প্রশ্ন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। পূর্ণ বয়স্ক ফলন্ত লিচু গাছে সার প্রয়োগের বেলায় দিনের মধ্যভাগে মাটিতে গাছের পাতার অঞ্চলের যে ছায়া পড়ে বৃত্তাকার সেই ছায়ায় পরিধি বরাবর ৪-৬ ইঞ্চি গভীরতার নালা তৈরী করে অনুমোদিত মাত্রার সার ৩টি সমান ভাগে ভাগ করে প্রয়োগ করে মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। প্রথম অংশ পুষ্প মহুরী বের হবার পর ২য় অংশ ফলের আকার মটর দানা সমান হলে এবং ৩য় অংশ ফল পাকার ২ সপ্তাহ আগে প্রয়োগ করতে হবে। সারের পরিমাণ আমাদের ওয়েব সাইটের প্রথম পাতার 'ই-কৃষি' অংশের ফল ফসল লিংকে দেয়া আছে।ব্রাইজ করে জেনে নিন।

wrote...

আনপার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাছের জাত, ক্ষতের ধরণ, পুকুরের অবস্থা ইত্যাদি বিষয়ে না জেনে উত্তর দেোয়া সম্ভব নয়। আপনি কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে অবলিম্বে যোগাযোগ করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কুল বা যেকোন ফলেরই আকার, আকৃতি নির্ভর করে সুষম সার প্রয়োগ, সেচ ও অন্যান্য পরিচর্যা, রোগবালাই এর থেকে মুক্ত রাখা ইত্যাদি। এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসল এ কুল চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম দেওয়া আছে। আপনি এখান থেকে কুল চাষের উৱপাদন সম্পর্কে জানতে পারবনে। আশাকরি এখান থেকেই আপনি আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ধারণা করা যায় এক ধরণের ছত্রাকের আক্রমণে এমনটি ঘটছে। এ জন্য গাছে ফুল দেখা দেযার পর থিওভিচ ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম বা টিল্ট ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি.লি মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে। পরবর্তী ১৫ দিন পর পর দুইবার সেপ্র করতে হবে। এ ছাড়া সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। গাছে পোকার আক্রমণ হলে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস বা কৃষি কর্মীর পরামর্শ নিন।

wrote...

আপনার মূল্যবান পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ। শীঘ্রই এ বিষয়ে তথ্য সংযোজন করা হবে। ধন্যবাদ আপনাকে।

wrote...

ধন্যবাদ ওয়েবসাইট টি ভিজিট করার জন্য। দু:খিত কারিগরী ত্রুটির কারণে এমনটি হচ্ছে। দ্রুততম সময়ে এটি সংশোধন করার চেষ্টা চলছে। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত এ মুহর্তে আপনার চাহিত তথ্যটি সরবরাহ করা যাচ্ছে না। আপনি এ বিষয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.moa.gov.bd) অথবা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা এর সরেজমিন উইং/খাদ্য শস্য উইং এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। আমাদের ওয়েবসাইটটিতে বাংলায় এ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দেয়া হয়েছে। ইংরেজি অংশটি এখনো সম্পন্ন হয়নি। তবে আপনার জরুরি প্রয়োজন হলে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুর-১৭০১ এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে এ মুহূর্তে এ ধরণের সাহায্য করা যাচ্ছে না বলে দু:খিত। তবে আপনি কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইট এ ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে এ বিষয়ে বিস্তারিত দেওয়া হয়েছে। আশাকরি এখান থেকে আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ধান কলা পাকা রং ধারণ করার পর পরই কেটে ফেলতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই সাইটরি ই-কৃষি পাতার অধীন ফল ফসল লিংক-এ বাউকুল এর উৎপাদন প্রযুক্তি বনর্ণা করা আছে। আবার একই পাতার অন্যান্য অংশে দেশব্যাপী বিভিন্ন নার্সারীসমুহের ঠিকানাসহ তালিকা দেয়া আছে। অনুগ্রহ করে ব্রাউজ করুন।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটের প্রথম পাতার '‌‌‌‍ই-কৃষি'অংশের আওতায় মৎস্য সম্পদ লিংকে মনোসেক্স তেলাপ্রিয়া চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত দেওয়া আছে। ব্রাউজ করে জেনে নিন। এছাড়া ও আপনার নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে পারে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পেয়ারা গাছের পাতার রং গোলাপী আকার ধারন করেছে এমন বিষয়টি আমাদের জানা নাই। তবে যদি পাতার রং বাদামী বা মরিচার মত হয়ে থাকে তবে বুঝতে হবে সখোনে পুষ্টির অভাব রয়েছে। এক্ষেত্রে গাছের গোড়া থেকে সামান্য দূরে ম্যাগনেশিয়াম সালফেট প্রয়োগ করতে হবে। ম্যাগনেশিয়াম সালফেট প্রয়োগের পরিমাণ হবে গাছ প্রতি ৫০-১০০ গ্রাম।

wrote...

wrote...

১। মাছের ক্ষত রোগের জন্য প্রতি কেজি খাবারে রেনামাইসিন ৫০০ মি:গ্রা:ঔষধ এক সপ্তাহ ব্যাপি খাওয়াতে হবে। ২। পুকুরে চুন প্রয়োগ করতে হবে। যদি মাছের ঘনত্ব বেশী হয় তাহলে প্রতি শতকে ২৫০ গ্রাম চুন প্রয়োগ করতে হবে ৩ সপ্তাহ ব্যাপি।

wrote...

প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। যদি আপনার মাছগুলো মনোসেক্স তেলাপিয়া হয় তবে সেক্ষেত্রে কমপক্ষে ৩০-৪০ ভাগ প্রোটিনযুক্ত পিলেট খাবার দিতে হবে। তবে যদি পোনার গুনগত মান খারাপ হয় তাহলেই যতই খাবার দেয়া হোক না কেন তার বৃদ্ধি হবে না। মাছের পুকুরে কাচা খৈল দেয়া যাবে না। খৈল দিতে হলে তা কমপক্ষে ২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে তারপর পুকুরে দিতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ফল ছিদ্রকারী পোকার হাত থেকে কাঁঠাল ফলকে রক্ষা করতে হলে ছোট অবস্থায় আক্রান্ত কাঁঠাল ঝরে পড়লে তা সংগ্রহ করে মাটিতে পুতে ফেলতে হবে। অপ্রয়োজনীঢ ডালপালা,পুরুষ মুচি, আগের বছরের ফলের ফোঁটা, কাঠালের সাথে লেগে থাকা মঞ্জরিপত্র ছাটাই করতে হবে। ফল ছোট অবস্থায় ছিদ্র যুক্ত ব্যাগ দিয়ে ঢেকে রাখতেও এ পোকার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যায়।

wrote...

কেচোঁ কম্পোষ্ট সারের প্রস্ত্ততপ্রণালী : যেকোনো কেঁচো দিয়ে যেমন ভার্মি কম্পোস্ট বা কেঁচোমল সার তৈরি হবে না তেমন অসতর্কতার কারণে নির্দিষ্ট কেঁচো দিয়েও ভালো কেঁচোমল সার তৈরি সম্ভব নয়। এ বিষয়ে কিছু নির্দেশনা পালনীয়। সাধারণত এসব কম্পোস্ট তৈরির কাজে দুই ধরণের কেঁচোর জাত রয়েছে। তাহলো- এপিজিক ও এন্ডোজিক নামের। এপিজিক জাতগুলো দেখতে লাল রঙের। এরা মাটির উপরের সরেই বিচরণ করে থাকে। অপরদিকে এন্ডোজিক জাতগুলো প্রধানত ছাই রঙের হয়ে থাকে। এরা সাধারণত সার উৎপাদন করতে পারে না তবে এরা মাটির ভৌত ও জৈব গুণাবলির উন্নতি করে। কেঁচোর দ্বারা জৈব সার তৈরির জন্য এ সাথে তরকারির খোসা, গরু , ছাগল ও হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা ও নাড়িভুঁড়ি, পাতাসহ পচা আবর্জনারও প্রয়োজন হয়। * কেঁচো কম্পোস্ট তৈরি করতে হলে প্রথমে গর্ত তৈরি করতে হয়। এরপর এসব গর্তে ঘাস, আমের পাতা বা খামারের ফেলে দেয়া অংশ এসবের যেকোনো একটি ছোট ছোট করে কেটে এর প্রায় ২৫ কেজি হিসেবে নিতে হয়। * তবে এসব আবর্জনা গর্তে ফেলার আগে গর্তের তলদেশসহ চারপাশে পলিথিন দিয়ে মুড়ে দিতে হবে। এতে করে গর্তের কেঁচো পিট থেকে বাইরে যেতে পারবেনা। * কেঁচো কম্পোস্ট তৈরির জন্য প্রথমেই পলিথিন বিছানোর পরে গর্তের নিচে ১৫ সে. মি. পুরু করে বেড বানাতে হবে। এ বেড তৈরির জন্য ভালো মাটি ও গোবর সমপরিমাণে মিশাতে হবে এবং এসব মিশানো গোবর ও মাটি পরে কেঁচোর খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। * কেঁচো কম্পোস্ট তৈরির জন্য এসব গর্ত গোবর ও মাটি দিয়ে ভর্তি করার পর এতে প্রায় ২ হাজার কেঁচো প্রয়োগ করতে হয়। কেঁচো প্রয়োগের পর গর্তের উপরিভাগ পাটের ভিজানো চট দিয়ে ঢেকে দিতে হবে এবং কেঁচো সারের গুণগত মান বজায় রাখার জন্য গর্তের উপরিভাগে ছায়া প্রদানের ব্যবস'া খুবই জরুরি। * এসব কেঁচো যেসব খাবার খায় তা গর্তে নিয়মিতভাবে সরবরাহ করতে হবে। কেঁচোর খাবারের মধ্যে রয়েছে স'ানীয় ঘাস, খামারজাত পদার্থ, আখের ও কলার ফেলে দেয়া অংশ এসব। এছাড়া এসব অংশ মাটিতে পচে জৈব সারও তৈরি হয়। * ভার্মি কম্পোস্ট তৈরি হলে তা চা পাতার মতো ঝুরঝুরে দানাদার আকারের হবে। * ৯০ দিনের মধ্যে ১ টি পাত্রে ৮ গুণ কেঁচো বাড়ে এবং প্রায় ৮০ কেজি ভার্মি কম্পোস্ট উৎপন্ন হয়। * ভার্মি কম্পোস্ট জমিতে এবং কেঁচোগুলো নতুন কম্পোস্ট স-ূপে ব্যবহারের জন্য প্রস'ত হয়। সবুজ সার প্রস'ত এর নিয়মাবলী সারা বছরই সবুজ সার হিসাবে ধৈঞ্চা,শন ইত্যাদির চাষ করা যায়, তবে বৈশাখ জ্যৈষ্ঠ মাস বীজ বপনের উপযুক্ত সময়। দু’একটি চাষ ও মই দিয়ে ধৈঞ্চার বীজ ঘন করে বুনতে হয়।কোন সার ছাড়াই প্রতিক'ল আবহাওয়ায় ও যে কোন ধরনের মাটিতে ভাল জন্মে। তবে শিকড়ে শুঁটির সংখ্যা বৃদ্ধিও জন্য হেক্টর প্রতি ১৭.০ কেজি টি.এস.পি ব্যবহার করা উচিত।প্রতি হেক্টরে ৪০/৫০ কেজি বীজ ঘন করে ছিটিয়ে বুনতে হয়।কোন যত্ন বা নিড়ানি ছাড়াই গাছ দ্রুত বড় হযে উঠে।বীজ বপনের ৬-৮ সপ্তাহ পরে গাছগুরো ১-১.৫ মিটার উঁচু হলে বা ফুল ফুটলে সবুজ সার তৈরীর উপযুক্ত সময়।ধৈঞ্চা গাছ নোয়ানোর পর একই দিক থেকে চাষ দিয়ে মাটির সাথে মিশাতে হবে। ঐসময় ক্ষেতে পানি থাকলে মাটির সাথে সহজে মিশে যায়।ক্ষেতে পানি জমা করে রাখলে গাছ দ্রুত পচে।প্রায় ১০/১৫ দিন পর পুনঃ চাষ/মই দিলে তাড়াতাড়ি পচে যায়।ধৈঞ্চা গাছ পচতে ২০/২৫ দিন সময় লাগতে পারে। সবুজ সারের চাষ করার পর রোপা আমন ধান ভাল জন্মে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। খিরার গাছ বিভিন্ন কারনে শুকনা হয়ে যেতে পারে । এটা হতে পারে পরিনিত পানির অভাবে এবং ছত্রাক ও ভাইরাসের আক্রমনের কারনে। এক্ষেত্র জমিতে প্রয়োজনীয় সেচ দিয়ে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ গ্রাম ম্যানকোজব মিশিয়ে সমস্ত গাছ ভিজিয়ে স্প্রে করুন। আর ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হলে গাছ উঠিয়ে ফেলে পুড়িয়ে দিতে হবে অথবা মাটির নিচে পুঁতে ফেলতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের কৃষি কাথা আপনি আমারেদ ওয়েব সাইট (www.ais.gov.bd)ব্রাউজের মাধ্যমে পড়তে পারেন। তবে আপনি যদি আমাদের গ্রাহক হতে চান তাহলে বাৎসরিক ৪০ টাকার বিনিময়ে গ্রাহক হতে পারেন। এর জন্য কৃষি তথ্য সার্ভিস,খামারবাড়ি,ঢাকা যোগাযোগ করুন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাজরা পোকা দমনের জন্য ধানের চারা লাগানোর পর পর ডাল পোতা, মাজরার মথ হাত জাল দিয়ে ধরা, আলোর ফাঁদ ব্যবহার ও আক্রান্ত গাছ হলে কীড়া মেরে ফেলা।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে ই-কৃষির অন্যান্যতে স্ট্রবেরী চাষ সর্ম্পকে বিস্তারিত দেওয়া আছে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে কন্দাল ফসলে আলু চাষাবাদ সর্ম্পকে বিস্তারিত আছে।

wrote...

উত্তর:আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। টমেটো সংরক্ষণ করতে হলে রং ধরার আগে অথবা কেবল বোঁটার দিকে রং ধরছে এমন অবস্থায় টমেটো পেড়ে, পানিতে ধুয়ে, ঠান্ডা জায়গায় রেখে ঠান্ডা করে নিতে হবে। এরপর ঘরের শীতলতম জায়গায়, যেখানে তাপমাত্রা ২০ ডিগ্রি সে:এর মত থাকে, সেখানে বিছিয়ে রাখতে হবে;এক স্থরে বিছিয়ে রাখাই ভাল। সরাসরি মেঝেতে না রেখে চট, প্লাষ্টিক শীট বা পুরু খবরের কাগজও ব্যবহার করা যায়। টমেটো গাছসহ তুলে ঝুলিয়ে রাখলেও, অনেকদিন সংরক্ষণ করা যায় বলে দেখা গেছে। পাতা বহুল শাক : এগুলোর সংরক্ষণ-ক্ষমতা অত্যান্ত সীমিত। সেজন্য এগুলো ক্ষেত থেকে তুলেই খেয়ে ফেলা বা বাজারে বিক্রি করা দরকার। ছিদ্রযুক্ত পলিথিন প্যাকেটে ভরে ঠান্ডা জায়গায় রেখে দিয়ে, এর সংরক্ষণ কাল ২/১ দিন বাড়ানো যায়।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ছত্রাকের আক্রমনে পটলের ডগা পচে যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রতি লিটার পানিতে ৪ গ্রাম কপার অক্সি ক্লোরাইড মিশিয়ে গাছে স্প্রে করতে হবে। মাকড় অথবা জ্যাসিড এর আক্রমনে করলার পাতা কুঁচকে যেতে পারে। যদি পাতার নিচে ছোট ছোট লাল রংয়ের মাকড় দেখা যায় তাহলে প্রতি লিটার পানিতে ৪ গ্রাম থিওভিট মিশিয়ে গাছে স্প্রে করতে হবে। আর যদি পাতার নীচে ছোট ছোট সবুজ রংয়ের পোকা দেখা গেলে এডমায়ার অনুমোদিত মাত্রায় প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার এ সমন্বিত খামার স্থাপনের জন্য সরেজমিন পরিদর্শন পূর্বক বিশেষঞ্জের পরামর্শ প্রয়োজন। এজন্য আপনি আপনার নিকট্থ প্রাণী সম্পদ ও মৎস কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর:আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে এই সীমিত পরিসরে রাবার উৎপাদন প্রযুক্তি সর্ম্পকে পুরোপুরি ধারনা দেয়া দূরহ। আপনি এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য বাংলাদেশ বনজ শিল্প উন্নয়ন করর্পোরেশন এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর:আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। হাইড্রোপনিক প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত দ্রবণটি গাছের প্রয়োজীয় খাদ্য উপাদানগুলোর একটি আনুপাতিক মিশ্রিত দ্রবণ হাইড্রোপনিক প্রযুক্তির চাষ জাপানসহ উন্নত দেশগুলোতে হলেও আমাদের দেশে তা এখনও গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে। এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানার জন্য বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, গাজীপুরে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে কৃষিতে প্রভৃত উন্নতি সাধিত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশ দানাদার শস্য উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। কৃষি গবেষণা ও সম্প্রসারনের মাধ্যমে কৃষকের মাঝে প্রায় ৫৭টি উচ্চফলনশীল ধানের জাত রয়েছে। এছাড়া শাকসবজি ফলসহ আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি যেমন আপেল কুল,বাউল কূল, আম্রোপলি এবং অনেক আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি যেমন এল সি সি ,গুটি ইউরিয়া,এ ডব্লিউ ডি,কুইক কম্পোষ্ট ইত্যাদি কৃষক পর্যায়ে জনপ্রিয ও বহুল ব্যবহৃত হচ্ছে। এ সম্পর্কিত বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে হলে কৃষি তথ্য সার্ভিসের প্রধানও আঞ্চলিক কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তরমুজের রোগ এবং পোকা মাকড়ের আক্রমনে তরমুজের পাতা কুঁকড়ে যেতে পারে। এক্ষেত্রে আপনাকে প্রকৃত বিষয়টি সনাক্ত করা প্রয়োজন। যদি মাকড়ের আক্রমনে পাতা কুঁচকে যায় তাহলে যে কোন মাকড়নাশক যেমন ক্যালথেন ১০ লিটার পানিতে ১০-১৫ মিলি মিশিয়ে পাতার নীচের দিকে ৭ দিন পর পর ২ বার স্প্রে করতে হবে। আর রোগের কারণে হলে ডাইথেন এস ৪৫ বা মেটাসিসটক্স জাতীয় ছত্রাক নাশক স্প্রে করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আম যখন মটর দানার মতো হবে তখন টিল্ট ও সিমবুশ একত্রে মিশিয়ে ফুট পাম্প দিয়ে গাছ সম্পূর্ণ ভিজিয়ে দিতে হবে ১০-১২ দিন পর ২-৩ বার। সেই সাথে আম গাছে সার দেয়ার পর নিয়মিত পানি দিতে হবে।

wrote...

দু:খিত এই তথ্যটি আমাদের কাছে এ মূহুর্তে নেই। তথ্যটি পেলে আপনাকে সাথে সাথেই জানিয়ে দেয়া হবে। তবে আপনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা-১২১৫ এর সরেজমিন উইং এ যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে এ বিষয়ে তথ্যটি এ মূহুর্তে দিতে পারছি না বলে দু:খিত। শ্রীঘ্রই তথ্যটি আপনাকে দিতে পারবো বলে আশাকরছি। ধন্যবাদ।

wrote...

আমাদের এই ওয়েব সাইটে কৃষি বিষয়ক প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়ে থাকে। আপনার কৃষি বিষয়ক কোনো সমস্যা থাকলে জানতে চেয়ে সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন করুন। আমরা উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (প্রাক্তন উপজেলা পশু সম্পদ অফিস)এ যোগাযোগ করে ফোন নম্বর পেতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (প্রাক্তন উপজেলা পশু সম্পদ অফিস)এ যোগাযোগ করতে পারেন। তাছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকাতেও যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

বিভিন্ন কারণেই ফল ঝড়ে পড়তে পারে। তবে স্বাভাবিক নিয়মে কিছু ফল এমনিতেই ঝড়ে পড়ে যায়। তবে রোগের আক্রমণ বেশি হলে ফল ঝড়ে পড়ার হার বেড়ে যায়। এক ধরণের ছত্রাকের আক্রমণে কচি ফলের গায়ে বাদমি রঙের দাগের সৃষ্টি হয় এবং শেষ পর্যন্ত আক্রান্ত ফল গাছ থেকে ঝড়ে পড়ে। এ জন্য গাছের নিচে ঝড়ে পড়া পাতা ও ফল পুড়ে ফেলতে হয়। ফলিকুর ছত্রাকনাশক ০.০৫% হারে পানিতে মিশিয়ে গাছে ফুল আসার পর থেকে ১৫ দিন পর পর ৩ বার সেপ্র করা দরকার। এ ছাড়া, আরেক ধরণের ছত্রাকের আক্রমণের কারনে ছোট অবস্থাতেই কালো হয়ে ঝড়ে পড়ে। এ জন্য ডাইথেন এম ৪৫ অথবা রিডোমিল এম জেড ৭৫, প্রতিলিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম করে মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে। পাশাপাশি পরিমান মতো সার ও সেচ দিতে হবে। এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে কাঠাল চাষ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশাকরি আপনি উপকৃত হবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। এটি নির্ভর করে পুকুরের আয়তন, পানির অবস্থা, কি মাছ চাষ করা হচ্ছে ইত্যাদি বিষয়ের ওপর। আপনি আপনার কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করে বিস্তারিত তথ্য নিতে পারবেন।

wrote...

বিভিন্ন কারণেই এমনটি হতে পারে। যেমন, পরিমান মত সুষম সারের অভাব, রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ, মাটিতে রস না থাকা ইত্যাদি। এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে পেপে চাষ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আশাকরি আপনি উপকৃত হবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য তবে আপনার বাড়ি কোথায় জানালে সুবিধা হতো। আপনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর-১৭০১ (ফোন নং-পিএবিএক্স ৯২৬১৫০১-৫) অথবা মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়া তে যোগাযোগ করতে পারেন। এ ছাড়া ঢাকা সিদ্দিক বাজারেও যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য। ঢাকাতে কাটাবন মার্কেটে আপনি কোয়েল পাখি পাবেন। এ ছাড়া পশু হাসপাতাল সংলগ্ন মার্কেট, ফুলবাড়িয়াতেও কোয়েল পাখি পাওয়া যায়। কোয়েল পালন সম্পর্কে জানতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকাতে অথবা নিকটস্থ উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস (প্রাক্তন উপজেলা পশু সম্পদ অফিস)এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে আপনার কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনি সম্ভবত:ঢেড়শ গাছের সমস্য বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। সাধারণত মোজাইক ভাইরাস দ্বারা গাছ আক্রান্ত হলে পাতা হলুদ হয়ে যায় এবং কুচকে যায়। এ রকম হলে বাহক পোকাকে দমন করতে প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি লিটার ম্যালাথিয়ন/সুমিথিয়ন মিশিয়ে ১০-১৫ দিন পর পর স্প্রে করতে হবে। এ ছাড়া আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলে মাটিতে পুতে ফেলতে হবে। বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। চারা লাগানোর তিন সপ্তাহ আগে প্রতি হেক্টরে (প্রায় আড়াই একর) আধা পঁচা মুরগীর বিষ্ঠা ৫-১০ টন অথবা সরিষার খৈল ৩০০-৫০০ কেজি প্রয়োগ করে জমিতে পঁচালে কৃমিজনিত রোগ (রুটনট নেমাটোড)দমন করা যায়। এ ছাড়া ফুরাডান (কার্বোফুরান) প্রতি হেক্টর জমিতে ২৫ কেজি হারে ব্যবহার করে কৃমি রোগ সহজে দমন করা যায়।

wrote...

আপনার প্রশ্নটি আরেকটু সুস্পষ্ট হলে ভাল হতো। গাছের পাতা হলুদ নানা কারণে হতে পারে। যেমন-সুষম সারের অভাব, মাটিতে রসের অভাব এবঙ রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ ইত্যাদি। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে পেপে চাষের কিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে আশাকরি সেখান থেকে আপনার প্রশ্নের উত্তর পাবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য অনেক ধন্যবাদ।

wrote...

এ জন্য সবচেয়ে ভাল হলো একজন মৎস্য বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নেয়া। আপনি আপনার কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। সেখান থেকে কই মাছ চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকেই দেওয়া হয়ে থাকে। উপজেলা কৃষি অফিস-এ কৃষি প্রযুক্তি ভিত্তিক বিভিন্ন প্রশিক্ষণ নির্দিষ্ট সময়ে সময়ে প্রদান করা হয়ে থাকে। আপনি এ ব্যাপারে আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন। তাছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও কৃষি বিষয়ক প্রশিক্ষণের আয়োজন করে থাকে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

দু:খিত এ বিষয়ের তথ্য আমাদের কাছে এ মূহুর্তে নেই। তথ্যটি পেলে সহসাই আপনাকে জানিয়ে দেওয়া হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

জিডিপি'তে কৃষি খাতের অবদান ২৩.৮৭ ভাগ (বিবিএস, ২০০৮)। ধানের মৌসুম ভিত্তিক ফলন জানতে নিচের লিঙকটিতে ক্লিক করুন। http://www.moa.gov.bd/statistics/Table3.01CY.htm আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সুষম সারের অভাব, মাটিতে রসের ঘাটতি, রোগ-বালাই এর আক্রমণ বিভিন্ন কারণে ফল ঝরে পড়ে। আম চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন জানতে আমাদের ওয়েবসাইটের ফল ফসলে ক্লিক করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। হাস-মুরগীর বিভিন্ন রোগবালাই এবং পালন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (প্রাক্তন উপজেলা পশু সম্পদ অফিস) এ যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। প্রবাসে থেকেও আমাদের এই ওয়েবসাইটটি আপনি দেখছেন এ জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার পরামর্শটি খুব ভাল। তবে জিআইএফ ফরম্যাটে আপলোড এবং ডাউনলোড সহজে করা যায় বলে ফাইলগুলোকে জিআইএফ ফরম্যাটে রাখা হয়েছে। তবে রেজুলেশন যাতে ঠিক থাকে সেজন্য পরবর্তীতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনার চাহিত ফোল্ডারটি পেতে আপনার ইমেইল ঠিকানাটি আমাদেরকে জানান। আমরা পাঠিয়ে দিতে চেষ্টা করব। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মতামতের জন্য।

wrote...

কৃষক টিভি পরীক্ষামূলকভাবে সফলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। এটি একটি অন লাইন টিভি চ্যানেল। তবে পূর্ণাংগভাবে এটি সম্প্রচার করার জন্য চেষ্টা চলছে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনি লিচুর মাকড় সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। এখানে এ পোকা সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হলো। লিচু গাছের পাতা, ফুল ও ফলে এর আক্রমণ দেখা যায়। এর আক্রমণে আক্রান্ত পাতা কুঁকড়িয়ে যায় এবং পাতার নীচের দিক লাল মখমলের মত হয়। পরবর্তীতে পাতা দুর্বল হয়ে মরে যায় এবং ডালে ফুল, ফল বা নতুন পাতা হয় না। আক্রান্ত ফুলে ফল হয় না। ব্যবস্থাপনা: আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে পুড়িয়ে ফেলা। ইথিয়ন ৪৬.৫ তরল বা নিউরণ ৫০০ তরল ২ মি.লি হারে প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে আক্রান্ত গাছে ভালভাবে সেপ্র করা। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

মাটি পরীক্ষা করা ছাড়া সঠিকভাবে মাটির পিএইচ জানা সম্ভব না। আর ভাল ফলন পেতে শুধু পিইচ বা অম্লত্ত বা ক্ষারত্ব পরীক্ষা নয়, দরকার উপস্থিত পুষ্টি উপাদানের পরিমান জানা। অর্থাৎ, মাটির পূর্ণাংগ পরীক্ষা করলেই জানা সম্ভব ঐ মাটিতে কোন ফসল ভাল হবে বা কি পরিমান পুষ্টি দরকার হবে। ঢাকা মহানগরীতে তেজগাও, গুলশান, মো:পুর ও মিরপুর এ মেট্রোপলিটন কৃষি অফিস আছে। আপনি সেখানে যোগাযোগ করতে পারেন। এ ছাড়া উপ-পরিচালকের কার্যালয়,ঢাকা জেলা, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫ তেও যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউট,কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকা-১২১৫ তে যোগাযোগ করে মাটি পরীক্ষার বিষয়ে জানতে পারবেন। আপনি কৃষি বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর কোথায় পাবেন জানতে চেয়েছেন। কৃষি একটি বহুমুখী বিষয়। অনেক গুলো ব্রাঞ্চ এর সাথে জড়িত। যেমন-শস্য, মাছ, গবাদী পশু , মাটি ইত্যাদি। প্রত্যেকটির জন্য পৃথক পৃথক সংস্থা জড়িত আছ্ কৃষি তথ্য সার্ভিস কৃষি বিষয়ক তথ্য জনগণের কাছে পেৌছে দেওয়ার কাজে নিয়োজিত আছে। আপনি আমাদের কাছেও আপনার প্রশ্ন রাখতে পারেন। আমাদের ওয়েবসাইট এ কৃষি বিষয়ক নানা তথ্য দেওয়া আছে, আপনি আশাকরি উপকৃত হবেন। ফ্লাশের সমস্যার জন্য আপনি ব্রাউজার হিসাবে মজিলা ব্যবহার করে উপকার পাবেন। আপনার পূর্বের প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়েছে ইতিমধ্যে। তবে ভবিষ্যতে একই প্রশ্নের ভেতর ভিন্ন ভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন না রেখে আলাদা করে নির্দিষ্টভাবে প্রশ্ন করলে যথাযথ উত্তর প্রদান সহজতর হবে। ফলে অন্যান্য ওয়েবসাইট ভিজিটর রাও সেখান থেকে উপকৃত হতে পারেন। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

wrote...

পেপে চাষের বিস্তারিত নিয়মাবলী এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে দেওয়া আছে। আশাকরি আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

লীফ কালার চার্ট টি এখনো বিক্রির জন্য সহজলভ্য না। প্রত্যেক উপজেলা কৃষি অফিসে লীফ কালার চার্ট দেওয়া হয়েছে, আপনি ব্যবহারের জন্য আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। কৃষিকথা পত্রিকাটি ডাক যোগে পাওয়া যায়। এ জন্য পত্রিকায় ঠিকানা ও বিস্তারিত নিয়ম দেওয়া আছে, আশাকরি আপনি আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

পরিকল্পিত বাগান করার উদ্যোগ নেওয়ার জন্য আপনাকে সাধুবাদ জানাই। তবে আপনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে কর্মরত কোন কর্মকর্তা বা কোন কৃষি বিশেষজ্ঞ এর মতামত নিয়ে কাজটি করলে ভাল হবে। কৃষি খামার সড়ক, ফার্মগেট, ঢাকাতে অবস্থিত উপ-পরিচালকের কার্যালয়, ঢাকা অঞ্চল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয়ে যোগাযোগ করতে পারেন। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে নানা ধরণের ফল সম্পর্কে তথ্য দেওয়া হয়েছে। আপনি সেখান থেকে তথ্য পেতে পারেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর এ যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আমাদের ওয়েবসাইটটিতে ই-কৃষি অংশে বিভিন্ন ফসল এর চাষ পদ্ধতি, সার, রোগবালাই ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া আছে। আপনি আশাকরি সেখান থেকে আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

দু:খিত এ বিষয়ে তথ্য এ মুহুর্তে আমাদের হাতে নেই। তথ্য পাওয়া সাপেক্ষে আপনাকে জানানো হবে। তবে আপনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইং, খামারবাড়ি, ঢাকা-তে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার সুন্দর প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আম ফেটে যাওয়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যেমন, আমের গুটি বাধার পর দীর্ঘসময় বৃষ্টি না হলে অর্থাৎ খরা চলার পর হঠাৎ করে বৃষ্টিপাত হলে আম ফেটে যেতে পারে। এ ছাড়া সুষম সারের অভাব (বিশেষ করে পটাশ বা বোরণ সার), মাটিতে রসের অভাব, রোগ বালাই এর আক্রমণ ইত্যাদি নানা কারণে আম ফেটে যেতে পারে। সুতরাং এ বিষয় গুলোর প্রতি খেয়াল রাখা দরকার। আমাদের এই ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে আম চাষের নিয়মকানুন বিস্তারিতভাবে দেওয়া হয়েছে। আশাকরি আপনি উপকার পাবেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

লিচু চাষের জন্য উন্নত জাতের কলম এর চারা ব্যবহার করুন। সরকারি হর্টিকালচার সেন্টার বা বেসরকারি কোন মান সম্পন্ন নার্সারী থেকে আপনি উন্নত জাতের লিচুর চারা পেতে পারেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে যে, লিচুর চারা রোপণের সময় অবশ্যই মূল গাছের গোড়ার কিছু মাটি চারা রোপণের গর্তে দিতে হবে। লিচু চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে দেওয়া আছে। আশাকরি আপনি উপকৃত হবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

কুমড়া জাতীয় ফসলে মাছি পোকার আক্রমণে এমনটি হয়ে থাকে। এ জন্য আপনি বিষটোপ ফাদ ব্যবহার করতে পারেন। কুমড়া জাতীয় ফসলে মাছি পোকা দমনে বিষটোপ ফাঁদ অত্যন্ত কার্যকরী একটি পদ্ধতি। এ জন্য ১০০ গ্রাম পাকা মিষ্টি কুমড়া কুচিকুচি করে কেটে তা থেতলিয়ে ১ গ্রাম কার্বারিল জাতীয় কীটনাশক এবং ১০০ মিলিলিটার পানি মিশিয়ে ছোট একটি মাটির পাত্রে রেখে তিনটি খুটির সাহায্যে এমনভাবে স্থাপন করতে হবে যাতে বিষটোপের পাত্রটি ফুলের কাছাকাছি থাকে। বিষটোপ তৈরির পরে ৩-৪ দিন ব্যবহার করে তা ফেলে দিয়ে আবার নতুন করে বিষটোপ তৈরি করতে হয়। এ পদ্ধতিতে একদিকে যেমন পরিবেশ সম্মত তেমনি আবাদে লাভও হয়। এ ছাড়া সেক্স ফেরোমন ফাদ দিয়েও কার্যকরভাবে মাছি পোকা দমন করা যায়। এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনি যে ছবি তুলেছেন সেটি ইমেইল এ পাঠিয়ে দিন। ইমেইল: dirais@ais.gov.bd ছবি দেখে আপনার সমাধান দেওয়া সহজতর হবে। পাতার উপরের দিক এবং নিচের দিক অর্থাৎ দুই দিকের ছবিই পাঠালে ভাল হয়। আপনার ছবি পেলে দ্রুততম সময়ে উত্তর দেওয়া হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

সাধারণত গাছের গোড়া বেশি স্যাতসেতে থাকলে এরকম হতে পারে। আপনি গাছের ডালপালা ছেটে দিন। গোড়ার মাটি আলগা করে দিয়ে আলো বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করে দিন। এ ছাড়া বর্ষার আগে ও পরে দুই দফা সার প্রয়োগ করতে হয়। গাছের গোড়ার চারিদিকে রিং করে ১০০ গ্রাম করে ইউরিয়া, টিএসপি এবং এমওপি সার এবং সেইসাথে যথেষ্ট পরিমানে পচা গোবর সার প্রয়োগ করুন। রোগ-বালাই এর আত্রমণ হয়ে থাকলে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস বা কোন কৃষি বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ মোতাবেক বালাইনাশক প্রয়োগ করুন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

এ বিষয়ে আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের সবজি ফসল/ফল ফসলে বিস্তারিত বলা হয়েছে। আশাকরি আপনি সেখান থেকে উত্তর পেয়ে যাবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

বিনা ধান-৭ আমন মৌসুমের একটি উচ্চ ফলনশীল ধান। গড় ফলন প্রতি হেক্টরে ৫.০ টন। জীবনকাল ১১৫-১২০ দিন। চাল সরু ও লম্বা এ জাত চাষ করে সহজেই রবিশস্য চাষ করা যায় এবঙ মঙ্গা মোকাবেলায় খুবই কার্যকর। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

সুর্যের আলো কম পায় এবং স্যাতসেতে এমন জায়গায় কচু সবচেয়ে ভাল জন্মে। লতিরাজ কচু, মৌলভী কচু ইত্যাদি কচু চাষ করা যেতে পারে। কচু চাষের নিয়মকানুন এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের কন্দাল ফসলে দেওয়া আছে। অন্যান্য প্রশ্নগুলো সুস্পষ্ট নয় বিধায় উত্তর দেওয়া সম্ভব হলো না। দয়া করে নির্দিষ্ট করে প্রশ্ন জানাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

কোয়েল পাখির চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (সাবেক উপজেলা পশু সম্পদ অফিস) অথবা প্রানি সম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকা-এ যোগাযোগ করতে পারেন। সেখানকার বিশেষজ্ঞরা আপনাকে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে পারবেন। ধন্যবাদ প্রশ্নের জন্য।

wrote...

ফাইটপথোরা ইনফেসটেনস নামক ছত্রাকের আক্রমনে এ রোগ হয়ে থাকে। আলুর নাবী ধ্বসাকে আলুর মড়ক বলে। ফাইটপথোরা ইনফেসটেনস নামক ছত্রাকের আক্রমনে এ রোগ হয়ে থাকে। প্রথমে পাতা, ডগা, ও কান্ডে কিছু অংশ ঘিরে ফেলে। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকলে ২-৩ দিনের মধ্যে জমির অধিকাংশ ফসল আক্রান্ত হয়ে পড়ে। ভোরের দিকে আক্রান্ত পাতার নিচে সাদা পাউডারের মত ছত্রাক চোখে পড়ে। আক্রান্ত ক্ষেতে পোড়া-পোড়া গন্ধ পাওয়া যায় এবং মনে হয় যেন জমির ফসল পুড়ে গেছে । এ জন্য রোগমুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে। আক্রান্ত জমিতে সেচ যথা সম্ভব বন্ধ করে দিতে হবে। রোগ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে রিডোমিল (০.২%), ডাইথেন এম-৪৫ (০.২%) ইত্যাদি অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ১০-১২ দিন পর পর সেপ্র করতে হবে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

লাক্ষা বাংলাদেশের একটি লাভজনক অর্থকরী ফসল। সারা দেশের আবহাওয়া লাক্ষা চাষের উপযোগি। বর্তমানে বাংলাদেশে সারা বছরে প্রায় ৩০০ হেক্টর জমিতে লাক্ষা চাষ হয়। এ পরিমাণ জমি থেকে মাত্র ১৮০ টনের মতো ছাড়ানো লাক্ষা উৎপাদিত হয়। কিন্তু বাংলাদেশে লাক্ষার চাহিদা প্রায় ১২০০ টনের বেশি। বিশ্ব্ব বাজারে লাক্ষার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে লাক্ষার বিভিন্নমুখী ব্যবহার এ চাহিদার মূল কারণ। লাক্ষা চাষ সমপ্রসারণ করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পাশাপাশি প্রান্তিক ও ভূমিহীন চাষিদের কর্মসংস্থানের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন করা সম্ভব। লাক্ষাকীটের পোষক গাছ কুলগাছে কুল উৎপাদনের পাশাপাশি লাক্ষা চাষ করা যায়। বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে তিনহাজার জমিতে কুল চাষ হয়। মোট উৎপাদন প্রায় তের হাজার টন এবং হেক্টর প্রতি ফলন প্রায় ৩.৫ টন। কুল গাছে লাক্ষা চাষ করলে যদিও কুলের ফলন শতকরা ১০ থেকে ২০ ভাগ কম হয়। তবুও কুলের চেয়ে কুল ও লাক্ষার চাষ একত্রে অধিক লাভজনক। কুলছাড়াও শিরিস, বট, পাকুর, পলাশ, পলাশ, খয়ের, বাবলা, ডুমুর, অড়হর, কসুম এসব গাছেও লাক্ষা ভালো জন্মে। পোষক গাছ ছাঁটাইকরণ লাক্ষা কীটসমূহ কেবলমাত্র গাছের কচি ডগা বা ডাল হতে রস শোষন করতে পারে সেজন্য যে পোষক গাছে লাক্ষা কীট চাষ করা হবে তার পাতা ও কচি ডগা খাবে তা আগেই ছাঁটাই করা উচিত। শিশু কীট সংক্রমণ ভালো লাক্ষার ফলন কীট সংক্রমণের ওপর অনেকটা নির্ভরশীল। সে কারণে যেসব বিষয়ের প্রতি নজর দিতে হবে। তাহলো- শত্রুকীটমুক্ত; পরিপক্ক ও স্বাস্থ্যকর বীজ লাক্ষা ব্যবহার করা; বীজলাক্ষা গাছ হতে কাটার পর পরই সংক্রমণ করা; সংক্রমণের জন্য সঠিক পরিমাণ বীজলাক্ষা ব্যবহার করা; বীজলাক্ষা সমেত টুকরাটি এমনভাবে শোষক গাছের ডালে বাঁধতে হবে যেন সেটা গাছের ডালের সাথে বেশ ভালোভাবে লেগে থাকে। বীজ লাক্ষাগুলো কচি ডালের যত কাছাকাছি বাঁধা যায় ততই ভালো; বীজলাক্ষা লাগানোর পর শিশু কীটগুলো গাছের কচি ডালে বসে গেলে যতশীঘ্র সম্ভব বীজলাক্ষার টুকরাগুলো সরিয়ে নিতে হবে। কূপ পদ্ধতিতে লাক্ষা চাষ চক্রাকারে লাক্ষা চাষের মাধ্যমে পোষক গাছকে প্রয়োজনীয় বিশ্রাম দেয়া দরকার। কূপ পদ্ধতির মাধ্যমে একটি এলাকার পোষক গাছসমূহকে তিন বা চারভাগে ভাগ করা হয়। প্রথমত কোনো একটি কূপের সকল গাছে পোকা সংক্রমণ করা হয়। যখন ফসল পরিপক্ক হয় তখন অন্য কূপের গাছ সমূহকে সংক্রমিত করা হয়। এভাবে আগের কূপটির গাছসমূহকে নতুন পাতা ও ডগা বের হওয়ার যথেষ্ট সময় পায় ও সম্পূর্ণ প্রাণশক্তি ফিরে পায়। নতুন ডালে লাক্ষা তৈরি নতুন ডালে অবস্থান নেয়ার পর শিশুকীটগুলো তাদের চুলের মতো লম্বাশুর গাছের বাকলের মধ্যে ঢুকিয়ে দেয় ও প্রয়োজনীয় খাদ্য সংগ্রহ করে। ত্বকের নিচে সর্বত্র ছড়িয়ে থাকা এক প্রকার গ্রন্থি থেকে এরা পাতলা উজ্জল রঙের রস নি:সরণ শুরু করে যা লাক্ষা নামে পরিচিত। ফসল কাটা, লাক্ষা ছাড়ানো ও প্রক্রিয়াজাতকরণ লাক্ষা সম্পূর্ণভাবে পরিপক্ক হওয়ার পর কাটা দরকার। জুন-জুলাই মাসে (আষাঢ়) বীজ লাক্ষা লাগালে অক্টো্বর- নভেম্বর কার্তিক) মাসে ফসল সংগ্রহের সময় হয়। অক্টো্বর- নভেম্বর (কার্তিক) মাসে বীজ লাক্ষা লাগালে এপ্রিল- মে (বৈশাখ) মাসে ফসল সংগ্রহের সময় হয়। পোষক ডাল হতে পরিপক্ক লাক্ষা দা বা কাঁচির সাহায্যে ছাড়াতে হয় যা ছাড়ানো লাক্ষা নামে পরিচিত। ছাড়ানো লাক্ষা প্রক্রিয়াজাত করে চাঁচ, টিকিয়া ও গালা তৈরি করা হয়। একশ কেজি ছাড়ানো লাক্ষা হতে ৬০ কেজি চাঁচ/ টিকিয়া/গালা পাওয়া যায়। লাক্ষার সাথী ফসল কুল,পলাশ, বাবলা, খয়ের কড়ই এসব গাছে সফলতার সাথে লাক্ষা চাষ হয়ে আসছে। পোষক গাছ জমিতে থাকলে সেখানে ছায়া পড়বে। তাই লাক্ষার সাথী ফসল হিসেবে ঐ সমস্ত শস্যকেই বেছে নিতে হবে যেগুলো ছায়াযুক্ত বা আংশিক ছায়াযুক্ত স্থানে ভালো জন্মাতে পারে। লাক্ষা গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা যেসব ফসলকে লাক্ষার উপযোগি সাথী ফসল হিসেবে তাহলো আদা, হলুদ, মুখীকচু, মিষ্টি আলু,ধান, গম এসব। দেশের ভূমিহীন কিংবা প্রন্তিক চাষিরা নিজের এলাকার সরকারি, বেসরকারি সড়ক কিংবা মাঠঘাট প্রান্তরে জন্মানো পোষক গাছে লাক্ষা চাষ করে নিজেদের দারিদ্র্য বিমোচন করতে পারেন। আর বাণিজ্যিক ভিত্তিতে লাক্ষা চাষ হলে দেশও এগিয়ে যেতে পারে অনেকদূর।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমের ফলন বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন সুষম সারের ব্যবহার, প্রয়োজনমতো সেচ এবং দরকার হলে বালাইনাশক প্রয়োগ। তাছাড়া অন্যান্য যত্ন বিশেষ বিশেষ সময়ে করতে হবে। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে আম চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। আশাকরি আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন। সাধারণত আমের 'অলটারনেট বেয়ারিং' অর্থাত এক বছরে বেশি ফল হয় অন্য বছরে হয় না/সামান্য ফল হয়-এই স্বভাবের কারণে এ রকম হয়। তবে আধুনিক উচ্চ ফলনশীল জাতগুলোতে এ সমস্যা সাধারণত দেখা যায় না।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আসলে জনপ্রিয়তা নির্ভর করে ব্যক্তি এবং স্থানের ওপর। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে উদ্ভাবিত বিভিন্ন উফশী জাতের ধান কৃষক সমাজে যথেষ্ঠ সমাদৃত। উল্লেখযোগ্য আমন ধানের জাত গুলো হলো-বিআর ১১, ব্রিধান ৩০, ব্রিধান ৪১ ইত্যাদি।

wrote...

আপনার আগ্রহ এবং উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ। আসলে যেকোন ব্যবসাই লাভজনক হতে পারে, যদি আপনি বিজ্ঞান সম্মতভাবে, পরিকল্পিত উপায়ে এবং সর্বপরি নিষ্ঠার সাথে সম্পাদন করেন। আর এ বিষয়ে আপনাকে সাহায্য সহযোগিতার জন্য উপজেলা কৃষি অফিস/উপজেলা মৎস্য অফিস/উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস আপনাকে বিভিন্নভাবে সেবাদান করতে পারে। আপনি এসব অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বর্তমান সরকার কৃষি ঋণ বিষয়ে অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আপনি আপনার নিকটস্থ কৃষি ব্যাংক বা অন্য কোন তফসীলি ব্যাংক এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার আগ্রহ এবং উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ। আসলে যেকোন ব্যবসাই লাভজনক হতে পারে, যদি আপনি বিজ্ঞান সম্মতভাবে, পরিকল্পিত উপায়ে এবং সর্বপরি নিষ্ঠার সাথে সম্পাদন করেন। আর এ বিষয়ে আপনাকে সাহায্য সহযোগিতার জন্য উপজেলা কৃষি অফিস/উপজেলা মৎস্য অফিস/উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস আপনাকে বিভিন্নভাবে সেবাদান করতে পারে। আপনি এসব অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বর্তমান সরকার কৃষি ঋণ বিষয়ে অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আপনি আপনার নিকটস্থ কৃষি ব্যাংক বা অন্য কোন তফসীলি ব্যাংক এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার আগ্রহ এবং উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ। আসলে যেকোন ব্যবসাই লাভজনক হতে পারে, যদি আপনি বিজ্ঞান সম্মতভাবে, পরিকল্পিত উপায়ে এবং সর্বপরি নিষ্ঠার সাথে সম্পাদন করেন। আর এ বিষয়ে আপনাকে সাহায্য সহযোগিতার জন্য উপজেলা কৃষি অফিস/উপজেলা মৎস্য অফিস/উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস আপনাকে বিভিন্নভাবে সেবাদান করতে পারে। আপনি এসব অফিসে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আপনার ব্যবসা শুরু করতে পারেন। বর্তমান সরকার কৃষি ঋণ বিষয়ে অনেক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আপনি আপনার নিকটস্থ কৃষি ব্যাংক বা অন্য কোন তফসীলি ব্যাংক এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্রের জন্য ধন্যবাদ। জিংক (দস্তা সার) ও ফসফেট সার (টিএসপি সার) একত্রে প্রয়োগ করলে জিঙক ফসফাইট নামক জটিল একটি যৌগ তৈরি হয়। যা গাছ গ্রহণ করতে পারে না। এ জন্য দস্তা সার এবং ফসফেট সার আলাদা আলাদা ভাবে ব্যবহার করতে হয়।

wrote...

আপনার প্রশ্রের জন্য ধন্যবাদ। আপনার জন্য পাম চাষের বিস্তরিত তথ্য দেওয়া হলো- পামঅয়েল চাষ শুরুর আগে ভাবনা: পামওয়েল গাছ থেকে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে তিন থেকে চার বছর এ সময়ের আগে গাছে কোন ফল ধরবে না। সে কারণে অর্থ উপার্জনের কোন সম্ভাবনাও থাকবে না। শধু এ সময়ে পামওয়েল চাষিকে কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। কারণ জমি চাস শুরু করে সবধরনের কাজেই অনেক শ্রমিক লাগবে। সে কারণে যখন যে সময় যে কোন অংকের টাকা খরচ করার মানসিকতা থাকতে হবে। কারণ পামওয়েল চাষে যত্ন আত্তিতে এতটুকু অবহেলা করলে তা ভাল পামওয়েল উৎপাদনে সহায়তা করবে না। তাতে লাভের চেয়ে ক্ষতি বেশি। পামওয়েল চাষের ধারা: বীজ সংগ্রহ ও চারা উত্তোলন: পরিপক্ক, সুস্থ, সবল পামওয়েল বীজ সংগ্রহ করতে হয়। তবে পামওয়েল বীজের সুপ্ততা ভাঙতে যে ঘরে তাপমাত্রা অনেক বেশি সেখানে ০২ দিন রাখতে হয়। তারপর পলিব্যাগে পামওয়েলের বীজ বপন করলে তা থেকে চারা বের হতে ৯০ থেকে ১০০ দিন লাগবে। একটি কচি চারা পলিব্যাগ বা কনটেইনারে এক নাগাড়ে ৪ থেকে ৫ মাস রাখতে হয়। এরপর ২ থেকে ৪ পাতা হলেই চারাটি নার্সারিতে নিতে হয়। নার্সারিতে চারার বয়স: ছোট্ট একটি চারা নার্সারিতে বসবাস করবে কমপক্ষে ১ বছর । তারপর যখন চারাটিতে ১৫ টি পাতা আসবে তখন সে চারাটি মূলজমিতে লাগানোর উপযোগি হবে। মূল জমিতে চারা লাগানো: মূলজমিতে পামওয়েল চারা লাগানোর পর আবার অপেক্ষার পালা। এক সময় গাছে ফুল আসবে। প্রথমে আসবে পুরুষ ফুল। প্রত্যেকটি পাতার গোড়ায় গোড়ায় আসবে পুরুষ ফুল। কয়েক মাস ধরে গাছে শুধু পুরুষ ফুল ধরবে। তারপর আসে স্ত্রী ফুল। উভয়ের বসবাস আলাদা। এক সময়ে উপযুক্ত মাধ্যমের সাহায্যে পুরুষ ফুল স্ত্রী ফুলকে নিষিক্ত করে। তারপর এ নিষিক্ত স্ত্রী ফুল আস্তে আস্তে ফলের গোছায় পরিণত হয়। পামওয়েলের জাত: বনে জঙ্গলে পামওয়েল গাছ জন্মালেও ভাল জাতের পামওয়েল গাছ সংগ্রহ না করলে সব পরিশ্রমই বৃথা যেতে পারে। চাষাবাদ উপযোগি পামওয়েলের জাতগুলো হলো- দুরা, পিসিফেরা, তেনেরা। এসব জাতের মাঝে তেনেরা জাত থেকে সবচে’ বেশি পামওয়েল তেল সংগ্রহ করা যায়। পামওয়েল ফল থেকে তেল সংগ্রহ: পামওয়েলের জাতের ওপর নির্ভর করে তেল সংগ্রহের হার। তাল, নারকেলের মতো পামওয়েলের ফলও বেশ কয়েকটি অংশে বিভক্ত। এগুলো হলো পাল্প বা শাঁস, বীজ ও কার্নেল। শাঁসের রঙ হলুদ। শাঁস মাড়াই কলে মাড়াই করার পর পাওয়া যায় পামওয়েল তেল। শাঁসের পরের অংশটি হলো খোল বা খোসা। এর ভিতরে থাকে কার্নেল। কার্নেল মাড়াই করে যে তেল পাওয়া যায় তাকে বলা হয় পাম কার্নেল ওয়েল।

wrote...

আপনার জমিতে মাজরা পোকার আক্রমণ হতে পারে। তবে প্রশ্নটি আরেকটি ভালভাবে ব্যাখ্যা করলে উত্তর প্রদান সহজ হতো। সাধারণত মাজরা পোকার কীড়াগুলো কান্ডের ভেতরে থেকে খাওয়া শুরু করে এবং ধীরে ধীরে গাছের ডিগ পাতার গোড়া খেয়ে কেটে ফেলে। ফলে ডিগ পাতা মারা যায়। একে ‘মরা ডিগ’ বা ‘ডেডহার্ট ’ বলে। আপনি দ্রুত কাছের উপজেলা কৃষি অফিস/উপসহকারী কৃষি অফিসার এর পরামর্শ নিন।

wrote...

আপনার জমিতে মাজরা পোকার আক্রমণ হতে পারে। তবে প্রশ্নটি আরেকটি ভালভাবে ব্যাখ্যা করলে উত্তর প্রদান সহজ হতো। সাধারণত মাজরা পোকার কীড়াগুলো কান্ডের ভেতরে থেকে খাওয়া শুরু করে এবং ধীরে ধীরে গাছের ডিগ পাতার গোড়া খেয়ে কেটে ফেলে। ফলে ডিগ পাতা মারা যায়। একে ‘মরা ডিগ’ বা ‘ডেডহার্ট ’ বলে। আপনি দ্রুত কাছের উপজেলা কৃষি অফিস/উপসহকারী কৃষি অফিসার এর পরামর্শ নিন।

wrote...

ভাল ফলন পেতে হলে উপযুক্ত বয়সের চারা রোপণ করা জরুরি। সাধারণভাবে জাত ভেদে আউশে ২০-২৫ দিন, রোপা আমনে ২৫-৩০ দিন এবং বোরাতে ৩৫-৪৫ দিন হওয়া উচিত। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

ভাল ফলনের জন্য সুষম মাত্রায়, সার, সেচ এবঙ দরকার হলে বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে। এ জন্য প্রতি গর্তে ইউরিয়া সার ২২৫ গ্রাম, টিএসপি সার ৯০ গ্রাম, এমওপি সার ১৬০ গ্রাম এবং গোবর ১১ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। তবে বয়স্ক গাছে সারের পরিমান বাড়াতে হয়। এ সার মধ্য মাঘ থেকে মধ্য ফাল্গুন, মধ্য বৈশাক থেকে মধ্য জৈষ্ঠ্য এবং মধ্য আশ্বিন থেকে মধ্য কার্তিক মাসে প্রয়োগ করতে হয়। এ ছাড়া, শুকনা মৌসুমে ২-৩ বার সেচ দিতে হয়। বর্ষার সময় গাছের গোড়ায় যাতে পানি জমে না থাকে সেজন্য পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা দরকার। প্রতি বছর ফল আহরণের পর অবাঞ্ছিত ডারপালা ছাঁটাই করতে হয়। গাছে কোন পোকামাকড় বা রোগ দেখা গেলে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস/উপসকারী কৃষি অফিসারের পরামর্শ নিয়ে বালাইনাশক ব্যবহার করুন।

wrote...

বাঙলাদেশের আবহাওয়াতে আপেল চাষ করা সম্ভব নয়। এখন পর্যন্ত দেশে আপেল চাষের কোন প্রযুক্তি আবিষ্কার হয়নি। তবে আপনি নিশ্চিত হন যে, আপনার চারাটি আপেল চারা কিনা। অনেকে স্টার আপেলকে আপেল চারা বলে ভুল করে থাকেন। স্টার আপেল চাষের নিয়ম জাসতে এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে ক্লিক করুন।

wrote...

deciphering your problem precisely, it requires to discern some particulars of the tree, like- age of the tree, soil stipulation, whether any pest/disease influx happened or not, whether any fertilizer has been applied or not (If yes, what was the rate), Moisture state of the soil etc. We would be highly delighted if you kindly let us know the above said features, so that we can unravel your problem. Thank You So much for visiting the website.

wrote...

আপনি দ্রুত কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করুন। আশাকরি সেখান থেকে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ পেয়ে উপকৃত হবেন।

wrote...

wrote...

আক্রমণের ধরণ সুস্পষ্ট করে লিখলে সমস্যার সমাধান প্রদান সহজ হয়। সম্ভবত আপনার জমিতে মাজরা পোকার আক্রমণ হয়েছে। মাজরা পোকার আক্রমণের ধরণ,ক্ষতি,সমাধান ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশের দানাদার ফসলের ধানের পোকামাকড় এ ক্লিক করুন। তবে আপনি কাছের উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিন।

wrote...

আপনার প্রশ্নটি বোঝা যাচ্ছে না, দু:খিত। গাছের নামটি আপনি কি বলেছেন, সেটি বোধগম্য হচ্ছে না। দয়াকরে পুনরায় লিখুন। ধন্যবাদ।

wrote...

সাধারণভাবেই ৭০-৮০ভাগ নারিকেল পরিপক্ক হওয়ার পর ঝড়ে যায়। এজন্য সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। সার প্রয়োগের নিয়ম: রোপণের আগে চারিদিকে ১ মিটার করে গর্ত তৈরি করে নিয়ে প্রতি গর্তে টিএসপি সার ২৫০ গ্রাম, এমওপি সার ৪০০ গ্রাম ও গোবর ১০ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। তবে পূর্ণবয়স্ক গাছের ক্ষেত্রে সারের পরিমান বাড়াতে হবে। প্রতি বছর ১০ কেজি পরিমান গোবর সার প্রয়োগ করতে হয়। সমস্ত সার দুইভাগে প্রয়োগ করতে হয়। এক ভাগ মধ্য বৈশাখ থেকে মধ্য আষাঢ় ও অন্যভাগ মধ্য ভাদ্র থেকে মধ্য কার্তিক মাসে প্রয়োগ করতে হয়। গাছের গোড়া থেকে অন্তত: ১.৭৫ দূরে বৃত্তাকার রিং করে সার প্রয়োগ করতে হয়। গাছে পটাশিয়াম ও বোরণের অভাব হলে ফল ঝরে যেতে পারে। তাই এ সারগুলো দেওয়া দরকার। পাশাপাশি পরিমানমতো সেচ দিতে হবে। এ ছাড়া কোন পোকামাকড় আছে কিনা তাও পরীক্ষা করা দরকার। নারিকেলের উইপোকা ও গন্ডার পোকা একটি মারাত্নক ক্ষতিকারক পোকা।

wrote...

এ জাতীয় একটি প্রশ্নের সমাধান ইতোমধ্যেই দেওয়া হয়েছে। আশাকরি উপকার পাবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

ষুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করুন। প্রতি গাছে ২৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ১২৫ গ্রাম টিএসপি, ১২৫ গ্রাম এমওপি ও ৩০ গ্রাম বোরণ সার গাছের চারিদিকে রিং করে প্রয়োগ করুন। গাছে ম্যালাথিয়ন ৫৭ তরল/লিবাসিড ৫০ তরল/ডায়াজিনন ৬০ তরল ২ মিলি./১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করুন।

wrote...

এ বিষয়ে আপনি নিকটস্থ উপজেলা মৎস্য অফিস/সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ গ্রহণ করুন।

wrote...

আপনার কুল গাছটি কেন মড়ে যাচ্ছে, সেটি জানতে গেলে কিছু তথ্য দরকার। যেমন, ১. গাছটির বয়স কত? ২. কলমের গাছ কিনা? ৩. রোগ বা পোকামাকড় এর আক্রমণ হয়েছে কিনা বা হয়ে থাকলে ক্ষতির বিবরণ? ৪. সার দেওয়া হয়েছে কিনা? ৫. মাটিতে রসের পরিমান কেমন? ইত্যাদি। এসব তথ্য পেলে আপনার প্রশ্নের সমাধান দেওয়া যাবে। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

wrote...

এ মূহুর্তে আপনার তথ্যটি আমাদের কাছে নেই বলে দু:খিত। এ বিষয়ে তথ্য পেলে আপনাকে দ্রুত জানানো হবে। তবে আপনি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকাতে যোগাযোগ করেও তথ্যটি পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

এ মূহুর্তে আপনার তথ্যটি আমাদের কাছে নেই বলে দু:খিত। এ বিষয়ে তথ্য পেলে আপনাকে দ্রুত জানানো হবে। তবে আপনি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকাতে যোগাযোগ করেও তথ্যটি পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

thank u so much for visiting our website. yes, there are many sources of information on onion cultivation. one of the easiest way is, searching in our website. first click on e-krishi, then 'mosla foshol', here u will find onion cultivation. if u have any further question on it, pls let us know. thank u so much once again.

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে মাটিবিহীন পরিবেশে স্ট্রবেরীসহ বিভিন্ন শাকসবজি চাষাবাদ করা যায়। এক্ষেত্রে মাটি ছাড়া পানিতে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান মিশিয়ে গাছের প্রয়োজনীয় খাদ্য উপাদান সরবরাহ করা হয়। তবে এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে অর্থাত গ্রীন হাইজ বা শেড হাউজে চাষ করতে হয়। তবে হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে চাষাবাদ করার জন্য কিছুটা কারিগরী জ্ঞান দরকার, তাছাড়া পুষ্টি উপাদানগুণো এ মূহুর্তে বাজারে সহজলভ্য নয়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে গাজীপুরস্থ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের উদ্যান গবেষণা বিভাগ(ফোন নং ৯২৬১৫০১-৫)এ যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানা যেতে পারে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আশানুরুপ ফলন পেতে সার, সেচ, প্রয়োজনমতো বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে। সারের জন্য উপরি হিসেবে গাছ প্রতি ৪৫০-৫০০ গ্রাম ইউরিয়া এবং ৪৫০-৫০০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের এক মাস পর হতে প্রতি মাসে গাছ প্রতি ৫০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল আসার পর এই মাত্রা দ্বিগুণ করতে হবে। তাছাড়া গাছ প্রতি ২০ গ্রাম বোরণ সার প্রয়োগ অবশ্যই করতে হবে। পাশপাশি মাটিতে রস না থাকলে পানি সেচের ব্যবস্থা করা আবশ্যক। এ ছাড়া গাছে রোগ বালাই দেখা দিলে বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে। আমাদের এই ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে পেপে চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া আছে, আশাকরি সেখান থেকে উপকৃত হবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। ভাল ফলন পেতে হলে পেঁপেতে সময়মত সার প্রয়োগ করতে হবে। উপরি হিসেবে গাছ প্রতি ৪৫০-৫০০ গ্রাম ইউরিয়া এবং ৪৫০-৫০০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে। চারা রোপণের এক মাস পর হতে প্রতি মাসে গাছ প্রতি ৫০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল আসার পর এই মাত্রা দ্বিগুণ করতে হবে। বোরণ সার না দিলে ফল আকাবাকা হয়ে থাকে। তাই প্রতি গাছে ২০ গ্রাম করে বোরণ সার প্রয়োগ করতে হবে। পোকামাকড়ের আক্রমণের ফলেও ফর ঝরে পড়ে বা বিকৃত হয়ে যেতে পারে। এ রকম হলে বালাইনাশক দিতে হবে। মাটিতে রস না থাকলে পানি সেচের ব্যবস্থা করা আবশ্যক। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি প্রয়োজনমতো সার প্রয়োগ করেছেন কিনা তা অবশ্য জানাননি। যাহোক, প্রতি শতকে ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম, টিএসপি ৬০০ গ্রাম, পটাশ ৫০০ গ্রাম, বোরণ সার ৩০ গ্রাম এবং পচা গোবর/কমেপাস্ট সার ২৫-৩০ কেজি প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া ও পটাশ সার সমান তিনভাগে ভাগ করে চারা রোপণের সময় প্রথম ভাগ, ১০-১২ দির পর ২য় ভাগ এবং ৩৫-৪০ দিন পর ৩য় ভাগ প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল আসার আগেই সব সার দিয়ে দেয়া ভালো। এ ছাড়া প্রয়োজনমতো পানিসেচ অবশ্যই দিতে হবে। পাশাপাশি রোগবালাই দেখা দিলে বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া লাউ গাছে হাত পরাগায়ন (পুরুষ ফুল দিয়ে স্স্ত্রী ফুলের গর্ভমুন্ডে, যেটি গর্ভাশয়ের পিছনে পাপড়ির মাঝখানে থাকে) করে ফলন অনেক বাড়ানো যায়। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বেশি বৃষ্টির ফলে গোড়ায় যাতে পানি না জমে যায় সে ব্যবস্থা নিতে হবে। গোড়ায় পানি জমলে পানি বের করে দিয়ে মাটি উল্টিয়ে দিয়ে বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। গোড়ার মাটি চটা ভেংগে দেয়া খুব দরকার। আগাছা পরিষ্কার করে সার না দেয়া হলে পরিমান মতো সার দিতে হবে। প্রতি শতকে ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম, টিএসপি ৬০০ গ্রাম, পটাশ ৫০০ গ্রাম, বোরণ সার ৩০ গ্রাম এবং পচা গোবর/কমেপাস্ট সার ২৫-৩০ কেজি প্রয়োগ করতে হবে। ইউরিয়া ও পটাশ সার সমান তিনভাগে ভাগ করে চারা রোপণের সময় প্রথম ভাগ, ১০-১২ দির পর ২য় ভাগ এবং ৩৫-৪০ দিন পর ৩য় ভাগ প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল আসার আগেই সব সার দিয়ে দেয়া ভালো। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে এই স্বল্প পরিসরে বিস্তারিতভাবে আপনাকে এ বিষয়ে তথ্য প্রদান সম্ভব হচ্ছে না বলে আন্তরিকভাবে দু:খিত। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ/প্রশিক্ষণ নিতে আপনি আপনার কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

Thank u so much for visiting our website and produced a technical/academic question. whatever, you must have known that, diffusion can take place anywhere in a liquid or gas and osmosis is a special type of diffusion that must involve a watery substance and a passage through a membrane. However WHY is osmosis and diffusion different in this way? Osmosis is simply a special type of diffusion. It occurs when water molecules pass through a partially permeable membrane. During osmosis, more water molecules pass from the pure water into the dilute solution than pass back the other way. This is because there is a higher concentration of water molecules in the pure water than in the solution. Osmosis is the overall movement of water from a dilute solution to a more concentrated solution through a partially permeable membrane. This is still like diffusion, as the water is moving from a higher concentration of water to a lower concentration of water. thank u so much once again.

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রথমেই জানিয়ে দেই এ পোকার আক্রমণের ধরণ সম্পর্কে। টমেটোর ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণের ফলে টমেটোর গায়ে পুরাতন কালচে বা নতুন ছিদ্র ও পোকার তৈরি সুড়ঙ্গ দেখা যাবে। সুড়ঙ্গে কীড়াসহ পোকার বিষ্ঠা ও পঁচা অংশ নজরে পড়বে। এদের কীড়া সম্পূর্ণ ফল নষ্ট না করে অংশ বিশেষের ক্ষতি করে। এভাবে একটি কীড়া অনেকগুলো ফল নষ্ট করে থাকে। এদের দমনের জন্য যা করতে হবে তা হলো: ১. পাতাসহ আক্রান্ত ফল হাতবাছাই করে মেরে ফেলা দরকার; ২. এক কেজি আধাভাঙ্গা নিমবীজ ১০ লিটার পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে উক্ত পানি স্প্রে করা দরকার; ৩. সেক্স ফেরোমোন ফাদ ব্যবহার করা; ৪. আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে সাইপারমেথ্রিন ৪০ ইসি জাতীয় কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি. পরিমানে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। এবং আমাদের এ ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের সবজি ফসলে লগইন করেও বিস্তারিত জানতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

এজন্য সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। সার প্রয়োগের নিয়ম: রোপণের আগে চারিদিকে ১ মিটার করে গর্ত তৈরি করে নিয়ে প্রতি গর্তে টিএসপি সার ২৫০ গ্রাম, এমওপি সার ৪০০ গ্রাম ও গোবর ১০ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। তবে পূর্ণবয়স্ক গাছের ক্ষেত্রে সারের পরিমান বাড়াতে হবে। প্রতি বছর ১০ কেজি পরিমান গোবর সার প্রয়োগ করতে হয়। সমস্ত সার দুইভাগে প্রয়োগ করতে হয়। এক ভাগ মধ্য বৈশাখ থেকে মধ্য আষাঢ় ও অন্যভাগ মধ্য ভাদ্র থেকে মধ্য কার্তিক মাসে প্রয়োগ করতে হয়। গাছের গোড়া থেকে অন্তত: ১.৭৫ দূরে বৃত্তাকার রিং করে সার প্রয়োগ করতে হয়। গাছে পটাশিয়াম ও বোরণের অভাব হলে ফল ঝরে যেতে পারে। তাই এ সারগুলো দেওয়া দরকার। পাশাপাশি পরিমানমতো সেচ দিতে হবে। এ ছাড়া কোন পোকামাকড় আছে কিনা তাও পরীক্ষা করা দরকার। নারিকেলের উইপোকা ও গন্ডার পোকা একটি মারাত্নক ক্ষতিকারক পোকা।

wrote...

কৃষি তথ্য সার্ভিস ১৯৬১ সনে কৃষি তথ্য সঙস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৫ সনে কৃষি তথ্য সার্ভিস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এর সদন দপ্তর ঢাকা ফার্মগেট খামারবাড়িতে। কৃষি বিষয়ক প্রচার প্রচারণার ক্ষেত্রে এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের ফোকাল পয়েন্ট। কৃষি তথ্য বিস্তারে এ সঙস্থাটি কাজ করে যাচ্ছে।

wrote...

আপনাকে ধন্যবাদ। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা থেকে উদ্ভাবিত হাইব্রিড জাতের ভুট্টা ছাড়াও বিভিন্ন বেসরকারি বীজ কোম্পানির নানা জাতের হাইব্রিড ভুট্টার বীজ বাজারে পাওয়া যায়। আপনার জমির ধরণ এবং সেচ সহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধার কথা বিবেচনা করে জাত নির্বঅচন করতে হবে। সেজন্য সবচেয়ে ভালো স্থানীয় উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ নেওয়া। ভুট্টা খুবই সম্ভাবনাময় ফসল। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে দানা ফসলে ক্লিক করলে আপনি ভুট্টা চাষের যাবতীয় নিয়মকানুন জানতে পারবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি গাছে আগে কখনো সার দিয়েছেন কিনা তা জানান নি। না দিয়ে থাকলে গাছ প্রতি ১২৫ গ্রাম ইউরিয়া, ২৫০ গ্রাম টিএসপি, ২৫০ গ্রাম পটাশ এবং অবশ্যই ২৫-৩০ গ্রাম বোরণ সার প্রয়োগ করুন। সেই সাথে ১০-১৫ কেজি পচা গোবর সার দিন। গাছের চারিদিকে রিং করে (গোড়া থেকে আনুমানিক ২ হাত দুরে) এই সার গুলো দিতে হবে। মাটিতে পর্যাপ্ত পরিমান সেচ দিন। এ ছাড়া গাছে কোন পোকা বা রোগ আছে কিনা লক্ষ করুন। দেখা গেলে উপজেলা কৃষি অফিস বা কৃষি বিশেষজ্ঞ এর মতামত অনুযায়ী বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি গাছে আগে কখনো সার দিয়েছেন কিনা তা জানান নি। না দিয়ে থাকলে গাছ প্রতি ১২৫ গ্রাম ইউরিয়া, ২৫০ গ্রাম টিএসপি, ২৫০ গ্রাম পটাশ এবং অবশ্যই ২৫-৩০ গ্রাম বোরণ সার প্রয়োগ করুন। সেই সাথে ১০-১৫ কেজি পচা গোবর সার দিন। গাছের চারিদিকে রিং করে (গোড়া থেকে আনুমানিক ২ হাত দুরে) এই সার গুলো দিতে হবে। মাটিতে পর্যাপ্ত পরিমান সেচ দিন। এ ছাড়া গাছে কোন পোকা বা রোগ আছে কিনা লক্ষ করুন। দেখা গেলে উপজেলা কৃষি অফিস বা কৃষি বিশেষজ্ঞ এর মতামত অনুযায়ী বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত পেপে গাছের ক্ষেত্রে শতকরা ১০ ভাগ পুরুষ গাছ থাকা দরকার। তা না হলে পরাগায়ন বাধাগ্রস্থ হয় এবঙ ফল ঝড়ে পরে। তবে এই হার ৭০%, এটি অনেক বেশি। যাহোক, ভাল ফলন পেতে হলে পেঁপেতে সময়মত সার প্রয়োগ করতে হবে। উপরি হিসেবে গাছ প্রতি ৪৫০-৫০০ গ্রাম ইউরিয়া এবং ৪৫০-৫০০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে। সেই সাথে অবশ্যই ২৫-৩০ গ্রাম বোরণ সার প্রয়োগ করা দরকার। চারা রোপণের এক মাস পর হতে প্রতি মাসে গাছ প্রতি ৫০ গ্রাম ইউরিয়া ও ৫০ গ্রাম এমপি সার প্রয়োগ করতে হবে। গাছে ফুল আসার পর এই মাত্রা দ্বিগুণ করতে হবে। মাটিতে রস না থাকলে পানি সেচের ব্যবস্থা করা আবশ্যক। খেয়াল রাখতে হবে কোন পোকামাকড় বা রোগবালাই এর আক্রমণ হয়েছে কিনা। হলে কৃষি বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নিতে হবে।

wrote...

আমরা আপনার মেমো নম্বর অনুযায় সন্ধান করে দেখছি। যতশীঘ্রই সম্ভব আপনাকে এ বিষয়ে জানাতে চেষ্টা করবো। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকার কৃষক তথা কৃষির উন্নয়নের জন্য অনেক পদক্ষেপ নিয়েছে এবং নিচ্ছে। গভীর নলকুপ স্থাপনের মাধ্যমে কৃষকদের পানি সেচে সহায়তা প্রদান, ডিজেলে ভর্তুকি প্রদান ইত্যাদি পদক্ষেপ অন্যতম। তবে ডিপ টিউবয়েল এর মালিকরা যাতে কৃষকদের ঠকাতে বা ক্ষতিগ্রস্থ না করে সেজন্য কিন্ত কৃষক ভাইদেরও এক থাকতে হবে। এ বিষয়ে সমিতির মাধ্যমে আয় ব্যয় এর হিসাব পরিচালনা করা যেতে পারে। তাছাড়া কাছের উপজেলা কৃষি অফিস বা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা এবঙ নির্বাচিত প্রতিনিধি যারা আছেন তাদের সাথে পরামর্শ করে বিভিন্ন পদক্ষেপ আপনার গ্রহণ করতে পারেন।

wrote...

ভাই রাজু আহমেদ আপনার প্রশ্নের জন্য অনেক ধন্যবাদ। পেপে চাষের নিয়ম আমাদের এই ওয়েবসাইটেই দেওয়া আছে। এ জন্য এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে ক্লিক করুন। সেখানে পেপেসহ বিভিন্ন ফলের চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। আশাকরি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যটি সেখান থেকে পেয়ে যাবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

ভাই দয়া করে আপনি কোন জাতটির চাষ করছেন সেটি জানালে বুঝতে সুবিধা হবে। যদি গাছের অন্যান্য অবস্থা ভাল থাকে এবং দানার পুষ্টতা থাকে,রোগবালাইয়ের এর আক্রমণ না থকে তাহলে চিন্তার কোন কারণ নেই। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সম্ভবত আপনার আলু গাছে কাটুই পোকার আক্রমণ হয়েছে। এখন জানিয়ে দেই এ পোকা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য: কাটুই পোকা গাছের গোড়া কেটে ক্ষতি করে। ডিম ফুটে বের হয়ে কীড়া পাতার বাইরের (ত্বক) অংশ খেয়ে থাকে। পোকা চেনার উপায়: কাটুই পোকা বেশ শক্তিশালী| পোকার উপর পিঠ কালচে বাদামী বর্ণের, পার্শ্বদেশ কালো রেখাযুক্ত এবং বর্ণ ধূসর সবুজ। শরীর নরম ও তৈলাক্ত । ক্ষতির নমুনা: কাটুই পোকা চারা গাছ কেটে দেয় এবং আলুতে ছিদ্র করে আলো ফসলের ক্ষতি করে থাকে। পোকা দিনের বেলায় মাটির নিচে লুকিয়ে থাকে। আলুর কাটা গাছ অনেক সময় কাটা গোড়ার পাশেই পড়ে থাকতে দেখা যায়। ব্যবস্থাপনা: কাটুই পোকার উপদ্রব খুব বেশী না হলে কাটা আলু গাছ দেখে তার কাছাকাছি মাটি উল্টে পাল্টে পোকা খুঁজে সংগ্রহ করে মেরে ফেলা উচিত। আলু ক্ষেতে সেচ দেওয়ার সময় পানির সাথে ২০ মি.লি/শতক হারে কেরোসিন তেল মিশিয়ে দিয়ে মাটিতে লুকিয়ে থাকা কাটুই পোকা মেরে ফেলা যায়। এ ছাড়া পাখিকে উৎসাহিত করার জন্য ক্ষেতের মাঝে বাঁেশর কাঠি বা ডাল পালা পুঁতে রাখা দরকার। কাটুই পোকার উপদ্রব খুব বেশি হলে কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। প্রতি লিটার পানির সাথে ৫ মি.লি ক্লোরোপাইরিফস (ডারসবান) ২০ ইসি হারে মিশিয়ে গাছের গোড়া ও মাটিতে সেপ্র করে ভিজিয়ে দিতে হবে। আলু লাগানোর ৩০-৪০ পর সেপ্র করতে হবে।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গাছগুলোর বয়স কত জানাননি, তাছাড়া এ পর্যন্ত কোন সার দেওয়া হয়েছে কিনা তাও জানাননি। দয়া করে এ বিষয়গুলো জানালে উত্তর দেওয়া সুবিধাজনক হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সীমের ফুল বিভিন্ন কারণে ঝড়ে পড়তে পারে। পোকামাকড় বা রোগবালাইয়ের আক্রমণ হতে পারে, মাটিতে সারের পরিমান কম থাকলে বা প্রয়োজনমতো সেচ না দেওয়া হলেও এমন হতে পারে। সার না দেওয়া হয়ে থাকলে প্রতিটি মাদায় ৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ৫০ গ্রাম টিএসপি, ৫০ গ্রাম এমওপি এবং ২০ গ্রাম বোরণ সার দিতে হবে। এছাড়া প্রয়োজনমতো সেচ দিতে হবে। সীম গাছে জাবপোকা, ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ দেখা যায়। এগুলোর ফলে ফুল/ফল ঝড়ে যায়। এগুলো দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নিয়ে কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পৃথিবীর অনেকদেশেই জাতীয় বৃক্ষ নির্ধারণ করা আছে। আমাদের দেশেও জাতীয় পশু, জাতীয় ফল, জাতীয় ফুল ইত্যাদি থাকলেও জাতীয় বৃক্ষ নির্ধারিত ছিলনা। বর্তমান সরকার বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে আম গাছ কে জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে নির্ধারণ করেছে। আম ফল হিসেবেই শুধু নয়,গাছ হিসেবেও ধর্মীয় ও সামাজিকভাবে খুব জনপ্রিয় বৃক্ষ। এছাড়া আমের আদি নিবাসও আমাদের এই উপমহাদেশই। আরেকটি সৌভাগ্যের বিষয় হলো, বাঙলঅদেশ ছাড়া এখন পর্যন্ত কোন দেশই আমকে জাতীয় বৃক্ষ হিসেবে নির্ধারণ করেনি। সেক্ষেত্রে এটিও একটি অনন্য দৃষ্টান্ত। আমরা আশাকরি এর ফলে সামনের দিন গুলোতে আম খাওয়ার পাশপাশি আম গাছ রোপণ ও তার পরিচর্যার বিষয়ে আমরা সবাই আরো সচেতন হতে পারবো। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এসব গাছের ভালভাবে বেড়ে ওঠার জন্য প্রতি গাছে ১২৫ গ্রাম ইউরিয়া, ১৫০ গ্রাম টিএসপি ও ১৫০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করতে হবে। এ ছাড়া ১২-১৫ কেজি গোবর সার প্রয়োগ করলে বাড়বাড়তি ভাল হবে। আরেকটি বিষয় খেয়াল রাখতে হবে, গাছের উচ্চতা ৬-৭ ফুট পর্যন্ত মূল কান্ড ছাড়া অন্য কোন শাখা প্রশাখা রাখা যাবে না। তাহলে মূল কান্ডটি লম্বা হবে ও কাঠ ভাল হবে। তবে আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে, ইউক্যালিপটাস, একাশিয়া এসব গাছ পরিবেশ বান্ধব নয়। কারণ এ গাছগুলো মাটি থেকে প্রচুর পরিমানে পানি শোষণ করে ফেলে, গোড়ায় মাটি থাকে না বলে মাটি ধরে রাখার ক্ষমতা কম। এ ছাড়া এসব গাছের নীচে অন্যকোন গাছও বৃদ্ধি পায় না এবং মানব স্বাস্থ্যের জন্যও এসব গাছ ক্ষতিকর। তাই এসব গাছের বদলে আম, কাঠাল এ ধরণের ফলের গাছ রোপন করলে একদিকে যেমন ফল পাওয়া যাবে ।ন্যদিকে উন্নত মানের কাঠও পাওয়া যাবে। পরিবেশ ভাল থাকবে, পুষ্টির চাহিদাও মিটবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্ট্রবেরী লাগানোর উপযুক্ত সময় হলো মধ্য অক্টোবর। ছাদে ১২ ইঞ্চি টবে স্ট্রবেরীর চারা লাগানো যেতে পারে। এক্ষেত্রে প্রতিটি টবে ২ টি করে সুস্থ চারা লাগাতে পারেন। টবের মাটিতে ২৫০ গ্রাম মিশ্র সার মিশিয়ে চারা রোপণ করতে হবে। এ ছাড়া ছাদে সিমেন্ট দিয়ে বেড তৈরি করেও চারা রোপণ করা যায়। এ জন্য ১ মিটার প্রশস্ত এবং ১৫-২০ সেমি. উচু বেড তৈরি করতে হবে। প্রতি বেডে ৫০ সেমি. দূরত্বে দুই সারিতে ৫০ সেমি. দূরে দূরে চরা রোপণ করতে হবে। প্রয়োজনমতো সার ও সেচ এর সাথে দিতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি সম্ভবত বোরো ধানের বীজতলায় চারাকে ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষার বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। বীজতলায় চারা থাকা অবস্থায় প্রচন্ড শীত পড়লে রাতের বেলায় বীজতলা পাতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। ভোর বেলা হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে বীজতলায় সেচ দিতে হবে এবং পানিটি বের করে দিতে হবে। প্রতিদিন পানি সেচ দিয়ে পানি বের করে নতুন করে সেচ দিতে হবে। এছাড়া আরেকটি বিষয় জেনে রাখবেন, তা হলো- বোরো মৌসুমের ব্রিধান ৩৬ জাতের ধানটি কিন্তু ঠান্ডা সহ্যকারী একটি ধান। বেশি ঠান্ডা পড়লেও এর চারা কম মারা যায়।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কাঁঠালের মুচি ধরার জন্য পরিমানমতো সার প্রয়োগ করা দরকার। গাছের বয়স অনুযায়ী ইউরিয়া সার ১২৫-১৫০ গ্রাম, টিএসপি সার ২০০-২৫০ গ্রাম, এমওপি সার ২০০-২৫০ গ্রাম, বোরণ সার ২০-৩০ গ্রাম এবং গোবর সার/কম্পোস্ট সার ২৫-৩০ কেজি প্রতি গাছে দিতে হবে। এ ছাড়া গাছে প্রয়োজনমতো সেচ দেওয়া, মরা ডালপালা ছেটে দেওয়া, রোগাবালাই হলে অনুমোদিত বালাইনাশক স্প্রে করতে হবে। বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুন। http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/134

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সরকার অনুমোদিত বীজ ডিলার এর কাছ থেকে বিএডিসি/অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মানসম্মত বীজ নির্ধারিত মূল্যে কিনতে পারেন। এ ছাড়া আদর্শ কৃষকের কাছ থেকেও ভাল বীজ বা মানসম্মত বীজ সংগ্রহ করতে পারেন। তবে এ বিষয়ে আপনার কাছেল উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে পরামর্শ নিতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সম্ভবত আপনার গাছে ‌'স্টেম বোরার' পোকার আক্রমণ হয়েছে। আপনি একটি চিকন গুণা তার আক্রান্ত স্থানের গর্তে ঢুকিয়ে পোকাকে বের করার চেষ্টা করুন। এরপর আলকাতরা বা শক্ত কিছু দিয়ে গর্তের মুখটি বন্ধ করে দিন। আক্রান্ত স্থানে যদি কষ ঝড়ে, তাহলে ঐ স্থানটুকু ছুরি দিয়ে চেঁছে ফেলুন। তারপর আক্রান্ত স্থানে বোঁর্দো মিক্সচার লাগাতে পারেন। অথবা কপার জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন কুপ্রাভিট স্প্রে করতে পারেন।

wrote...

আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটে স্ট্রবেরী চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া আছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/665.html এই লিংকে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

পাউডারী মিলডিও এক ধরণের ছত্রাক এর আক্রমণে হয়ে থাকে। গাছের পরিত্যক্ত অংশে এবং অন্যান্য পোষক উদ্ভিদে এ রোগের জীবাণু বেঁচে থাকে। এটি বাতাসের মাধ্যমে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। উষ্ণ ও ভিজা আবহাওয়ায় বিশেষকরে মেঘাচ্ছন্ন অবস্থায় এ রোগ দ্রুত বিস্তার লাভ করে। গাছে ফুল দেখা দেখার পর থিওভিট ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম বা টিল্ট ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি.লি মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে। পরবর্তী ১৫ দিন পর পর দুইবার সেপ্র করতে হবে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত আপনার প্রশ্নটি সঠিকভাবে বুঝতে পারছিনা। দয়া করে পুনরায় প্রশ্নটি করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত আপনার প্রশ্নটি সঠিকভাবে বোঝা যায়নি। আপনি কি এআইসিসি ক্লাবটি কিভাবে গঠিত হয় এ বিষয়ে জানতে চেয়েছেন? দয়াকরে জানালে সঠিকভাবে উত্তর দেয়া যাবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশনের সময় আপনি ডিক্লিয়ার ফর্ম এ যে গাছটি আনছেন তা উল্লেখ করবেন। কর্তৃপক্ষ সেটি পরীক্ষা করে ফাইটোস্যানেটারী সার্টিফিকেট প্রদান করবেন। গাছটি সুস্থ হলে গাছটিতে কোন রোগজীবানু নাই এই মর্মে একটি প্রত্যয়নপত্র প্রদান করবেন। এপর সেটি আনতে পারবেন। এ বিষয়ে জানতে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর/প্ল্যান্ট কোয়ারেন্টাইন বিভাগ কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। নারিকেলের প্রধান প্রধান রোগবালাইগুলো হলো নিম্নরুপ: নারিকেলের উইপোকা: বীজতলায় বীজ নারিকেল অথবা বাগানে চারা লাগানোর পর উইপোকা দ্বারা আক্রান্ত হয়। উইপোকা নারিকেলের খোসা, ভিতরের অংশ এবং গাছেল শিকড় খাওয়ার ফলে আক্রান্ত গাছেল শিকড় খাওয়ার ফলে আক্রান্ত গাছটি বিবর্ণ হয়ে শুকিয়ে মারা যায়। বয়স্ক গাছের কান্ডের উপর দিয়ে সুড়ঙ্গ তৈরি করে উইপোকা পাতা ও মঞ্জরী পর্যন্ত চলে যায়। বেশি আক্রান্ত হলে সমস্ত কান্ড জুড়ে সুড়ঙ্গের সৃষ্টি হয়ে গাছটি মারা যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ব্যবস্থাপনা: ১. বাগান সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। মরা গাছ, গাছের গুড়ি ও অবশিষ্টাংশ সরিয়ে ফেলা। ২. উইপোকার ঢিবি ভেঙ্গে রাণী উইপোকা সংগ্রহ করে মেরে ফেলা। গন্ডার পোকা: এ পোকার আক্রমণে শীর্ষ পাতা শুকিয়ে যায়। পূর্ণ বয়স্ক পোকা গাছের মাথায় আক্রমণ করে ও পত্রকান্ড ছিদ্র করে ঢুকে ভেতরের কোষকলা খেতে পাকে। ব্যবস্থাপনা: বাগান ও গাছের নিচে গোবর বা কম্পোস্টের গাদা রাখতে নেই। ছিদ্রের মধ্যে পেট্রোল/কেরোসিন দিয়ে গর্তের মুখ কাদামাটি বা বর্দোমিক্সচার দিয়ে বন্ধ করে এ পোকা দমন করা যায়। মাইজ মরা রোগ: এটি একটি ছত্রাক জাতীয় রোগ। আক্রান্ত গাছের কেন্দ্রীয় পাতা হলুদ হয়ে নেতিয়ে পড়ে। গাছের অন্যান্য পাতা গুলো ধীরে ধীরে হলুদ হয়ে মরে যায়। গাছের আগা পচে দুর্গন্ধ হয়। ব্যবস্থাপনা: মরা গাছ ধ্বংস করতে হবে। গাছে যাতে রোগ না হয় সেজন্য রিডোমিল জাতীয় ছত্রাকনাশক ০.২% হারে বর্ষা মৌসুমে ১৫ দিন পর পর ৩-৪ বার স্প্রে করতে হবে। ডাব পঁচা রোগ: এটি একটি ছত্রাক জাতীয় রোগ। ছত্রাক আক্রান্ত অপরিপক্ক ফল গাছ থেকে ঝড়ে যায়। ব্যবস্থাপনা: বর্দোমিক্সচার অথবা কুপ্রাভিট (২ গ্রাম/লিটার) স্প্রে করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পাউডারী মিলডিও রোগ এক প্রকার ছত্রাকের জন্য হয়ে থাকে। এ জন্য থিওভিট ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম বা টিল্ট ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি.লি মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে। পরবর্তী ১৫ দিন পর পর দুইবার সেপ্র করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পুরুষ পুষ্পমঞ্জুরী স্বাভাবিকভাবেই কালো হয়ে ঝড়ে পরে। স্ত্রী পুষ্পমঞ্জুরী কিছু ঝড়ে পরতে পারে। তবে যদি বেশি ঝড়ে পরে তাহলে মুচি ধরার আগে ও পরে ১০-১২ দিন পর পর কুপ্রাভিট ২ গ্রাম/লিটার অথবা ডাইথেন এম-৪৫ ছত্রাকনাশক ২.৫ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। ভাল ফলনের জন্য পরিমিত মাত্রায় সার প্রয়োগ দরকার। সাধারণত বসন্তে,বর্ষার আগে এবং বর্ষার পরে এই তিন সময়ে সার প্রয়োগ করা যেতে পারে। পূর্ণ বয়স্ক কমলা গাছের ক্ষেত্রে প্রতি গাছে ৪০০-৫০০ গ্রাম ইউরিয়া, ৩০০-৪০০ গ্রাম টিএসপি, ২৫০-৩০০ গ্রাম এমওপি, ২৫-৩০ গ্রাম বোরণ সার এবং ১০-১৫ কেজি গোবর সার প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া মাটিতে দস্তা বা লোহার পরিমান কম থাকলে সেই সারগুলোও দিতে হবে। এ জন্য মাটি পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সার গুলো দিতে হবে। পাশাপাশি মরা ডালপালা ছাটাই করে দিতে হবে। এবং গাছের গোড়ায় মাঝে মাঝে পানি দিতে হবে। রোগবালাই এর আক্রমণ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ এর মতামত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

wrote...

Thank you so much for asking question. pls let us know in which volume of Krishi kotha you have found slogan? pls let us know detail so that we can send your desired slogan. Thank you once again.

wrote...

wrote...

আনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কোন জাতের ধানের চারা তৈরি করছেন সেটা জানলে ভাল হতো। হঠাৎ লবণাক্ততার কোন বিশেষ কারণ আছে কিনা তাও জানা দরকার। যাহোক,আপনি বীজতলায় প্রচুর পরিমানে সেচ দিন এবং সেচের পানি বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। প্রতিদিন কয়েকবার সেচ দিন এবং সেচের পানি বের করে দিন এতে করে লবণাক্ততা কমে যাবে। প্রয়োজনে সামান্য ইউরিয়া সার ও জিপসাম সার প্রয়োগ করতে পারেন। পাশাপাশি শীতের হাত থেকে বীজতলাকে রক্ষার ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। এ বিষয়ে সাহায্য নিতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ সময়ে ছত্রাক জাতীয় রোগের আক্রমণ দেখা দিতে পারে। এ জন্য গাছে মুকুল আসার পর কিন্ত ফুল ফোটার আগে ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট-২৫০ ইসি প্রতি দশলিটার পানিতে ৫ মিলি.হারে মিশিয়ে প্রয়োগ করা দরকার।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। অধিক ঠান্ডার কারণেও এমন হতে পারে। এ জন্য চারা গাছকে শীতের হাত থেকে রক্ষার ব্যবস্থা নিন। রাতের বেলা বীজতলায় পলিথিন বিছিয়ে রাখতে পারেন। তাছাড়া ভোরে ও সন্ধায় হালকা কুসুম গরম পানি দিয়ে সেচ দিতে পারেন। সারের কারণে বীজতলায় চারাগাছ হলদে হয়ে গেলে প্রতি বর্গমিটারে ৭ গ্রাম করে ইউরিয়া সার উপরি-প্রযোগ করলেই চলে। ইউরিয়া প্রয়োগের পর চারা সবুজ না হলে গন্ধকের অভাব হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যায়। তখন প্রতি বর্গমিটারে ১০ গ্রাম করে জিপসাম সার উপরি-প্রয়োগ করা দরকার। ইউরিয়া সারের উপরি-প্রয়োগের পর বীজতলার পানি নিষ্কাশন করা উচিত নয়।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার এলাকার অনেকেরই এ সমস্যা আছে বলে জানিয়েছেন। সেক্ষেত্রে মাটি পরীক্ষা করে মাটিতে পুষ্টিমান কি অবস্থায় আছে তা জেনে সার প্রয়োগ করা দরকার। কাছের যেকোন উপজেলা কৃষি অফিসে বা মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউট (এসআরডিআই) অফিসে মাটি পরীক্ষা করতে পারেন। তবে সাধারণ হিসেবে সার প্রয়োগের নিয়ম হলো-রোপণের আগে চারিদিকে ১ মিটার করে গর্ত তৈরি করে নিয়ে প্রতি গর্তে টিএসপি সার ২৫০ গ্রাম, এমওপি সার ৪০০ গ্রাম ও গোবর ১০ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। তবে পূর্ণবয়স্ক গাছের ক্ষেত্রে সারের পরিমান বাড়াতে হবে। প্রতি বছর ১০ কেজি পরিমান গোবর সার প্রয়োগ করতে হয়। সমস্ত সার দুইভাগে প্রয়োগ করতে হয়। এক ভাগ মধ্য বৈশাখ থেকে মধ্য আষাঢ় ও অন্যভাগ মধ্য ভাদ্র থেকে মধ্য কার্তিক মাসে প্রয়োগ করতে হয়। গাছের গোড়া থেকে অন্তত ১.৭৫ মিটার দূরে বৃত্তাকার রিং করে সার প্রয়োগ করতে হয়। গাছে পটাশিয়াম ও বোরণের অভাব হলে ফল ঝরে পড়ে। তাছাড়া গাছে পোকা বা রোগের আক্রমণ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ মোতাবেক বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পুরুষ পুষ্পমঞ্জুরী স্বাভাবিকভাবেই কালো হয়ে ঝড়ে পরে। স্ত্রী পুষ্পমঞ্জুরী কিছু ঝড়ে পরতে পারে। তবে যদি বেশি ঝড়ে পরে তাহলে মুচি ধরার আগে ও পরে ১০-১২ দিন পর পর কুপ্রাভিট ২ গ্রাম/লিটার অথবা ডাইথেন এম-৪৫ ছত্রাকনাশক ২.৫ গ্রাম/লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

wrote...

Thank you so much for visiting our website. We are very sorry to say we are not clear about your question. Do you mean the required nutrient status for crop production? if yes then pls be specify the crop. because there are enormous crops are being cultivated in Bangladesh. anyway, thank you very much once again. pls let us know your specific requirement.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ঝড়ে পড়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। সুষম মাত্রায় সার না দেওয়া হলে বা রোগ-বালাই দেখা দিলে অথবা সেচ এর অভাব হলে ইত্যাদি। আপনি সার ঠিক মতো না দিলে জেনে নিন সারের মাত্রা। ১-২ বছর বয়সের গাছের গাছ প্রতি পচা গোবর ১২ কেজি, টিএসপি সার ২৫০ গ্রাম, এমওপি সার ২৫০ গ্রাম এবং ইউরিয়া সার ৩০০ গ্রাম প্রয়োগ করতে হয়। তবে বয়স বাড়ার সাথে সাথে সারের পরিমানও বাড়াতে হবে। এ সারগুলো সারা বছরে ২/৩ কিসি-তে প্রয়োগ করতে হয়। ফল ধরার পর, ফল সংগ্রহের পর ও বর্ষার পর উপরোক্ত সার প্রয়োগ করা ভাল। পাশপাশি জমিতে পর্যাপ্ত সেচ দিতে হবে। শুকনা মৌসুমে বিশেষ করে ফুল ও ফল ধরার সময়ে মাসে ১ বার সেচ দিরে ভাললন পাওয়া যায়। ফল ধরার পর ১৫ দিন পরপর সেচ দিলে আশানুরুপ ফলন পাওয়া যাবে। তাছাড়া গাছের গোড়া ও নালার আগাছা সব সময় পরিষ্কার রাখা প্রয়োজন। চারা গাছের কাঠামো মজবুত রাখার জন্য প্রথম বছরে গাচের গোড়া থেকে ৭৫ সে.মি উঁচু পর্যন্ত কোন ডালপালা রাখা যাবেনা। এর পাশাপাশি মনে রাখতে হবে কুল গাছের বৃদ্ধি ও পরিমিত ফল ধরনের জন্য ডাল ছাঁটাই একটি জরুরি কাজ। ঠিকমতো ছাঁটাই না হলে বাগান নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। শৈত্যপ্রবাহ থেকে বোরো ধানের চারা রক্ষার জন্য রাতে পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে। এছাড়া রাতের বেলায় ও ভোরে হালকা কসুম গরম পািন বীজতলায় দেয়া যেতে পারে। বীজ তলায় চারা হলুদ হয়ে গেলে প্রতি শতক জমিতে ২৮০ গ্রাম ইউরিয়া সার এবং সালফার ঘাটতি এলাকায় সামান্য পরিমাণে জিপসাম সার প্রয়োগ করতে হবে। শৈত্যপ্রবাহ চলাকালীন সময়ে বোরো ধানের বীজতলায় চারা উত্তোলন না করাই শ্রেয়।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। নারিকেল গাছের বয়স কত? এর আগে কোন সার দিয়েছিলেন কি? অথবা কোন রোগবালাই হয়েছে কিনা-এটা জানা দরকার। আমাদের এই ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশে নারিকেল চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া আছে। আশাকরি আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন। তারপরও কোন প্রশ্ন থাকলে আবার লিখুন দয়াকরে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশে দানা ফসলে ধান চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া আছে। http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/262.html এই লিংকে ক্লিক করুন। বিস্তারিত জনাতে পারবেন আশাকরি। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার চারার বয়স, জমিতে পরিমানমতো সার, সেচ ইত্যাদি দিয়েছেন কিনা জানলে ভাল হতো। অতিরিক্ত শীতে আলু/টমেটোতে নাবী ধ্বসা বা লেট ব্লাইট রোগের আক্রমণ দেখা দিতে পারে। এ রকম হলে বর্দো মিক্সচার বা কপার জাতীয় ছত্রাকনাশক (যেমন-কুপ্রাভিট) প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া জাব পোকার আক্রমণ ো বেশি হতে পারে। সেক্ষেত্রে বিশকাটালীর রস অথবা যে কোন জৈব বালাইনাশক (নিমজাত, তামাকের রস) প্রয়োগ করতে হবে এবং আক্রমনের তীব্রতা খুব বেশি হলে যেকোন অনুমোদিত কীটনাশক সঠিক মাত্রায় সঠিক সময়ে সঠিক পদ্ধতিতে প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োজন হলে উপজেলা কৃষি অফিস/ উপসহকারী কৃষি অফিসার বা কৃষি বিশেষজ্ঞ এর মতামত নিন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। রোগের বর্ণনাটি সমাধান দেওয়ার মতো যথেস্ট নয়। যাহোক, আপনি জমিতে সেচ দেওয়া বন্ধ করুন। আক্রান্ত গাছের গোড়ার কিছুটা মাটিসহ তুলে দূরে পুতে ফেলুন। আক্রমণের তীব্রতা খুব বেশি হলে দেরী না করে উপজেলা কৃষি অফিস/ উপসহকারী কৃষি অফিসার বা কৃষি বিশেষজ্ঞ এর মতামত নিন।

wrote...

Thank you very much for visiting the website. we are very sorry to say that your desired information is not available to us right at this moment. we have been looking for, once it is reached, we will try to provide. Meanwhile, you can please contact with Field service wing of Department of Agriculture Extension (DAE), Khamarbari, Dhaka-1215 for this regard.

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। বাংলাদেশ বীরের দেশ। আমাদের কৃষক ভাইয়েরা নানান প্রাকৃতিক বিপর্যয়কে জয় করে সোনালী ফসল ফলিয়ে আসছেন। বর্তমান সরকারও এ বিষয়ে সর্বোচচ চেষ্ট করে যাচ্ছেন। তাই আশাকরি প্রতি বছরের মতো এবার বোরো মৌসুমেও আমাদের কৃষকেরা বাম্পার ফলন উপহার দিতে সক্ষম হবেন। তবে প্রচন্ড শীতের হাত থেকে বোরো বীজতলা রক্ষার বিষয়ে অবশ্যই উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। আমাদের ওয়েবসাইটের প্রথম পাতয় সংবাদ অংশে এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2249.html এই লিংকে ক্লিক করে এ ব্যাপারে করণীয় জানতে পারবেন। এ সব নিয়ম কানুন মেনে চললে বোরো বীজতলাকে শীতের হাত থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে এবং মূল্যবান চারাও সুরক্ষিত থাকবে। ধন্যবাদ আপনাকে।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। মাটি ছাড়া পানিতে সবজি চাষের পদ্ধতিকে হাইড্রোপনিক চাষাবাদ বলা হয়। এক্ষেত্রে কোনো মাটির প্রয়োজন হয়না। পানিতে বিভিন্ন তরল পুষ্টি উপাদান দেওয়া হয়ে থাকে। তবে শুধু নির্দিষ্ট একটি বা দুইটি উপাদান দেওয়া হয় না। বেশ কিছু উপাদানই এক্ষেত্রে প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। এগুলো বাজারে এখন পর্যন্ত খুব সহজলভ্য নয়। আপনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর এর উদ্যান গবেষণা কেন্দ্র (পিএবিএক্স নং: (০২)৯২৬১৫০১-৫)এ যোগাযোগ করে আরো বিস্তারিত জানতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বারি মসুর-৬ এর জীবনকাল ১০৫-১১০ দিন। এর ফলন ২.২ থেকে ২.৩ টন/হেক্টর হয়ে থাকে।

wrote...

Thank you so much for visiting our website. To protect the boro seed bed from cold injury, we have posted our suggestion on this website. Please click on this link, http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2249.html Thank you so much.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সারের পরিমান নির্ভর করে জাত, মাটিতে পুষ্টির অবস্থা, মাটির গুণাগুণ ইত্যাদি বিষয়ের ওপর। তাই সাথান এবং জাতের পার্থক্যের কারণে ফসলে সারের পরিমানও ভিন্ন হয়। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের দানা ফসলে ধান চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1478.html এই লিংকে ক্লিক করেও তা জানতে পারবেন। আপনি কোন জাতের আবাদ করবেন আর আপনার জমিতে মাটির পুষ্টি কেমন আছে এসব জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

wrote...

ধন্যবাদ। আম গাছের মুকুল একটি নির্দিষ্ট পরিমান প্রাকৃতিকভাবেই পড়ে যায়। তবে এই ঝরে পড়ার হার অনেক বেশি হলে ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রচন্ড শীতের কারণে মুকুল ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। কুয়াশার হাত থেকে মুকুলকে রক্ষার করা গেলে মুকুল ঝড়া এবং এ কারণে ছত্রাকের আক্রমণও কম হয়। এ ছাড়া এ সময়ে ছত্রাক জাতীয় রোগের আক্রমণ দেখা দিতে পারে। এ জন্য গাছে মুকুল আসার পর কিন্ত ফুল ফোটার আগে ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট-২৫০ ইসি প্রতি দশলিটার পানিতে ৫ মিলি.হারে মিশিয়ে প্রয়োগ করা দরকার।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রাকৃতিক নিয়মেই কিছু ফল গাছ থেকে ঝড়ে যেতে পারে। তবে পরিমানে খুব বেশি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। অবশ্য আপনি আপনার গাছের বয়স, রোগবালাই এর আক্রমণ হয়েছে কিনা অথবা অন্য কোন সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট করে লিখেন নাই। যাহোক, পরিমানমতো সুষম সার এবং সেচ দেওয়ার পাশাপাশি গাছে রোগবালাই দেখা দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমাদের এই ওয়েবসাইটে নারিকেল গাছে সারের পরিমান, সেচ, রোগবালাই ইত্যাদি সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/745.html লিংকে ক্লিক করে জানতে পারবেন। সেমতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে পরবর্তীতে দয়া করে আবার লিখুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নটি কিন্ত সুসস্পষ্ট নয়। গাছ মরে যাওয়ার লক্ষণগুলো এবং বয়স ইত্যাদি উল্লেখ করলে প্রশ্নের উত্তর দিতে সুবিধা হতো। যাহোক, প্রচন্ড শীত ও কুয়াশার কারণে আলুতে বিবিধ রোগবালাই এর আক্রমণ বেড়ে যেতে পারে। এর মধ্যে নাবী ধ্বসা রোগ অন্যতম। এ রোগের লক্ষণগুলো হলো-প্রথমে পাতা, ডগা, ও কান্ডে কিছু অংশ ঘিরে ফেলে। বাতাসের আপেক্ষিক আর্দ্রতা বেশি থাকলে ২-৩ দিনের মধ্যে জমির অধিকাংশ ফসল আক্রান্ত হয়ে পড়ে। ভোরের দিকে আক্রান্ত পাতার নিচে সাদা পাউডারের মত ছত্রাক চোখে পড়ে। আক্রান্ত ক্ষেতে পোড়া-পোড়া গন্ধ পাওয়া যায় এবং মনে হয় যেন জমির ফসল পুড়ে গেছে । এ থেকে রক্ষা পেতে রোগমুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে। আক্রান্ত জমিতে সেচ যথা সম্ভব বন্ধ করে দিতে হবে। রোগ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে রিডোমিল (০.২%), ডাইথেন এম-৪৫ (০.২%) ইত্যাদি অনুমোদিত ছত্রাকনাশক ১০-১২ দিন পর পর সেপ্র করতে হবে। আপনি আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিস বা কৃষি বিশেষজ্ঞ এর সাথে এ বিষয়ে পরামর্ম গ্রহণ করতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তিসির তেল সাধারণত ভোজ্য তেল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না। এটি 'ইন্ড্রাস্ট্রিয়াল ওয়েল' হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার উদ্যোগ গ্রহণের জন্য ধন্যবাদ জানাই। পরিকল্পিতভাবে একটি খামার গড়ে তুলতে হলে এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। তাই আপনি কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (আগের পশু সম্পদ অফিস)এ কর্মকর্তাগণের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। পাশাপাশি সফল খামারীদের সাথে আলাপ করেও অনেক কিছু জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নটি আরেকটু বিস্তারিত হলে উত্তর দিতে সুবিধা হতো। যেমন, চারার বয়স, জাত, সার ব্যবহারের পরিমান, রোগবালাই হয়েছে কিনা, মাটির অবস্থা ইত্যাদি। রোগবালাই এর আক্রমণ না হলে শুধু শুধু কীঠনাশখ বা ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করা মোটেই উচিত নয়। আপনি মাদা করে গাছ লাগিয়ে থাকলে প্রতি মাদায় শুকনা গোবর সার ১০-১২ কেজি, টিএসপি ১০০ গ্রাম, ছাই ২-৩ কেজি এবং বোরণসার ২০ গ্রাম হারে প্রয়োগ করুন। পাশাপাশি গোড়ায় মাটি হালকা করে কুপিয়ে দিয়ে সামান্য সেচ দিন। তবে রোগবালাই হলে বশেষজ্ঞ পরামর্শ নিতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস বা কৃষিকর্মীর পরামর্শ নিন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রাকৃতিক নিয়মেই কিছু ফল গাছ থেকে ঝড়ে যেতে পারে। তবে পরিমানে খুব বেশি হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার। অবশ্য আপনি আপনার গাছের বয়স, রোগবালাই এর আক্রমণ হয়েছে কিনা অথবা অন্য কোন সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট করে লিখেন নাই। যাহোক, পরিমানমতো সুষম সার এবং সেচ দেওয়ার পাশাপাশি গাছে রোগবালাই দেখা দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আমাদের এই ওয়েবসাইটে নারিকেল গাছে সারের পরিমান, সেচ, রোগবালাই ইত্যাদি সম্পর্কে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/745.html লিংকে ক্লিক করে জানতে পারবেন। সেমতে ব্যবস্থা গ্রহণ করে পরবর্তীতে দয়া করে আবার লিখুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রাকৃতিক নিয়মেই গাছ থেকে কিছু ফল ঝড়ে যাবে-এটিই স্বাভাবিক। গাছে পরিমানমতো সার না দিয়ে থাকলে প্রতি গাছে ২৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ৩৫০ গ্রাম টিএসপি, ৩৫০ গ্রাম এমওপি, ৩০ গ্রাম বোরণ সার এবঙ ১৫-২০ কেজি পঁচা গোবর সার দিতে হবে। ফলবান গাছে সাধারণত বছরে দুইবার-একবার বর্ষার আগে আরেকবার বর্ষার পরে সার দিতে হয়। সেইসাথে শুকনার সময় পানি দিতে হবে। ফল পাড়া শেষ হয়ে গেল মরা ডালপালা ছেটে দিতে হবে। গাছে মুকুল আসার পর (কিন্ত ফুল ফোটার সময় নয়)থেকে ২/৩ বার ১০-১২ দিন পর পর ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট ছত্রাক নাশক এবং ম্যালাথিয়ন ধরণের কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। এতে ফল ঝরার পরিমান কমে যাবে। তবে হরমোন স্প্রে করেও অনেকক্ষেত্রে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ঢাকা জেলার সাভারে অবস্থিত মাশরুম উন্নয়ন কেন্দ্র। এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাভূক্ত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের একটি প্রতিষ্ঠান। এই কেন্দ্র থেকে মাশরুম চাষ, বাজারজাতকরণসহ সামগ্রিকভাবে মাশরুম উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন পরামর্শ, প্রশিক্ষণ ইত্যাদি দেওয়া হয়ে থাকে। এই কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে অনেক চাষী মাশরুম চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। আপনি প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতে মাশরুম উন্নয়ন কেন্দ্র, সাভার, ঢাকা তে যোগাযোগ করতে পারেন। স্ট্রেনদেনিং মাশরুম ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট এর প্রকল্প পরিচালক মহোদয়ের ফোন নং:৭৭৪২৯৬। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গম রোপণ সময়মতো করতে হয়। সাধারণ হিসেবে ডিসেম্বর মাসের ১৫ তারিখ (বাংলায় ১লা পৌষ) এর মধ্যেই গম রোপণ করতে হয়। দেরী হলে ফলন কম হয় পাশাপাশি সমস্যাও হতে থাকে। যাহোক, আপনি কি কি সার দিয়েছেন উল্লেখ করেন নাই। সুষম সার অবশ্যই দিতে হবে। বিশেষ করে অন্যান্য সারের সাথে জিপসাম সার দিতে হবে। আমাদের এই ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশের দানা ফনলে গম চাষে সারের পরিমান ভালভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/892.html এই লিংকে ক্লিক করে জানতে পারবেন।

wrote...

ওয়েবসাইট পরিদর্শন করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার অভিযোগটি নিয়ে আপনি আপনার উপজেলা কৃষি অফিসার এর সাথে কথা বলুন। প্রয়োজনে তার সাথে আলাপ করে তার কাছে আপনার অভিযোগ বিষয়ে লিখিত দরখাস্তও দিতে পারেন। তারপরো সন্তষ্ট না হলে আপনি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস এ উধ্বর্তন কর্মকর্তাগণের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ। তবে এ জন্য সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ এর মতামত নিয়ে শুরু করা প্রয়োজন। আপনি আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (আগের উপজেলা পশু সম্পদ অফিস) এ যোগাযোগ করতে পারেন। সেখানে বিশেষজ্ঞবৃন্দ আপনাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সহায়তা করবেন। পাশাপাশি যেকোন সফল খামারীদের সাথেও আলাপ করতে পারেন, খামার পরিদর্শন করতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্ত্রী ফুল থেকে ফল ধরবে, পুরষ ফুল থেকে কিন্ত কোন ফল ধরবে না। তবে পরাগায়নে যাতে করে কোন অনুসবিধা না হয় সেজন্য কীটনাশক ওষুধ বিকেলের দিকে স্প্রে করা দরকার। সুষম মাত্রায় সার ব্যবহার করুন। নিয়মিত গাছের গোড়ায় পানি সেচ দিন। খেয়াল রাখবেন যেন গাছে মাছি পোকার আক্রমণ না দেখা যায়। মাছি পোকার আক্রমণে ফল পচে নষ্ট হয়ে ঝড়ে পড়ে। তাছাড়া স্ত্রী ফুলে পুরষ ফুলের রেণু দিয়ে হাত পরাগায়ন করেও লাভবান হতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধ্যবাদ। এখন লিচুর বিভিন্ন আধুনিক জাতের চাষ হচ্ছে (যেমন, বারি লিচু-২, বারি লিচু-৩ ইত্যাদি। এসব জাত প্রতিবছরই নিয়মিত ফল দিয়ে যায়। তবে গাছে মুকুল আসর সময় বেশি করে পানি দিলে মুকুল না ধরে গাছের বাড়বাড়তিতে সহায়তা করে। সেক্ষেত্রে ফলন খুব কম হয়। তাছাড়া সুষম সারের অভাব অথবা রোগ বালাইয়ের আক্রমণ কম হলেও ফলন কম হতে পারে। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে লিচু চাষের উৎপাদন প্রযুক্তি বর্ণনা করা হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/741.html এই লিংকে যেয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমের মুকুল বিভিন্ন কারণে ঝরে যেতে পারে। ছত্রাকজনিত কারণে আমের মুকুল ঝরে যেতে পারে। এ জন্য আমের মৌসুম শেষে গাছের মরা ডালপালা কেটে পুড়ে ফেলতে হয়। কাটা অংশে বোঁর্দো মিশ্রণ লাগাতে হয়। গাছে মুকুল আসার পর কিন্ত ফুল ফোটার আগে ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট-২৫০ ইসি প্রয়োগ করা দরকার। তাছাড়া আমের হপার পোকার আক্রমণ হলেও মুকুল ঝড়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে রিপকর্ড বা সিমবুশ জাতীয় কীটনাশক ১০ মিলি/১০ লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করলে উপকার পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ। আম চাষের বিস্তারিত নিয়ম জানতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/740.html লিংকে ক্লিক করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমের মুকুল বিভিন্ন কারণে ঝরে যেতে পারে। ছত্রাকজনিত কারণে আমের মুকুল ঝরে যেতে পারে। এ জন্য আমের মৌসুম শেষে গাছের মরা ডালপালা কেটে পুড়ে ফেলতে হয়। কাটা অংশে বোঁর্দো মিশ্রণ লাগাতে হয়। গাছে মুকুল আসার পর কিন্ত ফুল ফোটার আগে ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট-২৫০ ইসি প্রয়োগ করা দরকার। তাছাড়া আমের হপার পোকার আক্রমণ হলেও মুকুল ঝড়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে রিপকর্ড বা সিমবুশ জাতীয় কীটনাশক ১০ মিলি/১০ লিটার হারে পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করলে উপকার পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ। আম চাষের বিস্তারিত নিয়ম জানতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/740.html লিংকে ক্লিক করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কি ওয়েব সাইটে বাংলায় প্রশ্নর করার বিষয়ে জানতে চাচ্ছেন? এ জন্য আপনাকে ইউনিকোড এ লেখা যায় এমন একটি সফটওয়্যার (যেমন অভ্র একটি এরকম সফটওয়্যার)ব্যবহার করতে হবে। এবং এজন্য বাংলা ইউনিকোড ফন্ট (যেমন সোলাইমান লিপি)ইন্সটল করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এখন জানিয়ে দিচ্ছি সহজ উপায়ে কম্পোষ্ট তৈরির নিয়ম: উদ্ভিদ ও প্রাণীর বিভিন্ন উচ্ছিষ্টাংশ ও আবর্জনা পচিয়ে যে জৈব সার প্রস্ত্রত করা হয় তাই কম্পোস্ট। কম্পোস্ট তৈরিতে যে সকল উপাদান ব্যবহ্নহৃত হয় তা হচ্ছে, মরাপাতা, খড়কুটা, আগাছা, কচুড়িপানা, গৃহস্থালীর উচ্ছিষ্টাংশ, যেমন খাওয়ার অণুপযুক্ত খাদ্য, ফলমূল, শাকসবজি ও খাওয়ার পরের উচ্ছিষ্টাংশ, শহুরে আবর্জনা, করাতের গুড়া, চামড়া মিলের আবর্জনা, আঁখ কলের আবর্জনা, চালের গুড়া এসব। শহরের এবং চামড়া মিলের আবর্জনাকে, ভারী ধাতব ও বিষাক্ত পদার্থ হতে মুক্ত করার জন্য ব্যবহারের আগে তা ভালভাবে পরিশোধন করা দরকার। কম্পোস্টে পরিণত করার জন্য এ সকল পদার্থকে একটির উপর আরেকটি স্তরে স্তরে সাজিয়ে রাখতে হবে। প্রতিটি স্তর হবে ২৫-৩০ সেন্টিমিটার পুরু। পুরা স্তুপটি হবে ১.২-২.০ মিটার প্রস্থ এবং ১.৫ মিটার এর চেয়ে উঁচু নয়। আবর্জনার স্তুপে অণুজীবীয় কার্যক্রম তরান্বিত করার লক্ষ্যে প্রতিটি স্তরের মাঝে মাটি বা টাটকা গোবরের পাতলা (৪-৫সেন্টিমিটার) প্রলেপ দিতে হবে। স্তুপের উপরি ভাগও মাটির প্রলেপ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। নিয়মিত বিরতিতে স্তুপটিকে পানি ছিটিয়ে সিক্ত করে রাখতে হবে। পরিপূর্ণ পচন সম্পূর্ণ হওয়ার জন্য ১.৫-২.০ মাস পর আবর্জনার স্তরগুলিকে উল্টিয়ে নূতন স্তুপ তৈরি করে দিতে হবে। আবহাওয়া ও আবর্জনার ধরন বুঝে কম্পোস্ট তৈরীতে ৪-৬ মাস সময় লেগে থাকে। উচ্চ তাপমাত্রা ও অধিক আর্দ্রতা দ্রুত পচনে সহায়তা করে। অল্প পরিমাণ ইউরিয়া ও টিএসপি প্রয়োগে, খড়কুটা, আখের ছোবড়া, ধানের তুষ এসব ধরণের ধীর পচনশীল কাঁচামাাল পচন তরান্বিত হয়। অণুজীবীয় অণুবীজ ব্যবহারেও পচন তরান্বিত করা যায়। আরেক ধরণের কম্পোস্ট আছে যাকে ভার্মি কম্পোস্ট বা কেচো কম্পোস্ট বলে। আমাদের এই ওয়েবসাইটের http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2299.html লিংকে যেয়ে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

wrote...

স্টিভিয়া ভেষজ গুণে সমৃদ্ধ একটি মিষ্টি গাছ। বর্তমানে চীনে ব্যাপকভাবে স্টিভিয়ার চাষ হয়ে থাকলেো জাপান বাণিজ্যিকভাবে এর ব্যবহারের দিক থেকে অনেক এগিয়ে। মজার ব্যাপার হলো জাপানে প্রায় ৪০% চিনির চাহিদা মেটানো হয় স্টিভিয়া খেকে। বর্তমানে বাংলাদেশেও এর পরিচিতি বাড়ছে। স্টিভিয়া একটি ভেষজ গাছ। এর উচ্চতা ৬০-৭০ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এর ফুল ছোট, সাদা রঙের হয়ে থাকে। এটি রোদ পছন্দ করে, তবে দিনে ১৩ ঘন্টার রেশি আলো পেলে বাড়বাড়তিতে সমস্যা হয়। স্টিভিয়া গাছের সবুজ পাতাই মূলত কার্যকর মিষ্টি উপাদানের উৎস। স্টিভিয়া এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর মিষ্টতায় কোন ক্যালরী বা শর্করা নেই। এজন্য ডায়বেটিস রোগীরা এটি সহজে ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, ক্লান্তি, পাকস্থলীর সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় এটি উপকার নিয়ে আসে। বাড়ির বারান্দায় বা ছাদে সহজেই টবে বা পলিথিনে এটির চারা রোপণ করা যায় বলে ধীরে ধীরে এর কদরও বাড়ছে। বীজ থেকে নয়, টিস্যু কালচারের মাধ্যমে এর চারা তৈরি করা হয় বলে এখনো ব্যাপকহারে চারা সহজলভ্য নয়। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট,ঈশ্বরদী (ফোন:০৭৩২৬-৬৩৪১৪)এবং ব্র্যাক টিস্যু কালচার গবেষণা কেন্দ্র, গাজীপুর এ যোগাযোগ করে চারা সংগ্রহ করা যেতে পারে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রয়োজনে আপনি আবারো আমাদের ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি মিষ্টি টমেটো বলতে আসলে কি বুঝিয়েছেন তা পরিষ্কার না। প্রকৃতপক্ষে এ নামের কোনো টমেটোর জাত এদেশে এখন পর্যন্ত চাষ হচ্ছে না। তবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে ‌"বারি টমেটো-১১" নামক একটি টমেটোর জাত উদ্ভাবন হয়েছে, যেটির মিষ্টতার পরিমান প্রচলিত অন্যান্য টমেটোর চেয়ে অনেক বেশি। বারি টমেটো-১১ শীতকালিন একটি টমেটো। অক্টোবর মাসে এর চারা তৈরি করে নভেম্বর মাসে এটি জমিতে রোপণ করতে হয়। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ। প্রয়োজনে আপনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর এর উদ্যান ফসল বিভাগে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। নারিকেল গাছের পাতা বিভিন্ন কারণেই শুকিয়ে যেতে পারে। যেমন-গন্ডার পোকার আক্রমণ হলে সবচেয়ে আগার পাতা বা শীর্ষ পাতা শুকিয়ে যায়। কালো মাথাযুক্ত সুয়ো পোকার আক্রমণে আগার পাতা ঝলসে শুকিয়ে যায়। মাইজ মরা রোগের আক্রমণ হলেও পাতা শুকিয়ে নেতিয়ে পড়তে পারে। এজন্য আপনি কাছের উপজেলা কৃষি অফিস বা স্থাণীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে পরামর্শ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কোন বীজ আনতে চাচ্ছেন বা কোন পথে আনতে চাচ্ছেন সেটি অবশ্য উল্লেখ করেন নাই। আপনার আমদানীকৃত বীজটি এদেশে আমদানী করা যাবে কি না এবং এর ফাইটোস্যানিটারী সার্টিফিকেট (রোগবালাইমুক্ত, ক্ষতিকর নয়) সহ অন্যান্য সরকারি অনুমোদন থাকতে হবে। যাহোক, আপনাকে এজন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ঢাকা এর উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং এর থেকে প্রয়োজনীয় সহায়তা পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

Thank you very much for visiting our website. In our website we have provided detailed information of strawberry. If u want to know that. just go through this link: http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/665.html Thank you once again.

wrote...

Thank you very much for visiting our website. In our website we have provided detailed information of strawberry. If u want to know that. just go through this link: http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/665.html Thank you once again.

wrote...

আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আপনি কৃষিকথা পত্রিকাটি পড়েন-এ জন্য আবারো ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। তবে দু:খ প্রকাশ করছি যে, কুয়েতে ডাকযোগে পত্রিকাটি পাঠানো আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়। তবে আপনি আমাদের ওয়েবসাইট থেকেও এ পত্রিকাটি পড়তে পারবেন। কৃষিকথার সংথ্যাগুলো আমরা অনলাইনে আপলোড করে থাকি। তাই ছাপানো পত্রিকার পাশাপাশি এর অনলাইন কপিও এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পাঠ করতে পারেন। এ জন্য আপনি আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকামণা বাটনে ক্লিক করুন। অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/krishikotha-12.html লিংকে যেয়ে কৃষিকথা পত্রিকাটি পড়তে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রাকৃতিক নিয়মেই গাছ থেকে কিছু ফল ঝড়ে যাবে-এটিই স্বাভাবিক। গাছে পরিমানমতো সার না দিয়ে থাকলে প্রতি গাছে ২৫০ গ্রাম ইউরিয়া, ৩৫০ গ্রাম টিএসপি, ৩৫০ গ্রাম এমওপি, ৩০ গ্রাম বোরণ সার এবঙ ১৫-২০ কেজি পঁচা গোবর সার দিতে হবে। ফলবান গাছে সাধারণত বছরে দুইবার-একবার বর্ষার আগে আরেকবার বর্ষার পরে সার দিতে হয়। সেইসাথে শুকনার সময় পানি দিতে হবে। ফল পাড়া শেষ হয়ে গেল মরা ডালপালা ছেটে দিতে হবে। গাছে মুকুল আসার পর (কিন্ত ফুল ফোটার সময় নয়)থেকে ২/৩ বার ১০-১২ দিন পর পর ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট ছত্রাক নাশক এবং ম্যালাথিয়ন ধরণের কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। এতে ফল ঝরার পরিমান কমে যাবে। তবে হরমোন স্প্রে করেও অনেকক্ষেত্রে ভাল ফলাফল পাওয়া যায়। এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন রকম পোকা মরিচ গাছে আক্রমণ করতে পারে। আপনি নির্দিস্ট করে ক্ষতির ধরণ বা চিহ্ন উল্লেখ করলে সমস্যার সমাধান দিতে সুবিধা হতো। যাহোক, আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের মসলা জাতীয় ফসলে ক্লিক করে মরিচসহ বিভিন্ন মসলা ফসলের চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারবেন। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/388.html লিংকে ক্লিক করে মরিচের রোগবালাই সম্পর্কে জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

প্রথমেই আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য। আমাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কৃষি বিষয়ক কোন প্রশ্ন বা জিজ্ঞাসা থাকলে আমরা সেগুলোর উত্তর দিয়ে থাকি। সাধারণত সম্ভাব্য দ্রুততম সময়ের ভেতরই(সাধারণত ২৪-৪৮ ঘন্টা)এর উত্তর দেওয়া হয়ে থাকে। যেকোন সময়েই আপনারা কৃষি বিষয়ক প্রশ্ন করতে পারেন। প্রশ্ন করার কোন নির্দিষ্ট সময় নেই। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাসায় আপনি বড় ড্রামে আঙ্গুর চাষ করতে পারেন। প্রতি ড্রামে ১০০ গ্রাম খৈল, ১০০ গ্রাম হাড়ের গুড়া, ১০০ গ্রাম চুন এবং গোবর সার মিশ্রিত মাটি দিয়ে ড্রাম ভরতে হবে। আঙ্গুর এর চারা তৈরি করে নিয়ে অথবা ভালো চারা সংগ্রহ করে রোপণ করতে হবে। ফেব্রুয়ারী-এপ্রিল চারা/কলম রোপণের উপযুক্ত সময়। আঙ্গুর এর জন্য পটাশ সার খুব গুরত্বপূর্ণ। প্রথম বছর প্রতিটি আঙ্গুর গাছের জন্য ইউরিয়া-১০০ গ্রাম, টিএসপি-১০০ গ্রাম, পটাশ-২৫০ গ্রাম এবং গোবর সার ১৫-২০ কেজি প্রয়োগ করতে হয়। পাশপাশি ডাল ছাটাই, হরমোন প্রয়োগ, রোগবালাই দমন ইত্যাদি নিয়মিত করতে হবে। আরো বিস্তারিত তথ্যের জন্য কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

wrote...

Thank u so much for visiting the website. To know the steps taken by the present government for agricultural development u please follow the link: http://www.moa.gov.bd/Flood_Damage/Detail_Report.pdf Thank u so much.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। চৈত্রমাস হলুদ লাগানো উপযুক্ত সময়। হলুদ চাষাবাদের নিয়মকানুন আমাদের এই ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছ্ আপনি দয়া করে http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-51.html/false/90 লিংকে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আদা বা হলুদ এগুলো ছায়া সহ্য করতে পারে। তবে দিনের কিছুটা সময় রোদ না পেলে ফলন খারাপ হতে পারে। আপনি গাছের কিছু ডালপালা ছেটে দিন যাতে কিছুটা আলো বাতাস আসতে পারে। ভাল বীজ ব্যবহার কুরন, সুষম মাত্রায় সার দিন এবং অন্যান্য পরিচর্যা ভালভাবে করলে ভাল ফলন পাবেন। আদা চাষের নিয়ম কানুন আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের মলা ফসলে দেওয়া হয়েছে। আশাকরি বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত মাকড়ের আক্রমণে এমনটি হয়ে থাকে। আপনি ভালকরে দেখুন পাতার নীচ দিকে মাকড়ের মতো ছো ছোট পোকা আছে কিনা। থাকলে মাকড়নাশক ব্যবহার করুন। সালফার জাতীয় কীটনাশক ব্যবহার করলেও কিছুটা ফল পাবেন। তবে মাকড়নাশক ব্যবহার করা উত্তম। তকে মাকড় ছাড়াও অন্যান্য কিছু পোকার আক্রমণ হতে পারে। এক্ষেত্রে ম্যালথিয়ন জাতীয় কীটনাশক ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে সবচেয়ে ভাল হলো আপনি আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে বা উপসহকারী কৃষি অফিসের পরামর্শ গ্রহণ করুন। তারা মাঠ পরিদর্শন করে ভাল করে মতামত দিতে পারবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জিংক বা দস্তা সার ব্যবহার করলে পাতা বেশি হওয়ার কথা না। কারণ পাতা বেশি হয় ইউরিয়া সার ব্যবহার করলে। যাহোক, হয়তো কোন কারণে আপনি ভুল করে ফেলেছেন বেশি দস্তার সার ব্যবহার করে। পরবর্তীতে সাবধানের সাথে সার ব্যবহার করবেন আশাকরি। এ মুহুর্তে খুব বেশি করার আছে বলে মনে হচ্ছে না। তবে আপনি জমি থেকে সব পানি বের করে দিয়ে আবার জমি ২/১দিন শুকনা করে নিন। আবার ভালকরে সেচ দিন। এরকম কয়েকবার করুন। তাহলে অতিরিক্ত দস্তার প্রভাব কিছুটা কমতে পারে। আপনি প্রয়োজনে আপানার কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

wrote...

Thank u very much for visiting our website. We have provided information on coconut in this website. please go this link below: http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/745.html Thank you once again.

wrote...

আপনার উদ্যোগের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনি আপনার পরিকল্পনা বিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিস/উপজেলা মৎস্য অফিস/উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস (প্রাক্তন উপজেলা পশুসম্পদ অফিস)এ যোগাযোগ করুন। সেখানকার কর্মকর্তাদের সাথে আলাপ করে আগে পরিকল্পনাটি চূড়ান্ত করে নিন। কারণ সঠিকভাবে সমন্বিত (ফসল, মাছ, পশু ইত্যাদি একসাথে)খামার না করলে আপনি অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। সবকিছু ঠিক করার পরে আপনার কাছের যেকোন তফসীলি ব্যাংক যেমন-সোনালী ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক ইত্যাদি ব্যাংকে যোগাযোগ করুন। তারা আপনাকে কৃষি ঋণ এর ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আলুর পচন রোগ বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। যেমন-শুকনা পচন, কান্ড পচন, বাদামী পচন ইত্যাদি। আপনি দয়া করে আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের কন্দাল ফসলে ক্লিক করুন। সেখানে আলু চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/364.html এই লিংকে ক্লিক করেও একবারে আলু চাষের নিয়মকানুন সম্পর্কে জানতে পারবেন। সেখানে আলু বিভিন্ন রোগবালাই এর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। আপনি এর প্রতিকার/করণীয় বিষয়েও বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে ইতোমধ্যে দেশব্যাপী ২০টি কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র (এআইসিসি)স্থাপিত হয়েছ্ আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে,এই কেন্দ্রগুলো সর্ব মহলে প্রশংসিত হয়েছে। এরই ধরাবাহিকতায় আরো ৭৫টি এআইসিসি অতি সম্প্রতি স্থাপন করা হয়েছে। কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রগুলো দেশব্যপী বিস্তৃত আইপিএম/আইসিএম ক্লাব থেকে বাছাই করে নেওয়া হয়েছ্ এসব কেন্দ্রগুলোর সদস্যরা সবাই কৃষক-কৃষাণী্। এসব কেন্দ্রে কম্পিউটার,ল্যাপটপ,ইন্টারনেট মডেম, প্রিন্টার, মাল্টিমিডিয়া ইত্যাদি দেওয়া হয়েছে। এবং এসব কৃষকদের হাতে কলমে কম্পিউটার পরিচালনার ওপর সাধারণ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো গ্রাম পর্যায়ে স্থাপিত এসব কেন্দ্রের মাধ্যমে ঐ এলাকার সকল কৃষকদের আধুনিত তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি তথ্য ও প্রযুক্তি বিস্তারে সহায়তা করা। আমাদের এই ওয়েবসাইটের প্রকাশনা তে ক্লিক করে কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্রতে ক্লিক করুন অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1677.html এই লিংক ব্যবহার করে সরাসরি দেখতে পাবেন, বিভিন্ন এআইসিসির নাম ঠিকানা। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

দু:খিত। আপনার প্রশ্নটি বুঝতে পারছি না। দয়া করে একটু ব্যাখ্যা করবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

স্টিভিয়া ভেষজ গুণে সমৃদ্ধ একটি মিষ্টি গাছ। বর্তমানে চীনে ব্যাপকভাবে স্টিভিয়ার চাষ হয়ে থাকলেো জাপান বাণিজ্যিকভাবে এর ব্যবহারের দিক থেকে অনেক এগিয়ে। মজার ব্যাপার হলো জাপানে প্রায় ৪০% চিনির চাহিদা মেটানো হয় স্টিভিয়া খেকে। বর্তমানে বাংলাদেশেও এর পরিচিতি বাড়ছে। স্টিভিয়া একটি ভেষজ গাছ। এর উচ্চতা ৬০-৭০ সেন্টিমিটার হয়ে থাকে। এর ফুল ছোট, সাদা রঙের হয়ে থাকে। এটি রোদ পছন্দ করে, তবে দিনে ১৩ ঘন্টার রেশি আলো পেলে বাড়বাড়তিতে সমস্যা হয়। স্টিভিয়া গাছের সবুজ পাতাই মূলত কার্যকর মিষ্টি উপাদানের উৎস। স্টিভিয়া এর গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর মিষ্টতায় কোন ক্যালরী বা শর্করা নেই। এজন্য ডায়বেটিস রোগীরা এটি সহজে ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, ক্লান্তি, পাকস্থলীর সমস্যাসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় এটি উপকার নিয়ে আসে। বাড়ির বারান্দায় বা ছাদে সহজেই টবে বা পলিথিনে এটির চারা রোপণ করা যায় বলে ধীরে ধীরে এর কদরও বাড়ছে। বীজ থেকে নয়, টিস্যু কালচারের মাধ্যমে এর চারা তৈরি করা হয় বলে এখনো ব্যাপকহারে চারা সহজলভ্য নয়। এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট,ঈশ্বরদী (ফোন:০৭৩২৬-৬৩৪১৪)এবং ব্র্যাক টিস্যু কালচার গবেষণা কেন্দ্র, গাজীপুর এ যোগাযোগ করে চারা সংগ্রহ করা যেতে পারে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রয়োজনে আপনি আবারো আমাদের ওয়েবসাইটে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

আপনার সুন্দর মতামতের জন্য ধন্যবাদ। আপনি দয়া করে, আপনার ঠিকানাটি উল্লেখ করুন। অথবা কোন এলাকা থেকে চারা কিনতে চান, সেটি জানালে ঐ এলাকার কাছের কোন সুবিধাজনক চারা সংগ্রহের স্থানের কথা বলতে পারবো। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনাকে আবারো ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আপনার দ্রুত উত্তরের প্রেক্ষিতে জানাচ্ছি যে, আপনি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীন হর্টিকালচার সেন্টার চাপাইনবাবগঞ্জ (কর্মকর্তার নং-০১৭১৬১২৬১৮৫), হর্টিকালচার সেন্টার, নাটোর (কর্মকর্তার নং-০১৭১১১৯২৮০৬)তে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদেঁর সাথে যোগাযোগ করে জানা গেছে যে, উল্লেখিত নার্সারী গুলোতে তালের চারা পাওয়া যাবে। তবে এজন্য আপনাকে কিছুদিন অপেক্ষা করতে হতে পারে। তবে আপনার এলাকার কাছাকাছি কোন স্থানে তালের চারা পাওয়া যাবে কিনা সেটি জানাতে হলে দয়া করে আমাকে একটু সময় দিন। সন্ধান পেলে আমি পরবর্তীতে আপনাকে জানানো চেষ্টা করবো। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণ পুরষ ফুলগুলো কিছুদিন পর এমনিতেই ঝড়ে পড়ে। কিছু স্ত্রী ফুলও প্রাকৃতিকভাবেই ঝড়ে পড়তে পারে। তবে যদি বেশি পরিমানে ঝড়তে থাকে তাহলে প্রতিকার গ্রহণ করতে হবে। সাধারণত এক প্রকার ছত্রাকের আক্রমণে ফল কালো হয়ে ঝড়ে যায়। এ রকম হলে ডাইথেন এম ৪৫ অথবা রিডোমিল এম জেড ৭৫, প্রতিলিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম করে মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে। পাশপাশি সুষম মাত্রায় সার দিতে হবে। প্রতি গাছে ইউরিয়া ২৫০ গ্রাম, টিএসপি ২৫০ গ্রাম, পটাশ সার ২৫০ গ্রাম ও বোরণ ৩০ গ্রাম করে গাছের চারিদিকে রিং করে দিন। এ ছাড়া ১৫-২০ কেজি শুকনা গোবর সার দিতে হবে। প্রয়োজনমতো পানিও দিতে হবে। বালি মাটিতে তরমুজ, বাঙি, ফুট্রি, চীনাবাদাম এসবে বেশি ভাল জন্মে। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

thank u so much for visiting the site. you will find detailed information on mango production from this site. you have to go e-krishi first, then go fruit crop and select mango. or, you can use this link for direct access on the page: http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/130 thank you once again.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মিটার হলো কোন জিনিসের দৈর্ঘ্য অর্থাৎ জিনিসটি কতটুক লম্বা তা পরিমাপ করার একক। ১ মিটার=১০০ সেন্টিমিটার=৩.২১ ফুট=৩৯.৩৭ ইঞ্চি। অর্থাৎ, ১ মিটার হলো প্রায় ৩ ফুটের কাছাকাছি। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। হেক্টর হলো জমি পরিমাপের একক। ১ হেক্টর জমি= ২.৪৭ একর (প্রায় ২.৫ একর)। আবার ১ একর=১০০ শতক। বর্তমানে হেক্টর একক দিয়েই জমির পরিমান পরিমাপ করা হয়ে থাকে।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে্ যোগাযোগ করে মাটি পরীক্ষা করে নিন। জমিতে সুষম সার ব্যবহার করতে হবে। তা ছাড়া রো্গ-বালাই হলে অনুমোদিত বালাইনাশক ব্যবহার করতে হবে। আমাদের এই ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে কলা চাষের বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে, সেই মোতাবেক চাষ করলে ভাল ফলন পাবেন আশা করি। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/129 লিংকে ক্লিক করে কলা চাষের নিয়ম সম্পর্কে জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

দয়া করে কতটুকু পরিমান জমিতে কোন জাতের ধান লাগিয়েছেন এই তথ্যটি জানান। তাছাড়া আবাদের কোনো পর্যায়ে মাজরা পোকা বা গোড়া পচা অথবা অন্য কোন রোগবালাই দেখা দিয়েছিল কিনা সেটিও জানান। দ্রুত আপনার উত্তর পাওয়ার প্রেক্ষিতে সমস্যার সমাধান দিতে সুবিধা হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। শীল পড়ার কারণে এমনটি হতে পারে। তবে ছত্রাক জনিত কারণেও এমন ঘটনা হতে পারে। শীল পড়ে পচে গেলে করণীয় তেমন কিছু নেই। তবে ছত্রাক জনিত রোগের ক্ষেত্রে যা করণীয় তা হলো: আমের মৌসুম শেষে গাছের মরা ডালপালা কেটে পুড়ে ফেলতে হয়। কাটা অংশে বোঁর্দো মিশ্রণ লাগাতে হয়। গাছে মুকুল আসার পর কিন্ত ফুল ফোটার আগে ডাইথেন এম-৪৫ বা টিল্ট-২৫০ ইসি প্রয়োগ করা দরকার। পাশপাশি সুষম সার ও সময়মতো সেচ দেওয়া দরকার হয়।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। দু:খের সাথে জানাচ্ছি এ বিষয়ে তথ্যটি এ মুহুর্তে আমাদের কাছে নেই। তবে সন্ধান করা হচ্ছে, পাওয়া মাত্র আপনাকে জানানো হবে। আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আম গাছের কলমের জন্য প্রধানতঃ জোড় কলম পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আমাদের দেশে ক্লেফ্‌ট ও ভিনিয়ার গ্রাফটিং পদ্ধতি বেশি জনপ্রিয়। কলমের জন্য যে চারা গাছে কলম করা হবে তাকে স্টক গাছ বলে, আর ভাল গুণাগুণ সম্পন্ন অন্য গাছের ডালকে সায়ন বলে। এ জন্য রোগমুক্ত ও পাকা আম হতে ষ্টক চারা তৈরী করে নিয়ে তার উপর ভাল জাতের ডগা বা সায়ন জোড়া দিয়ে এ কলম করা হয়। সাধারণত মে থেকে জুলাই মাস আমের জোড় কলমের জন্য উপযুক্ত সময়। তবে আপনি আপনার কাছের উপজেলা অফিসে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে পারেন। তাছাড়া ভাল কোন নার্সারী থেকেও প্রয়োজনীয় পরামর্শ পাবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

Thank you very much for visiting the site. AIS is the organization under the ministry of agriculture, has been involved for dissemination of agro technologies among the farmers using mass media. Besides modern ICT media we do use several traditional means including Mobile Cinema Van. Basically these mobile cinema vans are being utilized by the regional offices of AIS. These regional offices have a schedule for each month, in which date and in which place the van will move and shows the video materials among the farmers. So,utilization of mobile cinema van is still going on. Anyway, thanks for ur kind suggestion/question. Regards.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য এবং আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ। কলম করার কাজটি হাতে নাতে দেখিয়ে না দিলে প্রকৃতপক্ষে বোঝানোটা কঠিন। এজন্য আপনি দয়া করে আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। অফিস থেকে আপনাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শের পাশাপাশি হাতে নাতে কলম করাটাও শিখিয়ে দেবে। তাছাড়া যেকোন ভাল নার্সারী থেকেও এ ব্যাপারে সাহায্য পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য ধন্যবাদ। কিছু ফসলের পোকামাকড়ের ছবি ইতোমধ্যে দেওয়া হয়েছে। তবে খুব সহসাই সব গুলো ফসলের পোকামাকড়ের ছবি ওয়েবসাইটে দেওয়ার কাজ চলছে। আপনাকে পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রয়োজন না হলে ফসলে কীটনাশক বা ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করা মোটেই উচিত নয়। সামান্য কিছু রোগবালাই হলে হাতেনাতেই দমন করতে হয়। তবে আক্রমণ খুব বেশি হলেই শুধু বালাইনাশক প্রয়োগ করতে হয়। তাই অযথা এসব প্রয়োগ করা মোটেই ঠিক না। তিল ফসলে এক ধরণের ছত্রাকের আক্রমণ ঘটে থাকে। এ রোগের আক্রমণে প্রথমে পাতার উপর অসম আকৃতির গাঢ় বাদামী বর্ণের দাগ পড়ে। দাগগুলো ধীরে ধীরে বড় হওয়ার পর অনেকগুলো দাগ একত্রিত হয়ে পাতার অধিকাংশ স্থান দখল করে ফেলে। আক্রমণ বেশী হলে পাতা ঝরে পড়ে। আক্রমণ বেশি হলে রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম রোভরাল-৫০ ডবিৱউ পি অথবা ডাইথেন-এম-৪৫ মিশিয়ে জমিতে ২/৩ বার প্রয়োগ করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত মরিচ গাছে এক ধরণের ছোট মাকড়ের আক্রমণ হলে পাতা কুকড়িয়ে যায়। তাছাড়া ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ ফল ছিদ্র হয়ে যায়, মরিচ ঝড়ে পড়ে। এ সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের মসলাজাতীয় ফসলের মরিচ এর ভেতরে পাওয়া যাবে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/388.html ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটের অন্যান্য এর ভেতর অঞ্চলের কৃষি বিষয়ক তথ্য দেওয়া হয়েছে। আপনি দয়া করে http://www.ais.gov.bd/images/resources/Rajshahi.pdf লিংকটি ব্যবহার করতে পারেন। তবে বিস্তারিত তথ্যের জন্য রাজশাহী জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শস্য উৎপাদন বিশেষজ্ঞ (০৭২১-৭৬০৬৬৫) এবং চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের শস্য উৎপাদন বিশেষজ্ঞ (০৭৮১-৫৫০৩৫)কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে আলাপ করে আরো বেশি তথ্য জানতে পারবেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ইউরিয়া সার উপরিপ্রয়োগের নিয়ম: ১. কোন জমিতে ১০টির মধ্যে ৬ বা ৬টির বেশি এলসিসি মাপক নম্বর যখনই রোপা ধানে ৩.৫ এবং বোনা ধানে ৩.০ এর কম হবে তখনই ওই জমিতে ইউরিয়া সার প্রয়োগ করুন। ২. ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হলে প্রতিবার উপরিপ্রয়োগে প্রতি ৩৩ শতক জমিতে আমন মৌসুমে ৭.৫ কেজি ও বোরো মৌসুমে ৯ কেজি ইউরিয়া সার প্রয়োগ করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি দয়া করে পশু চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এ কাজটি করবেন। এ জন্য আপনার উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিস (আগের উপজেলা পশুসম্পদ অফিস) এ যোগাযোগ করে পশু বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তাদের সাথে যথাযথভাবে পরামর্শগ্রহণ করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি দয়া করে আরো কিছু তথ্য দিলে উত্তর দিতে সুবিধা হতো। যেমন, কোন জাতের ধান লাগিয়েছেন, কতুটকু জমিতে আবাদ করেছেন, সার কতুটুক ব্যবহার করেছেন, রোগবালাই দেখা দিচ্ছে কিনা ইত্যাদি। এসব তথ্য পেলে উত্তর দিতে সুবিধা হবে। তবে প্রাথমিকভাবে মনে হয়, আপনি প্রয়োজনমতো সার ব্যবহার করেন নাই। না করে থাকলে ইউরিয়া প্রতি শতকে ৫০০ গ্রাম এবং এমওপি ২৫০ গ্রাম ব্যবহার করুন। বিস্তারিত তথ্যের জন্য কাছেল উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন।

wrote...

আপনি অবিলম্বে আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (আগের উপজেলা পশু সম্পদ অফিসে) যোগাযোগ করুন। কেন মারা যাচ্ছে বা মারা যাওয়ার ধরণ টি কিরকম, মুরিগির বয়স ইত্যাদি না জেনে পরামর্শ দেওয়া কঠিন হবে। তাই আপনি দেরি না করে সেখানকার বিশেষজ্ঞ কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

দয়া করে আপনি প্রশ্নটি একটু বঝিয়ে বলবেন কি? কৃষি বিষয়ক কোন কিছু জানতে আপনি আমাদের কাছে প্রশ্ন লিখতে পারেন। আমরা প্রশ্নের উত্তর গুলো যথাসম্ভব দ্রুত দেওয়ার চেষ্টা করবো। ধন্যবাদ।

wrote...

ধন্যবাদ আপনার প্রশ্নের জন্য। কতগুলো প্রকল্প এ বিষয়ে নেওয়া হয়েছে এটি এই মুহুর্তে বলা যাচ্ছে বলে দু:খিত। আপনার উত্তরটি আমরা সন্ধান করে দেখছি,পাওয়া মাত্র আপনাকে অবহিত করা হবে। সরকার সেচের ক্ষেত্রে ভুগর্ভস্থ পানির চেয়ে ভূউপরিস্থ অর্থাৎ মাটির উপরের পানি ব্যবহারের জন্য গুরুত্ব আরোপ করছে। এ জন্য পানির উৎস যেমন, পুকুর, খাল, বিল, নদী ইত্যাদি সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তাছাড়া বৃষ্টির পানি ধরে রেখে সেচ কাজে ব্যবহার, রাবার ড্যামের মাধ্যমে সেচ সুবিধা ইত্যাদির ওপর গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সেচেরে পানি সর্বোত্তম ব্যবহারের জন্য পাকা ড্রেনের ব্যবস্থা, ফিতা পাইপ ব্যবহার ইত্যাদি পদ্ধতিগুলো ব্যবহারের ওপরো গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি তথ্য সার্ভিসের ওয়েবসাইট এর ই-কৃষি অংশে বিভিন্ন ফসলের চাষাবাদ প্রযুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এখানে শ্রেণীবিন্যাস করে অর্থাৎ দানা ফসল (এর মধ্যে আছে ধান, ভুট্টা, গম ইত্যাদি), তেল ফসল (এর মধ্যে আছে, চীনাবাদাম, সরিষা, সুর্যমুখী ইত্যাদি) এরকম ফসলের যাবতীয় তথ্য দেওয়া হয়েছে। তারপরও আরো বিস্তারিত কিছু জানার থাকলে আপনি এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে প্রশ্ন করতে পারেন। আমরা যতদ্রুত সম্ভব উত্তর প্রদানের চেষ্টা করবো। পাশাপাশি জাতীয় ই-তথ্যকোষেও আপনি কৃষি বিষয়ক অনেক তথ্য বা কনটেন্ট সম্পর্কে জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত এটি সম্পূর্ণ প্রাশাসনিক বিষয় সম্পর্কিত বিষয় বলে এ মুহুর্তে তথ্যটি আমাদের হাতে নাই। এ বিষয়ে তথ্য পেলে আপনাকে দ্রুততম সময়ে জানানো হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত এটি সম্পূর্ণ প্রাশাসনিক বিষয় সম্পর্কিত বিষয় বলে এ মুহুর্তে তথ্যটি আমাদের হাতে নাই। এ বিষয়ে তথ্য পেলে আপনাকে দ্রুততম সময়ে জানানো হবে।

wrote...

হর্টিকালচার সেন্টার, কুলাউরা, মৌলভিবাজার অফিস এর ফোন নম্বর: ০৮৬২৪-৫৬০৪৯। আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, আকবরপুর,মৌলভিবাজার এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার ইমেইল: cso.akbor@bari.gov.bd এবং উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার ইমেইল: azizul.rars@bari.gov.bd । তাদের মোবাইল নম্বরটি এই মহুর্তে দিতে পারছিনা বলে দু:খিত। পাওয়া মাত্রই আপনাকে জানানো হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার মূল্যবান পরামর্শের জন্য আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ। ভূলক্রমে এমনটি ঘটেছে। এটি সংশোধন করা হয়েছে। আর লটকনের কনটেন্টটিও ইতোমধ্যে আপলোড করা হয়েছে। আপনার মুল্যবান পরামর্শের জন্য আবারো ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

wrote...

দু:খিত আপনার প্রশ্নটি সঠিকভাবে বুঝতে পারছি না। একাঙ্গী চাষ-বলতে আসলে আপনি কী বুঝিয়েছেন, তা দয়া করে আবার ব্যাখ্যা করলে উত্তর দিতে সুবিধা হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলা কলা এমনিতেই খুব বেশি বড় হয় না। তবে কলার আকার আকৃতি খুব বেশি ছোট হলে এবং কোন সার না দিয়ে থাকলে সুষমমাত্রায় সার প্রয়োগ করুন। এখন জানিয়ে দিচ্ছি কলা গাছে সারের পরিমান: প্রতি গর্তে গোবর ২০ কেজি, টিএসপি সার ৪০০ গ্রাম, ৩০০ গ্রাম এমওপি সার এবং ইউরিয়া সার ৬৫০ গ্রাম প্রয়োগ করতে হয়। সারের ৫০ ভাগ গোবর জমি তৈরির সময় এবং বাকি ৫০ভাগ গর্তে দিতে হয়। এ সময় অর্ধেক ট্রিপি গর্তে প্রয়োগ করা দরকার। রোপণের দেড় থেকে দুই মাস পর ২৫ ভাগ ইউরিয়া, ৫০ ভাগ এমওপি এবং বাকি টিএসপি জমিতে ছিটিয়ে ভালভাবে কুপিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়। এর দুই থেকে আড়াই মাস পর গাছপ্রতি বাকি ৫০ ভাগ ইউরিয়া ও ৫০ ভাগ এমওপি সার প্রয়োগ করা দরকার। ফুল আসার সময় অবশিষ্ট ২৫ ভাগ ইউরিয়া জমিতে ছিটিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়। তাছাড়া রোগবালাই এর আক্রমণ যাতে না হয়, সেদিকেও লক্ষ্য রাখতে হবে।

wrote...

wrote...

Thank you very much for visiting our website. Actually first of all, it is needed to know how much salinity exists in your soil. It can be easily possible to measure. If you contact with your Upazilla Agriculture Office, they will let you how to collect the soil for soil testing. If it is required they will send the soil sample to SRDI (Soil Resource Development Institute), Dhaka for detailed testing. Most of the vegetables and fruits can not tolerate high soil salinity. So it is very much essential to know how much salinity exists. Anyway, after knowing your soil condition, then it is possible to suggest what crops would be suitable for that particular land. Moreover, you need to talk with a fisheries expert and Livestock expert for the fisheries and Dairy production. If you please let us know the name of your upazilla, we can send you the concerned official’s telephone number. Thank you very much. If you want to know further detail you can write us without any hesitation.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পৃথিবীতে প্রায় ১২০ জাতের কবুতর পাওয়া যায়। বাংলাদেশে প্রায় ২০ প্রকার কবুতর রয়েছে। বাংলাদেশের সর্বত্র এসকল কবুতর রয়েছে। বাংলাদেশের জলবায়ু এবং বিস্তীর্ণ শষ্যক্ষেত্র কবুতর পালনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। বাংলাদেশে পালন করা হয় এমন ধরণের কবুতর সম্পর্কে জানতে আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে পশু সম্পদ এ ক্লিক করুন। অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1861.html লিংকে ক্লিক করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কবুতরের খাবার, পানি, বাসস্থান ইত্যাদি বিষয়ে আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে পশু সম্পদ এ ক্লিক করুন। অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1861.html লিংকে ক্লিক করুন। আশাকরি আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্যটি পেয়ে যাবেন। তারপরও কোন কিছু জানার দরকার হলে আবারো প্রশ্ন করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার সুচিন্তিত মতামতের জন্য কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। প্রকৃতপক্ষে আপনাদের মূল্যবান পরামর্শ, মতামত এসব নিয়েই প্রতিনিয়ত এই সাইটটি সমৃদ্ধ হচ্ছে। ওয়েবসাইটের সমৃদ্ধকরণ একটি চলমান প্রক্রিয়া, আমরা বিশ্বাস করি আপনাদের প্রতিনিয়ত মূল্যবান পরামর্শ ও সহযোগিতায় সাইটটির আরো শ্রীবৃদ্ধি ঘটবে। ই-কৃষি অংশে পশুসম্পদ শব্দটির পরিবর্তে প্রানিসম্পদ শব্দ প্রতিস্থাপন করা হয়েছে। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত বাংলাদেশী বিভিন্ন জাতের কবুতরের ছবি দেখাতে পারছিনা এজন্য। ইতিপূর্বে কবুতরের চাষ পদ্ধতি, বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন জাত, ইত্যাদি জানানো হয়েছিল। তবে এ মুহুর্তে এসব কবুতরের জাতভিত্তিক কোন ছবি আমাদের কাছে নেই। তবে সেগুলো পাওয়া গেলে আপনাকে জানানো সম্ভব হবে। আপনি এ বিষয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকা কার্যালয়ে দয়া করে যোগাযোগ করে কোন সাহায্য নিতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

Thank you very much for asking question. In our website detailed production technology of strawberry has been uploaded. u can find it in e krishi>onnanno. or u can click the link: http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2361.html we hope u will understand what to do about strawberry cultivation. Thank u very much.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পটাশিয়াম ও বোরণ সার এর অভাবে অনেক সময় ফল ঝড়ে পড়তে পারে। এমওপি সার থেকে পটাশিয়াম পাওয়া যায়। আর বোরণ সার হলো আরেক ধরণের সার। এটি বাজারে বোরাক্স সার নামেও পাওয়া যায়। এটি পাউডারের মতো দেখতে ধবধবে সাদা রঙের হয়ে থাকে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মূল গজানোর জন্য বিভিন্ন ধরণের হরমোন ব্যবহার করা যায়, যেমন-রুটন একটি ভাল হরমোন। এটি আপনি বাজারে কীটনাশকের দোকানে কিনতে পাবেন। ইনডোল বিউটারিক অ্যাসিড কে সংক্ষেপে IBA বলা হয়ে থাকে। এটি এক ধরণের উদ্ভিদ হরমোন। এই হরমোনটি গাছের শিকড় বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি মন্ত্রণালয় অধিভুক্ত সঙস্থা হর্টেক্স ফাউন্ডেশন শাকসবজি রপ্তানির ক্ষেত্রে কারিগরী পরামর্শ এবং সহায়তা প্রদান করে থাকে। আপনি দয়া করে হর্টেক্স ফাউন্ডেশন, ঢাকা (পিএবিএক্স নং:০২-৮১২৩৪৩৩, ফ্যাক্স: ০২-৯১২৫১৮১) যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইট-এর প্রথম পাতায় কার্যক্রমে লিফলেটে কৃষক পর্যায়ে ভেজাল রাসায়নিক সার সনাক্তকরণের সহজ উপায় এর পদ্ধতি দেয়া আছে। তাছাড়া প্রথম পাতায় প্রকাশনা কৃষিকথা ১৪১৬ অগ্রহায়ণ সংখ্যায় নকল সার চিনিবার তখ্য দেয়া আছে। আপনাকে প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটে প্রথম পাতায় প্রকাশনা কৃষিকথা ১৪১৬ অগ্রহায়ণ সংখ্যায় নকল সার সনাক্ত করণের সহজ উপায় ইউরিয়া, এমওপি, টিএসপি তখ্য দেয়া আছে। এই লিংকে ব্রাউজ করে বিস্তারিত জানতে পারবেন। http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1853.html আপনাকে প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

বাংলাদেশে খরগোশকে সাধারনত শখের বা পোষা প্রানী হিসেবে পালন করে থাকে তবে বাণিজ্যিকভাবে খরগোশ পালন করে প্রাণীজ আমিষের চাহিদা পূরণ, আয় বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে। খরগোশের মাংস অত্যন্ত সুস্বাদু। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে প্রাণিসম্পদ এ ক্লিক করে খরগোস চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন জানতে পারবেন। অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1891.html লিংকে ক্লিক করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি তথ্য সার্ভিস এর পক্ষ থেকে আপনাকেও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। প্রকৃতপক্ষে আপনাদের সেবার জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা। এতে করে আপনি/আপনার উপকৃত হলেই আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে বলে মনে করি। যাহোক, সমন্বিত খামার তৈরি করতে হলে প্রথমেই আপনার জমির মাটির ধরণটি জানা দরকার। এ জন্য মাটি পরীক্ষা করা প্রয়োজন। প্রতিটি উপজেলা কৃষি অফিসেই মাটি পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি সেখান থেকে মাটি পরীক্ষা করে নিতে পারবেন। আপনি এ জন্য উপজেলা কৃষি অফিস, সদর উপজেলা, নোয়াখালী (ফোন নং:০৩২১-৬১৪৩২) যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি তথ্য সার্ভিস এর পক্ষ থেকে আপনাকেও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। প্রকৃতপক্ষে আপনাদের সেবার জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা। এতে করে আপনি/আপনার উপকৃত হলেই আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে বলে মনে করি। যাহোক, সমন্বিত খামার তৈরি করতে হলে প্রথমেই আপনার জমির মাটির ধরণটি জানা দরকার। এ জন্য মাটি পরীক্ষা করা প্রয়োজন। প্রতিটি উপজেলা কৃষি অফিসেই মাটি পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি সেখান থেকে মাটি পরীক্ষা করে নিতে পারবেন। আপনি এ জন্য উপজেলা কৃষি অফিস, সদর উপজেলা, নোয়াখালী (ফোন নং:০৩২১-৬১৪৩২) যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি তথ্য সার্ভিস এর পক্ষ থেকে আপনাকেও শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। প্রকৃতপক্ষে আপনাদের সেবার জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা। এতে করে আপনি/আপনার উপকৃত হলেই আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে বলে মনে করি। যাহোক, সমন্বিত খামার তৈরি করতে হলে প্রথমেই আপনার জমির মাটির ধরণটি জানা দরকার। এ জন্য মাটি পরীক্ষা করা প্রয়োজন। প্রতিটি উপজেলা কৃষি অফিসেই মাটি পরীক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে। আপনি সেখান থেকে মাটি পরীক্ষা করে নিতে পারবেন। আপনি এ জন্য উপজেলা কৃষি অফিস, সদর উপজেলা, নোয়াখালী (ফোন নং:০৩২১-৬১৪৩২) যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্ট্রবেরি চাষের বিস্তারিত নিয়ম আমাদের এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় সংবাদ অংশে দেওয়া হয়েছে। অথবা আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2361.html লিংক ব্যবহার করে সরাসরি দেখতে পারবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলামতি হলো বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট থেকে আবিষ্কৃত ব্রি ধান-৫০। এটি বোরো মৌসুমে চাষ করা হয়। এই ধানের গাছের উচ্চতা ৮২ সেমি, জীবনকাল ১৫৫ দিন, জাতের বৈশিষ্ট্য চাল লম্বা,চিকন, সুগন্ধি ও সাদা, ধানের গড় ফলন ৬.০ টন/হেক্টর। বাংলামতির চাষ পদ্ধতি বোরো মৌসুমে চাষকৃত অন্যান্য উচ্চ ফলনশীল জাতের যেমন-ব্রিধান ২৮, ২৯ ইত্যাদির মতোই। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে দানা ফসলের ভেতর ধানের চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। আপনি সেখান থেকেই বিস্তারিত নিয়ম জানতে পারবেন। আপনি প্রশিক্ষণের বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। প্রতিটি উপজেলা কৃষি অফিস থেকেই কৃষকদের বিভিন্ন ফসলের চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে। তাই আপনি আপনার উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করলে তারাই এ বিষয়ে প্রশিক্ষণের বিষয়ে জানাতে পারবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মুরগী বাজারজাত কিভাবে করবেন জানতে চেয়েছেন। কি জাতের মুরগী, কত মুরগী পালন করেছেন..কোথায় আপনার খামার ইত্যাদি বিষয়ে জানা দরকার। আপনি আপনার উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিস (আগের উপজেলা পশুসম্পদ অফিস) এ কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করতে পারেন। তাছাড়া আপনার কাছাকাছি কোন বড় বাজার অথবা ঢাকায় বাজারজাত করতে চাইলে কাওরান বাজারে যোগাযোগ করতে হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কোথায়/কোন এলাকায় চাষ করতে চাচ্ছেন সেটি উল্লেখ করলে কাছাকাছি কোন সরকারি হর্টিকালচার সেন্টার এর ঠিকানা দেওয়া সম্ভব হতো। যাহোক, আপনি আপনার কাছের হর্টিকালচার সেন্টার (কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতাভুক্ত)এ যোগাযোগ করে দেখতে পারেন। তাছাড়া বিশ্বস্ত অন্য কোন ভাল মানের নার্সারী এমনকি ভাল ফলন পেয়েছেন এমনকোন কৃষকের কাছ থেকেও চারা সংগ্রহ করতে পারেন। তাছাড়া বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, ব্রাক টিস্যু কালচার সেন্টার এসব প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করে চারা সংগ্রহ করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বর্তমান সরকার প্রায় ১ কোটি ৮৫ লক্ষ কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ কার্ড বিতরণ করেছে। এসব কৃষকের তালিকা প্রতিটি উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তৈরি করা হয়েছে। এসব গুলো নিয়ে একটি ডাটাবেউজ তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ডাটাবেজ তৈরি হলে সেখান থেকে তালিকা পাওয়া সম্ভব হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বর্তমান সরকার প্রায় ১ কোটি ৮৫ লক্ষ কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ কার্ড বিতরণ করেছে। এসব কৃষকের তালিকা প্রতিটি উপজেলা কৃষি অফিস থেকে তৈরি করা হয়েছে। এসব গুলো নিয়ে একটি ডাটাবেউজ তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ডাটাবেজ তৈরি হলে সেখান থেকে তালিকা পাওয়া সম্ভব হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রমে।নর জন্য ধন্যবাদ। বিনা ধান-৭ আমন মৌসুমে চাষযোগ্য একটি ধান। গড় ফলন ৫.০ টন/হেক্টর। জীবনকাল ১১৫-১২০ দিন। উচ্চ ফলনশীল এবং চাল সরু ও লম্বা এ জাতটি চাষ করে সহজেউ রবিশস্য চাষ করা যায়। বিশেষ করে মঙ্গা এলাকার জন্য এ জাতটি খুব কার্যকরী। আপনি গুটি ব্যবহারের বিষয়ে জানতে চেয়েছেন। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে দানা ফসলের ভেতর ধানের চাষ পদ্ধতির মধ্যে গুটি ইউরিয়া ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। কতটুকু গুটি দরকার, কিভাবে প্রয়োগ করতে হবে ইত্যাদি, আপনি সেখান থেকেই বিস্তারিত নিয়ম জানতে পারবেন। অথবা সরাসরি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1480.html লিংকটিও ব্যবহার করেও গুটি ইউরিয়া সম্পর্কে জানতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কুলের ইংরেজি নাম Ber. এর বৈজ্ঞানিক নাম- Ziziphus mauritiana. আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে কুল চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/742.html লিংক ব্যবহার করে সরাসরি জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আলু চাষের বিস্তারিত নিয়ম আমাদের এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি কন্দাল ফসল অংশে দেওয়া হয়েছে। অথবা আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/360.html লিংক ব্যবহার করে সরাসরি দেখতে পারবেন। আপনাকে প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ধৈঞ্চা একটি উন্নত মানের সবুজ সার তৈরির গাছ। ধৈঞ্চা চাষ করার জন্য জমিকে খুব বেশি চাষ দিয়ে জমিম তৈরি করার দরকার হয় না। ২/১টি চাষ দিলেই যথেষ্ট। সাধারণত নিচু জমিতে ধৈঞ্চা চাষ করা হয়, কারণ এটি কাটার পর পচানোর জন্য পানির প্রয়োজন হয়। ধৈঞ্চার বীজ বোনার পর দুই থেকে আড়াই মাস পরে গাছে ফুল আসতে শুরু করে। তখন এটি কেটে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হয়। বৃষ্টির পানি জমিতে জমলে তখন ভালকরে জমি চাষ দিয়ে কিছুদিন রাখলেই ধৈঞ্চা মাটির সাথে মিশে সার হিসেবে কাজ করতে শুরু করে। সাধারণত ধৈঞ্চা চাষের পর মাটিতে মিশিয়ে রোপা আমনের চাষ করা হয়ে থাকে।

wrote...

আপনার উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কৃষি তথ্য সার্ভিস এর ওয়েবসাইট থেকে কৃষি বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্য পাবেন। তাছাড়া এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি সরাসরি অনলাইনে প্রশ্ন করতে পারবেন। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব কৃষি বিষয়ক সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকি। তাছাড়া যেকোন কৃষি সমস্যার জন্য আপনি ইমেইল এ যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সম্ভবত আপনি পাম ওয়েল এর চাষ সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আমাদের এই ওয়েবসাইটে পামওয়েল এর চাষ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। এ জন্য আপনি দয়া করে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1992.html লিংকে ক্লিক করুন। আশাকরি আপনি আপনার দরকারি তথ্যটি পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। পেপে এমন একটি ফল,যা মোটামুটি বছরের প্রায় সব সময়ই ফল দিয়ে থাকে। পেপে চাষের বিস্তারিত নিয়ম কানুন আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে দেওয়া হয়েছে। আপনি সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/86 লিংকটি ক্লিক করুন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে দু:খিত আপনার প্রশ্নটি সঠিকভাবে বুঝতে না পারার জন্য। আপনি কি কোথায় হাইব্রিড ধান বীজ পাওয়া যায় সে বিষয়ে জানতে চেয়েছেন? বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতের হাইব্রিড বীজ বাজারে পাওয়া যায়। এগুলোর মধ্যে আছে-ধান গবেষণা গবেষণা ইন্সটিটিউট এর ব্রি হাইব্রিড, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যেমন সুপ্রিম সীড, লালতীর, এসিআই ইত্যাদি বিভিন্ন কোম্পানীর হাইব্রিড বীজ আপনার উপজেলার বীজ ব্যবসায়ীদের দোকানে পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। লেখাপড়ার বিঘ্ন না ঘটিয়ে পরিবারের সদস্যদের সাহায্যে ছোটখাট মুরগির খামার করা যেতে পারে। তবে লক্ষ্য রাখতে হবে, খামারের কাজে সময় দিতে যেয়ে যেন পড়াশোনার ক্ষতি না হয়। তাই বড় আকারের বাণিজ্যিক খামার তৈরির চেয়ে অল্প কিছু মুরগি দিয়ে ছোট আকারের একটি খামার করা যেতে পারে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণের জন্য কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনাকেও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমাদের দেশে সাধারণত খরিফ-১ মৌসুম অর্থাৎ মে মাসের মাঝামাঝি থেকে জুন মাসের ১ম সপ্তাহ পর্যন্ত বীজ বোনার উপযুক্ত সময়। এসময় জমিও পতিত থাকে। প্রতি বিঘাতে বীজের দরকার হয়:৫-৬ কেজি। বীজ সাধারণত ছিটিয়েই বোনা হয়ে থাকে। ধৈঞ্চা চাষে কোন সার ব্যবহার না করলেও হয়। কারণ ধৈঞ্চা চাষের আগে জমিতে ফসল চাষ হয়ে থাকলে মাটিতে টিএসপি, এমওপি ইত্যাদি সারের প্রভাব থেকে যায়। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের তেল ফসলে সুর্যমুখী চাষের বিস্তারিত নিয়ম দেওয়া হয়েছে। অথবা আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-47.html/false/101 লিংকে ক্লিক করেও সরাসরি দেখতে পাবেন। আশাকরি আপনার দরকারি তথ্যটি আপনি পাবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় দেশব্যাপী অনেকগুলো হর্টিকালচার সেন্টার রয়েছে। যেখান থেকে আপনি মানসম্মত বিভিন্ন জাতের আমের চারা পাবেন। তাছাড়া বেসরকারি বেশ কিছু ভাল নার্সারী রয়েছে যেমন-আজাদ হর্টিকালচার, ব্রাক নার্সারী ইত্যাদি থেকেও চারা কিনতে পারবেন। এখন বিভিন্ন জায়গায় ফল মেলা/বৃক্ষ মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেখান থেকে ভাল নার্সারী থেকে আম সহ বিভিন্ন ফলের চারা কিনতে পারবেন। আমাদের ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশের ভেতর অন্যান্য-তে বীজ, চারা, কলম এর প্রাপ্তি স্থান তালিকা আছে। সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1998.html লিংকটি ব্যবহার করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। রোগের আক্রমণ হলে এরকম ঘটতে পারে। আপনি ডাইথেন এম ৪৫ অথবা রিডোমিল এম জেড ৭৫, প্রতিলিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম করে মিশিয়ে সেপ্র করুন। আশাকরি উপকার পাবেন। তাছাড়া রোগাক্রান্ত ফল ও ডালপালা কেটে ফেলুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আমাদের ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় সংবাদ অংশে স্ট্রবেরীর চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2361.html লিংকে ক্লিক করুন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রম্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষযটি প্রাণিসম্পদ বিশেষজ্ঞ ব্যক্তিরা ভালভাবে বলতে পারবেন। তাই আপনি দয়াকরে আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (আগের উপজেলা পশু সম্পদ অফিস) এ যোগাযোগ করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট এর মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়া থেকে প্রাপ্ত তথ্য মতে, বাংলাদেশে এলাচ এর কোন অনুমোদিত জাত নাই। তবে বিজ্ঞানীরা 'কালো এলাচ' নিয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোন জাত বের হয়নি। বাংলাদেশে যেসমস্ত এলাকায় যথেষ্ট বৃষ্টিপাত হয় যেমন বৃহত্তর সিলেট, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে এলাচ চাষের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাটির ধরণ বা প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে কোন মাটিতে কোন ধরণের ফসল ফলানো সম্ভব। সাধারণত বালু মাটিতে বাদাম, বাঙ্গি, তরমুজ ইত্যাদি ফসল ভাল হয়। তবে সবচেয়ে ভাল হলো আপনার জমির মাটি পরীক্ষা করে নেওয়া। উপজেলা কৃষি অফিসে মাটি পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে। এ জন্য আপনি আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। মাটি পরীক্ষা করে তারপর সিদ্ধান্ত নিন সেখানে কোন ধরণের ফসল ভাল চাষ করা যাবে। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ভাল বীজ ভাল ফলনের প্রধান শর্ত। তাই মানসম্মত বীজ বা ভাল বীজ ব্যবহার করতে হবে। প্রতিটি উপজেলায় বিএডিসির নির্ধারিত বীজ ডিলার আছে। আপনি সেখান থেকে বিএডিসি'র বীজ সরকার নির্ধারিত মূল্যে কিনতে পারেন। বিএডিসি'র বীজ পরীক্ষিত। তবে কেনার আগে দেখে নিবেন সঠিকভাবে বস্তায় সিল এবং কাগজের ট্যাগ লাগানো আছে কিনা। তাছাড়া উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে ভাল কৃষকের কাছ থেকেও বীজ সংগ্রহ করতে পারেন। তবে বেসরকারি পর্যায়েও অনেক কোম্পানী বীজ আমদানি করছে। তবে এসব বীজ কেনার আগে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস/কৃষি তথ্য সার্ভিস বা অন্য কোন কৃষি বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ নিন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। দয়া করে পোকার আক্রমণটি কেমন বা কি রকম ক্ষতি হয়েছে জানালে উত্তর দিতে সুবিধা হবে। আক্রমণ খুব বেশি পরিমান না হলে কীটনাশক দেওয়ার দরকার নাই। হাতে নাতে দমন করতে পারেন। তবে আক্রমণ বেশি হলে নির্ধারিত মাত্রায় কীটনাশক দেওয়া যেতে পারে। দয়াকরে বিস্তারিত লিখুন, আমরা সমাধান দেওয়ার দ্রুত চেষ্টা করবো। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমের জাত, গাছের বয়স কত, কলমের চারা কিনা এসব উল্লেখ করলে ভাল হতো। যাহোক, আপনি গাছে সার না দিয়ে থাকলে সুষম মাত্রায় সার দিন।পূর্ণ বয়স্ক গাছে বছরে ৫০ কেজি জৈব সার, ২ কেজি ইউরিয়া, ১ কেজি টিএসপি, ৫০০ গ্রাম এমওপি, ৫০০ গ্রাম জিপসাম ও ২৫ গ্রাম জিংক সালফেট প্রয়োগ করতে হবে। উল্লেখিত সার ২ কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। প্রথমবার জৈষ্ঠ্য-আষাঢ় মাসে এবং দ্বিতীয়বার আশ্বিন মাসে প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া গাছের মরা ডাল পালা ছেটে দিতে হবে। শুকনার সময়ে পরিমান মতো পানি দিতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রতিবার একই রকম ঘটনা ঘটলে বুঝতে হবে মাটিতে কোন সমস্যা রয়েছে। মাটি বাহিত কোন জীবানুর আক্রমণ ঘটে থাকতে পারে। তাই মাটি শোধন করে নিতে পারেন। চারা রোপণের দুই সপ্তাহ আগে মাটি ভালভাবে কুপিয়ে আলগা করে ভাল করে সুর্যের আলো প্রবেশের ব্যবস্থা করুন। পাশাপাশি আলগা হয়ে যাওয়া মাটিতে হালকা গরম পানি ঢালুন। ২/৩ দিন পর পর মাটি কুপিয়ে নিন। আশেপাশে বড় গাছের ডাল থাকলে ছেটে দিন, যাতে সুর্যের আলো ভালভাবে পড়ে। গোবর বা কম্পোস্ট সার বেশি করে ব্যবহার করুন। চারা রোপণের আগে ভিটাভেক্স ছত্রাকনাশক দিয়ে চারার গোড়া শোধন করে নিতে পারেন। আপনি কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে ভাল চারা রোপণ করুন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমের ভোমরা পোকার আক্রমনে এরকম হতে পারে। ভোমরা পোকার কীড়া আমের গায়ে ছিদ্র করে ভিতরে ঢুকে শাঁস খায়। সাধারণত কচি আমে ছিদ্র করে এরা ভিতরে ঢুকে এবং ফল বড় হওয়ার সাথে সাথে ছিদ্রটি বন্ধ করে দেয় এ জন্য এ জন্য বাইরে থেকে আমটি ভাল মনে হলেও ভিতরে কীড়া পাওয়া যায়। এজন্য আম গাছের মরা ও অতিরিক্ত পাতা শাখা এবং পরগাছা কেটে ফেলতে হবে। গাছে ফল আসার ১-২ সপ্তাহ পর লিবাসিড/সুমিথিয়ন কীটনাশক ১ লিটার পানিতে ২ মিলিলিটার হারে মিশিয়ে স্প্রে করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি জমিতে আমন ধান চাষের প্রস্তুতি নিতে পারেন। আপনার এলাকা এবং মাটির ধরণ অনুযায়ী সুবিধাজনক আমনের চাষ করতে পারেন। আপনি যেহেতু এলাকার নাম উল্লেখ করেন নাই, তাই নির্দিস্ট জাতের কথা বলা সম্ভব হলো না। দয়াকরে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতে পারেন। আমাদের এই ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশের দানা ফসলে ধান চাষ বিষয়ে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে, আশাকরি সেখান থেকেও আপনি প্রয়োজনীয় তথ্য পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত কুমড়া জাতীয় ফসলের পরাগায়ন (পুরুষ ও স্ত্রী ফুলের মিলন) বিভিন্ন রকমের পোকা যেমন, মৌমাছি, বোলতা এসবের মাধ্যমেই হয়। তবে প্রাকৃতিকভাবে পরাগায়নের পাশাপাশি হাত পরাগায়ন করলে ফলন ভাল হয়। হাত পরাগায়ন হলো-পুরুষ ফুল থেকে পরাগরেণু (পুরুষ ফুলের মাথায় থাকে পাউডারের মতো রেণু) নিয়ে স্ত্রী ফুলের পরাগরেণুতে ছুয়ে দেওয়া। এ জন্য ১০-১২টি পুরুষ ফুল থেকে পরাগরেণু (তিন ভাগের এক ভাগ পানিভর্তি) একটি সাদা কাপে নিতে হবে।তারপর একটি চিকন তুলি দিয়ে সেটি স্ত্রী ফুলের পরাগরেণুতে ছুয়ে দিতে হবে। এ কাজটি সকাল বেলা রোদের তাপ বাড়ার আগেই করতে হয়। হাত পরাগায়ন করলে ভাল ফলন পাওয়া যাবে। পাশাপাশি সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগও করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত কুমড়া জাতীয় ফসলের পরাগায়ন (পুরুষ ও স্ত্রী ফুলের মিলন) বিভিন্ন রকমের পোকা যেমন, মৌমাছি, বোলতা এসবের মাধ্যমেই হয়। তবে প্রাকৃতিকভাবে পরাগায়নের পাশাপাশি হাত পরাগায়ন করলে ফলন ভাল হয়। হাত পরাগায়ন হলো-পুরুষ ফুল থেকে পরাগরেণু (পুরুষ ফুলের মাথায় থাকে পাউডারের মতো রেণু) নিয়ে স্ত্রী ফুলের পরাগরেণুতে ছুয়ে দেওয়া। এ জন্য ১০-১২টি পুরুষ ফুল থেকে পরাগরেণু (তিন ভাগের এক ভাগ পানিভর্তি) একটি সাদা কাপে নিতে হবে।তারপর একটি চিকন তুলি দিয়ে সেটি স্ত্রী ফুলের পরাগরেণুতে ছুয়ে দিতে হবে। এ কাজটি সকাল বেলা রোদের তাপ বাড়ার আগেই করতে হয়। হাত পরাগায়ন করলে ভাল ফলন পাওয়া যাবে। পাশাপাশি সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগও করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত কুমড়া জাতীয় ফসলের পরাগায়ন (পুরুষ ও স্ত্রী ফুলের মিলন) বিভিন্ন রকমের পোকা যেমন, মৌমাছি, বোলতা এসবের মাধ্যমেই হয়। তবে প্রাকৃতিকভাবে পরাগায়নের পাশাপাশি হাত পরাগায়ন করলে ফলন ভাল হয়। হাত পরাগায়ন হলো-পুরুষ ফুল থেকে পরাগরেণু (পুরুষ ফুলের মাথায় থাকে পাউডারের মতো রেণু) নিয়ে স্ত্রী ফুলের পরাগরেণুতে ছুয়ে দেওয়া। এ জন্য ১০-১২টি পুরুষ ফুল থেকে পরাগরেণু (তিন ভাগের এক ভাগ পানিভর্তি) একটি সাদা কাপে নিতে হবে।তারপর একটি চিকন তুলি দিয়ে সেটি স্ত্রী ফুলের পরাগরেণুতে ছুয়ে দিতে হবে। এ কাজটি সকাল বেলা রোদের তাপ বাড়ার আগেই করতে হয়। হাত পরাগায়ন করলে ভাল ফলন পাওয়া যাবে। পাশাপাশি সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগও করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নটি খুবই সুন্দর ও সময় উপযোগী। তবে দু:খিত এ মুহুর্তে এই প্রশ্নটির উত্তর দিতে পারছিনা। আমরা সংশ্লিস্ট বিশেষজ্ঞ এর মতামত নিয়ে আপনাকে দ্রুত উত্তরটি দেওয়ার চেষ্টা করবো। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনাকে ধন্যবাদ। নিজ নামে ব্যাংক হিসাব খুলতে হলে সবনিম্ন ১৮ বছর হতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কমিউনিটি রেডিও হলো নির্দিস্ট এলাকার মানুষের জন্য একটি এফ এম ব্যান্ড রেডিও। সাধারণত কমিউনিটি রেডিও গুলো তৈরি হয় নির্দিস্ট কমিউনিটি তথা নির্দিস্ট জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনীয় বিষয়গুলো বিবেচনা রেখে। কৃষি তথ্য সার্ভিস বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলায় এরকম একটি কমিউনিটি রেডিও প্রতিষ্ঠা করতে যাচ্ছে। কমিউনিটি রেডিও বিষয়ে আরো জানতে যোগাযোগ করতে পারেন: ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম (০১৭১৫-১১১৪৮৬), জাতীয় প্রকল্প পরিচালক, কমিউনিটি রুরাল রেডিও, কৃষি তথ্য সার্ভিস, খামারবাড়ি, ঢাকা।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমে বিভিন্ন রকমের পোকামাকড়ের আক্রমণ হয়ে থাকে। ভোমরা পোকা আমের একটি ক্ষতিকারক পোকা। ভোমরা পোকার কীড়া আমের গায়ে ছিদ্র করে ভিতরে ঢুকে শাঁস খায়। সাধারণত কচি আমে ছিদ্র করে এরা ভিতরে ঢুকে এবং ফল বড় হওয়ার সাথে সাথে ছিদ্রটি বন্ধ করে দেয় এ জন্য এ জন্য বাইরে থেকে আমটি ভাল মনে হলেও ভিতরে কীড়া পাওয়া যায়। এজন্য আম গাছের মরা ও অতিরিক্ত পাতা শাখা এবং পরগাছা কেটে ফেলতে হবে। গাছে ফল আসার ১-২ সপ্তাহ পর লিবাসিড/সুমিথিয়ন কীটনাশক ১ লিটার পানিতে ২ মিলিলিটার হারে মিশিয়ে স্প্রে করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে। আম মিষ্টি না টক নির্ভর করে আমের জাত, মাটি, আবহাওয়া ইত্যাদি বিষয়ের ওপর। আপনি ভাল জাতের আমের চারা রোপণ করুন, সুষম সার ব্যবহার করুন এবং নিয়মিত গাছ পরিচর্যা করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। দো-আঁশযুক্ত লালমাটি, জৈবিক সার সমৃদ্ধ কাঁকর জাতীয় মাটি এবং পাহাড়ের পাললিক মাটিতে আঙ্গুর চাষ ভাল হয়। জমি অবশ্যই উঁচু হতে হবে যেখানে পানি দাঁড়িয়ে থাকবে না এবং প্রচুর সূর্যের আলো পড়বে এমন জায়গা আঙ্গুর চাষের জন্য নির্বাচন করতে হবে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আঙ্গুর চারা লাগানোর উপযুক্ত সময় মার্চ-এপ্রিল মাস। ১-৩ বছরের প্রতিটি গাছে বছরে ১০ কেজি গোবর, ৪০০ গ্রাম পটাশ, ৫০০ গ্রাম ফসফেট এবং ১০০ গ্রাম ইউরিয়া প্রয়োগ করতে হবে। পটাশ সার ব্যবহারে আঙ্গুর মিষ্টি হয় এবং রোগ বালাইয়ের উপদ্রব কম হয়। গাছ বেড়ে ওঠার জন্য গাছের গোড়ায় শক্ত কাঠি দিতে হবে এবং মাচার ব্যবস্থা করতে হবে। আঙুরগাছের ডাল সময়মতো ও সঠিকভাবে ছাঁটাই না করলে ফুল-ফল ধরে না। আঙুরগাছের বিভিন্ন পরিচর্যার মধ্যে একটি হলো ডাল ছাঁটাই। এই গাছের ডাল বা শাখায় ফুল ধরে। তাই এটা না করলে ফলন অর্ধেকে নেমে যায়। এ দেশে অক্টোবর-নভেম্বর মাসে আঙুরগাছ ছাঁটাই করলে মার্চ-এপ্রিলে ফল পাওয়া যায়। তবে দেরিতে ফল সংগ্রহ করলে আকাশ একটানা মেঘলা থাকা বা বৃষ্টির কারণে ফল টক হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। এর কারণ হলো গরমে আঙুর ফলে চিনিজাতীয় পদার্থ বেড়ে যায়। ফল ঠিকমতো বড় ও মিষ্টি না হলে, ফল ধরার পর প্রতি লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার ইথরেল ও ১০০ মিলিগ্রাম জিবারেলিক অ্যাসিড পাউডার (জিবগ্রো ৫জি বা বারান্টো-৮০%) একত্রে মিশিয়ে ১৫ দিন পরপর দুই থেকে তিনবার স্প্রে করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত ছত্রাকের আক্রমণ হলে এমনটি দেখা যায়। ছত্রাকঘটিত এ রোগটি সাধারণত বর্ষাকালে দেখা যায়। এ রোগের জীবাণু দ্বারা ফুল আক্রান্ত হলে ফলধারণ বিঘ্নিত হয় এবং কচি ফল ঝরে যায়। ফলের গায়ে, বিশেষ করে বোঁটায় হলদে বা কালো দাগ দেখে এ রোগের আক্রমণ বোঝা যায়। এরোগের আক্রমণে ফলের খোসা কুঁচকে যায় ও ফলের ওজন কমে যায়। আক্রান্ত ফল কাঁচা থাকে, আকার ছোট হয় ও ফলের চাকচিক্য নষ্ট হয়ে যায় এবং শেষে ফল নরম হয়ে পচে যায়। এ জন্য রোগাক্রান্ত অংশ কেটে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। তাছাড়া প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম হারে ডায়থেন এম-৪৫ ছত্রাকনাশক ভালভাবে মিশিয়ে ৭-১০ দিন পর পর ৩-৪ বার ফলে ও গাছে ভালোভাবে সেপ্র করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জৈবসার হিসেবে লেয়ার/ব্রয়লার মুরগীর বিষ্ঠা ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে এ বিষ্ঠাতে ঝাঝেঁর পরিমান গোবরের চেয়ে অনেক বেশি থাকে। তাই ভালভাবে পঁচানোর পর শুকনা করে তারপর মাঠে দেওয়া যাবে। ভালভাবে পচলে যখন বিষ্ঠাতে ঝাঝালো গন্ধ থাকবেনা, তখন সেটি জৈবসার হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ভার্মি কম্পোস্ট বা কেচোঁ কম্পোস্ট বাণিজ্যিকভাবে এখনো বিক্রয় শুরু হয়নি। কিছু কিছু নার্সারী সামান্য পরিমান বিক্রি করে থাকে তাও সব সময় পাওয়া যায় না। তবে আপনি নিজেই কিন্ত এটি তৈরি করে নিতে পারবেন। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে অন্যান্য তে ক্লিক করে আপনি ভার্মি কম্পোস্ট তৈরির নিয়ম জানতে পারবেন। অথবা সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-53.html/false/277 লিংকটি ব্যবহার করুন। আরো জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস/উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কোন জাতের চারা রোপণ করেছেন, বা কলমের চারা কিনা তা অবশ্য লিখেন নাই। যাহোক, আম গাছে প্রয়োজনীয় মাত্রায় সার দিতে হবে। একটি পূর্ণ বয়স্ক ফলন্ত আম গাছে বছরে ৫০ কেজি জৈব সার, ২ কেজি ইউরিয়া, ১ কেজি টিএসপি, ৫০০ গ্রাম এমওপি, ৫০০ গ্রাম জিপসাম ও ২৫ গ্রাম জিংক সালফেট প্রয়োগ করতে হবে। উল্লেখিত সার ২ কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হবে। প্রথমবার জৈষ্ঠ্য-আষাঢ় মাসে এবং দ্বিতীয়বার আশ্বিন মাসে প্রয়োগ করতে হবে। কলমের চারা হলে, প্রথম বছর মুকুল ভেঙ্গে দিতে হয়। তাহলে পরবর্তী বছর ভাল ফলন পাওয়া যায়। পাশাপাশি রোগবালাই হলে পরিমিত মাত্রায় ওষুধ দিতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে কৃষি বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণবিদ-তাঁদের নামের তালিকাটি বেশ দীর্ঘ। এটি আপনাকে এ মুহুর্তে দেওয়া সম্ভব নয়। কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে প্রকাশিত টেলিফোন নির্দেশিকা ২০১১ তে তাদের সবার নামের তালিকা ও যোগাযোগ নং প্রকাশিত হয়েছে। আপনি চাইলে কৃষি তথ্য সার্ভিস, খামারবাড়ি থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। অথবা নির্দিস্ট কোন বিজ্ঞানীর নাম/যোগাযোগ নং জানতে চাইলে উল্লেখ করলে আমরা তা জানাতে পারবো। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। দয়াকরে আপনি আপনার কাছের উপজেলা মৎস্য অফিস এ যোগাযোগ করুন। উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আপনাকে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে পারবেন। যেহেতু, আপনি বাণিজ্যিকভাবে খামার করবেন, তাই এ বিষয়ে সরাসরি বিশেষজ্ঞ মতামত গ্রহণ করাটাই শ্রেয়। তিনিই আপনাকে ভালভাবে বলতে পারবেন, আপনার পানির অবস্থা অনুযায়ী কোন ধরণের মাছের আবাদ উপযুক্ত হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। হলুদ তোলার পর, মাটি পরিষ্কার করে নিয়ে ছায়া আছে এমন জায়গায় ৩-৪ দিন রেখে দিন। সুস্থ, রোগমুক্ত হলুদ বাছাই করুন। এরপর বাঁশ দিয়ে মাচা তৈরি করে নিন যেন মাটি থেকে ৩-৪ ফুট উচুতে থাকে। বাশের চাটাই বিছিয়ে পরিষ্কার বালু ২-৩ ইঞ্চি পরিমান ঢেলে দিন। তারপর বালুর উপর হলুদ গুলো সুন্দর করে সাজিয়ে রাখুন । এর উপর আবার একইভাবে বালু দিন। অর্থাৎ বালু-হলুদ-বালু এইভাবে কয়েকটি স্তর করে সাজিয়ে রাখনু। বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখুন। এভাবে রাখলে অনেকদিন হলুদ রাখতে পারবেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য সরকার বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এরমধ্যে রয়েছে কৃষি যন্ত্রপাতি ক্রয়ের ক্ষেত্রে ২৫% ভর্তুকি প্রদান অর্থাৎ কৃষককে মোট দামের ৭৫% দিতে হবে, বাকিটা সরকার প্রদান করবে। এজন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় একটি প্রকল্প রয়েছে যা খামার যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প নামে পরিচিত। উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা কৃষি অফিসার সমন্বয়ে এ বিষয়ে একটি কমিটি রয়েছে। যার কৃষকদের এ ধরণের যন্ত্রপাতি ক্রয়ে সহায়তা প্রদান করে থাকে। আপনি আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করলেই তারা আপনাকে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জাতীয় অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১১ অনুযায়ী চলতি অর্থবছরে মাথাপিছু জাতীয় আয় ও মাথাপিছু জিডিপি হলো- যথাক্রমে ৮১৮ ও ৭৫৫ মার্কিন ডলার। মুদ্রাস্ফিতীর তথ্যটি এ মহুর্তে দিতে পারছিনা বলে দুখিত। সহসাই আপনাকে জানানো হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্ট্রবেরী চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে আমাদের এই ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। আপনি সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/news-2361.html লিংকে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

thank u very much for visiting the site. It would be helpful for us, if u kindly specify your question/requirement. Then, we can let u know the specific information. Thank u once again.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রতিবছর একই রকম ঘটনা ঘটলে বুঝতে হবে মাটিতে কোন রোগজীবানু রয়ে গেছে। এ জন্য প্রথমেই মাটি পরীক্ষা করে নিন। কাছের উপজেলা কৃষি অফিস থেকে সহজেই বিনামূল্যে মাটি পরীক্ষা করাতে পারবেন। এবিষয়ে উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিন। জমিতে ফসল চাষে সুষম সারের ব্যবহার করুন। প্রতি বছর একই ফসল চাষ না করে আলাদা ফসল চাষ করুন। জমি ট্রাক্টর/পাওয়ার টিলার দিয়ে গভীরভাবে চাষ করুন। প্রয়োজনহলে অনুমোদিত বালাইনাশক যথাযথভাবে মাটিতে মিশিয়ে দিন। তাছাড়া বীজ বোনার আগে বীজটি বালাইনাশক দিয়ে শোধন করে নিন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

Thank u very much for the question. This is completely data relevant question and we are really sorry, that we dont have all the data right now. But we are trying to gather all of your requirement and let u know as early as possible. pls let us know ur e-mail. Thank you.

wrote...

ধন্যবাদ। নেরিকা ধান বাংলাদেশে একটি নতুন সম্ভাবনাময় ধানের জাত। তবে এটি নিয়ে গবেষণা এখনো চলছে। আপনি আপনার কাছের যেকোন বিএডিসি অফিসে এ বিষয়ে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ। আপনি সম্ভবত এলসিসি বা লিফ কালার চার্ট এর কথা জানতে চেয়েছেন। এলসিসি বিক্রয় হয়না। তবে আপনি প্রয়োজন হলে উপজেলা কৃষি অফিস অথবা আপনার ব্লকের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার কাছ থেকে নিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কলা চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে আমাদের এই ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। আপনি সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/129 লিংকে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনাকে ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে সবজি ফসলে ক্লিক করলে বিভিন্ন সবজির চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারবেন। তারপরও নির্দিস্ট কোন প্রশ্ন থাকলে আবার প্রশ্ন করতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ভুট্টা চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে আমাদের এই ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। আপনি সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-49.html/false/96 লিংকে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

ধানের মাজরা পোকা সবচেয়ে ক্ষতিকারক একটি পোকা। এ পোকার দমনের জন্য:নিয়মিতভাবে ক্ষেত পর্যবেক্ষণের সময় মাজরা পোকার মথ ও ডিম সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেললে মাজরা পোকার সংখ্যা ও ক্ষতি অনেক কমে যায়। থোর আসার পূর্ব পর্যন- হাতজাল দিয়ে মথ ধরে ধ্বংস করা যায়। ক্ষেতের মধ্যে ডালপালা পুঁতে পোকা খেকো পাখির বসার সুযোগ করে দিলে এরা পূর্ণবয়সক মথ খেয়ে এদের সংখ্যা কমিয়ে ফেলে। মাজরা পোকার পূর্ণ বয়সক মথের প্রাদুর্ভাব যখন বেড়ে যায় তখন ধান ক্ষেত থেকে ২০০-৩০০ মিটার দূরে আলোক ফাঁদ বসিয়ে মাজরা পোকার মথ সংগ্রহ করে মেরে ফেলা যায়। যে সব অঞ্চলে হলুদ মাজরা পোকার আক্রমণ বেশী, সে সব এলাকায় সম্ভব হলে চান্দিনার (বি আর ১) মত হলুদ মাজরা পোকা প্রতিরোধ সমপন্ন জাতের ধান চাষ করে আক্রমণ প্রতিহত করা যায়। ধানের জমিতে শতকরা ১০-১৫ ভাগ মরা ডিগ অথবা শতকরা ৫ ভাগ মরা শীষ পাওয়া গেলে অনুমোদিত কীটনাশক (যেমন- ডায়াজিনন ৬০ ইসি, কার্বোফুরান ৫জি, ফেনিট্রথিয়ন ৫০ ইসি ইত্যাদি) ব্যবহার করা। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমের ভোমরা পোকার আক্রমনে এরকম হতে পারে। ভোমরা পোকার কীড়া আমের গায়ে ছিদ্র করে ভিতরে ঢুকে শাঁস খায়। সাধারণত কচি আমে ছিদ্র করে এরা ভিতরে ঢুকে এবং ফল বড় হওয়ার সাথে সাথে ছিদ্রটি বন্ধ করে দেয় এ জন্য এ জন্য বাইরে থেকে আমটি ভাল মনে হলেও ভিতরে কীড়া পাওয়া যায়। এজন্য আম গাছের মরা ও অতিরিক্ত পাতা শাখা এবং পরগাছা কেটে ফেলতে হবে। গাছে ফল আসার ১-২ সপ্তাহ পর লিবাসিড/সুমিথিয়ন কীটনাশক ১ লিটার পানিতে ২ মিলিলিটার হারে মিশিয়ে স্প্রে করলে ভাল ফলাফল পাওয়া যাবে। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে লিচু চাষ সম্পর্কে বিস্তারিব তথ্য দেওয়া আছে। আপনি সরাসরি দেখতে চাইলে http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/131 লিংকটি ব্যবহার করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আম গাছ থেকে বাত্তি হওয়ার পর পারতে হবে। তবে আম পারার সময় লাঠি দিয়ে আঘাত করে আম পারা ঠিক না। এমনভাবে আম পারতে হবে যেন কোনভাবেই আমে আঘাত না পড়ে। তাছাড়া খেয়াল রাখতে হবে যেন, আমের সাথে বোটার কিছু অংশ লেগে থাকে। পারার পর আমটি ধরে উল্টে (বোটা নিচের দিকে থাকবে) কষ ঝড়িয়ে নিন। তারপর কুসুম গরম পানিতে ৫-১০ মিনিট আমগুলো ডুবিয়ে রাখুন। এরপর তুলে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে মুছে ভালভাবে সংরক্ষণ করুন। তবে কখনই একসাথে সব আম জড়োসড়ো করে রাখবেন না। সাজিয়ে সুন্দর করে রাখুন। প্রয়োজনে কার্টন বক্স-এ রাখুন। বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। কয়েকদিন পর পর পরীক্ষা করুন, কোন ফল পচলে সরিয়ে ফেলুন।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ধান চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে আমাদের এই ওয়েবসাইটে ই-কৃষি দানা ফসলে ধান চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। আপনি সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-49.html/false/64 লিংকে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নটি পরিষ্কার নয়। আপনি কোন বিষয়ে সার প্রয়োগ করবেন সেটি কিন্তু উল্লেখ করেননি। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নটি পরিষ্কার নয়। আপনি কোন বিষয়ে সার প্রয়োগ করবেন সেটি কিন্তু উল্লেখ করেননি। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি যে বিষয়ে তথ্য চেয়েছেন, সে তথ্যটি এ মুহুর্তে আমাদের কাছে নেই। আপনি দয়া করে তুলা উন্নয়ন বোর্ড, খামারবাড়ি, ঢাকাতে যোগাযোগ করতে পারেন। (কর্মকর্তাদের টেলিফোন নং:৯১৩৮৮৫৭, ৯১০৩২২৫)। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি দয়া করে মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, ঈশ্বরদী, পাবনা-মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। নং:০৭৩২৬-৬৩৬০৬, ০১৭১৬৫৯৫১০৬। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আক্রান্ত পেয়ারা গাছ থেকে পেড়ে মাটিতে পুতে ফেলুন। পোকার আক্রমণ প্রতি বছর হলে, পেয়ারা মার্বেল আকারের থাকা অবস্থায় ডায়াজিনন-৬০ তরল বা লিবাসিড-৫০ তরল ১০ লিটার পানিতে ২০ মিলিলিটার হারে মিশিয়ে ভালভাবে ২-৩ বার স্প্রে করুণ। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ ধরণের হরমোন যেকোন অনুমোদিত বালাইনাশকের দোকানেই আপনি কিনতে পাবেন। তবে ব্যবহারের আগে কোন কৃষি বিশেষজ্ঞ এর মতামত নিলে ভাল ফলাফল পাবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

দু:খিত আপনার প্রশ্নটি বুঝতে পারছি না। দয়া করে বুঝিয়ে বলবেন কি? আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আক্রান্ত আমড়া পাতাসহ গাছ থেকে পেড়ে মাটিতে পুতে ফেলুন। মরা ডালপালা ভালভাবে ছেটে দিন। । গাছের নিচের পাতা সংগ্রহ করে মাটিতে পুতে ফেলুন। সুমিথিয়ন ৫০ তরল অথবা লিবাসিড ৫০ তরল ১০ লিটার পানিতে ২০ মিলিলিটার (ওষুধের বোতলের ৪ মুখ) ভালভাবে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। ৭ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জাতের নাম, চারার বয়স, সার ব্যবহার করেছেন কিনা ইত্যাদি জানা দরকার। মাজরা পোকার আক্রমণও হতে পারে। আপনি দয়া করে বিস্তারিত লিখুন। আমরা পরামর্শ প্রদান করবো। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ভাল ফলনের জন্য ভাল জাত, এলাকার আবহাওয়া, মাটির অবস্থা ইত্যাদি বিষয়ের ওপর নির্ভরশীল। উপজেলা কৃষি অফিসে বিনামুল্যে মাটি পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। আপনি আপনার কাছের উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে মাটি পরীক্ষা করে নিন। এরপরে তাদের পরামর্শ মোতাবেক জাত আবাদ করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সুষম সারের অভাব, রোগবালাই এর আক্রমন, সেচের অভাব ইত্আদি কারনে ফল ঝড়ে পড়ে যায়। সার না দিয়ে থাকলে প্রতি গাছে ১ কেজি ইউরিয়া, ৫০০ গ্রাম টিএসপি, ৫০০ গ্রাম এমওপি, ৩০ গ্রাম বোরণ সার প্রয়োগ করুন। গাছে পোকামাকড়ের আক্রমণ হলে সুমিথিয়ন ৫০ তরল অথবা লিবাসিড ৫০ তরল ১০ লিটার পানিতে ২০ মিলিলিটার (ওষুধের বোতলের ৪ মুখ) ভালভাবে মিশিয়ে ৭ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। চারার গোড়া শুকিয়ে মারা যাওয়ার পেছনে সাধারণত দুইটি কারণ থাকতে পারে। ১. গাছের গোড়ায় ছত্রাকের আক্রমণ হতে পারে। ২. ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ ঘটতে পারে। ছত্রাকের আক্রমণ হলে গোড়া শুকনা থাকবে, এবং গোড়ার দিকের ছাল তুললে কালো কালো রং এর পাউডারের মতো গুড়া দেখা দিতে পারে। আর ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ হলে গোড়ার দিকে নরম পচা পচা মতো হবে এবং টিপ দিলে পুজের মতো কষ বের হবে। এই ধরণের আক্রমণের মাত্রা বেশি হয়ে থাকলে সাধারণভাবে আর করণীয় তেমন কিছু থাকে না। সেক্ষেত্রে আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলে দুরে কোথাও মাটিতে পুতে ফেলতে হবে। তবেেআক্রমণ একদম শুরুর দিকে হলে "কুপ্রাভিট" ছত্রাকনাশক ভালভাবে স্প্রে করলে কিছুটা আক্রমণ প্রতিহত করা যায়। এ জন্য চারা রোপনের আগেই মাটি শোধন করে নিলে এবঙ চারার গোড়াটি ছত্রাকনাশক দিয়ে শোধন করে নিলে এ ধরণের রোগ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্ট্রবেরী চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে আমাদের এই ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। আপনি সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/news-2361.html লিংকটি ব্যবহার করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্ট্রবেরী চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে আমাদের এই ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। আপনি সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/news-2361.html লিংকটি ব্যবহার করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্ট্রবেরী চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে আমাদের এই ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়েছে। আপনি সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/news-2361.html লিংকটি ব্যবহার করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি এ বিষয়ে জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিন অথবা ঢাকার ফার্মগেট সংলগ্ন প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর অফিসে যোগাযোগ করুন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রম্নের জন্য ধন্যবাদ। বিবিএস (২০১০ সাল) এর মতে, চালের উৎপাদন-৩,১৩,১৬,৭৭৭ মেট্রিক টন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সরকার কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রপাতি'র ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য কৃষি যন্ত্রপাতিতে ২৫% ভর্তুকির ব্যবস্থা করেছে। অর্থাৎ যিনি যন্ত্র কিনবেন তাকে দিতে হবে শতকরা ৭৫ ভাগ টাকা, বাকি ২৫ ভাগ টাকা সরকার প্রদান করবে। তবে এ জন্য আপনাকে আপনার উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে হবে। কৃষি অফিসের মাধ্যমেই আপনাকে এ ধরণের যন্ত্রপাতি কেনার ক্ষেত্রে ভর্তুকি প্রদান করা হবে। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্ন ও উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি তথ্য সার্ভিসের উদ্যোগে বর্তমানে সারাদেশে ৯৫টি এআইসিসি বা কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। ভবিষ্যতে এ ধরণের কেন্দ্র আরো স্থাপিত হবে। আপনার এলাকায় এ ধরণের কেন্দ্র প্রয়োজন হলে, আপনি পরিচালক, কৃষি তথ্য সার্ভিস, খামারবাড়ি, ঢাকা-১২১৫ ঠিকানায় একটি পত্র লিখতে পারেন। যদি আপনার এলাকায় এ ধরণের কেন্দ্র তৈরির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা থাকে বা প্রয়োজন মনে হয় তাহলে ভবিষ্যতে আমরা এআইসিসি স্থাপনের উদ্যোগ নিতে পারবো। তবে আপনি বা আপনারা যদি নিজ উদ্যোগে এ ধরণের কেন্দ্র করে থাকেন, তাহলেও আমাদের সেবা গ্রহণ করতে পারেন। এ বিষয়ে আপনি সরাসরি আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সারা দেশে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রায় ১৫০০০ এর মতো আইপিএম/আইসিএম ক্লাব রয়েছ্ এসব ক্লাবে গড়ে ৩০-৫০ জন সদস্য রয়েছে, যারা এ বিষয়ে হাতে কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। তাছাড়াও সারা দেশে অনেক কৃষক-কৃষাণী আইপিএম/আইসিএম পদ্ধতি ব্যবহার করে ফসল আবাদ করছেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আমাদের ওয়েব সাইটে প্রথম পাতায় ই-কৃষির দানা ফসলে ধানের পোকা অংশে মাজরা পোকার তথ্য দেওয়া আছে। অথবা আপনি সরাসরি দেখতে এ লিংকটি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2446.html ব্যবহার করুন । আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কুল গাছের পাতায় কোন ধরণের পোকার আক্রমণ হয়েছে কিনা তা অবশ্য লিখেন নাই। পাউডারী মিলডিও রোগে আক্রান্ত হলে টিল্ট ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি.লি মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে। পরবর্তী ১৫ দিন পর পর দুইবার সেপ্র করতে হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে 'ফল পরিচিতি বই-১৪১৮' তে বিভিন্ন ফলের পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে। সরাসরি দেখতে এই লিংকটি ব্যবহার করুন: http://www.ais.gov.bd/bn/home/resources/foul_porechti_book-71.html আশাকরি আপনি আপনার উত্তর পাবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

বাংলাদেশের মোট এলাকা ১৪৮,৪৬ লাখ হেক্টর। তন্মধ্যে মোট আবাদযোগ্য জমি ৯০,৯৮,৪৬০ হেক্টর। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সোনালী ব্যাংক, রুপালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক,জনতা ব্যাংক, কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকসহ সকল তফসীলি ব্যাংক থেকেই কৃষি ঋণ সুবিধা পাওয়া যাবে। বিস্তারিত জানতে কাছের উপজেলা কৃষি অফিস অথবা যেকোন ব্যাংকের শাখায় যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ঢাকাতে কিছু নার্সারীতে উল্লেখিত কিছু চারা যেমন-ক্যাপসিকাম, আঙ্গুর এসবের চারা পাওয়া যায়। তবে অন্যান্য চারাগুলো খুব একটা সহজলভ্য নয়। ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন পাতা জাতীয় সবজি যেমন-লালশাক,গীমাকলমি,পুইশাক ইত্যাদিসহ ইদানিং বিভিন্ন হাইব্রিড/বরোমাসি সবজির জাত উদ্ভাবন হয়েছে, যা বছর ব্যাপীই চাষ করা যায়। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাজরা পোকা ধান গাছ সম্পূর্ণভাবে কেটে ফেললে আসলে খুব বেশি করণীয় আর থাকে না। এ জন্য আগেই সতর্ক হোয়া দরকার ছিল। তবে কিছু জমির কিছু অংশ যদি এখনো ভাল থাকে, তাহলে সেখানে যথাযথ মাত্রায় কীটনাশক প্রয়োগ করা হলে উপকার পাওয়া যেতে পারে। আমাদের ওয়েবসাইটে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2446.html লিংকে ক্লিক করে মাজরা পোকার দমন ব্যবস্থা সম্পর্কে জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। লাউ গাছে প্রয়োজনমতো সার দিতে হবে। সার না দিয়ে থাকলে প্রথি শতকে ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম, টিএসপি ৬০০ গ্রাম, এমওপি ৫০০ গ্রাম ও ২০ কেজি গোবর সার বা কম্পোস্ট সার দিতে হবে। তাছাড়া কোন রোগবালাই হলে অনুমোদিত বালাইনাশক স্প্রে করতে হবে অথবা বিষটোপ ব্যবহার করতে পারেন। আমাদের এই ওয়েবসাইটে লাউ চাষের বিস্তারিত নিয়ম দেওয়া হয়েছে। আপনি ই-কৃষি অংশে ক্লিক করে সবজি ফসলে ক্লিক করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে বিভিন্ন প্রিন্ট সামগ্রী যেমন, পোস্টার, লিফলেট, বুকলেট ইত্যাদি বিনামুল্যে বিতরণ করা হয়। এ ছাড়াও বিভিন্ন ভিডিও সামগ্রী পেতে হলে কৃষি তথ্য সার্ভিস, খামারবাড়ি, ঢাকা সরাসরি যোগাযোগ করে বিনামূল্যে পেতে পারেন। এ ছাড়াও কৃষি তথ্য সার্ভিসের বিভিন্ন আঞ্চলিক কার্যালয় থেকেও এগুলো সংগ্রহ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশে পেপে চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম দেওয়া আছে। সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/86 লিংক টি ব্যবহার করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

Thank you very much. Please contact with Livestock Department to know detailed information in this regard. Address is: Department of Livestock, Farmgate, Dhaka-1215. Thank you.

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আখ গাছের বয়স, জাত এসব উল্লেখ করা দরকার ছিল। তাছাড়া বীজ শোধন করে লাগিয়েছিলেন কিনা অথবা অন্য কোন বালাইনাশক ইতোমধ্যে ব্যবহার করেছিলেন কি না তা জানা প্রয়োজন। সাধারণত লালপচা রোগের কারণে এমনটি হতে পারে। এ জন্য রোপণের আগেই ৩০ মিনিট ধরে বাভিস্টিন ছত্রাকনাশক দিয়ে বীজ শোধন করে নিতে হয়। এ ছাড়া আক্রমণ বেশি হলে ফরাস্টিন ৫০ এসপি হেক্টর প্রতি ৫০০ গ্রাম হারে প্রয়োগ করা যেতে পারে। আপনি কাছের উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাছি পোকার আক্রমণে এমনটি হতে পারে। ফল ছোট অবস্থায় ব্যাগিং করে (অর্থাৎ গাছেই পেয়ারাকে ছোট পলিথিনের ভেতর ঢুকিয়ে মুখ বন্ধ করে দেওয়া) মাছি পোকার আক্রমণ দমন করা সম্ভব। আক্রান্ত পেয়ারা গাছ থেকে পেড়ে ফেলতে হবে। আক্রমণ বেশি হলে, পেয়ারা একদম ছোট থাকা অবস্থায় ডেসিস ২.৫ ইসি ছত্রাকনাশক প্রতি ১০ দিন পর পর দুইবার ভালভাবে স্প্রে করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

Thank you very much. In our website you will find the content in e-krishi. or, you can use the link directly http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-65.html/false/179 Thank you once again.

wrote...

দু:খিত আপনার প্রশ্নটি বুঝতে পারছিনা। আপনি কোন বই এর কথা উল্লেখ করছেন দয়া করে জানালে আপনার উত্তর দেওয়া সম্ভব হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন কারণে ফল গাছ থেকে ঝড়ে পড়তে পারে। সুষম সারের অভাব, মাটিতে রসের অভাব, রোগবালাই এর আক্রমণ ইত্যাদি। সুষম সার না দেওয়া হলে, প্রতি গাছে ইউরিয়া ১.৫ কেজি, টিএসপি ১ কেজি, এমওপি ১.৫ কেজি, জিপনাম ৫০০ গ্রাম, জিংক সালফেট ২৫০ গ্রাম দিতে হবে। এই সার সমানভাবে ভাগ করে বছরে দুইবার (বর্ষার আগে ও পরে) গাছে চারিদেকে রিং করে দিতে হবে। শুকনা মৌসুমে ১৫ দিন পর পর ২-৩ বার সেচ দিতে হবে। তাছাড়া রোগবালাই হলে প্রয়োজনমতো ওষুধ দিতে হবে। আপনি রোগবালাই এর কোন নমুনার কথা উল্লেখ না করায় বোঝা যাচ্ছে না যে গাছে কোন রোগ/পোকার আক্রমণ হয়েছে কিনা। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে সবজি ফসল ফুলকপি চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম দেওয়া আছে। সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-52.html/false/70 লিংক টি ব্যবহার করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রম্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার এলাকার বিএডিসি এর ডিলার থেকে বিএডিসি এর বস্তা দেখে ভাল করে যাচাই করে ২৯ জাতের বীজ কিনতে পারবেন। তাছাড়া অনেক বীজ কোম্পানীও ইদানিং ব্রি ধান ২৯ জাতের বীজ বিক্রয় করে থাকে। যাচাই বাছাই করে বা কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে ভাল বীজ কিনতে পারেন। এ ছাড়াও যদি স্থানীয় পর্যায়ে কোন কৃষক মানসম্মত ভাল বীজ উৎপাদন করে থাকেন, তার কাছ থেকেও বীজ সঙগ্রহ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। উ.স.কৃষি কর্মকর্তার লিখিত পরীক্ষার ফলাফল এখনো দেয়নি।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। অবস্থার বর্ণনাটি আরেকটি বিস্তারিত দিলে উত্তর দিতে সুবিধা হতো। যাহোক, ফুলগুলো যদি শুকিয়ে ঝড়ে পড়ে এবং সাদা সাদা পাউডারের মতো দাগ থাকে, তাহলে কুলের পাউডারি মিলডিও এর আক্রমণ হয়েছে বলে বুঝতে হবে। সেক্ষেত্রে গাছে ফুল দেখা দেযার পর থিওভিট ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম বা টিল্ট ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি.লি মিশিয়ে সেপ্র করতে হবে। পরবর্তী ১৫ দিন পর পর দুইবার সেপ্র করতে হবে। তবে অন্য কোন পোকার আক্রমণ হয়েছে কিনা সেটা ভাল করে লক্ষ্য করুন। পোকার আক্রমণ হলে সেক্ষেত্রে কৃষি বিশেষজ্ঞ এর পরামর্শ মোতাবেক কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটে টমেটো চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া হয়েছে। আপনি সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/635.html লিংকে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশে দানা ফসলে ধানের পোকা অংশে মাজরা পোকা চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত লেখা আছে। সরাসরি দেখতে লিংক টি ব্যবহার করুন। দমন ব্যবস্থাপনা ১) নিয়মিতভাবে ক্ষেত পর্যবেক্ষণের সময় মাজরা পোকার মথ ও ডিম সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেললে মাজরা পোকার সংখ্যা ও ক্ষতি অনেক কমে যায়। থোর আসার পূর্ব পর্যন্ত হাতজাল দিয়ে মথ ধরে ধ্বংস করা যায়। ২) ক্ষেতের মধ্যে ডালপালা পুঁতে পোকা খেকো পাখির বসার সুযোগ করে দিলে এরা পূর্ণবয়স্ক মথ খেয়ে এদের সংখ্যা কমিয়ে ফেলে। ৩) মাজরা পোকার পূর্ণ বয়স্ক মথের প্রাদুর্ভাব যখন বেড়ে যায় তখন ধান ক্ষেত থেকে ২০০-৩০০ মিটার দূরে আলোক ফাঁদ বসিয়ে মাজরা পোকার মথ সংগ্রহ করে মেরে ফেলা যায়। ৪) যে সব অঞ্চলে হলুদ মাজরা পোকার আক্রমণ বেশী, সে সব এলাকায় সম্ভব হলে চান্দিনার (বি আর ১) মত হলুদ মাজরা পোকা প্রতিরোধ সমপন্ন জাতের ধান চাষ করে আক্রমণ প্রতিহত করা যায়। ৫) ধানের জমিতে শতকরা ১০-১৫ ভাগ মরা ডিগ অথবা শতকরা ৫ ভাগ মরা শীষ পাওয়া গেলে অনুমোদিত কীটনাশক (যেমন- ডায়াজিনন ৬০ ইসি, কার্বোফুরান ৫জি, ফেনিট্রথিয়ন ৫০ ইসি ইত্যাদি) ব্যবহার করা। http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2446.html ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটে এ বিষয়ে বিস্তারিত নিয়ম দেওয়া হয়েছে, আপনি সরাসরি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/51.html লিংকে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

IPM- Integrated Pest Management. এর অর্থ- সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা। আইপিএম এর মূল বক্তব্য হচ্ছে-রাসায়নিক কীটনাশক এর ব্যবহার সর্বনিম্ন পর্যায়ে রেখে পোকামাকড় দমন ব্যবস্থাপনা। এজন্য বালাইসহনশীল জাতের পাশপাশি, উপকারী পোকামাকড় সংরক্ষণ করা, আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি অবলম্বন করা প্রয়োজন। সর্বশেষ ব্যবস্থা হিসাবে সীমিত পরিমান কীটনাশক ব্যবহার করতে হয়। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে কলা চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া হয়েছে। সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/739.html লিঙক টি ব্যবহার করুন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে মাছ চাষ ও গবাদী পশু পালন বিষয়ে সাধারণ কিছু ধারণা দেওয়া হয়েছে। আপনি কিছুটা হলেও ইপকৃত হবেন আশাকরি। তবে বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন। যেমন পশু পালণ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস অথবা ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় অবস্থিত প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ যোগাযোগ করতে পারেন। মাছ চাষ বিষয়ে জানতে উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয় অথবা ঢাকা কাকরাইলে মৎস্য ভবনে যোগাযোগ করতে পারেন। আশাকরি সেখান থেকে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সেবা পাবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে মাছ চাষ ও গবাদী পশু পালন বিষয়ে সাধারণ কিছু ধারণা দেওয়া হয়েছে। আপনি কিছুটা হলেও ইপকৃত হবেন আশাকরি। তবে বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন। যেমন পশু পালণ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস অথবা ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় অবস্থিত প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ যোগাযোগ করতে পারেন। মাছ চাষ বিষয়ে জানতে উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয় অথবা ঢাকা কাকরাইলে মৎস্য ভবনে যোগাযোগ করতে পারেন। আশাকরি সেখান থেকে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সেবা পাবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার উদ্যোগের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটে মাছ চাষ ও গবাদী পশু পালন বিষয়ে সাধারণ কিছু ধারণা দেওয়া হয়েছে। আপনি কিছুটা হলেও ইপকৃত হবেন আশাকরি। তবে বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে যোগাযোগ করুন। যেমন পশু পালণ বিষয়ে জানতে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস অথবা ঢাকার ফার্মগেট এলাকায় অবস্থিত প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ যোগাযোগ করতে পারেন। মাছ চাষ বিষয়ে জানতে উপজেলা মৎস্য অফিসারের কার্যালয় অথবা ঢাকা কাকরাইলে মৎস্য ভবনে যোগাযোগ করতে পারেন। আশাকরি সেখান থেকে আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সেবা পাবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে প্রশ্নটি আরেকটি বিস্তারিত বর্ণনা করলে উত্তর দিতে সুবিধা হতো। সম্ভবত: লাউ গাছে মাছি পোকার আক্রমণ হয়েছে। মাছি পোকার আক্রমণ হলে বিষটোপ ব্যবহার করতে পারেন। বিষটোপ বানানোর নিয়ম হলো: বিষটোপের জন্য ১০০ গ্রাম পাকা মিষ্টি কুমড়া কুচি কুটি করে কেটে থেতলিয়ে ০.৫ মিলি লিটার (১২ ফোটা) নগস অথবা ডিডিভিপি ১০০ তরল এবং ১০০ মিলি লিটার পানি মিশিয়ে ছোট একটি মাটির পাত্রে রেখে ৩টি খুঁটির সাহায্যে মাটি থেকে ০.৫ মিটার উঁচুতে রাখতে হবে। খুঁটি তিনটির মাথায় অন্য একটি বড় আকারের মাটির পাত্র রাখতে হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সরকার যখন কোন বিষয়ে সরাসরি ভর্তুকির টাকা দিবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন-তখন সেটা বিভিন্ন গণমাধ্যমে (রেডিও, টিভি, পত্রিকা ইত্যাদি)জানানো হবে। তবে কবে এ ধরণের ভর্তুকি আবার দেওয়া হবে, তা এখনো নির্ধিঅরিত হয় নাই। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সরকার যখন কোন বিষয়ে সরাসরি ভর্তুকির টাকা দিবেন বলে সিদ্ধান্ত নেন-তখন সেটা বিভিন্ন গণমাধ্যমে (রেডিও, টিভি, পত্রিকা ইত্যাদি)জানানো হবে। তবে কবে এ ধরণের ভর্তুকি আবার দেওয়া হবে, তা এখনো নির্ধিঅরিত হয় নাই। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ধান গাছেল পচনটি কি রকম বা কতটুকু এলাকায় হয়েছে তা জানা দরকার। কি কি ওষুধ ব্যবহার করেছেন, ধানের গাছের বয়স এবং সার কতটুকু ব্যবহার হয়েছে তাও জানা দরকার। আপনি দ্রুত এসব জানিয়ে প্রশ্ন করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনাকে ধন্যবাদ। আপনার এসব প্রশ্নের জবাব আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের দানা ফসল এ গেলেই দেখতে পাবেন। বিস্তারিত আর নতুন করে উল্লেখ করা হলো না। আশাকরি আপনি আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য ওখান থেকেই পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে কৃষকসহ কৃষি কাজের সাথে জড়িতদের জন্য বিভিন্ন লিফলেট, ফোল্ডার, বুকলেট ইত্যাদি প্রকাশ করা হয়। এগুলো বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়। তাছাড়া বিভিন্ন ফিল্ম, ফিলার, ডক্যুমেন্টারী ইত্যাদিও আপনি বিনামূল্যে কৃষি তথ্য সার্ভিসের সদর দপ্তর থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। এ ছাড়া এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মরাসরি অনলাইনে বিভিন্ন কৃষি বিষয়ক প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয় এবং সরাসরি এসেও প্রয়োজনীয় তথ্য সেবা গ্রহণ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে আপনি আপনার কাছের যেকোন উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস (আগের উপজেলা পশু সম্পদ অফিস) এ যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা ঢাকা ফার্মগেট এলাকায় অবস্থিত প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কার্যালয়ে যোগাযোগ করেও প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ রকম কোন নির্দিস্ট পোকা নেই, তবে সাধারণত চারা অবস্থায় গোড়া পচা বা ঢলে পড়া রোগ বেশি দেখা দিতে পারে। এ জন্য চারা লাগানোর আগে চারাটি কোন ছত্রাকনাশক মেশানো পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রেখে তারপর রোপণ করতে হয়। তবে চারা অবস্থায় আক্রমণের মাত্রা বেশি হলে চারা উঠিয়ে তা ধ্বংস করতে হবে এবং সেখানে নতুন চারা লাগাতে হবে। প্রয়োজনে কপার জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন কুপ্রাভিট বা বোর্দ মিক্সচার তৈরি করে ব্যবহার করলে ভাল ফল পাবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। নারিকেল গাছে ফল না ধরার জন্য অনেক কারণ থাকতে পারে। যেমন, জাতের বৈশিষ্ট্য, সুষম সারের অভাব, রোগবালাই এর আক্রমণ ইত্যাদি। বয়স অনুযায়ী মাটিতে সুষম সার দিতে হবে। তাছাড়া কোন রোগ বালাই হলে তার ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/745.html লিংক ব্যবহার করলে আপনি নারিকেল চাষের বিস্তারিত নিয়ম কানুন পাবেন। আশাকরি উপকার পাবেন। তারপরো কোন প্রশ্ন থাকলে আপনি আবার আমাদের কাছে লিখুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাড়বাড়তি কম হয় সাধারণত মাটিতে প্রয়োজনীয় সার কম হলে বা রোগবালাই হলে। জমিতে প্রয়োজনীয় সার না দেওয়া হলে সুষম মাত্রায় সার ব্যবহার করুন। আমাদের ওয়েবসাইটে মিষ্টিকুমড়া/চালকুমড়া চাষের নিয়ম কানুন দেয়া হয়েছে। আপনি ই-কৃষিতে সবজি ফসল এ ক্লিক করুন। অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2113.html লিঙকটি ব্যবহার করুন। কুমড়া জাতীয় ফসলে মাছি পোকা একটি ক্ষতিকর পোকা। এর আক্রমণ হলে ফল পচে যায়, বিষটোপ ব্যবহার করলে উপকার পাবেন। তাছাড়া জাব পোকার আক্রমণ হলে পাতা কুকড়ে যায়, হলুদ হয়ে যায়। এর আকম্রণ থেকে রক্ষা পেতে হাতে নাতে দমন করুন, নিম বীজ পানিতে ভিজিয়ে রেখে স্প্রে করুন। অথবা ম্যালাথিয়ন জাতীয় কীটনাশক নিয়ম অনুসারে ব্যবহার করতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

ধন্যবাদ, আমাদের কাছে প্রশ্ন করার জন্য। আপনি প্রশ্ন করার পর আমাদের এই ওয়েবসাইটের হোম পেজে "প্রশ্নের উত্তর" ("প্রশ্ন করুন" বাটনের পাশেই)বাটনে ক্লিক করুন। এবার যে প্রশ্নটি আপনি করেছিলেন তার উত্তর দেওয়া হলে প্রশ্নের পাশেই সবুজ রঙের "টিক চিহ্ন" দেওয়া থাকবে। আর উত্তর তখন দেয়া না হলে "No" চিহ্ন থাকবে। এবার যদি আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয় (অর্থাৎ সবুজ রঙের টিক চিহ্ন থাকে) তাহলে আপনার লেখা প্রশ্নটির উপর ক্লিক করুন। ক্লিক করলেই আরেকটি উইন্ডোতে অর্থাৎ পাতাতে আপনার প্রশ্নসহ উত্তরটি দেখতে পাবেন। এখন আপনি যদি প্রিন্ট করতে চান, তাহলে File মেনু থেকে সরাসরি প্রিন্ট দিতে পারবেন। অথবা লেখাটিকে copy করে ms word এ নিয়ে যেয়ে নতুন একটি ফাইল তৈরি করে সেখানে pest করে, প্রিন্ট করতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ আপনার উদ্যোগের জন্য।

wrote...

দু:খিত এ বিষয়ের কনটেন্টটি (তথ্যটি) এ মুহুর্তে তৈরি নেই। শীঘ্রই এটি ওয়েবসাইটে আপলোড করা হবে। আপনাকে ধন্যবাদ ওয়েবসাইটে ভিজিট করার জন্য।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বর্তমানে বাংলাদেশে কৃষি বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণের জন্য কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। এ ছাড়াও আরো কয়েকটি খ্যাতনামা প্রতিষ্ঠানে কৃষি বিষয়ক উচ্চ শিক্ষা প্রদান করা হয়। মূলত আমাদের এই ওয়েবসাইটে কৃষক ভাইদের কৃষি বিষয়ক সমস্যার সমাধান দেওয়া হয়। তাই আপনার প্রশ্নের উত্তরটি বিস্তারিত দেওয়া সম্ভব হলো না। আপনাকে ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে প্রশিক্ষ নিতে বা আরো বিস্তারিত তথ্য পেতে আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (আগের উপজেলা পশুসম্পদ অফিস) এ যোগাযোগ করতে পারেন। তাছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকাতেও যোগাযোগ করা যেতে পারে। প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর এর উপ-পরিচালক (প্রাণীক্রয়) মহোদয়ের টেলিফোন নং: ০২-৯১১৫৫২৪। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

দু:খিত আপনার প্রশ্নটি সম্পূর্ণ করেননি বলে পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে না। তবে ডিসি অফিসে নিয়োগ বিষয়ে কিছু জানতে চাইলে আপনার কাছের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করেও তথ্য পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আমাদের দেশে মোট আবাদী জমির পরিমান:৯০ লক্ষ ৯৮ হাজার ৪৬০ হেক্টর। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। প্রকৃত পক্ষে আমাদের এই ওয়েবসাইটে কৃষক ভাইদের বা কৃষি সঙশ্লিষ্টদের কৃষি বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়। আপনি যে প্রশ্নটি করেছেন তার সঠিক উত্তরটি আপনাদের এ সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ/কর্মশালা যখন হয়েছিল তখনই হয়ত বলা হয়েছে। তবে আরো বিস্তারিত জানতে আপনি আপনার উপজেলার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয়ের সাথে আলাপ করতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

এই ওয়েবসাইটে ভিজিট করার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। প্রকৃত পক্ষে আমাদের এই ওয়েবসাইটে কৃষক ভাইদের বা কৃষি সংশ্লিষ্টদের কৃষি বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয়। ই-কৃষি বিষয়ে কৃষিকথাসহ সমসাময়িক পত্র পত্রিকা অনেক লেখা প্রকাশিত হয়েছে এবং হচ্ছে। আর এই কনসেপ্টটি বেশ বড় বিধায় সংক্ষিপ্ত পরিসরে এখানে উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়, তাই দু:খ প্রকাশ করছি। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ভাল ফলন পেতে জমিতে অবশ্যই রোদ পেতে হবে। ছায়ায় প্রায় সব ফসলই ফলন অনেক কম দেয়। তাই ভাল ফলনের জন্য গাছের ডালপালা ছেটে দিয়ে জমিতে আলো বাতাস প্রবেশের সুযোগ করে দিন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে পোকার ধরণ বা কি রকম ক্ষতি করেছে, ধানের জাত, বয়স এসব কিছুই উল্লেখ করেন নাই। তাই ঠিক বুঝতে পারা যাচ্ছে না, কোন ধরণের পোকা আপনার ক্ষেতে আক্রমণ করেছে। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের দানা ফসলে ক্লিক করলে ধানের পোকা তে ক্লিক করুন। অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-49.html/false/81 লিংকটি ব্যবহার করুন। আশাকরি আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন। তারপর কোন প্রশ্ন থাকলে আবার আমাদের কাছে লিখুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন মৌসুমে বিভিন্ন ধরণের সবজির চাষ হয়ে থাকে। আপনি কোন সবজির চাষ করতে চাচ্ছেন বা তথ্য জানতে চাচ্ছেন জানলে বলা সম্ভব হতো। যাহোক, আমাদের ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশে সবজি ফসলে ক্লিক করে বিভিন্ন সবজির উৎপাদনকৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশে সাধারণত ৩টি জাতের আনারস চাষ করা হয়। এগুলো হলো হানিকুইন, জায়ান্ট কিউ এবং ঘোড়াশাল। সিলেট, মৌলভীবাজার, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম এবং টাঙ্গাইল জেলায় আনারস ব্যাপকভাবে চাষ হয়। এছাড়া ঢাকা, নরসিংদী, কুমিলৱা, দিনাজপুর জেলাতেও আনারস চাষাবাদ হয়। আনারসের সকল জাতভিত্তিক ছবি এ মূহুর্তে আমাদের কাছে নেই, সেজন্য দুঃখ প্রকাশ করছি। তবে এগুলো সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, ছবিগুলো সংগ্রহ করা হলে ওয়েবসাইটে আপলোড করা হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার মূল্যবান মতামতের জন্য ধন্যবাদ। কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের মূল্য অনেক সময়ই পান না। মধ্যস্বত্ত্বভোগী বা দালালদের কারণে কৃষক ভাইয়েরা যেমন ৰতিগ্রস্থ হন আবার ভোক্তা বা ক্রেতারও বেশি মূল্য দিতে বাধ্য হন। তাই কৃষকভাইয়েরা যদি নিজেরাই সংগঠিত হন এবং নিজেরাই যদি নিজেদের পণ্যগুলো সরাসরি সুবিধাজনক বাজারে বাজারজাত করতে পারেন তাহলে অনেক লাভবান হবেন। বর্তমানে এনসিডিপি প্রকল্পের মাধ্যমে কিছু বাজার হয়েছে যেখানে কৃষক সরাসরি তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করতে পারেন। বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির যুগে ইন্টারনেট, মোবাইল ইত্যাদির মাধ্যমেও ঢাকাসহ বড় বড় বাজারের তথ্য জানতে পারবেন। আমাদের এই ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর হতে প্রাপ্ত ঢাকার বাজার তথ্য পেতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আমাদের ওয়েব সাইটে প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে প্রাণিসম্পদ পোল্টি ব্যবসা বা মুরগীর খামারে বিস্তারিত নিয়ম দেয়া আছে। তাছাড়া এ লিংকটি ব্যবহার করুন http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2509.html এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে বা আরো বিস্তারিত তথ্য পেতে আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (আগের উপজেলা পশুসম্পদ অফিস)এ যোগাযোগ করতে পারেন। তাছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকাতেও যোগাযোগ করা যেতে পারে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আমাদের ওয়েব সাইটে প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে প্রাণিসম্পদে গরু প্রযুক্তি বিস্তারিত নিয়ম দেয়া আছে। তাছাড়া এ লিংকটি ব্যবহার করুন http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1824.html এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ নিতে বা আরো বিস্তারিত তথ্য পেতে আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস (আগের উপজেলা পশুসম্পদ অফিস)এ যোগাযোগ করতে পারেন। তাছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকাতেও যোগাযোগ করা যেতে পারে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাছ চাষের জন্য পুকুর নির্ভর করবে কোন ধরণের বা জাতের মাছ চাষ করতে চান, এলাকা, উৎপাদনের লক্ষ্য ইত্যাদি বিষয়ের ওপর। এসব বিষয়ে আরো বিস্তারিতভাবে জানতে আপনি আপনার উপজেলা মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত কুমড়া গাছে দুই ধরণের রোগের কারণে এমনটি হতে পারে। যেমন, ডাউনি মিলডিউ নামক রোগ হলে -এই রোগ শুধু পাতায় হয়। আক্রান্ত পাতায় নানা আকারের দাগ পড়ে। সাধারণত দাগগুলি কোণাকৃতি ও হলদে হয়। দাগগুলি খুব তাড়াতাড়ি সংখ্যায় বৃদ্ধি পায় ও আকারে বড়ো হয়। পাতার নিচে দিকে দাগের উপরে বেগুনি রংয়ের ছত্রাক জন্মে। এ জন্য যা করতে হবে তা হলো: ১. রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য লাউ ও কুমড়াজাতীয় আগাছা বিনাশ করতে হবে। ২. জমির আশেপাশে কুমড়া জাতীয় যে কোনো সবজি চাষ থেকে বিরত থাকা। ৩. আগাম চাষ করে রোগের প্রকোপ কমানো যায়। আবার, পাউডারী মিলডিও বা সাদা গুড়া রোগের আক্রমণ হলে: রোগের শুরুতে গাছের নিচের বয়স্ক পাতায় রোগের লৰণ প্রকাশ পায়। আস্তে আস্তে উপরের পাতায় রোগ ছড়িয়ে পড়ে। প্রথমে পাতার উপর বিক্ষিপ্ত সাদা সাদা দাগের সৃষ্টি হয়। রোগ বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে দাগ আকারে বড় হতে থাকে এবং হলুদ বর্ণ থেকে বাদামী রঙ ধারণ করে। রোগের প্রকোপ বেশি হলে গাছের লতা ও কান্ড আক্রান্ত হয়। ধীরে ধীরে সেই লতা ও পরে পুরো গাছই মরে যেতে পারে। এজন্য যা করতে হবে তা হলো: ১. রোগ নিয়ন্ত্রণের জন্য লাউ ও কুমড়াজাতীয় আগাছা বিনাশ করতে হবে। ২. জমির আশে-পাশে কুমড়া জাতীয় যে কোন সবজি চাষ থেকে বিরত থাকা ৩. আগাম চাষ করে রোগের প্রকোপ কমানো যায়। ৪. প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইনসাফ/থিয়ভিট বা সালফোলাঙ/কুমুলাস অথবা ১০ গ্রাম ক্যালিঙিন ১৫ দিন পর পর সেপ্র করে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ করা। আপনি বর্ণনার সাথে মিলিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ভাল ফলনের জন্য দরকার ভাল জাতের বীজ, সুষম সার, পরিমিত পরিমান সেচ, রোগবালাই থেকে রক্ষা এবং পরিচর্যা। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে সবজি ফসলে লাউ চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম দেওয়া হয়েছে। আপনি সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2080.html লিংকটি ব্যবহার করতে পারেন। আশাকরি বিস্তারিত নিয়ম জানতে পারবেন। তারপরও কোন সুনির্দস্ট প্রশ্ন থাকলে দয়া করে আবার লিখুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্ন ও আগ্রহের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মাশরুম চাষ করে অল্প পুজিতে বেশি লাভবান হওয়া যায়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতাধীন মাশরুম উন্নয়ন প্রকল্প রয়েছে। যার অফিস ঢাকা জেলার সাভার উপজেলায় (সাভার বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন)অবস্থিত। সেখান থেকে মাশরুম চাষের ওপর প্রশিক্ষণ এবং বিক্রয় ব্যবস্থাপনা বিষয়ে হাতেনাতে শিখতে পারবেন। দয়া করে যোগযোগ করুন। উক্ত প্রকেল্পর প্রকল্প পরিচালক মহোদয়ের ফোন নং: ৭৭৪২৪৯৬। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পাতাগুলো শুকানোর জন্য বেশ কিছু কারণ থাকতে পারে। যদি সুষম মাত্রায় সার না দিয়ে থাকেন তা হলে সার প্রয়োগ করুন। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে সবজি ফসলের ভেতর বেগুন এ ক্লিক করে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন। তবে কোন রোগবালাই এর আক্রমণ হলেও এমনটি হতে পারে। যদি পাতায় প্রথমে দাগ পড়ে এবং আস্তে আস্তে সমস্ত পাতাটি শুকিয়ে যায় তাহলে রোভরাল বা বাভিস্টিন ছাত্রাকনাশত প্রতি ১০ সের পানিতে ২০ গ্রাম হারে মিশিয়ে ভালভাবে স্প্রে করুন। আর যদি ডালে পচন ধরে তাহলে বাভিস্টিন ১০ সের পানিতে ২০ গ্রাম হারে মিশিয়ে স্প্রে করুন। আমাদের ওয়েবসাইটে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/633.html লিংকটি ব্যবহার করে বেগুণের বিভিন্ন রোগবালাই সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন। প্রয়োজন হলে কাছের উপজেলা কৃষি অফিসের/উপসহকারী কৃষি অফিসারের পরামর্শ নিন। ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশে কন্দাল ফসলে পানি কচু এবং মুখী কচু দুই ধরণের কচু চাষের বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া হয়েছে। আশাকরি বিস্তারিত জানতে পারবেন। এরপর কোন প্রশ্ন থাকলে দয়া করে আবার লিখুন। ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নটি পড়ে আসলে পরিষ্কার ভাবে বুঝতে পারছি না, আপনি কোন বিষয়ে জানতে চেয়েছেন, সেজন্য দু:খিত। দয়া করে আবার লিখুন। আপনাকে এই ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এটি একধরনের পোকার আক্রমনে হয়ে থাকে। পোকাটি হলো আমের পাতাকাটা উইভিল। এজন্য আক্রান্ত ও কেটে ফেলা পাতা গাছের তলা থেকে কুড়িয়ে পুড়িয়ে ফেলতে হবে। নতুন গজানো পাতায় পোকার আক্রমণ শুরু করার আগেই অনুমোদিত কীটনাশক (সাইপারমেথ্রিন জাতীয় কীটনাশক) প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১০ মিলি পরিমাণ মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ফসলের উপকারী পোকাগুলো সাধারণত দিবাচারি অর্থাৎ এরা দিনের বেলায় চলাফেরা করে। আর ক্ষতিকর পোকাগুলো হলো নিশাচর অর্থাৎ এরা রাতের বেলায় চলাফেরা করে। আলোর ফাঁদ ব্যবহার করা হয় রাতের বেলায়। ফলে উপকারী পোকা মারা যাওয়ার সম্ভবনা কম থাকে। তবে সামান্য কিছু উপকারী পোকা যদি মারা যায়, সেটি স্বাভাবিক ব্যাপার মাত্র। তা নিয়ে দু:শ্চিন্তার কোন প্রয়োজন নেই। আলোর ফাদের পাশাপাশি বিকল্প ফাঁদ যেমন বিষটোপ বা সেক্সফেরোমন ফাঁদ ইত্যাদি ব্যবহার করেও পোকা দমন করতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। রবি মৌসূমে ভূট্টার ভাল ফলন পেতে হলে জমি ও মাটির প্রকারভেদে ২ থেকে ৩ বার সেচের প্রয়োজন হয়। বীজ গজানোর ৩৫-৪০ দিন পর প্রথম সেচ দিতে হবে। এরপর ফুলআসার আগে অর্থাৎ বীজ গজানোর ৭০-৭৫দিন পর দ্বিতীয় সেচ ও প্রয়োজন হলে ৯০-১০০ দিন পর যখন দানা বাধতে শুরু করে তখন তৃতীয় সেচ প্রয়োগ করতে হবে। বন্যা প্লাবিত এলাকায় অর্থাৎ যেখানে মাটিতে প্রচুর রস থাকে সেখানে বিনা চাষে ভূট্টা উৎপাদনের ক্ষেত্রে জমিতে যথেষ্ট রস থাকে বলে সাধারণত সেচের প্রয়োজন হয় না। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে দানা ফসলের মধ্যে ভুট্টা চাষের বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে, আপনি সেখান থেকে অনেক তথ্য জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন কারনে কুল গাছের ফল ঝরতে পারে। যেমন-পরাগায়ন সঠিক না হলে, পুষ্টির অভাব, মাটিতে প্রয়োজনীয় রসের অভাব ইত্যাদি কারণে কুল ঝরতে পারে। এছাড়া বিভিন্ন রোগ ও পোকার আক্রমনেও ফল ঝরতে পারে। তাই ফল ঝরা কমাতে হলে প্রথমে নজর দিতে হবে গাছে যথাযথভাবে সার ও সেচ দেয়ার উপর। বিশেষ করে দস্তা ও বোরন খাদ্য উপাদনের ওপর। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলের মধ্যে কুল চাষের বিস্তারিত নিয়ম দেওয়া আছে, আপনি সেখান থেকে সার দেওয়ার নিয়মকানুন জানতে পারবেন। এ ছাড়া যদি মাটিতে রসের অভাব হয় তবে নিয়মিত সেচ প্রদান করতে হবে। এ ছাড়া কুলে পাউডারী মিলডিউ রোগ হলে আক্রান্ত ফুল ও ফল গাছ হতে ঝরে পরে। এজন্য গাছে ফুল দেখা দেয়ার পর থিওভিট নামক ছত্রাকনাশক প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম অথবা টিল্ট ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। পরবর্তীতে ১৫ দিন পর পর দু’বার স্প্রে করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত কাটুই পোকা চারার গোড়া কেটে দিয়ে থাকে। এ জন্য কাটুই পোকার উপদ্রব খুব বেশী না হলে কাটা গাছ দেখে তার কাছাকাছি মাটি উল্টে পাল্টে পোকা খুঁজে সংগ্রহ করে মেরে ফেলা উচিত। ক্ষেতে সেচ দেওয়ার সময় পানির সাথে ২০ মি.লি/শতক হারে কেরোসিন তেল মিশিয়ে দিয়ে মাটিতে লুকিয়ে থাকা কাটুই পোকা মেরে ফেলা যায়। এ ছাড়া পাখিকে উৎসাহিত করার জন্য ক্ষেতের মাঝে বাঁশের কাঠি বা ডাল পালা পুঁতে রাখা দরকার। কাটুই পোকার উপদ্রব খুব বেশি হলে কীটনাশক ব্যবহার করতে হবে। প্রতি লিটার পানির সাথে ৫ মি.লি ক্লোরোপাইরিফস (ডারসবান) ২০ ইসি হারে মিশিয়ে গাছের গোড়া ও মাটিতে সেপ্র করে ভিজিয়ে দিতে হবে। হাইব্রিড জাতীয় ভুট্টা ক্ষেতে সাধারণত ৪ বার সেচ দিতে হয়। এর মধ্যে প্রথম সেচ দিতে হয় বীজ বপনের ১৫-২০ দিনের মধ্যে (৪-৬ পাতা পর্যায়)। তাই আপনার গাছের অবস্থা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সেচ দিন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এটি নির্ভর করবে আপনার পুকুরের আকার, অবস্থান ইত্যাদি বিষয়ের ওপর। বিষয়টি সম্পর্কে দয়া করে আপনার কাছের উপজেলা মৎস্য অফিসের কর্মকর্তাগণের সাথে আলাপ করুন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

wrote...

আপনার প্রশ্নটি পড়ে আসলে গাছের অবস্থা সম্পর্কে কোন ধারণা পাওয়া যাচ্ছে না। দয়া করে একটু বিবরণ সহ লিখুন। অর্থাৎ আলুর জাত, বয়স, কতুটুকু জমিতে এই সমস্যাটি হয়েছে, সমস্যাটির ধরণ কি রকম ইত্যাদি। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে কন্দাল ফসলে আলু চাষের বিস্তারিত নিয়ম কানুন, রোগবালাই ইত্যাদি সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। আপনি দয়া করে সেগুলো দেখুন। তারপরও কোন প্রশ্ন থাকলে বিবরণ সহকারে লিখুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার জমিতে ধানের শিষ কাটা লেদাপোকা আক্রমণ করেছে। আপনার ফসল যদি সংগ্রহ করার উপযোগী হয় আর্থাৎ যদি ৮০ ভাগ ধান পেকে থাকে তবে এখনই কেটে ফেলুন। আর যদি ফসল পুরোপুরি না পেকে থাকে, তবে জমিতে বেশি করে সেচ দিন এবং জমিতে পাখি বসার সুযোগ করে দিন। আক্রমণ যদি বেশি হয় তবে প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলিলিটার সাইপারমেথ্রিন (সিমবুস) বা ২ গ্রাম কারবারিল সেভিন) মিশিয়ে জমিতে স্প্রে করুন। আর অবশ্যই ধান কাটার পর নাড়া পুড়িয়ে ফেলতে হবে এবং জমি চাষ দিয়ে কিছুদিন রেখে দিতে হবে। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জলপাই গাছে মাছি পোকার আক্রমনে অপরিণত ফল ঝরে পরে। এজন্য পোকাযুক্ত ফলগুলো মাটিতে গর্ত করে পুঁতে ফেলতে হবে। গাছের গোড়া পরিস্কার করে মাটি কুপিয়ে উল্টে-পাল্টে দিতে হবে। এছাড়া প্রতি ১০০ গ্রাম চিটাগুড়ের সাথে ১গ্রাম ডিপটরেক্স ৮০ এসপি বা এমোনিয়াম কার্বনেট গ্রুপের যে কোন কীটনাশক মিশিয়ে বিষটোপ তৈরী করে তা গাছে ঝুলিয়ে দিতে হবে। আক্রমন যদি বেশি হয় তবে প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলিলিটার সবিক্রন বা ১ গ্রাম ডিপটরেক্স মিশিয়ে নিয়মিত স্প্রে করতে হবে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত পেয়ারার ঢলেপড়া রোগ হলে পাতাগুলো লালচে হয়ে ঝরে পরে এবং এর সাথে শাখা-প্রশাখাগুলো শুকিয়ে মারা যায় তবে ধরে নিতে হবে আপনার পেয়ারা গাছের ঢলেপড়া রোগ হয়েছে। আক্রান্ত গাছের গোড়ার মাটিতে জিপসাম সার প্রয়োগ করতে হবে এবং সে সাথে কিছু সুস্থ অংশসহ আক্রান্ত অংশ কেটে ফেলতে হবে এবং ১% বর্দোমিকচার বা ৪গ্রাম কৃপ্রাভিট প্রতিলিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। আর যদি এধরনের সমস্যা না হয় তবে পানি ও পুষ্টির অভাবে এধরনের লক্ষণ দেখা যেতে পারে। আর সে জন্য নিয়মিত সেচ দিতে হবে এবং সার প্রয়োগ করতে হবে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ এবং সে সাথে কৃষিকাজে আগ্রহের জন্য কৃষি তথ্য সার্ভিসের পক্ষ থেকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন। ধানের জাত নির্ধারণ করা নির্ভর করে আপনি কখন এবং কোন অঞ্চলে চাষাবাদ করবেন তার ওপর। এ সময় অর্থাৎ বোরো মৌসুমে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল জাত যেমন ব্রি ধান ২৯, ব্রি ধান ২৮, ব্রি ধান ৪৫, ব্রি ধান ৫০ এর যে কোন একটি চাষ করতে পারেন। এছাড়া আপনার কাছের উপজেলার কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে এ বিষয়ে পরামর্শ নিতে পারেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এখন বোরো মৌসুম। এ সময় চাষের জন্য বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অনেকগুলো উচ্চফলনশীল জাতের সাথে সাথে কিছু হাইব্রিড ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। এগুলো হলো বি আর ৮, বি আর ৯, বি আর ১২, বি আর ১৬, বি আর ১৮, বি আর ১৯, ব্রি ধান ২৮, ব্রি ধান ২৯, ব্রি ধান ৪৫, ব্রি ধান ৫০, ব্রি হাইব্রিড ধান ১, ব্রি হাইব্রিড ধান ২, ব্রি হাইব্রিড ধান ৩ ও ব্রি হাইব্রিড ধান ৪ এছাড়া লবনাক্ত জমি অর্থাৎ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য রয়েছে ব্রি ধান ৪৭। এর সবগুলোই ভাল ফলন দিয়ে থাকে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গাছের একটি মূখ্য পুষ্টি উপাদান নাইট্রোজেন সরবরাহ করার জন্য ধান গাছে ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়। এই নাইট্রোজেন গাছের দেহ বৃদ্ধি করে ফলে গাছে কুশি, পাতা ও ছড়া বেশি হয় এবং ছড়াতে বেশি ধান হয়। নাইট্রোজেন ধানকে পুষ্ট করে, এতে ফলন বেড়ে যায়। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ সময় চাষের জন্য ভূট্টার অনেকগুলো জাত আছে। এরমধ্যে বর্ণালী, শুভ্রা, বারি ভূট্টা-৫,বারি ভূট্টা-৬,বারি ভূট্টা-৭, বারি হাইব্রিড ভূট্টা-৩,বারি মিষ্টি ভূট্টা-১,এগ্রোজিডিএমএইচপি-৭৩১৪, এলভিএন-১০, হীরা-৪০৫, উত্তোরন-১ উল্লেখযোগ্য । আপনি এর যে কোন একটি চাষ করতে পারেন। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে দানা ফসলের মধ্যে ভুট্টা চাষের বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে, আপনি সেখান থেকে অনেক তথ্য জানতে পারবেন।তাছাড়া বিগত প্রশ্নে ও ভূট্টা চাষের উত্তর দেয়া আছে । আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার জমিতে ধানের শিষ কাটা লেদাপোকা আক্রমণ করেছে। যেহেতু আপনার ধান সংগ্রহ করার উপযোগী হয়ে গেছে তাই খুব দ্রুত ফসল সংগ্রহ করে ফেলতে হবে এবং সে সাথে অবশ্যই ধান কাটার পর নাড়া পুড়িয়ে ফেলতে হবে এবং জমি চাষ দিয়ে কিছুদিন রেখে দিতে হবে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে দানা ফসলের মধ্যে ধান চাষের বিভিন্ন জাত সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে, আপনি সেখান থেকে অনেক তথ্য জানতে পারবেন। অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2424.html লিংকটি ব্যবহার করুন। তারপর কোন প্রশ্ন থাকলে আবার আমাদের কাছে লিখুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে অর্থকরী ফসলের মধ্যে আখ চাষের বিভিন্ন চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে, আপনি সেখান থেকে অনেক তথ্য জানতে পারবেন। অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2337.html লিংকটি ব্যবহার করুন। আপনাকে প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ধান ফোলার সময় ধান গাছে যে রোগটি দেখা দেয় তা হলো ধানের খোল পঁচা রোগ। আপনার জমিতে এ রোগ দেখা দিলে জমির পানি শুকিয়ে ফেলতে হবে এবং কয়েকদিন পর আবার সেচ দিতে হবে। জমিতে উইরিয়া সারের ব্যবহার কমিয়ে দিতে হবে। আক্রমণ বেশি হলে প্রোপিকোনাজল গ্রুপের ওষুধ যেমন টিল্ট ২৫০ ইসি প্রতি লিটার পানির সাথে ১ মিলিলিটার পরিমাণ মিশিয়ে জমিতে ভালোভাবে স্প্রে করতে হবে। এ ব্যপারে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করেও ব্যবস্থা নিতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সব ধরনের মাটিতে হলুদ চাষ করা যায়। তবে দো-আঁশ ও বেলে দো-আঁশ মাটি হলুদ চাষের জন্য অতি উত্তম। আমাদের ওয়েব সাইটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে মসলা ফসলের মধ্যে হলুদ এর চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে। আপনাকে প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে কন্দাল ফসলের মধ্যে আলুর চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে। আপনি সেখান থেকে অনেক তথ্য জানতে পারবেন। অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/357.html লিংকটি ব্যবহার করুন। আপনাকে প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। লিচুর ফল ঝরা কিছুটা নির্ভর করে জাতের উপর। ধারনা করা হয় পরাগায়ন ও গর্ভধানে ব্যর্থতা, পুষ্টির অভাব, গাছে হরমোনের অসাম্যতা, মাটিতে প্রয়োজনীয় রসের অভাব, বাতাসে কম আর্দ্রতা ঝড়ো বাতাস-এ সমস্ত কারনে লিচুর ফল ঝরে। এছাড়া বিভিন্ন রোগ ও পোকা দ্বারা গুটি আক্রান্ত হলেও ফল ঝরে পড়তে পারে। অতএব লিচুর ফল ঝরা কমাতে প্রথমে নজর দিতে হবে গাছে যথাযথভাবে সার ও সেচ দেয়ার উপর। বিশেষ করে দস্তা বা জিংক এবং বোরন খাদ্য উপাদান দু’টি লিচুর ফল ঝরা রোধ করতে যথেষ্ট সাহায্য করে। আর যদি রোগ বা পোকামাকড়ের আক্রমনে ফল ঝরে পড়ে তবে স্থানীয় কৃষি অফিসের পরামর্শ নিয়ে রোগ ও পোকা দমন করলে ফল ঝরা রোধ করা যাবে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। লাউ গাছে পরাগায়ন যদি ঠিক মত না হয় তবে লাউ ঝরে যায়। হস্তপরাগায়নের মাধ্যমে এ সমস্যা সমাধান করা যায়। এজন্য সকাল বেলা পুরুষ ফুল তুলে এর পাতাগুলো ফেলে দিতে হবে এবং স্ত্রী ফুলের নিকট নিয়ে ফুলের গর্ভমুন্ডে অর্থাৎ ফুলের ভেতর যে মোটা অংশটি থাকে সেখানে পরাগ ফেলতে হবে। তাছাড়া সেচ ও পুষ্টির অভাবেও ফল ঝরতে পারে। তাই নিয়মিত সেচ ও সুষম মাত্রায় সার ব্যবহার করতে হবে। আপনার প্রশ্নের জন্য আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার ধানগাছ কোন পর্যায়ে আছে অর্থাৎ বয়স কত তা জানালে সঠিক উত্তর দেওয়া যেত। যদি জমিতে চারা না লাগিয়ে থাকেন তবে চারা লাগানোর ১০/১৫ দিন আগে ২-৪ ডি গ্লাইফোসেট জাতীয় আগাছা নাশক দিয়ে আগাছা দমন করতে পারেন। আর জমিতে যদি চারা বপন করে থাকেন এবং আগাচাগুলো অনেক বড় হয়ে থাকে তবে ২-৪ ডি অ্যামাইন বা এইম ৪০ ডব্লিউপি জাতীয় আগাছা নাশক আগাছার উপর স্প্রে করলে গাছ গুলো মারা যাবে। এতে ধানের কোন ক্ষতি হবে না। এছাড়া আগাছা দমন যন্ত্র যেমন ব্রি রাইস উইডার দিয়েও আগাছা দমন করতে পারেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর:আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পটুয়াখালী জেলায় সেক্স ফেরোমোন ট্যাপ পাওয়া না গেলে পাশের জেলা যেমন বরিশাল, বরগুনার কীটনাশক ডিলারের সাথে যোগাযোগ করে সংগ্রহ করতে পারেন। আর যদি সেক্স ফেরোমোন টেপ পাওয়া না যায় তবে বিকল্প হিসেবে বিষ টোপ ব্যবহার করেও আপনি কুমড়ার মাছি পোকা দমন করতে পারেন। এজন্য প্রতি ১০০ গ্রাম থেতলানো মিষ্টিকুমড়া বা চিটাগুড়ের সাথে ১ গ্রাম ডিপটরেক্স ৮০ এসপি বা এমোনিয়াম কার্বনেট গ্রুপের যে কোন কীটনাশক মিশিয়ে বিষটোপ তৈরী করতে হবে এবং তা গাছে ঝুলিয়ে দিতে হবে। তিন দিন পরপর এ বিষ টোপগুলো পরিবর্তন করতে হবে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সরকার নির্ধারিত সারের কেজি প্রতি খুচরা মূল্য ইউরিয়া-২০ টাকা, টিএপি-২২ টাকা, এমওপি-২৫ টাকা এবং ডিএপি-৩০ টাকা। সকল খুচরা বিক্রেতা উল্লেখিত মূল্যে সার বিক্রয় করে থাকেন। যদি উক্ত মূল্যের বেশি মূল্যে বিক্রয় করে তবে স্থানীয় প্রশাসন এ ব্যাপারে যথাযথ ব্যবস্থা নিবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রতিটি উপজেলা কৃষি অফিসে বিনামূল্যে মাটি পরীক্ষার ব্যবস্থা আছে। আপনি আপনার উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে মাটি সংগ্রহের নিয়ম কানুন জানতে পারবেন। তাছাড়া মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইন্সটিটিউট (এস আর ডি আই) এর ভ্রাম্যমান মাটি পরীক্ষাগার থেকে অথবা তাদের অফিস থেকেও মাটি পরীক্ষা করতে পারবেন। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আমাদের ওয়েব সাইটে প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। মরিচ গাছে কয়েক ধরণের পোকার আক্রমণ হতে পারে। তাই আক্রমণের ধরণ বা ক্ষতির নমুনা না জানা থাকলে সঠিকভাবে উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। দয়া করে আপনি ক্ষতির ধরণটি জানালে উত্তর দেওয়া যাবে। তবে আমাদের এই ওয়েবসাইটে ই-কৃষি অংশে মসলা ফসলে মরিচ চাষের বিস্তারিত নিয়মকানুন দেওয়া আছে। সেখানে মরিচের বিভিন্ন রোগবালাই সম্পর্কেও বর্ণনা করা হয়েছে। সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/388.html লিংকটি ব্যবহার করতে পারেন। আ্শাকরি আপনি আপনার সমাধান পাবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত টমেটো গাছে ভাইরাসের আক্রমণ হলে টমেটোর পাতা কুকড়িয়ে যেতে পারে। সাদা মাছি পোকার আক্রমনে ভাইরাস রোগটি হয়ে থাকে। ভাইরাস রোগ দমনে প্রাথমিক পর্যায়ে আক্রান্ত গাছ তুলে মাটির নীচে পুঁতে বা পুড়িয়ে ফেলতে হবে এবং কোন যন্ত্রপাতি দিয়ে গাছ কাটলে তা অন্য গাছের স্পর্শে আনা যাবে না। এই ভাইরাস সাদা মাছি দ্বারা ছড়াই এ কারনে কিটনাশক ছাড়া এ পোকা দমনের জন্য হলুদ রংয়ের আঠালো ফাঁদ ব্যবহার করে অথবা এক কেজি আধা ভাঙ্গা নিম বীজ ১০ লিটার পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে উক্ত পানি পাতার নিচে সেপ্র করে এ পোকা দমন করা যায়। আক্রমন বেশী হলে এসিডামিপ্রিড ৫জি গ্রুপের কিটনাশক ১০ লিটার পানিতে ৫ গ্রাম ঔষধ মিশিয়ে ৫ শতাংশ জমিতে সপ্তাহে এক বার পাতার উপরে ও নীচে ভিজিয়ে সেপ্র করতে হবে অথবা ফেনিট্রিথিয়ন জাতীয় তরল কিটনাশক ১ লিটার পানিতে ২ মিলি হারে মিশিয়ে পাতার নীচে ভিজিয়ে সেপ্র করতে হবে। এছাড়া চারা লাগানোর এক সপ্তাহ পর থেকে ৭-১০ দিন পরপর এ্যাডমায়ার নামক কীটনাশক মাত্রা অনুমোদিত প্রয়োগ করে সাদা মাছি পোকা দমন করতে হবে। আপনার প্রশ্নের জন্য আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নটি খুবই সংক্ষিপ্ত। প্রয়োজনীয় বিবরণ থাকলে উত্তর প্রদান সহজ ও সঠিক হয়। সাধারণত জ্যাসিড বা শ্যামা পোকার আক্রমণে পাতা শুকিয়ে যেতে পারে। এই পোকার পূর্ণাঙ্গ পোকা বা বাচ্চা পাতা থেকে রস চুষে খায়। ফলে সেখানে হালকা হলুদ বা অথবা লালচে দাগের সৃষ্টি হয়। পরে দাগ শুকিয়ে বাদামী হয়ে যায় ও পাতা কুঁকড়ে নীচের দিকে বেঁকে আসে। বেশী আক্রমণের ফলে পাতা কুঁকড়ে শুকিয়ে যায়। এই পোকা সাধারণত পাতার নিচে বেশি দেখতে পাওয়া যায়। এ রকম হয়ে থাকলে আক্রান্ত গাছে ছাই ছিটানো যেতে পারে। তাছাড়া ক্ষেতে মাকড়সা সংরক্ষণ করা (১টি মাকড়সা গড়ে দিনে ২-১৫টি জ্যাসিড শিকার করে খায়) গেলে প্রাকৃতিকভাবে প্রতিকার পাওয়া যায়। ৫০০ গ্রাম নিম বীজের শাঁস পিষে ১০ লিটার পানিতে ১২ ঘন্টা ভিজিয়ে রেখে তা ছেঁকে জ্যাসিড আক্রান্ত ক্ষেতে স্প্রে করলে উপকার পাওয়া যেতে পারে। আক্রমণ খুব বেশি হলে ম্যালাথিয়ন জাতীয় কীটনাশক ৫ মিলি প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে পাতার নিচের দিকে ভালভাবে স্প্রে করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জাব পোকার আক্রমণ হলে সরিষার ফলন কমে যায়। ফুলের কুঁড়ি আসা শুরু হলে এ পোকার আক্রমণ দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে ডাইমেক্রন ১০০ ইসি বা ম্যালাথিয়ন ৫৭ ইসি জাতীয় কীটনাশক স্প্রে করতে হবে। তবে একটি বিষয় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। মৌমাছি সরিষা গাছের পরাগায়নে সাহায্য করে এবং এতে ফলন বৃদ্ধি পায়। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সরিষা ফুলে বেশি মৌমাছি মধু সংগ্রহের জন্য ক্ষেতে আসে। তাই বিকালে যখন মৌমাছি থাকে না তখন কীটনাশক ছিটাতে হবে। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। লটকা বা লটকন গাছ গুলো সাধারণত এক লিংগি হয়। অর্থাৎ পুরুষ গাছ ও স্ত্রী গাছ আলাদা আলাদা হয়। যদি স্ত্রী গাছের আশে পাশে কোন পুরুষ গাছ না থাকে তবে পরাগায়ন হয় না, ফলে গাছে ফুল আসবে কিন্তু ফল হবে না। সেজন্য আপনাকে একটি পুরুষ গাছ রোপণ করতে হবে। প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ধান ক্ষেতে সরকারী সেচ দিতে হলে কিছু নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়। এ জন্য আপনার কাছের উপজেলার বিএডিসি অফিস বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। সেখান থেকে আপনি সঠিক নিয়ম নীতি গুলো জানতে পারবেন এবং সে অনুযায়ী আপনার জমিতে সেচ প্রদান করতে পারবেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত ধানের থোড় অবস্থায় কৃমি আক্রমন করলে শিষ গুলো থোড়ের মধ্যে মোচড়ানো অবস্থায় থেকে যায়, বাইরে বের হতে পারে না। এ রোগ দমনের জন্য শতাংশপ্রতি ২০০ গ্রাম হারে ফুরাডান ৫ জি বা কিউরেটার ৫ জি প্রয়োগ করতে হবে এবং ফসল কাটার পর নাড়া পুড়িয়ে ফেলতে হবে। পরবর্তীতে এ জমিতে বীজতলা করবেন না সম্ভব হলে অন্য ফসল চাষ করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এন এ টি পি-এর সম্পূর্ণ অর্থ হলো ন্যাশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজি প্রজেক্ট অর্থাৎ জাতীয় কৃষি প্রযুক্তি প্রকল্প। বাংলাদেশ সরকার ওয়ার্ল্ড ব্যাংক ও IFAD এর আর্থিক সহায়তায় এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে । এটি ১৫ বছর দীর্ঘ মেয়াদি প্রকল্প যার ১ম ফেজ (৫ বছর মেয়াদী)বাস্তবায়িত হচ্ছে। এ প্রকল্পটি বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, কৃষি সম্প্রসারণ ও বাজার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে দেশের কৃষির উৎপাদন ও কৃষকের আয় বৃদ্ধিতে টেকসই কৌশল উদ্ভাবন ও তার সঠিক বাস্তবায়নের উপর কাজ করছে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশের দানা ফসলে ভূট্টা চাষ ও এর রোগব্যাধী সম্পর্কে দেয়া আছে। আশাকরি আপনি বিস্তারিত জানতে পারবেন। তাছাড়া এ লিংকটি ব্যবহার করুন http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2497.html আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন কারনে ফলসহ গাছ মারা যেতে পারে। মারা যাওয়ার আগে পাতা ও ফলে দাগ দেখা গেলে বুঝতে হবে গাছের নাবী ধ্বসা রোগ হয়েছে। আক্রমণ বেশী হলে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম সিকিউর মিশিয়ে স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। (১) নেমাটোড-এর আক্রমণে ও ফল সহ গাছ মারা যেতে পারে। আক্রান্ত গাছের শিকড়ে যদি গিট থাকে অথবা কান্ড লম্বালম্বিভাবে কাটলে যদি কাল দাগ দেখা যায় তাহলে বুঝতে হবে কৃমি আক্রমণ করেছে। সেক্ষেত্রে গাছের গোড়ায় প্রতি শতাংশে ১০০ গ্রাম হারে ফুরাডন মাটিতে দিতে হবে। (২) যদি গাছ গুলো দুর্বল হয়ে পাতা ও কান্ড ঢলে পড়ে এবং পরবর্তীতে গাছ মারা যায় তবে বুঝতে হবে গাছের ঢলে পড়া রোগ হয়েছে। রোগাক্রান্ত গাছ দেখা মাত্র তুলে ধ্বংশ করতে হবে। আক্রমন বেশি হলে প্রতি ১০ লিটার পানিতে ১ গ্রাম স্ট্রেপটোমাইসিন বা প্লান্টোমাইসিন মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। আশ করি সমস্যার সমাধান হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এধরনের কোন ছবি আমাদের ওয়েব সাইটে দেওয়া নাই। পরবর্তী সময়ে এই ছবি গুলো আপনার ই-মেইলে দেওয়ার চেষ্টা করব। e-mail address লিখে আবারও প্রশ্ন করবেন। অথবা আপনি গাজীপুরে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণায় ও ধান গবেষণায় গিয়ে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নটি সঠিকভাবে বুঝতে পারছি না বলে দু:থিত। সম্ভবত আপনি গাভী পালন সম্পর্কে কিছু জানতে চেয়েছেন। আপনি এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পেতে আপনার কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস এ যোগাযোগ করতে পারেন। তাছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, ফার্মগেট, ঢাকাতেও যোগাযোগ করা যেতে পারে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন কারনে নারিকেল ঝড়ে পরে। তার মধ্যে মাটিতে রসের অভাব, গাছের গোড়ায় পানি জমে থাকা, সুষম সারের অভাব। নিয়মিত সুষম সার বিশেষ করে বোরন ও দস্তা সার প্রয়োগ ও পরিচর্যার মাধ্যমে কচি নারিকেল ঝরা রোধ করা যায়। এছাড়া ছত্রাক ও পোকার আক্রমনে ও ফল ঝরে পরে, ঝরে পরা ফলে যদি পচন দেখা যায় তবে বুঝতে হবে ছত্রাক আক্রমণ করেছে। এজন্য কপার অক্সিক্লোরাইড জাতীয় ছত্রাকনাশক দিয়ে এ রোগ দমন করা যায়। আর পোকা আক্রমন করলে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম সেভিন বা ২ মিলি সুমিথিয়ন মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে দানা ফসলের মধ্যে ধান চাষের বিভিন্ন চাষাবাদ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে, আপনি সেখান থেকে অনেক তথ্য জানতে পারবেন। আপনাকে জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় সংবাদ অংশে স্ট্রভেরি চাষের চাষাবাদ পদ্ধতি দেওয়া আছে, আপনি সেখান থেকে তথ্য জানতে পারবেন। অথবা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/news-2361.html লিংটি ব্যবহার করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কোন কোন ওষুধ প্রয়োগ করেছেন তা জানালে ভাল ভাবে পরামর্শ দেওয়া যেত। সীমের ফ্রুট বোরোরের আক্রমন থেকে রক্ষা পেতে প্রতি লিটার পানিতে রিপকর্ড বা ডেসিস ১ মিলিলিটার বা সুমিসাইডিন ০.৫ মিলিলিটার মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। দাকোপ উপজেলায় চিংড়ি চাষ করার প্রয়োজনীয় পরামর্শের জন্য দাকোপ উপজেলার মৎস্য অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়া ঢাকায় অবস্থিত মৎস্য অধিদপ্তরে যোগাযোগ করেও প্রয়োজনীয় পরামর্শ পেতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। লাউ বড় না হবার অনেক কারণ থাকতে পারে। তার মধ্যে একটি হচ্ছে সেচ ও পুষ্টির অভাব। এজন্য নিয়মিত সেচ দিতে হবে এবং সুসম মাত্রায় সার ব্যবহার করতে হবে। তাছাড়া সঠিক পরাগায়নের অভাবেও ফল বড় না হয়ে আস্তে আস্তে মারা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে সকালবেলা নতুন ফোটা পুরুষফুলের পাপড়িগুলো ফেলে দিয়ে এর হলুদ অংশটিকে স্ত্রী ফুলের অর্থাৎ লাউসহ যে ফুল আসে তার গর্ভমুন্ডে বুলিয়ে দিতে হবে। এতে সঠিক পরাগায়ন হবে এবং ফলও বড় হবে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার পেয়ারা গাছে ছাতরা পোকা আক্রমণ করেছে। এর থেকে রক্ষা পেতে আক্রান্ত পাতা ও ডগা ছাটাই করে ধ্বংস করতে হবে। গাছের গোড়ার মাটি থেকে ১৫ হতে ২০ সেন্টিমিটার উপরে স্বচ্ছ পলিথিন দিয়ে মুড়ে দিতে হবে যাতে মিলিবাগ গাছে উঠতে না পারে। সম্ভব হলে হাত দিয়ে ডিম ও বাচ্চার গাদা সংগ্রহ করে ধ্বংস করতে হবে। আক্রমন বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলি রগর অথবা টাফগার অথবা সানগর বা সুমিথিয়ন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি প্রশ্নে গাছের নাম উল্লেখ করেননি। গাছের নাম উল্লেখ করে প্রশ্নটি আবার ও করবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পূর্ণ বয়স্ক ও ছোট থ্রিপস পোকা কান্ডির রস চুষে খেয়ে পাতা মুড়িয়ে ফেলে। এর আক্রমন থেকে রক্ষা পেতে বীজতলায় ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করতে পারেন। আক্রমন বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলিলিটার সুমিথিয়ন বা ডাইমেথয়েট বা ২ গ্রাম কারবারিল (সেভিন) ক্যকহার করতে পারেন। কেল্ড ইন্‌জুরি থেকে বীজতলার চারা গুলোকে রক্ষা করতে রাতের বেলা বীজতলাকে পলিথিন দিয়ে ঢেকে দিতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সার, কীটনাশক ও বীজ নীতিগুলো আপনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইট (www.moa.gov.bd) অথবা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ওয়েব সাইট (www.ais.gov.bd) থেকে সংগ্রহ করতে পারেন। এছাড়া ঢাকায় অবস্থিত খামার বাড়িতে যোগাযোগ করেও সংগ্রহ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ধানের লক্ষ্মীর গু বা (False Smut) একটি ছত্রাকজনিত বীজবাহিত রোগ। এ রোগের আক্রমন থেকে রক্ষা পেতে সুস্থ গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ কাণ্ডে পরবর্তীতে ব্যবহার করতে হবে। শীষ বের হবার সময় বিনলেট বা টপসিনএম বা ব্যাভিষ্টিন এর যে কোন একটি ছত্রাকনাশক অনুমোদিত মাত্রায় ব্যবহার করে এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটের প্রখম পাতায় উপরের বাটনে লেখা আছে "বাংলা দেখা না গেলে এখানে ক্লিক করুন"- সেইখানে ক্লিক করুন। পর্যায়ক্রমে পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুন। আশাকরি বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি এ বিষয়ে তথ্য জানতে ঢাকার ফার্মগেট সংলগ্ন প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর অফিসে যোগাযোগ করুন । আরো তথ্য জানতে http://www.dls.gov.bd/e_Livestock/manual_Livestock.pdf লিংটি ক্লিক করুন । আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটে ই-কৃষি অংশে কন্দাল ফসলে আলুর তথ্য দেওয়া আছে। আপনি সেথান থেকে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ড্রাগন ফল বাংলাদেশে একটি নতুন ফল। এর চাষ সমগ্র বাংলাদেশ জুড়ে এখনো শুরু হয়নি। বাংলাদেশের বড় বড় বিপনন কেন্দ্রগুলোতে এ ফল বিক্রি করতে দেখা যায়। আর এ ফলের গাছ ময়মনসিংহে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সাভারসহ বিভিন্ন নার্সারীতে পাওয়া যাবে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ইদুর আমাদের দেশে এক বড় সমস্যা।ইদুর দমনে আপনার একক প্রচেষ্টা কখনোই সফল হবে না। এজন্য আপনার আশেপাশের যত কৃষক আছে সকলকে একযোগে ইদুর দমন করতে হবে।বিভিন্নভাবে ইদুর দমন করা যায়। ফাদ দিয়ে ইদুর ধরে, বিষটোপ প্রয়োগ করে, ধোয়া বা গরম পানি দিয়ে ইদুরকে গর্ত থেকে বের করে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে মের ফেলে ইদুর দমন করা যায়। তাছাড়া ইদুরের প্রাকৃতিক শত্রু যেমন সাপ, পেচা, চিল সংরক্ষণ করেও ইদুর দমন করা যায়। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার জমির আক্রান্ত গাছ কিছুটা মাটিসহ সরিয়ে ফেলতে হবে।আক্রান্ত মরা পাতা, ডাল পুড়িয়ে ফেলতে হবে। রোগাক্রান্ত গাছের গোড়ায় শুকনো ছাই মিশ্রিত পটাশ সার মাটির সাথে মিশিয়ে দিলে গাছ সুস্থ হয়ে উঠবে। রোগের আক্রমণের পূর্বে 2 গ্রাম কমপ্যানিয়ন অথবা 4 মিলিলিটার কুপ্রাভিট অথবা দুই গ্রাম চ্যাম্পিয়ন অথবা দুই মিলিলিটার টিল্ট প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে গাছের গোড়ায় স্প্রে করলে আক্রমন কম হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার রসুন গাছে পার্পল ব্লচ রোগ হয়েছে। এজন্য আক্রান্ত গাছের পরিত্যক্ত অংশ পুড়িয়ে ফেলতে হবে। রোগের আক্রমন বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে 2গ্রাম রোভরাল অথবা দুই গ্রাম রোভরাল ওদুই গ্রাম রিডোমেল গোল্ড একত্রে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। ভবিষ্যতে রসুন চাষ করার সময় প্রতি কেচি বীজ 2.5 গ্রাম রোভরাল বা ভিটাভেক্স 200 দিয়ে শোধন করে নিতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের ফোন নম্বর হচ্ছে ০২- ৮১১৫৫৩২, পরিচালক (প্রশাসন) : ০২-৯১১৭৭৩৬, পরিচালক (উৎপাদন) : ০২-৯১১৭৪৫৮। ওয়েব সাইট www.dls.gov.bd আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্রের জন্য ধন্যবাদ। প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর অফিসের যোগযোগের নাম্বার ৯১১৭৭৩৬ আরও তথ্য জানার জন্য এই ওয়েব সাইটটি ব্রাউজ করুন www.dls.gov.bd আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: বিভিন্ন কারনে গাছ থেকে পরিণত হওয়ার পূর্বে বা পরে ফল ঝরে পড়তে দেখা যায়। রোগ ও পোকার উপদ্রব, অপুষ্টি ও হরমোনরে অসাম্য প্রধানত এ তিনটি কারণে ফল ঝরে যায়। সাধারণত কুড়ি পচা রোগে ফুল ও ফল ঝড়ে পড়ে। এ জন্য প্রতি লিটার পানিতে রিপোমেল ২ গ্রাম বা কুপ্রাভিট ৪ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। আর পোকার আক্রমন থেকে রক্ষা পেতে নিমিবিসিডিন কাঁদিতে স্প্রে করতে হবে। পুষ্টির অভাবে ফল ঝরে পড়লে বর্ষার আগে ও পরে সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। বিশেষ করে পটাশ সার দিতে হবে। অনেক সময় মাটিতে রসের অভাবে ফল ঝরে পড়তে দেখা যায়। এজন্য নিয়মিত সেচ প্রয়োগ করতে হবে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। লাউ গাছে সঠিক পরাগায়ন না হলে পরবর্তীতে ফলগুলো একটু বড় হয়ে পচে যায়। এ জন্য হস্তপরাগায়নের মাধ্যমে পরাগায়ন নিশ্চিত করতে হবে। সকালবেলা সদ্য ফোটা পুরুষ ফুলের পাপড়িগুলো ফেলে দিয়ে পুংধানীটিকে স্ত্রী ফুলগুলোর গর্ভমুন্ডে বুলিয়ে দিতে হবে। এছাড়া মাছি পোকার আক্রমণেও ফল পচে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আক্রান্ত ফলের গায়ে রসসহ ছিদ্র বা ফলগুলো ভেঙ্গে যদি ফলের ভিতর পোকার লার্ভা দেখা যায় তবে বুঝতে হবে মাছি পোকা আক্রমন করেছে। আক্রান্ত ফল দেখা মাত্র তা তুলে নষ্ট করে ফেলতে হবে। বিষ টোপের মাধ্যমেও এ পোকা দমন করা যায়। এ জন্য ১০০ গ্রাম থেতলানো মিষ্টি কুমড়া কিছু পানিসহ বা চিটাগুড় এর সাথে ০.৫ গ্রাম ডিপটেরেঙ ৮০ এসপি বা ১৫ ফোঁটা যে কোন বালাইনাশক মিশিয়ে বিষটোপ তৈরি করে জমিতে বসাতে হবে। এছাড়া আপনার নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ব্যবস্থা নিতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। নারিকেল গাছে দুই ধরনের ফুল ধরে। পুরুষ ফুলগুলো প্রচুর পরিমানে ধরে এবং গাছ থেকে ঝরে পড়ে। এত চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। কিন্তু স্ত্রী ফুলগুলো অল্প পরিমানে ধরে এবং এগুলো পরবর্তীতে নারিকেল হয়। তবে এ ফলগুলো বিভিন্ন কারনে গাছ থেকে পরিণত হওয়ার পূর্বে বা পরে ঝরে পড়তে দেখা যায়। রোগ ও পোকার উপদ্রব, অপুষ্টি ও হরমোনরে অসাম্য প্রধানত এ তিনটি কারণে ফল ঝরে যায়। সাধারণত কুড়ি পচা রোগে ফুল ও ফল ঝড়ে পড়ে। এ জন্য প্রতি লিটার পানিতে রিপোমেল ২ গ্রাম বা কুপ্রাভিট ৪ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। আর পোকার আক্রমন থেকে রক্ষা পেতে নিমিবিসিডিন কাঁদিতে স্প্রে করতে হবে। পুষ্টির অভাবে ফল ঝরে পড়লে বর্ষার আগে ও পরে সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। বিশেষ করে পটাশ সার দিতে হবে। অনেক সময় মাটিতে রসের অভাবে ফল ঝরে পড়তে দেখা যায়। এজন্য নিয়মিত সেচ প্রয়োগ করতে হবে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত শীতকালে আমের শোষক পোকা বাকলের নিচে লুকিয়ে থাকে এবং সেখান থেকে রস চুষে খায়। বাগান পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ পোকার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। গাছ ঘন হয়ে গেলে কিছু ডালপালা ছেটে দিতে হবে এমনকি গাছে কোন শুকনো ডালপালা থাকলে তা পরিস্কার করতে হবে। গাছে মুকুল আসার আগে বাগানের জমি চাষ দিতে হবে এবং প্রতি লিটার পানিতে নিম্বিসিডিন ৫ মিলিলিটার মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এছাড়া আপনার নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ব্যবস্থা নিতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্নভাবে আমলকি সংরক্ষণ করা যায়। আমলকি ফালি করে কেটে নিয়ে তাতে হলুদ, লবন মিশিয়ে অথবা শুধু ফালিগুলোকে রোদে ভালভাবে শুকিয়ে পরিষ্কার বোতলে সংরক্ষণ করা যায়। এছাড়া আমলকির বিভিন্ন আচার তৈরি করেও তা সংরক্ষণ করা যায়। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার গাছে কি পোকা আক্রমন করেছে অথবা পোকার বর্ণণাসহ প্রশ্ন করলে এর সঠিক উত্তর দেওয়া যেত। পোকার নাম অথবা পোকার বর্ণনাসহ আবার প্রশ্ন করুন অথবা আপনি আপনার নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিক ব্যবস্থা নিয়ে এ সমস্যার সমাধান করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ভালভাবে ধান চাষ করার জন্য আপনার এলাকার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের মতামত অনুসারে কাজ করলে উপকৃত হবেন। এছাড়া http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-49.html/false/64 লিংকটি ব্যবহার করে এ সমন্ধে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ভালভাবে ধান চাষ করার জন্য আপনার এলাকার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের মতামত অনুসারে কাজ করলে উপকৃত হবেন। এছাড়া http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-49.html/false/64 লিংকটি ব্যবহার করে এ সমন্ধে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাটির গুনাগুন ভাল রাখতে হলে মাটিতে পর্যাপ্ত পরিমান জৈব পদার্থ প্রয়োগ করতে হবে। জমিতে কম্পোস্ট সার, ভার্মি কম্পোস্ট, সবুজ সার প্রয়োগ করে জমির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি করা যায়। তাছাড়া মাটি পরীৰা করে যে ফসলের জন্য যতটুকু রাসায়নিক সার প্রয়োজন ঠিক ততটুকু সার প্রয়োগ করে একদিকে যেমন অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া যায় অন্যদিকে পরিবেশ ও মাটির স্বাস্থ্যও ভাল থাকে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত কাটুই পোকা গাছের চারা কেটে দেয়। পোকার হাত থেকে কদবেল গাছকে রক্ষা করতে হলে প্রথমে চারার চারপাশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। জমি চাষ দিয়ে মাটি উলট-পালট করে পোকা নষ্ট করে ফেলতে হবে। আক্রমন বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ক্লোরোপাইরিফস যেমন ডার্সবান অথবা লার্সবান ২.৫ থেকে ৫ মিলিলিটার মিশিয়ে গাছের গোড়ায় মাটিতে স্প্রে করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। রোগের নাম অথবা রোগের বর্ণনা দিয়ে প্রশ্ন করবেন। এছাড়া আপনার এলাকার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করেও ব্যবস্থা নিতে পারেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত লেদা পোকা গাছের কচি পাতা ও ডগা খেয়ে ফেলে। এ জন্য পোকার ডিম ও লেদা হাত দিয়ে বাছাই করে মেরে ফেলতে হবে। ৰেত পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পোকার আক্রমণ বেশি হলে অনুমোদিত বালাইনাশক যেমন সিমবুশ ১ মিলিলিটার অথবা ক্যারাটে ১ মিলিলিটার অথবা করলাক্স ৩ মিলিলিটার প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এটি একটি ভাইরাস জনিত রোগ। এ রোগ থেকে রক্ষা পেতে হলে রোগমুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে। আক্রান্ত গাছ টিউবারসহ তুলে ধ্বংস করতে হবে। এই ভাইরাস জাবপোকার মাধ্যমে বাহিত হয়। এজন্য জাবপোকা দমন করতে কীটনাশক যেমন ডায়াজিনন, এসটাফ, ডায়মেথোয়েট, এডমায়ার, টিডো এর যে কোন একটি স্প্রে করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশের আবহাওয়া আঙ্গুর চাষ করার উপযোগী এবং শ্রীমঙ্গলে চাষ হচ্ছে। আপনার এলাকার উপজেলা কৃষি অফিসে অথবা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জেনে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলো। ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সয়াবিন চাষের জন্য জাত ভেদে শতাংশপ্রতি ২৫০ খেকে ৩০০ গ্রাম বীজ প্রয়োজন। জমিতে সার প্রয়োগের জন্য মাটি পরীক্ষা করে নিলে সারের পরিমান নিরুপন করা যায়। তবে সাধারণত মাঝারি উর্বর জমিতে প্রতি শতাংশে ইউরিয়া ২০০গ্রাম, টিএসপি ৬০০-৬৫০ গ্রাম, এমওপি ৪০০-৪৮০গ্রাম এবং জিপসাম ৩০০ থেকে ৩৫০গ্রাম প্রয়োজন হয়।

wrote...

মরিচ গাছে কিছু পোকা আছে যেমন থ্রিপস, সাদামাছি, মাকড় এমনকটি পিপড়ার আক্রমণেও পাতা কুকড়িয়ে যেতে পারে। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে মসলা ফসলে মরিচ চাষের বিস্তারিত নিয়ম দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে বিস্তারিত নিয়ম এবং রোগ বালাই সম্পর্কে জানতে পারবেন। সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/388.html লিংকটি ব্যবহার করুন। এরপরও কোন কিছু জানার থাকলে আবার লিখুন। ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: বিভিন্ন কারনে গাছ থেকে পরিণত হওয়ার পূর্বে বা পরে ফল ঝরে পড়তে দেখা যায়। রোগ ও পোকার উপদ্রব, অপুষ্টি ও হরমোনরে অসাম্য প্রধানত এ তিনটি কারণে ফল ঝরে যায়। সাধারণত কুড়ি পচা রোগে ফুল ও ফল ঝরে পড়ে। এ জন্য প্রতি লিটার পানিতে রিডোমেল ২ গ্রাম বা কুপ্রাভিট ৪ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। আর পোকার আক্রমন থেকে রক্ষা পেতে নিমিবিসিডিন কাঁদিতে স্প্রে করতে হবে। পুষ্টির অভাবে ফল ঝরে পড়লে বর্ষার আগে ও পরে সুষম সার প্রয়োগ করতে হবে। বিশেষ করে পটাশ সার দিতে হবে। অনেক সময় মাটিতে রসের অভাবে ফল ঝরে পড়তে দেখা যায়। এজন্য নিয়মিত সেচ প্রয়োগ করতে হবে। আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বর্তমানে সারের খুচরা মূল কেজিপ্রতি ইউরিয়া ২০ টাকা, টিএসপি ২২ টাকা, এওপি ১৫ টাকা এবং ডিএমপি ২৭ টাকা।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত সেচ ও পুষ্টির অভাবে অথবা জাতের বৈশিষ্ট্যের জন্য লাউ ছোট হয়ে থাকে। যদি সেচ ও পুষ্টির অভাবে ফল ছোট হয় তবে নিয়মিত সেচ দিতে হবে এবং গাছের গোড়ায় বা মাদায় জৈব সারসহ সুষম রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া মূল যদি সঠিকভাবে বৃদ্ধি না পেলেও ফল ছোট হতে পারে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত ছত্রাকের আক্রমনে এ ধরনের লৰণ দেখা যায়। এক্ষেত্রে আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে নষ্ট করতে হবে। আক্রমণ বেশি হলে ব্যাভিষ্টিন ১ গ্রাম অথবা ম্যনকোজেব বা সিকিউর বা রিডোমিল গোল্ড ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। আক্রান্ত গাছ থেকে বীজ সংরক্ষণ না করে সুস্থ গাছ থেকে বীজ সংরক্ষণ করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন কারণে ফসল অবস্থায় টমেটো গাছ মারা যায়। টমেটোর নাবী ধ্বসা রোগ হলে প্রথমে পাতায় দাগ হয় এবং পরবর্তীতে ৩-৪ দিনের মধ্যে গাছ ঝলছে যায়। রোগের আক্রমন বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম সিকিউর মিশিয়ে স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। টমেটোর ঢলে পড়া রোগ হলে সমস্ত গাছের পাতা ও কান্ড ঢলে পড়ে। রোগাক্রান্ত গাছ দেখা মাত্র তুলে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। এছাড়া জমিতে স্ট্রেপ্টোমাইসিন বা পৱান্টোমাইসিন ১ গ্রাম ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে গাছে স্প্রে করতে হবে। আবার নেমাটোডের আক্রমনেও ফলসহ গাছ মরে যেতে পারে। গাছের মূলে যদি গিট দেখা যায় অথবা কান্ড চিড়লে যদি কান্ডের ভিতর কাল দাগ দেখা যায় তবে বুঝতে হবে নেমাটোড আক্রমন করেছে। এৰেত্রে জমিতে ফুরাযন দিতে হবে। আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে গাছ মওে যাওয়ার সঠিক কারন জেনে ব্যবস্থা নিলে বেশি উপকৃত হবেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিষয়টি নিয়ে আপনি আপনার উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিসে কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করুন। তাঁরা আপনাকে এ ব্যাপারে বাচ্চা সংগ্রহ ও পালন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করতে পারবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার সমস্যার বিবরণটি খুবই কম। আরেকটি বিস্তারিত বর্ণনা করলে উত্তর প্রদান করা সুবিধা হতো। যাহোক, প্রাথমিকভাবে মনে হয় আপনার ভুট্টা গাছে পাতা ঝলসানো রোগ হয়েছে। এক ধরণের ছত্রাকের আক্রমণ হলে আক্রান্ত গাছের নিচের দিকের পাতায় লম্বাটে ধূসর বর্ণের দাগ দেখা যায়। পরবর্তীতে গাছের উপরের অংশে তা ছড়িয়ে পড়ে। রোগের প্রকোপ বেশী হলে পাতা আগাম শুকিয়ে যায় এবং গাছ মরে যায়। এ জন্য আক্রান্ত ফসলে টিল্ট ২৫০ ইসি (০.০৪%) ছত্রাকনাশক ১৫ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। তা ছাড়া ভুট্টা উঠানোর পর জমি থেকে আক্রান্ত গাছ সরিয়ে অথবা পুড়িয়ে ফেলতে হবে। আরো বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের দানা ফসলে ক্লিক করুন। কাছের উপজেলা কৃষি অফিসের পরামর্শও নিতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। রসুন চাষের জন্য প্রতি শতকে ইউরিয়া-৮০০ গ্রাম, টিএসপি-৫০০ গ্রাম, এমওপি-৪০০ গ্রাম, জিংক সালফেট (দস্তা)-৮০ গ্রাম, বোরণ সার-৪০ গ্রাম, জিপসাম-৪০০ গ্রাম ও গোবর ৪০ কেজি দিতে হবে। জমি তৈরির সময় সবটুকু গোবর, টিএসপি, জিংক সালফেট, বোরণ ও জিপসাম মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। রসুন লাগানোর ৩০ দিন ও ৬০ দিন পর যথাক্রমে ১ম ও ২য় কিস্তির উপরি সার প্রয়োগ করা হয়। প্রতিবারে প্রতি শতকে ৪০০ গ্রাম ইউরিয়া ও ২০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বরবটির বিভিন্ন ধরণের পোকার মধ্যে জাব পোকা ও ফল ছিদ্রকারী পোকা অন্যতম। আমাদের ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশে সবজি ফসলে ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন। তাই এখানে বিস্তারিত বর্ণনা করা হলো না। সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/647.html লিংকটি ব্যবহার করুন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বোরোতে আমাদের দেশে অনেক ধরণের ধানের আবাদ হয়। যেমন উচ্চ ফলনশীল জাত, হাইব্রিড জাত ইত্যাদি। একেক ধরণের ধানে একেক ধরণের সার দরকার হয়। তাছাড়া জমিতে কি পরিমান সার আগের ফসলে দেওয়া হয়েছিল, মাটির অবস্থা কেমন ইত্যাদি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে সারের পরিমান। এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের দানা ফসলে ধান চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা আছে। আশাকরি প্রয়োজনীয় তথ্য পাবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার সমস্যার বিবরণটি খুবই সংক্ষিপ্ত। আরেকটু বিস্তারিত বর্ণনা করলে ভাল হতো। যাহোক, সম্ভবত আপনার শসা গাছ ভাইরাস রোগ দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। এ জন্য ম্যালাথিয়ন/সুমিথিয়ন ২ মিলিলিটার, প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন পর পর ভালভাবে স্প্রে করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত। দয়া করে বিবরণসহ লিখুন। অর্থাৎ জাত, জমির পরিমান, গাছেল বয়স, সার দেওয়া হয়েছে কি না বা দিলে তার পরিমান, রোগবালাই হলে ক্ষতির নমুনা কি রকম-ইত্যাদি। এসব জানিয়ে আবার প্রশ্ন করুন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ ওয়েবসাইটে প্রশ্ন করার জন্য।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার সমস্যা থেকে সমাধান পেতে আক্রান্ত গাছের পরিত্যক্ত অংশ সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেলতে হবে। এছাড়া প্রতি লিটার পানিতে ২গ্রাম সিকিউর বা ম্যানকোজেব বা রিডোমেল গোল্ড মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে এবং গাছের গোড়ার কাছাকাছি সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হবে ও সেচ দিতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন কারনে ধানের পাতা সাদা হয়ে যেতে পারে। আপনার নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে সঠিক কারণ যেনে তাদের পরামর্শ মতে কাজ করলে আশা করি আপনার সমস্যা সমাধান হবে। আর যদি ব্যাপক আকারে এ সমস্যা দেখা দেয় তবে বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্রে চিঠি লিখলে তারা এসে আপনার জমি পর্যবেক্ষণ করে সঠিক পরামর্শ দিতে পারবে। চিঠি লিখার ঠিকানা- মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্র, জয়দেবপুর, গাজীপুর। ধন্যবাদ।

wrote...

এই ওয়েবসাইএট আম এর রোগ বালাই সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2508.html লিংকটি ব্যবহার করুন। বিস্তারিত জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

এ বিষয়ে আমাদের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সরাসরি দেখতে http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/320.html লিংকটি ব্যবহার করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন ধরনের জৈব সার আছে। গোবর তার মধ্যে একটি। জমিতে সবসময় পচা গোবর প্রয়োগ করতে হবে, কখনোই কাঁচা গোবর প্রয়োগ করা উচিত। এছাড়া কম্পোস্ট, কুইক কম্পোস্ট, ভার্মি বা কেচো কম্পেস্ট, প্রভৃতি জৈব সার আছে। এ সমস্ত সারগুলো জমি তৈরি করার সময় এবং বীজ বপনের ১০ থেকে ১৫ দিন পূর্বে জমিতে প্রয়োগ করে মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। এছাড়া জমিতে সবুজ সার উৎপাদন করে কচি অবস্থায় সেগুলো মাটিরসাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে এবং এর ১৫ থেকে ২০ দিন পর জমিতে ফসল লাগাতে হবে।

wrote...

উত্তর:আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার গাছে সাদা মাছি পোকা আক্রমন করেছে। এ পোকা দমনের জন্য ডিটারজেন্ট বা সাবান পানি প্রয়োগ করতে পারেন। আক্রমন বেশি হলে বাজারে অনেক ধরনের কীটনাশক পাওয়া যায় যেমন মেলাথিয়ন, সুমিথিয়ন প্রভৃতি। এর যেকোন একটি প্রয়োগ করে আপনি এ পোকা দমন করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গমের ফলন বাড়াতে প্রথমে যে কাচটি করতে হবে তা হলো আপনার এলাকার ধরণ অনুযায়ী ভালজাতের ও মানের গমবীজ সংগ্রহ করতে হবে। এরপর ভিটাভেক্স ২০০ দিয়ে বীজ শোধন করতে হবে। জমিতে সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ কওে জমি ভালভাবে তৈরি করতে হবে। গমের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সেচ একটি বড় ভুমিকা রাখে। তাই জমিতে যাতে রসের অভাব না হয় সেদিকে লৰ রাখতে হবে। জমির ধরণ অনুযায়ী ২ থেকে ৩টি সেচ দিলে ভাল ফলন পাওয়া যায়। এছাড়া অন্যান্য পরিচর্যা যেমন আগাছা দমন, পোকামাকড় ও রোগবালাই দমন করতে হবে। এছাড়া আমাদেও ওয়েব সাইটের ই-কৃষি অংশের দানা ফসলের গমে গেলে বিস্তারিত জানতে পারবেন অথবা সরাসরি লগইন করুন http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/917.html এই ঠিকানায়।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। যেহেতু আপনি জমিতে কোন জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করেননি তাই প্রতি বর্গমিটার বীজতলায় ৭গ্রাম ইউরিয়া উপরি প্রয়োগ করতে হবে। এরপরও যদি গাছের লালভাব না যায় তবে বুঝতে হবে সালফারের আভাব রয়েছে। এজন্য প্রতি বর্গমিটার জমিতে ১০গ্রাম জিপসাম প্রয়োগ করতে হবে। এছাড়া উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করেও পরামর্শ নিতে পারেন।

wrote...

উত্তর:আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আপনার উপজেলার প্রাণী সম্পদ অফেসে যোগাযোগ করে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

wrote...

দয়া করে কোন মৌসুমের জাত সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন সেটি উল্লেখ করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

কোন রোগ বালাই এর আক্রমণ না হলে অযথা দু:চিন্তা করার দরকার নেই। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

এ বিষয়ে আমাদের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/745.html। দয়া করে ভালভাবে পড়ুন। এর পর কোন প্রশ্ন থাকলে আবার নির্দিস্ট করে বর্ণনাসহ লিখুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

বাংলাদেশে রবি এবং খরিপ উভয় মৌসুমেই সয়াবিনের চাষ করা যায়। তবে পৌষ মাসে (মধ্য ডিসেম্বর থেকে মধ্য জানুয়ারী) বপন করা ভাল। অন্যদিকে বর্ষা মৌসুমে শ্রাবণ মাস থেকে মধ্য ভাদ্র মাস পর্যন্ত বপন করা যায়। বিস্তারিত জানতে এই ওয়েবসাইটের ই কৃষি অংশের তেল ফসলে ক্লিক করুন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার বর্ণনাটি অতি সংক্ষিপ্ত। তবে সম্ভবত আপনার কলা গাছটি সিগাটোকা রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এ রোগের আক্রমনে প্রাথমিকভাবে ৩য় বা ৪র্থ পাতায় ছোট ছোট হলুদ দাগ দেখা যায়। ধিরে ধিরে ধদাগগুলো বড় হয়ে বাদামি রঙ ধারণ করে। এ জন্য আক্রান্ত গাছেল পাতা পুড়ে ফেলতে হয়। প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মি.লি টিল্ট ২৫০ ইসি অথবা ১ গ্রাম বাভিস্টিন মিশিয়ে ১৫ দিন পর পর স্প্রে করা দরকার। আপনাকে ধণ্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। 30 কেজি বীজ দিয়ে 3 একর পরিমান জমি আবাদ করা যাবে। এর জন্য আপনার ইউরিয়া লাগবে 315 কেজি, টিএসপি 93কেজি, এমওপি 96 কেজি, জিপসাম 66 কেজি এবং জমিতে যদি দস্তা সারের অভাব থাকে তবে 6কেজি দিতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাশরুম সাধারণত দেশের বড় বড় মার্কেটগুলোতে বিক্রি হয়ে থাকে। আপনি এ সমস্ত মার্কেট ম্যানেজারদের সাথে যোগাযোগ করে আপনার মাশরুম বাজারজাত করতে পারেন। সাভারে অবস্থিত মাশরুম উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্প অফিস থেকে উন্নতমানের বীজ ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জমিতে রসের অভাব হলে ফুলের গোড়ায় একটি লেয়ার তৈরি হয় যার ফলে পরবর্তীতে ফুল ঝরে যায়। জমিতে রসের অভাব যেন না হয় সে জন্য নিয়মিত সেচ দিতে হবে। এছাড়া পুষ্টির অভাবেও ফুল ঝরে পড়তে পারে জমিতে টিএসপি ও এমওপি সার প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

উত্তর:আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে বেশিরভাগ জমিতেই ধান চাষ করা যায় তবে আউশ ধান চাষের জন্য এটেল দোআশ থেকে দোআশ মাটি উত্তম। যে সমস্ত জমির পানি ধারণ ক্ষমতা বেশি সে জমিতে ধান চাষ করা যায়।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আন্তর্জাতিক বানিজ্য মেলা সাধারণত জানুয়ারী মাসের ১ তারিখ থেকে শুরু হয়। আর আমাদের এখানে কৃষি বিষয়ক প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়ে থাকে। আশা করি আগামীতে কৃষির সমস্যা নিয়ে আমাদের কাছে প্রশ্ন করবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ । আমাদের ওয়েব সাইটের ই-কুষি অংশের দানা ফসলে ইদুর দমনের উপর বিস্তারিত দেয়া আছে এছাড়া সরাসরি ব্রাউজ করার জন্য http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/917.html -এই ঠিকানায় যেতে পারেন। তবে যে কোন দমন ব্যবস্থা একা একা না নিয়ে মাঠের সমস্ত কৃষক একসাথে কারণে ভাল ফল পাবেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। একপ্রকার ভাইরাসের কারনে টমেটো গাছের পাতা কোকড়ানো সমস্যা দেখা যায়। আক্রান্ত গাছ তুলে ফেলে ধ্বংশ করতে হবে। একপ্রকার সাদা মাছি এই ভাইরাস ছড়িয়ে থাকে। তাই সাদা মছি দমন করতে হবে। এজন্য কার্বোফুরান (০.২%) বা ডাইমেথয়েট (০.৫%) স্প্রে করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত অপরিপক্ক ফল থেকে চারা উৎপাদন করলে সে গাছে ফল আসতে অনেক বেশি সময় লাগে। তাই আগে দেখতে হবে যে বীজ থেকে চারা উৎপাদন করা হয়েছিল সেটি পরিপক্ক ছিল কিনা। আর গাছে সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করে দেখতে পারেন। এ জন্য গাছপ্রতি গোবর সার ১০ কেজি, ইউরিয়া ২০০গ্রাম, টিএসপি ২৫০গ্রাম এবং এমওপি সার ২৫০গ্রাম করে প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। যদি আপনার সিম গাছের বৃদ্ধি ভাল থাকে তবে ১০ভাগ লতা কেটে দিতে হবে। আর যদি বৃদ্ধি ভাল না হয় তবে গাছের গোড়া থেকে ১ হাত দূরে গর্ত পদ্ধতিতে ১০০গ্রাম টিএসপি ও ১০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। যে সমস্ত গাছ ছায়া পছন্দ করে সে সমস্ত গাছ আপনি চাষ করতে পারেন। এক্ষেত্রে মসলা ফসলের মধ্যে আছে আদা, হলুদ এবং কচু, ওলকচু, সুপারি, আতাফল গাছ ভাল হয়।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাটি দেখে বা মাটির রং দেখে মাটির সঠিক উর্বরতা শক্তি নিরূপন করা যায় না। মাটিতে সহজলভ্য পুষ্টি উপাদনের উপর মাটির উর্বরতা শক্তি নির্ভর করে। এজন্য একমাত্র মাটি পরীক্ষার মাধ্যমে মাটির উর্বরতা জানা যায়। আপনার উপজেলার কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে মাটি পরীক্ষা সমন্ধে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জাতের কারনে, নীচু বা সমতল এলাকায় চাষ এবং পুষ্টির অভাবে কমলার আকার ছোট হয়ে থাকে। পুষ্টির অভাবে আকার ছোট হলে সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হবে। কমলা গছে ৩ কিস্তিতে সার প্রয়োগ করতে হয়। প্রথম কি ফেব্রুয়ারী-মার্চ মাসে, ২য় কিন্তু বর্ষার পূর্বে অর্থাৎ এপ্রিল-মে মাসে এবং শেষ কিস্তি বর্ষার শেষে অর্থাৎ সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে প্রয়োগ করতে হবে। প্রতি গর্তে ১৫ কেচি গোবর, ২০০-২৫০ গ্রাম টিএসপি, ১০০-২০০ গ্রাম এমওপি, ৫০-৬০ গ্রাম জিপসাম, ২০-৩০ গ্রাম দস্তা সার মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। এছাড়া গোড়া থেকে জন্মানো অতিরিক্ত শাখা গজানোর সাথে সাথে কেটে ফেলতে হবে। মরা রোগাক্রান্ত, দূর্বল শাখা/কান্ড সবসময় কেটে দিতে হবে। গাছে যদি বেশি ফল আসে তবে কিছু ফল ছাটাই করতে হবে। এ সমস্ত পরিচর্যার মাধ্যমে আপনার কমলা ফলের মান ও আকার আকর্ষনীয়ভাবে বৃদ্ধি পাবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশে সয়াবিনের যে জাতগুলো আছে তারমধ্যে বারি সয়াবিন৪, বারি সয়াবিন ৫, সোহাগ উল্লেখযোগ্য। এ সমস্ত জাতের বীজগুলো বিএডিসির বীজ ডিলারসহ উপজেলার বীজ বিক্রয়কেন্দ্রগুলোতে পাবেন। এছাড়া বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, জয়দেবপুর, গাজীপুরসহ বাংলাদেশ কৃষি গবেষনার আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলো থেকেও সংগ্রহ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত অসম্পূর্ণ পরাগায়ন ও মাছি পোকার আক্রমনে এধরণের সমস্যা দেখা যায়। যদি আপনার লাউগুলোতে ছিদ্র এবং সেখান থেকে রস বের হতে দেখেন অথবা আক্রান্ত ফল ভাঙ্গলে এর ভিতর পোকার লার্ভা দেখা যায় তবে বুঝতে হবে মাছি পোকা আক্রমণ করেছে। আক্রান্ত ফল দেখা মাত্র তা তুলে নষ্ট করে ফেলতে হবে। মাছি পোকা দমনের জন্য বিষফাদ ব্যবহার করতে পারেন। ঢাকনাসহ স্বচ্ছ প্লাষ্টিক পাত্রে জানলা কেটে বা ছোট ছোট মাটির পাত্রে ১০০গ্রাম থেতলানো মিষ্টিকুমড়া বা চিটাগুড়-এর সাথে ০.৫ গ্রাম ডিপটেক্স ৮০ এসপি বা ১৫ ফোটা যে কোন কীটনাশক ব্যবহার করে বিষটোপ তৈরি করতে পারেন। তাছাড়া ১মিলিলিটার ডিপটেক্স ৫০ইসি বা ২ মিলিলিটার সবিক্রণ প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। আর পরাগায়ন নিশ্চিত করার জন্য হস্তপরাগায়ন পদ্ধতি গ্রহণ করতে পারেন। এজন্য সকালবেলা সদ্যফোটা পুরুষ ফুলের পাপড়ী ফেলে দিয়ে এর হলুদঅংশটি অর্থাৎ পরাগধানিটিকে স্ত্রী ফুলের গর্ভমুন্ডে বুলিয়ে দিতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ । আমাদের ওয়েব সাইটের ই-কৃষি অংশের দানা ফসলে ইদুর দমনের উপর বিস্তারিত তথ্য দেয়া আছে এছাড়া সরাসরি ব্রাউজ করার জন্য http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/917.html -এই ঠিকানায় যেতে পারেন। তবে যে কোন দমন ব্যবস্থা একা একা না নিয়ে মাঠের সমস্ত কৃষক একসাথে করণে ভাল ফল পাবেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত ঘন কুয়াশা ও মেঘলা আবহাওয়ায় আলুর নাবী ধ্বসা রোগটি দ্রুত ছড়ায়। এ রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রতি লিটার পানিতে দুই গ্রাম ম্যানকোজেব দশ থেকে বার দিন পরপর স্প্রে করতে হবে। পরবর্তীতে কুয়াশা ও মেঘলা আবহাওয়া বিরাজ করলে প্রতি লিটার পানিতে দুই গ্রাম ম্যানকোজেবের সাথে দুইগ্রাম মেটালেক্সিল গ্রুপের ওষুধ যেমন রিডোমেল গোল্ড, করমিল, মেটারিল, নিউবেন যে কোন একটি মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বীজতলার চারা পলিথিন দিয়ে রাতের বেলা ঢেকে রাখতে হবে এবং সকালবেলা তা সরিয়ে ফেলতে হবে। তাছাড়া বীজতলায় সেচের জন্য যে নালা তৈরি করা হয় সেখানে হালকা গরম পানি দিতে হবে এবং পরবর্তীতে সে পানি দিয়ে সেচ দিতে হবে। তাছাড়া সকাল বেলা লাঠি দিয়ে বা বীজতলায় দড়ি টেনে পাতায় অবস্থিত শিশির গুলো ঝেরে ফেলতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমরা সাধারণত আমাদেরে ফল গাছগুলোতে প্রয়োজনীয় পুষ্টিউপাদান সরবরাহ করি না । ফলে ধীরে ধীরে গাছগুলো ফলশূণ্য হয় যায়। আপনার সমস্যা সমাধানরে জন্য গাছে সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করে দেখতে পারেন। এ জন্য গাছ প্রতি গোবর সার ১০ কেজি, ইউরিয়া ২০০গ্রাম, টিএসপি ২৫০গ্রাম এবং এমওপি সার ২৫০গ্রাম করে প্রতি বছর বর্ষার আগে ও পরে প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ভূট্টা আবাদের জন্য বর্ণালী, মোহর, বারি ভূট্টা 5,বারি ভূট্টা 6, বারি ভূট্টা 7, বারি হাইব্রিড ভূট্টা-1, বারি হাইব্রিড ভূট্টা-2, বারি হাইব্রিড ভূট্টা-3 এর যে কোন একটি আবাদ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাশরুম সাধারণত দেশের বড়বড় মার্কেটগুলোতে বিক্রি হয়ে থাকে। আপনি এ সমস্ত মার্কেট ম্যানেজারদের সাথে যোগাযোগ করে আপনার মাশরুম বাজারজাত করতে পারেন। সাভারে অবস্থিত মাশরুম উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্প অফিস থেকে উন্নতমানের বীজ ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সেক্স ফেরোমন সাধারণত প্রত্যেক উপজেলা ও জেলার নির্দিষ্ট কিছু দোকানে পাওয়া যায়। আপনি আপনার উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে সেক্স ফেরোমন ডিলারের নাম সংগ্রহ করতে পারেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

আপনাদের প্রকাশিত ‘কৃষিকথা’ পত্রিকাটি কৃষিকাজে জড়িত যেকোনো ব্যক্তির কাছে অত্যন্ত দরকারী ও সংগ্রহে রাখার মতো একটি পত্রিকা। কিন্তু আমরা যারা প্রবাসে থেকে দেশে কৃষিকাজ পরিচালনা করে থাকি তারা এই পত্রিকাটির সুফল থেকে অনেকাংশেই বঞ্চিত। আমরা কেবল ইন্টারনেটে পত্রিকাটি পড়তে পারি। কিন্তু ‍সমস্যা হলো আপনারা ইন্টারনেটে শুধু টেক্সট আপলোড করে থাকেন - কোনো ছবি থাকে না; যদিও বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আনুষঙ্গীক ছবিও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া সবসময় হাতের কাছে রাখতে হলে প্রিন্ট কপির বিকল্প নাই। তাই দয়া করে আপনাদের ওয়েবসাইটে ছবিসহ পূর্ণাঙ্গ পত্রিকাটি (ছাপা কপির pdf ফাইল) আপলোড করুন এবং পত্রিকাটি ডাকযোগে প্রবাসে কিভাবে পেতে পারি তার ব্যবস্থা করুন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার উপজেলার প্রাণী সম্পদ অফিসে যোগাযোগ করে অথবা ঢাকার খামারবাড়ি, ফার্মগেটে অবস্থিত প্রাণী সম্পদ অধীদপ্তর অথবা চট্টগ্রামে অবস্থিত প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের বিভাগীয় অফিস-এ যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার উপজেলার প্রাণী সম্পদ অফিসে যোগাযোগ করে অথবা ঢাকার খামারবাড়ি, ফার্মগেটে অবস্থিত প্রণালী সম্পদ অধীদপ্তর অথবা সাভারে অবস্থিত কেন্দ্রীয় গোপ্রজনন ও দুগ্ধ খামার-এ যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ফুল ধরার প্রথম দিকে কাঁঠাল গাছ প্রধানত পুরুষ ফুল উৎপাদন করে থাকে। এ জন্য প্রথম এক বা দু বছর ফল হয় না। তারপর দেখা যায় উভয় ধরনের ফুল ধরে এবং এলন পাওয়া যায়। এছাড়া গাছের শারীরিক অবস্থা দূর্বল হলে গাছের ফল ঝরে যায়। এক্ষেত্রে সুষম সার(ফল ধরার পর প্রতি গাছে 200 গ্রাম ইউরিয়া, 200 গ্রাম টিএসপি ও 200 গ্রাম এমওপি সার) ও নিয়মিত পানি সেচ দিলে গাছে ফল ধরবে। এছাড়া গাছের গোড়ার মাটি যদি শক্ত হয়ে গেলে গাছের ফল ঝরে যায়। এরূপ হলে গাছের গোড়া থেকে বেশ কিছুটা দূর পর্যন্ত কুপিয়ে সার ও পানি দিতে হবে। রোগ ও পোকার আক্রমনেও ফল ঝরে পড়তে পারে। সেক্ষেত্রে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা কৃষি অফিসারের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মরিচের লিফ কার্লরোগের কারনে এধরণের সমস্যা দেখা যায়। এটি এক ধরনের ভাইরাসের কারনে হয়ে থাকে। আক্রান্ত গাছ দেখা মাত্র তুলে ফেলতে হবে। আশেপাশের পোষক উদ্ভিদ ধ্বংস করতে হবে অর্থাৎ জমি পরিস্কার রাখতে হবে। ভাইরাসের বাহক পোকা সাদা মছিকে ধ্বংস করতে ডায়াজিনন, সুমিথিয়ন, রগর, সানগার, ঠাফগার, টিডো এর যে কোন একটি জমিতে স্প্রে করতে হবে।ক্ষুদ্র মাকড়ের মাধ্যমেও এ রোগ ছড়ায়। ক্ষেতে মাকড় দেখা গেলে প্রতিলিটিার পানিতে ২ গ্রাম থিওভিট বা ২ মিলিলিটার ক্যালথেন ১২-১৫ দিন অন্তর স্প্রে করতে হবে। আর ভবিষ্যতে সুস্থ গাছ হতে বা বিশ্বস্ত বীজ ডিলারের কাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্ন অনেক সংক্ষিপ্ত। পোকার নাম, অথবা পোকার বর্ণনা ও ক্ষতির ধরণ লিখে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হলো। তাছাড়া আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করেও এ ব্যাপারে পরামর্শ নিতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ বিষয়ে আমাদের ওয়েবসাইটে বিস্তারিত তথ্য দেয়া আছে সরাসরি দেখতে এ লিংটি ব্যবহার করুন। http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/633.html ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সেচ ও পুষ্টির অভাবে আলুর পাতা ঝরে যায়। জমিতে পানির অভাব হলে পাতার গোড়ায় একটি এবসেসিক লেয়ার তৈরি হয় এবং পরবর্তীতে পাতা ঝরে যায় । এজন্য জমিতে যেন পানির অভাব না হয় সেজন্য নিয়মিত সেচ দিতে হবে সেই সাথে জমিতে সুষম সার নিশ্চিত করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এব্যাপারে বিস্তারিত জানতে আপনাকে স্বরূপকাঠি ও নাজিরপুর উপজেলার কৃষি অফিসে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হল।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পাবর্তীপুর পৌরসভার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তাদের তালিকা পার্বতীপুর কৃষি অফিসে যোগাযোগ করলে আপনি সম্পূর্ণ তালিকা পেয়ে যাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সম্পূর্ণ পরিপক্ক হওয়ার আগে বীজ সংগ্রহ করে থাকলে বীজ শুকিয়ে যায়। এজন্য বীজ ধান সংগ্রহ করার সময় লক্ষ রাখতে হবে যেন বীজগুলো সম্পূর্ণ পরিপক্ক অবস্থায় থাকে। তাছাড়া সঠিকভাবে বীজ ধান সংরক্ষণ না করলেও বীজধান শুকিয়ে যেতে পারে। এজন্য সংগ্রহিত বীজ ধানকে ভালভাবে শুকিয়ে ঠান্ডা করে বায়ুরোধী পাত্রে সংরক্ষণ করতে হবে। যদি সম্পূর্ণপাত্র বীজ দিয়ে পূর্ণ না হয় তবে বাকি অংশ শুকনো বালুদিয়ে পূর্ণ করে পাত্রের মুখ ভালভাবে বন্ধ করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন কারণে টমেটো গাছর কচি পাতা হলুদ হয়ে যায়। জমিতে যদি জিপসাম সার প্রয়োগ না করে থকেন তবে প্রতি শতাংশ জমিতে 50 থেকে 60 গ্রাম জিপসার সার প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া কৃমির আক্রমনেও গাছের পাতা হলুদ হয়ে যায়। যুদ গাছের শীকরে গিট দেখায়ায় এবং গাছ চিড়লে এর ভেতর অংশ কালো কালো দেখাযায় তবে বুষতে হবে কৃমি আক্রমন করেছে্ এ জন্য প্রতি শতাংশে 50 গ্রাম ফুরাডন 60 জি অথবা কেয়ার 40 জি প্রয়োগ করতে হবে।তাছাড়া আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করেও এ ব্যাপারে পরামর্শ নিতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন কারণে মরিচ গাছের আগাগুলো নিস্তেজ ও হলুদ কর্ণের হতে পারে। শোষক পোকার আক্রমনে এ সমস্যা দেখা দিতে পারে। যদি গাছে শোষক পোকা যেমন থ্রিপস বা জাবপোকা দেখা গেলে ম্যালাথিয়ন, সুমিথিয়ন বা একতারা অথবা এডমায়ার স্প্রে করতে হবে। তাছাড়া বিভিন্ন রোগ যেমন ঢলেপড়া রোগ, ভাইরাস জনিত রোগ এবং নেমাটোডের আক্রমনের এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ সঠিক সমস্যা জেনে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহন করলে উপকৃত হবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি কথার গ্রাহক হওয়ার জন্য উপজেলা কৃষি অফিস বা কৃষি তথ্য সার্ভিসের আঞ্চলিক অফিস বা ঢাকার খামারবাড়ি, ফার্মগেটে অবস্থিত হেড অফিসে যোগাযোগ করে 50 টাকা জমা দিয়ে আপনি এক বছরের জন্য গ্রাহক হতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বীজতলায় চারা সুস্থ রাখার জন্য আপনাকে যত্ন নিদত হবে। এজন্য বীজতলায় সবসময় নালা ভর্তি পানি রাখতে হবে। বীজ গজানোর চার থেকে পাঁচ দিন পর বেডের উপর দুই থেকে তিন সেন্টিমিটার পানি রাখলে আগাছা ও পাখির আক্রমন নিয়ন্ত্রণ করা যায়। রাতে বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখলে ঠান্ডাজনিত ক্ষতি থেকে চারা রক্ষা পায়। চারাগাছ হলদে হয়ে গেলে প্রতি বর্গমিটারে 7 গ্রাম করে ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে। এরপরও যদি পাতা হলদে হয় তবে প্রতি বর্গমিটারে গ্রাম করে জিপসার সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে। বীজতলার চারার গোড়া বা পাতা পঁচা রোগ দেখাগেলে ব্যাভিস্টিন বা ম্যানকোজেব গ্রুপের ছত্রাকনাশক স্প্রে করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার বর্ণনা শুনে মনে হচ্ছে আপনার গাছে কৃমি বা নেমাটোডের আক্রমণ হয়েছে। এ অবস্থায় প্রতি শতাংশ জমিতে 20 গ্রাম করে ফুরাডন 60 জি বা কেয়ার জি প্রয়োগ করতে হবে। সম্ভব হলে আক্রান্ত গাছগুলো তুলে ধ্বংশ করতে হবে। ফসল সংগ্রহ করার পর জমি চাষ দিয়ে পতিত রাখতে হবে এতে কৃমিগুলো মারা যাবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার সুন্দর পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ। আগামীতে ছবিসহ পূর্ণাঙ্গ পত্রিকাটি ওয়েবসাইটে দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। বর্তমানে আমরা দেশের বাহিরে পত্রিকাটি পাঠাচ্ছি না, তবে ভবিষ্যতে দেশের বাহিরে পত্রিকা প্রেরণের ব্যবস্থা নেওয়া হলে আপনাদের জানানো হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কমলার চাষ পদ্ধতি সমন্ধে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের ওয়েব সাইটের ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে গিয়ে কমলা ফল ব্রাউজ করুন অথবা সরাসরি লিংকটি ব্যবহার করতে পারেন। আর কমলার চারা সংগ্রহের জন্য যশোর জেলার খয়েরতলায় অবস্থিত কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হর্টিকালচার সেন্টারে যোগযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নটি খুবই সংক্ষিপ্ত বিধায় সঠিক পরামর্শ দেওয়া সম্ভব নয়। বিস্তারিত জানিয়ে আমাদের কাছে আবার প্রশ্ন করুন অথবা আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে সঠিক পরামর্শ নিতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ সময় সরিষার জাব পোকা আক্রমণ করে। এজন্য জমির মাঝে হলুদ ফাঁদ ব্যবহার করতে পারেন। জমিতে হলুদ কাগজের আঠা দিয়ে জমির বিভিন্নস্থানে এই ফাঁদ বসিয়ে পোকা দমন করতে পারেন। আর প্রতি গাছে যদি ৫০টির বেশি পোকা থাকে তবে প্রতি লিটার পানিতে পিরিমর২ গ্রাম বা ২ মিলিলিটার ম্যালাথিয়ন বা সুমিথিয়ন বা ডায়াজিনন মিশিয়ে বিকেলে স্প্রে করতে হবে। আক্রমল বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে এসাটাফ ১ গ্রাম সাথে এমিটাফ বা টিডো বা এডমায়ার ০.৫ মিলিলিটার মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। 2010-2011 অর্থ বছরে মোট ৭.২ লক্ষ হেক্টর জমিতে সবজি উৎপাদন করা হয়েছে যার মোট ফলন ১১১.৯৪ লক্ষ মেট্রেক টন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এভিয়েন ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস গঠিত একধরনের ফ্লু যা সাধারণত পাখিতে হয়ে থাকে। এজন্যে একে বার্ড ফ্লু ও বলা হয়ে থাকে। এই রোগটি পাখির মাধ্যমে মানুষে শরীরে বাহিত হয়। এতে * সংকেত দিয়ে প্রকাশ করা হয়। বার্ডফ্লু প্রথম মানুষের শরীরে ধরা পরে ১৯৯৭ সালে হংকং-এ। সেখান থেকে পরবর্তীতে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পরে। পল্ট্রি ফামের সাথে জড়িত ব্যক্তিদের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা বেশি। এ ছাড়া যারা আক্রান্ত পাখির মাংস, ডিম বা রক্ত ভালমতো রান্ন না করে খায় তারাও এ রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। আক্রান্ত পাখির সংস্পর্শেও এ রোগ ছড়ায়। এ বিষয়গুলো সাবধানতার সাখে দেখতে হবে। ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হর্টিকালচার সেন্টারগুলোতে যোগাযোগ করলে ক্যাপসিকামের ভাল চারা সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া ভাল ও বিশ্বস্ত নার্সারি মালিকদের সাথে যোগাযোগ করেও আপনি চারা সংগ্রহ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। একধরনের ছত্রাকের আক্রমনে আলু গাছের কান্ড পচাঁ রোগ হয়ে থাকে। আক্রান্ত গাছ কিছুটা মাটিসহ সরিয়ে ফেলতে হবে। ফসল সংগ্রহের পর জমি চাষ দিয়ে কিছুদিন ফেলে রাখতে হবে এবং জমিতে পঁচা জৈব সার প্রয়োগ করতে হবে। বীজ বপনের আগে প্রতিলিটার পানিতে ২ গ্রাম ম্যানকোজেব বা ৩গ্রাম ট্রাইকোডারমা ভিড়িডি মিশিয়ে বীজ শোধন করে নিতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত ৭ থেকে ১০ মিটার দূরত্বে মেহেগনির চারা রোপন করতে হয় সে হিসেবে এক কাঠা জমিতে আপনি সর্বোচ্চ ২টি গাছ লাগাতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার কুল গাছের ফল ঝরা রোধ করার জন্য হরমোন ব্যবহার করতে পারেন। এ জন্য প্ল্যানোফিক্স ( এনএএ ৪.৫%) প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৩ মিলিলিটার গুলে ফুল ও ফলে স্প্রে করতে হবে। অথবা ইউ ৪৬ (২,৪ ডি ৫২%) প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২৫ মিলিলিটার গুলে গাছে স্প্রে করতে পারেন। অনেক সময় ফুল ফোটার সময় বা ফল কচি অবস্থায় মাটিতে বেশি রস থাকলেও ফুল ও ফল ঝরে যায়। সেক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে,এ সময় কুলবাগানের মাটি যেস ভেজা না থাকে বা ভাসিয়ে সেচ দেয়া না হয়। আপনাকে প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ্যাকুরিয়াম মাছ চাষ সমন্ধে জানতে হলে উপজেলা মৎস্য অফিস বা মৎস্য অধিদপ্তরে যোগাযোগ করলে বইসহ অন্যান্য ধারণাও পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পেয়ারা গাছের আক্রান্ত পাতা ও ডগা ছাটাই করে ধ্বংস করতে হবে। সম্ভব হলে হাত দিয়ে ডিম ও বাচ্চার গাদা সংগ্রহ করে ধ্বংস করতে হবে। জৈব বালাই নাশক নিমবিসিডিন ব্যবহার করতে পারেন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলিলিটার রগর বা টাফগর বা সানগর বা সুমিথিয়ন মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ভাল ফলন নিশ্চিত করতে প্রথমে ভাল ও উন্নতমানের বীজ সংগ্রহ করতে হবে। এরপর জমি ভালভাবে তৈরি করে তাতে পরিমিত জৈব ও রাসায়নিক সার প্রয়োগ করতে হবে। ফসলের সঠিক যত্ন নিতে হবে এবং রোগ ও পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে হবে। চারার পাতা ৪-৫টি বের হলে মাথা ভেঙ্গে দিতে হবে। পরবর্তীতে গাছে ৪টি শাখা রাখতে হবে। এতে ফল বড় হয়। আমাদের ওয়েব সাইটের ই-কৃষি অংশে ফল ফসলে গেলে তরমুজ চাষ সমন্ধে আরো বিস্তারিত জানতে পারবেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ কিন্তু প্রশ্নটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত হওয়ায় সঠিক পরামর্শ দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। সরিষা গাছের কোন অংশ, কি ধরনের ক্ষতি হচ্ছে বিস্তারিত জানালে আমাদের পক্ষে উত্তর দেয়া সহজ হবে। আপনি আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি অফিসার বা উপজেরা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ নিতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ। আপনাদের এ ধরণের পরামর্শ আমাদের ওয়েব সাইটকে আরও সমৃদ্ধ করবে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রকৃতিক নিয়মেই আমের বেশিরভাগ মুকুল ঝরে যায়। যে পরিমান ফুল ধরে তার মাত্র ১%ফুল ফলে পরিণত হতে পারে। এগুলোও বিভিন্ন করণে নষ্ট হতে পারে। প্রধানতঃ রোগ ও পোকার আক্রমণে মুকুলের বেশি ক্ষতি হয়। তাছাড়া মাটিতে প্রয়োজনীয় রসের অভাব দেখা দিলেও আমের মুকুল শুকিয়ে ঝরে যেতে পারে। পাউডারি মিলডিউ রোগের ফলে মুকুলের উপর সাদাটে গুযোর আবরণ পড়ে এবং মুকুল থেকে গুটি বের হওয়ার আগেই মুকুল ঝড়ে যায়। এ রোগ দমনের জন্য প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম থিওভিট মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। অ্যানথ্রাকনোজ রোগ হলে মুকুল ও মুকুল দন্ডে কালো কালো দাগ পড়ে ও মুকুল শুকিয়ে ঝরে পড়ে। এ রোগ দমনের জন্য প্রতি ১০ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ডায়থেন এম৪৫ বা ৫-১০ মিলিলিটার টিল্ট২৫০ইসি মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।আমের হপার বা শোষক পোকা দ্বারাও মুকুল বেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এ পোকা দমনের জন্য ১০ লিটার পানিতে ২৫ মিলিলিটার রক্সিয়ন ৪০ ইসি বা রগর ৪০ ইসি অথবা ১০ মিলিলিটার রিপকর্ড ১০ইসি মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। পানি ও সারের অভাবে ফুল ঝরা রোধ করতে গাছে সুষম সার দিতে হবে এবং ফুল বের হওয়ার মাসখানেক পর থেকে গাছের তলার মাটি ১৫ দিন অন্তর ৩-৪ বার গভীর সেচ দিয়ে ভিজিয়ে দিতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটের ই-কৃষি অংশে মসলা ফসল অংশে গিয়ে রসুন আবাদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। তাছাড়া সরাসরি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-51.html/false/93 ঠিকানায়ও ভিজিট করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েব সাইটে আমরা সাধারণত কৃষি বিষয়ক সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকি। আপনার কৃষি বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য আমাদেরকে লিখতে পারেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েব সাইটে আমরা সাধারণত কৃষি বিষয়ক সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকি। আপনার কৃষি বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য আমাদেরকে লিখতে পারেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েব সাইটে আমরা সাধারণত কৃষি বিষয়ক সমস্যার সমাধান দিয়ে থাকি। আপনার কৃষি বিষয়ক যে কোন সমস্যার জন্য আমাদেরকে লিখতে পারেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আক্রান্ত গাছ তুলে ধ্বংস করতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে সিকিউর ১ গ্রাম ও মেলোডি ডুও ২ গ্রাম মিশিয়ে ১০ থেকে ১২ দিন পরপর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে। স্প্রে করার সময় গাছের পাতার নিচে, উপরে ও কান্ডসহ স্প্রে করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।পুষ্টির অভাবে এধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাঝাড়া অতিরিক্ত ঠান্ডার জন্য ও এদরনের সমস্যা দেখা যায়। ঠান্ডার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য রাতের বেলা বীজতলা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখতে হবে এবং দিনের বেলা তা সরিয়ে ফেলতে হবে। তাছাড়া সকাল বেলা লাঠি বা দড়ি টেনে গাছে জমা শিশির ফেলে দিতে হবে। আর যদি পুষ্টির অভাবে এধরনের সমস্যা দেখা দেয় তবে প্রতি বর্মিটারে সাত গ্রাম করে ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে। এর পরও যদি সমস্যার সমাধান না হয় তবে প্রতি বরগমিটারে ১০ গ্রাম সজপসার সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি সাভারে অবস্থিত জাতীয় মাশরুম উন্নয়ন কেন্দ্রে যোগাযোগ করে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং প্রয়োজনে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণও গ্রহন করতে পারবেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত পুষ্টির অভাবে এধরনের লক্ষণ দেখা যায়। জমিতে পানির অভাব হলে ফুলের গোড়ায় একটি আস্তর পরে এবং পরবর্তীতে ফুল ঝরে পরে। পরিমান মত সার ও সেচ দিলে এ ধরনের সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। তাছাড়া দেখতে হবে গাছে কোন পোকা বা রোগের আক্রমণ হয়েছে কিনা। যদি রোগ বা পোকার আক্রমণ হয়ে থাকে তবে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। আপনি আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি অফিসার বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ নিতে পারেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নটি খুবই সংক্ষিপ্ত হওয়ায় সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। আপনি পোকার নাম অথবা পোকার বর্ণনা ও ক্ষতির ধরণ জানালে উত্তর দেওয়া সম্ভব হবে। তাছাড়া আপনি আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি অফিসার বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করেও এ সমন্ধে বিস্তারিত জানতে পারবেন। ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জমিতে যদি সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করে না থাকেন তবে সুসম মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হবে। সে সাথে লক্ষ রাখতে হবে যেন জমিতে রোগ ও পোকার আক্রমণ না হয়। রোগ ও পোকার আক্রমণ দেখা দিলে সাথে সাথে আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি অফিসার বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে এর সমাধান করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি সাভারে অবস্থিত জাতীয় মাশরুম উন্নয়ন কেন্দ্রে যোগাযোগ করে এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন এবং প্রয়োজনে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণও গ্রহন করতে পারবেন।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। হাইব্রিড ধান চাষ করতে ইউরিয়া ১ কেজি ৮০০ গ্রাম, টিএসপি ৮৫০ গ্রাম, এমওপি ৮০০ গ্রাম, জিপসাম ৭৫০ গ্রাম এবং দস্তা ১০০ গ্রাম কাঠাপ্রতি প্রয়োগ করতে হবে। তবে গুটি ইউরিয়া প্রয়োগ করলে শতকরা ৩০ ভাগ ইউরিয়া সার কম প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।সাধারণত ঘন কুয়াশা ও মেঘলা আবহাওয়ায় আলুর নাবী ধ্বসা রোগটি দ্রুত ছড়ায়। এ রোগ প্রতিরোধের জন্য প্রতি লিটার পানিতে দুই গ্রাম ম্যানকোজেব দশ থেকে বার দিন পরপর স্প্রে করতে হবে। পরবর্তীতে কুয়াশা ও মেঘলা ইবহাওয়া বিরাজ করলে প্রতি লিটার পানিতে দুই গ্রাম ম্যানকোজেবের সাথে দুইগ্রাম মেটালেক্সিল গ্রুপের ওষুধ যেমন রিডোমেল গোল্ড, করমিল, মেটারিল, নিউবেন যে কোন একটি মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গত বছর অর্থাৎ ২০১১ সনে মোট ৭.২ লাখ হেক্টর জমিতে সব্জি আবাদ করা হয়েছে যার মোট উৎপাদন ১১১.৯৪ লাখ মেট্রেক টন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত ছত্রাকের আক্রমনে গাছে এধরনের সমস্যা দেখা যায়। আক্রান্ত পাতাগুলো তুলে ধ্বংশ করতে হবে। আক্রমণ বেশি হলে টপসিন এম ২ গ্রাম অথবা টিল্ট ২৫০ ইসি ০.৫ মিলিলিটার অথবা ২গ্রাম ডাইথেন এম ৪৫ বা ১ গ্রাম এমকোজেব প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ থেকে ১২ দিন পরপর ২/৩ বার স্প্রে করতে হবে। আর ভবিষ্যতে রোগমুক্ত গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করতে হবে। ব্যভিষ্টিন বা ভিটাভেক্স দিয়ে বীজ শোধন করে নিতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত পুষ্টির অভাবে এধরনের লক্ষণ দেখা যায়। পরিমান মত সার ও সেচ দিলে এ সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে। তাছাড়া অনেক সময় বিভিন্ন রোগের কারনেও এ ধরনের সমস্যা দেখা যায়। এজন্য সঠিক রোগ নির্ণয় করে ব্যবস্থা নিতে হবে। আপনি আপনার উপজেলার কৃষি অফিস বা উপসহকারী কৃষি অফিসারের সাথে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ নিতে পারেন। অথবা বিস্তারিত বর্ণনা দিয়ে আমাদের কাছে লিখুন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ২৫ টন পাট উৎপাদন করতে ৬ থেকে ৭ হেক্টর অর্থাৎ ১৫ থেকে ১৭ একর জমির প্রয়োজন হবে। আর বাজার দর নির্ভর করে প্রতি বছরের উৎপাদনসহ চাহিদার ওপর। আর তাই আপনাকে বাজার মূল্য এখনই জানানো সম্ভব নয়।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। শিম গাছের বাড়বাড়তি বেশি হলে গাছে ফলন কমে যায়। এ জন্য গছের কিছু লতা কেটে দিলে ফলন স্বাভাবিক হয়ে যায়। আপনার গাছের কিছু শাখা কেটে গাছকে হালকা করে দিলে আপনার গাছের ফলন স্বাভাবিক হয়ে যাবে। ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার উপজেলার উপজেলা মৎস্য অফিস, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস ও উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলে লাভবান হবেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার উপজেলার উপজেলা মৎস্য অফিস, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস ও উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলে লাভবান হবেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার উপজেলার উপজেলা মৎস্য অফিস, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস ও উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলে লাভবান হবেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার উপজেলার উপজেলা মৎস্য অফিস, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস ও উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলে লাভবান হবেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার উপজেলার উপজেলা মৎস্য অফিস, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস ও উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলে লাভবান হবেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার উপজেলার উপজেলা মৎস্য অফিস, উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিস ও উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলে লাভবান হবেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জমিতে রসের অভাব হলে ফুলের গোড়ায় একটি লেয়ার তৈরি হয় যার ফলে পরবর্তীতে ফুল ঝরে যায়। জমিতে রসের অভাব যেন না হয় সে জন্য নিয়মিত সেচ দিতে হবে। এছাড়া পুষ্টির অভাবেও ফুল ঝরে পড়তে পা সে জন্য সঠিক মাত্রায় জমিতে টিএসপি ও এমওপি সার প্রয়োগ করতে হবে। আর পাতা কোকড়ানো একটি ভাইরাস জনিত রোগ। আক্রান্ত গাছ দেখা মাত্র তুলে ধ্বংস করতে হবে। এবং ভাইরাসের বাহক পোকা সাদা মাছি দমন করার জন্য ডায়াচিনন, সুমিথিয়ন, রগর, সানগার, টিডো এর যে কোন একটি ব্যবহার করতে পারেন। তাছাড়া মাঝে মাঝে ক্ষুদ্র মাকড় এর মাধ্যমেও এ ভাইরাস ছড়ায়। তাই জমিতে যদি মাকড় দেখা যায় তবে প্রতি লিটার পানিতে ২গ্রাম থিওভিট বা ২ মিলি মিলিলিটার ক্যালথেন ১২ থেকে ১৫ দিন পরপর স্প্রে করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি কথা পাওয়ার জন্য আপনার উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। তাছাড়া কৃষি তথ্য সার্ভিসের আঞ্চলিক কেন্দ্র অথবা ঢাকার খামারবাড়িতে অবস্থিত প্রধান কার্যালয়ে যোগাযোগ করেও কৃষি কথার গ্রহক হতে পারেন। কৃষি কথার গ্রাহক হলে হলে এক বছরের জন্য ৫০ টাকা জমা দিতে হবে। আপনি যদি সরসরি যোগাযোগ করতে না পারেন তবে কৃষি কথার গ্রাহক হওয়ার জন্য আপনার নাম ঠিকানা উল্লেখ করে ৫০ টাকার মানিওয়ার্ডার করে পরিচালক, কুষিতথ্য সার্ভিস, খামারবাড়ি, ঢাকা-১২১৫ এই ঠিকানায় পাঠিয়ে দিতে পারেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কিশোরগঞ্জ জেলার প্রাণী সম্পদ অফিসে যোগাযোগ করলে এ সমন্ধে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন এবং এ বিষয়ে কোন প্রশিক্ষণ থেকে থাকলে তাদের সাথে যোগাযোগ করে গ্রহন করতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ধান গাছের বাকানি রোগ ফিউজারিয়াম মোনিলিফরমি নামক একপ্রকার ছত্রাকের কারনে হয়ে থাকে। এটি একটি বীজ বাহিত রোগ। এ রোগ দমনের জন্য সুস্থ সবল ও রোগমুক্ত গাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করতে হবে। কীজ বপনের পূর্বে প্রতি কেজি বীজ ৩গ্রাম হোমাই বা বেনলেট অথবা ২ গ্রাম ব্যাভিস্টিন দিয়ে শোধন করে নিতে হবে। মাঠে আক্রান্ত গাছ দেখা মাত্র তুলে ধ্বংস করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। অনেক কারণে বেগুন গাছের পাতা মরা মরা ভাব দেখা যেতে পারে। সে জন্য সঠিক কারণ জেনে ব্যবস্থা নিতে হবে। আপনার উপজেলার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ নিয়ে ব্যবস্থা নিলে বেশি লাভবান হবেন। আর বেগুনের ফল ছিদ্রকারি পোকা দমনের জন্য সহনশীল জাত যেমন উত্তরা, নয়নতারা, সিংনাথ, কাঁটাবেগুন চাষ করতে পারেন। জমি পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সেক্স ফেরোমিন ফাঁদ ব্যবহার করে পুরুষ পোকা দমন করতে পারেন। আক্রমণ যদি বেশি হয় তবে প্রতি লিটার পানিতে রিপকর্ড, বাসথ্রিন, সবিক্রন ১ মিলিলিটার অথবা ডিসিস ০.৫ থেকে ১ মিলিলিটার অথবা ডায়াজিনন বা সুমিথিয়ন ১.৫ থেকে ২ মিলিলিটার মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু আপনি নির্দিষ্ট কোন পোকার কথা উল্লেখ না করায় সঠিক সিদ্ধান্ত দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে পোকার আক্রমণ থেকে গাছকে রক্ষা করার জন্য যে কাজগুলো করতে হবে তাহল জমিতে সুষম মাত্রায় সার ব্যবহার করতে হবে, জমি আগাছা মুক্ত এবং পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, জমিতে ডাল পুতে দিয়ে পাখি বসার ব্যবস্থা করতে হবে এবং নিয়মিত ক্ষেত পরিদর্শন করতে হবে। পোকা দমনের জন্য আপনি আপনার উপজেলার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ নিয়ে ব্যবস্থা নিলে বেশি লাভবান হবেন। এছাড়া আমাদের ওয়েব সাইটের ই-কৃষি অংশে দানা ফসলে গেলে ধান সমন্ধে বিস্তারিত জানতে পারবেন। অথবা সরাসরি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-49.html/false/64-ঠিকানায় ব্রাউজ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।সাধারণত রোগ, পোকামাকড়ের আক্রমণ এবং সেচ ও পুষ্টির অভাবে গাছের বৃদ্ধি কমে যায়। জমিতে যদি রসের অভাব হয় অথবা সাঠিক মাত্রায় সার প্রয়োগ করা না হয়ে থাকে তবে জমিতে সেচ ও সার প্রয়োগ করতে হবে। রসুনের লিফ ব্লাইট রোগের জন্য পাতা উপর থেকে নষ্ট হয়ে যায়। এ জন্য আক্রান্ত অংশ সংগ্রহ করে নষ্ট করতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম রোভরাল একক ভাবে অখবা এর সাথে ২ গ্রাম রিডোমিল্ড গোল্ড মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। আর যদি প্রথমে পাতায় সাদা লস্বাটে দাগ দেখ যায় এবং পরবর্তিতে পাতার আগা বাদামি হয়ে শুকিয়ে যায় তবে বুঝতে হবে থ্রিপস্ পোকা আক্রমন করেছে। এ পোকা দমনের চন্য জৈব বালাইনাশক নিমবিসিডিন স্প্রে করতে পারেন। আথবা সাবানের গুড়া ৩-৫ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ম্যালাথিয়ন বা সুমিথিয়ন বা মেটাসিস্টক্স ২ শিলিলিটার অথবা মিপসিন বা সপসিন ২ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তরমুজ চাষাবাদ সমন্ধে বিস্তারিত জানতে আমাদের ওয়েব সাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে গিয়ে সেখান থেকে তরমুজ ফলে যেতে হবে। তাছাড়া http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/290 ঠিকানায় সরাসির ব্রাউজ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কি কারনে এবং কি পরিমান কেরোসিন তেল স্প্রে করেছেন তা জানান নি। বর্তমানে আপনি পানি দিয়ে গাছকে ভালভাবে ধুয়ে ফেলুন। এবং আপনার উপজেলার কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন। গাছ যেহেতু ফেটে গেছে তাই এই ফাটা অংশগুলো দিয়ে রোগ ও পোকার আক্রমণ হওয়ার সম্ভবনা বেশি। তাই রোগ ও পোকার আত্রমণ রোধ করার ব্যবস্থা নিতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গাজিপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর প্রধান অফিসে অথবা সারা দেশে এর আঞ্চলিক অফিসগুলোতে যোগাযোগ করে আপনি বারি উদ্ভাবিত আমের চারা সংগ্রহ করতে পারেন। এছাড়া আপনার উপজেলার কৃষি অফিসে যোগাযোগ করেও তাদের মাধ্যমে সংগ্রহ করতে পারেন। এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হর্টিকালচার সেন্টারগুলো থেকেও আপনি বারি উদ্ভাবিত আম গাছের চারা সংগ্রহ করতে পারেন। আলফারসো জাতের আমারে চারা সংগ্রহ করতে হলে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগে যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মুলার ভাল বীজ উৎপাদন করতে হলে প্রথমে যে কাজটি করতে হবে তা হল ভাল ও উন্নত মানের বীজ সংগ্রহ করতে হবে। এরপর জমিকে ভালভাবে প্রস্তুত করতে হবে। অর্থাৎ প্রয়োজনীয় পরিমান জমি চাষ ও সুষম সার দিয়ে জমি তৈরি করতে হবে। ভিটাভেক্স দিয়ে বীজ শোধন করে নিয়ে জমিতে বীজ বপন করতে হবে। জমিতে নিয়মিত আগাছা পরিস্কার করতে হবে। জমিতে ভিন্ন জাতের মুলা দেখা গেলে তা তুলে ফেলতে হবে এবং রোগ ও পোকার আক্রমণ রোধ করতে হবে। যখন গাচে ফুল আসবে তখন প্রয়োজন না হলে বালাই নাশক ব্যবহার করা যাবে না এবং মৌমাছির বিচরণ বাড়াতে পারলে পরাগায়ন নিশ্চিত হবে। ফলের ভারে পুষ্পদন্ডগুলো হেলে পরে তাই কাছি বা বাঁশ দিয়ে ঠেস দিতে হবে যেন পুস্পদণ্ড হেলে না পরে। ফল সঠিকভাবে পরিপক্ক হলে বীজ সংগ্রহ করতে হবে।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমগাছের মুকুল নষ্ট হবার অনেক কারণ রয়েছে। মাটিতে রসের অভাবে আমের মুকুল শুকিয়ে ঝরে পরে আবার মুকুল অবস্থায় যদি বৃষ্টি বেশি হয় তবে মুকুলের পরাগ ধুয়ে গিয়ে পরবর্তীতে শুকিয়ে ঝরে যায়। বিভিন্ন রোগ যেমন এ্যানথ্রাকনোজ, পাউডারি মিলডিউ প্রভৃতি রোগের জন্য মুকুল নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া আমের শোষক পোকার আক্রমনেও আমের মুকুল নষ্ট হয়ে যায়।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রথমে আপনাকে যে কাজটি করতে হবে তা হল জমি ভালভাবে এবং গভীর ভাবে চাষ দিয়ে আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। সম্ভব হলে জমি সেচ দিয়ে কিছুদিন পানি ধরে রাখতে হবে। এতে আগাছাগুলো নষ্ট হয়ে যাবে। তাছাড়া বাজারে অনেক রকমের আগাছা নাশক পাওয়া যায়। আপনি সেগুলোও ব্যবহার করতে পারেন। বাজার থেকে বা উৎস থেকে আগাছা মুক্ত বীজ সংগ্রহ করে জমিতে রোপন করতে হবে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। যে কোন ধরনের মাটিতে দারুচিনি চাষ করা যায়। তবে হিউমাস সমৃদ্ধ বেলে মাটিতে উৎপাদিত দারুচিনির গুনাগুন সব থেকে ভাল। সব থেকে বেশি দারুচিনি শ্রীলংকাতে উৎপাদিত হয়। বাংলাদেশেও দারুচিনির উৎপাদন হচ্ছে। ভালমানের দারুচিনি উৎপাদনের জন্য ২০ ¬০ থেকে ৩০ ¬০ ডিগ্রি তাপমাত্রা এবং বার্ষিক বৃষ্টিপাত ১২৫০ থেকে ২৫০০ মিলিমিটার প্রয়োজন, যা বাংলাদেশের আবহাওয়ার সাথে মানানসই।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গ্রীষ্মকালে যে সমস্ত সবজি উৎপাদন হয় তা হলো মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া, পটোল, গ্রীষ্মকালিন টমেটো, ধুন্দুল, ঝিংগা, চিচিংগা, ডাঁটা প্রভৃতি আর ফুলের মধ্যে বেলি,পদ্ম,রজনিগন্ধা, দোলনচাঁপা, দোপাটি প্রভৃতি। সবজি ফসলের উৎপাদন কৌশল জানার জন্য আমাদের ওয়েব সাইটের ই-কৃষি অংশে গিয়ে আপনার প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনাকে প্রশ্ন করার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু আপনার প্রশ্নটি অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত হওয়ায় সঠিক উত্তর দেওয়া সম্ভব নয়। সাধারণত সেচ ও পুষ্টির অভাবে পাতা মারা যায়। তাছাড়া রোগ ও পোকার আক্রমণেও পাতা মারা যেতে পারে। যদি জমিতে পর্যাপ্ত রস না থাকে তবে সেচ দিকে হবে এবং সুষম মাত্রায় সার না দিয়ে থাকলে সুষম মাত্রায় সার দিতে হবে। রোগ এবং পোকা দমনের জন্য প্রথম কাজ হচ্ছে তা সনাক্ত করা। এ জন্য ইপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা অথবা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে হবে এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলে আশা করি আপনার সমস্যার সমাধান হবে। পরবর্তীতে আপনার সমস্যা বিস্তারিত জানিয়ে আমাদের কাছে লিখবেন । আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে ফল ফসলের মধ্যে আম চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে, আপনি সেখান থেকে অনেক তথ্য জানতে পারবেন। এছাড়া সরাসরি নিম্নের ঠিকানায় ভিজিট করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ। http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/130

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ধান গাছে বাদামী গাছ ফড়িং আক্রমণ করলে প্রথমে জমি থেকে পানি সরিয়ে ফেলতে হবে। আলোর ফাঁদ ব্যবহার করে এ পোকা দমন করা যায়। তাছাড়া মিপসিন, সপমিন, বাছা, কার্বোসালফান, সুমিথিয়ন, একতারা, ক্যাপ এর যে কোন একটি ব্যবহার করে পোকা দমন করতে পারেন। আক্রান্ত ক্ষেতের ধান কাটার পর নাড়া পুরিয়ে ফেলতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে দানা ফসলের মধ্যে ধানের আবাদ ও ভাল ফলনের জন্য করনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে, আপনি সেখান থেকে অনেক তথ্য জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। উপকূলীয় অঞ্চলে শস্য নিবিড়তা বাড়াতে আমন মৌসুমে ব্রিধান ৪০, ব্রিধান ৪১, ব্রিধান ৪৬, ব্রিধান ৪৯, ব্রিধান ৫১, ব্রিধান ৫২, ব্রিধান ৫৩ জাতের লম্বা চারা রোপন করতে হবে এবং বীজ বপন করতে হবে আষাঢ়ের শুরুতেই। সমুদ্র তীরবর্তী এলাকাতে লবনাক্ততা সহনশীল (৮ থেকে ১০ ডিএস/লিটার) জাতের উফশী বোরো ধান (ব্রি ধান ৪৭) চাষের আবাদ বাড়াতে হবে। এছাড়া মুগডাল আবাদ,সার্জন পদ্ধতিতে সবজি চাষ, গ্রীষ্মকালীন সবজি আবাদ প্রভৃতির মাধ্যমে শস্য নিবিড়তা বৃদ্ধি করা যায়। আরো বিস্তারিত জানতে আপনার নিকটস্থ কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু আপনি পোকার কোন বর্ণনা না দেওয়াতে প্রশ্নের সঠিক সমাধান দেয়া সম্ভব নয়। তবে সাধারণত টমেটো গাছে ফল ছিদ্রকারী ও জাব পোকা আক্রমণ করে থাকে। ফল ছিদ্রকারী পোকার কীড়া টমেটোর ক্ষতি করে। এ পোকা টমেটো ছিদ্র করে ভিতরে ঢোকে এবং কুরে কুরে খায়। এ পোকা দমনের জন্য আক্রান্ত পাতা ও ফল নষ্ট করে ফেলতে হবে। চারা রোপন করার ১৫ দিন পর থেকে নিয়মিত ক্ষেত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি শতকরা ১০ ভাগের বেশি টমেটোর ক্ষতি হয় তবে প্রতি লিটার পানিতে ১মিলি ডেসিস বা সাইপারমেথ্রিন বা ২ মিলি সবিক্রন স্প্রে করতে হবে। আর জাব পেকা দমনের জন্য জৈব বালাইনাশক বা ম্যালাথিয়ন, সুমিথিয়ন বা যে কোন অনুমোদিত কীট নাশক স্প্রে করতে হবে। তবে উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলে সবথেকে ভাল হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে দানা ফসলের মধ্যে ধানের আবাদ ও ভাল ফলনের জন্য করনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে, আপনি সেখান থেকে অনেক তথ্য জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন কারনে কাঁঠাল গাছের ফল ঝরে যেতে পারে। নতুন গাছে ফুল ধরার প্রথম দিকে সাধারণত পুরুষ ফুল উৎপন্ন হয়। এ জন্য প্রথম এবং-দুই বছর ফল ধরে না। তাছাড়া যদি পরাগায়ন ঠিক মত না হয় তাহলেও ফল ঝরে পড়ে। এক্ষেত্রে কৃত্রিম পরাগায়ণের মাধ্যমে ফল ধারণ বৃদ্ধি করা সম্ভব। অতিরিক্ত খরা হলেও ফল ঝরে যায়। খরার সময় নিয়মিত পানি সরবরাহ করলে এ সমস্যা দূর হবে। অপুষ্টির কারণেও ফল ঝরে পড়তে পারে। তাই ফল ধরার পর গাছ প্রতি ২০০ গ্রাম ইউরিয়া, ২০০ গ্রাম টিএসপি ও ২০০ গ্রাম এমওপি সার প্রয়োগ করে গোড়ায় পানি দিতে হবে। রোগ ও পোকার আক্রমনেও ফল ঝরে পড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে রোগনাশক ও কীটনাশক ব্যবহার বা প্রয়োজনীয় প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এক প্রকার ছত্রাকের আক্রমণে কাঁঠাল গাছের মুচি কাল হয়ে ঝরে পেড়ে। আক্রান্ত মুচি ছিড়ে মাটিতে পুতে ফেলতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে ১% বর্দোমিকচার বা ২ গ্রাম ডায়থেন এম ৪৫ বা রিপোমিল গোল্ড বা ০.৫ মিলি ফলিকুর মিশিয়ে মুটিতে ১২-১৫ দিন পর পর ২/৩বার স্প্রে করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কাঠালের ফল ছিদ্রকারী পোকা ফল আসার পর যথেষ্ট ক্ষতি করে থাকে। এজন্য ফল ধারণের একমাস পর পলিথিন ব্যাগ দিয়ে ফল ঢেকে রাখতে হবে। আক্রান্ত ফলগুলো সংগ্রহ করে ধ্বংশ করতে হবে। আক্রান্ত ফল থেকে পোকার কীড়া খুচিয়ে মেরে ফেলতে হবে। ফল ছোট থাকা অবস্থায় প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলিলিটার সাইপারমেথ্রিন বা ২ মিলিলিটার সুমিথিয়ন মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বেগুন গাছ সাধারণত ঢলে পড়া রোগের জন্য হঠাৎ করে মারা যায়। এ রোগটি ব্যাকটেরিয়া ও ছত্রাকের কারনে হয়ে থাকে। পীত বেগুনগাছ কে আদি জোড় হিসেব কলম করে সে গাছ লাগালে এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়। আক্রান্ত গাছ তুলে ধ্বংস করতে হবে। যে জমিতে এ রোগ হয় সে জমিতে আলু, বেগুন, টমেটো, মরিচ ফসল ২/৩ বছর চাষ না করা ভাল। আর জমি তৈরির সময় একর প্রতি ৩ কেচি কার্বোফুরান বা মিরল দিয়ে মাটি শোধন করে নিতে হবে। প্রাথিমিক আক্রান্ত গাছের গোড়ায় ১% বর্দোমিকচার বা ৪০ গ্রাম কুপ্রাভিট ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এছাড়া আপনার উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিস বা উপসহকারী কৃষি অফিসারের সাথে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলে বেশি উপকৃত হবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি ঠাকুরগাঁও জেলার যে উপজেলায় বসবাস করেন সে উপজেলার উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসে যোগাযোগ করে এ সমন্ধে বিস্তারিত জানতে পারবেন। এছাড়া জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসেও যোগাযোগ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পেয়াজ যেহেতু কন্দলি ফসল তাই জমি তৈরি সময় বিশেষ খেয়াল রাথকে হয়। জমির মাটি যদি ঝুরঝুরে না হয় তবে কন্দ বড় হবে না। আর জমি তৈরির সময় সুষম সার দিকে হবে। এবং জমি যেন শুকিয়ে না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। এছাড়াও বিভিন্ন রোগ ও পোকার আক্রমনেও পাতা লাল হয়ে যেতে পারে। সে জন্য আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে সঠিক কারণ জেনে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে বেশি উপকৃত হবেন। তবে ছত্রাক দমনেরে জন্য প্রতিলিটার পানিতে ২ গ্রাম রোভরাল বা ২ গ্রাম রিডোমিল গোল্ড বা ৪ গ্রাম কুপরাভিট মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন। আর পোকার আক্রমন হয়ে থাকলে প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলিলিটার ডায়মেথয়েট বা ম্যালাথিয়ন বা সুমিথিয়ন মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে দানা ফসলের মধ্যে ধানের আবাদ ও ভাল ফলনের জন্য করনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে, আপনি সেখান থেকে অনেক তথ্য জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নে জন্য ধন্যবাদ। মাজরা পোকা দমনের জন্য সম্ভব হলে হাত দিয়ে পোকার ডিমের গাদা সংগ্রহ করে ধ্বংশ করতে হবে। আলোর ফাঁদের সাহায্যেও এ পোকা দমন করা যায়। তাছাড়া জমিতে ডাল পুতে পাখি বসার ব্যবস্থা করলে পাখি পোকা খেয়ে আক্রমন রোধ করতে সাহায্য করবে। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি হেক্টর জমিতে ১০ কেজি কার্বোফুরান ৫জি অথবা ১.১৫ লিটার কার্বোসালফান (মার্শাল), ১.২০ লিটার কারটাপ, ১৭ কেজি বাসুডিনিএর যে কোন একটি ব্যবহার করতে পারেন। আর ফসল সংগ্রহের পর অবশ্যই নাড়া পুড়িয়ে ফেলতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নে জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটের ই-কৃষি অংশে ফল ফসল বিভাগে লেবু, বেল, আম ও লিচু গাছ চাষ পদ্ধতি ও রোগ ও পোকা দমন সম্পর্কে বিস্তারিত দেয়া আছে। আপনি সেখান থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। এছাড়া আপনার উপজেলার উসহকারী কৃষি অফিসার বা উপজেলা কৃষি আফিসে যোগাযোগ করেও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নে জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত ছত্রাকের আক্রমনে এ রোগ হয়ে থাকে। এ রোগ দমনের জন্য রোগ প্রতিরোধী গাছের জাত চাষ করতে হবে। বীজ বপনের পূর্বে ভিটাভেক্স বা ব্যাভিস্টিন দিয়ে বীজ শোধন করে নিতে হবে। এছাড়া আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ডায়থেন এম ৪৫ বা রোভরাল বা রিডোমিণ গোল্ড ২ গ্রাম মিশিয়ে গাছের গোড়ায় স্প্রে করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমগাছের মুকুল ঝরে পড়ার অনেক কারণ রয়েছে। মাটিতে রসের অভাবে আমের মুকুল শুকিয়ে ঝরে পরে আবার মুকুল অবস্থায় যদি বৃষ্টি বেশি হয় তবে মুকুলের পরাগ ধুয়ে গিয়ে পরবর্তীতে শুকিয়ে ঝরে যায়। বিভিন্ন রোগ যেমন এ্যানথ্রাকনোজ, পাউডারি মিলডিউ প্রভৃতি রোগের জন্য মুকুল ঝরে পড়তে পারে। তাছাড়া আমের শোষক পোকার আক্রমনেও আমের মুকুল জরে পড়ে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে অন্যান্য ফসলের মধ্যে পাম ওয়েল আবাদ ও ভাল ফলনের জন্য করনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে, আপনি সেখান থেকে অনেক তথ্য জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের এই ওয়েবসাইটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে দানা ফসলের মধ্যে ধানের আবাদ ও ভাল ফলনের জন্য করনীয় সম্পর্কে বিস্তারিত নিয়ম কানুন দেওয়া আছে, আপনি সেখান থেকে অনেক তথ্য জানতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জমি তৈরির সময় আপনি কি পরিমান সার ব্যবহার করেছেন তা কিন্তু জানাননি। যদি সুষম মাত্রায় সার ব্যবহার না করে থাকেন তবে সুষম মাত্রায় সার ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া পাতা পোড়া রোগের জন্য এধরনের সমস্যা দেখা দেয়। আক্রান্ত গাছের গোড়ায় চাপ দিলেপুজের মতো আঠালো ও দুর্গন্ধযুক্ত রস বের হয় তবে বুজতে হবে পাতা পোড়া রোগ হয়েছে। এ রোগ দেখা দিলে বিঘাপ্রতি অতিরিক্ত ৫কেজি পটাশ সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে। এবং জমির পানি শুকিয়ে ৭-১০ দিন পর আবার সেচ দিতে হবে। আপনি আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি অফিসার বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে উপকৃত হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ব্রি ধান ৫৫ একটি উচ্চফলনশীল আগাম জাত যা আউশ মৌসুমে চাষ করা হয়। গাছের উচ্চতা ১০০ সেন্টিমিটার এবং চাল লম্বা ও মাঝারি চিকন। এটি একটি মধ্যম মাত্রা লবণসহনশীল (৮-১০ ডিএস/মিটার, ৩ সপ্তাহ পর্যন্ত) এবং মাঝারি ঠান্ডা ও খরা সহনশীল জাত। হেক্টর প্রতি গড় ফলন ৪.৫ টন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আপনার গাছের বয়স, জাত এবং কিকি পরিচর্যা করেছেন তা কিন্তু উল্লেখ করেননি। সাধারণত পর্যাপ্ত পুষ্টি ও পরিচর্যার অভাবে গাছে ফলের আকৃতি ও পরিমান কমে হয়। প্রতিটি পূর্ণ ফলবান গাছের জন্য গোবর সার ৪০-৫০ কেজি, ইউরিয়া ১.২ কেজি, টিএসপি ১ কেজি ও এমওপি ১কেচি প্রয়োগ করতে হবে। এসব সার তিন ভাগের এক ভাগ ফল ধরার পর ও বাকী দু’ভাগ সার গাছ ছাঁটাইয়ের পর দিতে হবে। সার দেয়ার পর ও শুষ্ক মৌসুমে সেজ দিতে হবে। এছাড়া কুলগাছের গোড়া থেকে ৭৫ সেন্টিমিটার পর্যন্ত কোন ড়ালপালা রাখা যাবে না। গাছের অবস্থা বুঝে প্রতিটি গাছে ৩-৪টি শক্ত সমর্থ ডাল রেখে বাকিগুলো ছাঁটাই করে দিতে হবে। এছাড়া প্রতি বছর ফল সংগ্রহের পর বছরে একবার সমস্ত ডাল ছেঁটে দিতে হবে। এছাড়া রোগ ও পোকার আক্রমণ রোধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। এ সমস্ত ব্যবস্থা নিলে আশা করি আপনার গাছের ফলন অনেক বেশি হবে এবং ফলের আকৃতিও বড় হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।আক্রান্ত মরা পাতা, ডাল পুড়িয়ে ফেলতে হবে। ভোর বেলা বীজতলায় বা মাঠে গছের গোড়ায় শুকনো ছাই ছিটালে ছত্রাকের আত্রমণ কম হয়। রোগাক্রান্ত গাছের গোড়ায় শুকনো ছাই মিশ্রিত পটাশ সার মাটির সাথে মিশিয়ে দিলে পুনরায় নতুন করে শিকড় বের হয়ে গাছ সতেজ হয়। রোগাক্রান্ত হওয়ার আগে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম কমপ্যানিয়ন বা ৪ মিণি কুপ্রাভিট বা ২ গ্রাম চ্যাম্পিয়ন বা ২মিলি টিল্ট মিশিয়ে স্প্রে করলে ছত্রাকের আক্রমণ কম হয়। অনেক সময় কৃমির আক্রমনেও এ ধরনের লক্ষণ দেখা যায়। তাই আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে সঠিক কারণ জেনে ব্যবস্থা নিলে ভাল ফল পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটের প্রকাশনাতে আমাদের “কৃষিকথা” পত্রিকার সফট কপি ডাউনলোড করা হয়। বর্তমানের মাসিক সংখ্যাসহ পুরাতন সংখ্যাগুলোও এখানে আপলোড করা হচ্ছে। আশা করি নিকটবর্তী সময়ের মধ্যে আমরা আমাদের সমস্ত সংখ্যা আপলোড করতে পারবো। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি পোকার কোন বর্ণনা দেননি বা কিধরনের ক্ষতি হচ্ছে তারও বর্ণনা দেননি। ফলে আমাদের পক্ষে পোকা সনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। আপনি আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরমর্শ অনুযায়ী কাজ করলে আশা করি ভাল ফলাফল পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাদা সার অর্থাৎ ইউরিয়া সার প্রয়োগের পরও যদি ধানগাছের বাড়বাড়তি কম হয় তবে বুঝতে হবে জমিতে সালফারের অভাব হয়েছে। এক্ষেত্রে জমি থেকে পানি সরিয়ে বিঘা প্রতি ৮ কেজি জিপসাম নার উপরি প্রয়োগ করতে হবে। আর যদি ধানগাছ মাঝেমধ্যে খাটো বা বসে যায় এবং পুরনো পাতায় মরচে পড়া বা বাদামি রং থেকে কমলা রঙ ধারণ করে এবং ধানের কুশি কম থাকে তখন দন্তার অভাব হয়েছে বলে ধরে নেয়া যায়। এক্ষেত্রেও জমি থেকে পানি সরিয়ে বিঘা প্রতি ১.৫ কেজি দস্তা সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার কম্পিউটারে বিজয় বায়ান্নো থাকলে সেখান থেকে ইউনিকোড ব্যবহার করে বাংলা টাইপ করতে পারেন। আর তা নাহলে অভ্র এর মাধ্যমেও আপনি বাংলায় প্রশ্ন করতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন কারনে পুকুরের মাছ মারা যেতে পারে। পানিতে সংক্রামক রোগের বিস্তার ঘটলে বা পানি বিষাক্ত হয়ে পড়লে বা খাবারের অভাব হলেবা মাছের পরিমান বৃদ্ধি পেলে মাছ মারা যেতে পারে। এজন্য সঠিক তথ্য জেনে ব্যবস্থা নিতে হবে। আর তাই আপনার উপজেলার মৎস্য কর্মকর্তা বা জেলার মৎস্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করলে লাভবান হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাগান করতে হলে প্রথমেই জমি নির্বাচন করতে হবে। এজন্য উচু ও পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পায় এমন স্থান নির্বাচন করতে হবে। জমিটি অবশ্যই পানির উৎসের কাছে হতে হবে। এর পর জমি ভালভাবে তৈরি করতে হবে। জমি তৈরির সময় রাসায়নিক সারের সাথে সাথে জৈব সারও ব্যবহার করতে হবে। এরপর বিশ্বস্ত নার্সারি থেকে বীজ বা চারা সংগ্রহ করতে হবে। বীজ বা চারা সংগ্রহের জন্য কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত হর্টিকালচার সেন্টার গুলোতে যোগাযোগ করতে পারেন। চারা সংগ্রহের পর সঠিক ভাবে বপন ও যত্ন নিলে আপনার বাগান সুন্দর হবে। এ কাজে আপনি আপনার উপজেলার উপসহকরী কৃষি কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করথে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এধরনের দাগ নারকেল, সুপারিগাছে অনেক দেখা যায়। আপনার দাগগুলো থেকে যদি কষ বা রস না পরে তবে এ নিয়ে চিন্তা করার কিছু নাই। আর যদি রস বের হয় তবে আক্রান্ত স্থান চেঁছে ফেলতে হবে এবং সেস্থানে বোর্দো পেস্ট লাগিয়ে দিতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জামবুরা গাছে যে সমস্যার কথা বললেন তা মূলত সঠিক মাত্রায় সার ব্যবহার না করার ফলে হয়ে থাকে। এজন্য গাছে সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হবে। প্রতি বছর বর্ষার আগে একবার এবং বর্ষার পরে একবার সার দিতে হবে। প্রতিবার সার প্রয়োগের সময় গাছপ্রতি পচা গোবর ২০ কেজি, খৈল ১ কেজি, ইউরিয়া ৫০০ গ্রাম, টিএসপি ৮০০ গ্রাম, এমওপি ৫০০ গ্রাম, কপার বা তুঁতে ৫ গ্রাম, বোরন ৩০ গ্রাম, জিংক ৫ গ্রাম, ম্যাঙ্গানিজ ৫ গ্রাম এবং চুন ১৫ গ্রাম করে দিতে হবে। এর সাথে সাথে সেচ ও নিকাশের ব্যবস্থা ঠিকমত করতে হবে এবং রোগের সংক্রমণ যাতে না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক উদ্ভাবিত বারি-১ জাতের স্ট্রবেরী বাংলাদেশের সমস্ত অঞ্চলের জন্য উপযোগী। সুতরাং বারি-১ জাতের স্ট্রবেরী আপনি খুব সহজেই চাষ করতে পারেন। তবে আপনার জমির মাটি যদি দোঁআশ থেকে বেলে দোঁআশ হয় তবে ফলন আরো ভাল হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ইউরিয়া সার প্রয়োগ করার পরও যদি ধান গাছ হলদে থাকে বা বাড়-বাড়তি কম হয় তবে জমিতে গন্ধকের অভাব রয়েছে বলে ধরে নেয়া হয়। এক্ষেত্রে প্রথমে জমি থেকে পানি সরিয়ে দিতে হবে। এরপর শতাংশ প্রতি ২.৫ কেজি জিপসাম সার প্রয়োগ করতে হবে। তবে উপরি প্রয়োগের সময় জিপসাম সার মাটি কিংবা ছাই অথবা ইউরিয়া সারের সাথে মিশিয়ে উপরি প্রয়োগ করা ভাল। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আপনার জমিতে কি ধরনের পোকা আসছে তার বর্ণনা দেননি। তবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন চাষাবাদ করলে রোগ ও পোকার আক্রমণ কম হয়। আপনার জমিতে ডাল পুতে রাখলে সেখানে পাখি বসবে এবং জমির পোকা খেয়ে পোকার আক্রমণ অনেক কমিয়ে দেবে। এছাড়া আলোর ফাদ ব্যবহার করেও পোকার আক্রমণ রোধ করতে পারেন। এরপরও যদি পোকার আক্রমণ রোধ করা না যায় তবে আপনার নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিস বা আপনার ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে ব্যবস্থা নিন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জমিতে যখন ফসল থাকবে না তখন প্রথমে আপনার জমিতে নয়টি অংশে ভাগ করে নিতে হবে। এরপর নয়টি অংশের মাঝঅংশ হতে মাটি সংগ্রহ করতে হবে। এজন্য প্রথমে কোদাল দিয়ে আগাছা পরিস্কার করে নিতে হবে। এরপর উপর থেকে ৬ সেন্টিমিটার পর্যন্ত মাটি সংগ্রহ করতে হবে। এরপর নয় জাগার মাটি একত্র করে ভালভাবে মেশাতে হবে এবং ময়লা আবর্জনা পরিস্কার করতে হবে। এরপর মাটিকে সমান চারভাগ করে দুইভাগ নিয়ে আবার ভালভাবে মেশাতে হবে। এভাবে যতক্ষণ পর্যন্ত মাটির ওজন আধা কেজি বা ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত এ কাজগুলো করতে হবে। এবার মাটিকে ছায়া যুক্ত স্থানে রেখে ভালভাবে শুকাতে হবে। শুকানোর পর মাটিকে ভালভাবে গুড়া করে পরিস্কার পলিথিনে ভরে আপনার নিকটস্থ মৃত্তিকা গবেষণা কেন্দ্রে মাটি পরীক্ষার জন্য দিয়ে আসতে হবে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি অফিসার বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাউটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে দানা ফসলে গিয়ে সেখান থেকে ধান চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। এছাড়া বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্রের নিজেস্ব ওয়েব সাইট থেকেও বিস্তারিত জানতে পারবেন। ওয়েব সাইটের ঠিকানা হচ্ছে www.brri.gov.com

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বর্ণনা পড়ে মনে হচ্ছে অলটারনারিয়া লিফ ব্লাইট হয়েছে। এ রোগ প্রতিরোধ করার জন্য রোগমুক্ত বীজ ব্যবহার করতে হবে। বীজ বপনের পূর্বে প্রতি কেজি বীজ ২ গ্রাম ব্যাভিস্টিন বা ২.৫ গ্রাম ভিটাভেক্স দিয়ে শোধন করে নিতে হবে। জমিতে আক্রমন বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম রোভরাল বা ডায়থেন এম ৪৫ বা ৫ গ্রাম কুপরাভিট ৫০ ডব্লিউ পি অথবা ১ মিলি স্কোর ২৫০ইসি এর যে কোন একটি মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জমিতে রসের অভাব হলে ফুলের গোড়ায় একটি লেয়ার তৈরি হয় যার ফলে পরবর্তীতে ফুল ঝরে যায়। জমিতে রসের অভাব যেন না হয় সে জন্য নিয়মিত সেচ দিতে হবে। এছাড়া পুষ্টির অভাবেও ফুল ঝরে পড়তে পারে। এ জন্য জমিতে টিএসপি ও এমওপি সার প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আপনার জমিতে কিধরনের পোকা আসছে তার বর্ণনা দেননি। তবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন চাষাবাদ করলে রোগ ও পোকার আক্রমণ কম হয়। আপনার জমিতে ডাল পুতে রাখলে সেখানে পাখি বসবে এবং জমির পোকা খেয়ে পোকার আক্রমণ অনেক কমিয়ে দেবে। এছাড়া আলোর ফাদ ব্যবহার করেও পোকার আক্রমণ রোধ করতে পারেন। এরপরও যদি পোকার আক্রমণ রোধ করা না যায় তবে আপনার নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিস বা আপনার ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে ব্যবস্থা নিন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বালু মাটিতে সাধারণত বাদাম ও মিষ্টিআলু চাষ ভাল হয়ে থাকে। এছাড়া বেশি করে জৈব সার তথা গোবর সার দিয়ে পিট তৈরি করে তাতে মিষ্টিকুমড়া চাষ করতে পারেন। বেশি করে পঁচা গোবর, কম্পোষ্ট সার প্রয়োগ এবং বর্ষার সময় সবুজ সার যেমন ধৈঞ্চা চাষ এর মাধ্যমে মাটিতে জৈব পদার্থের পরিমান বৃদ্ধি করতে পারেন। এত পরবর্তীতে অন্যান্য ফসল চাষ করতে পারবেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কিন্তু পোকার বর্ণনা দেননি। বর্ণনাসহ লিখলে সঠিক সমাধান দেয়া যেত। তবে সাধারণত এ সময় পামরি পোকা, ঘাসফড়িং ও উরচুঙ্গা পোকা পাতা খেয়ে গাছের ক্ষতি করে থাকে। এসব পোকা দমনের জন্য জমিতে ডাল পুতে দিন এবং হাতজাল বা মশারির কাপড় দিয়ে পোকা ধরে মেরে ফেলুন। আক্রমণ বেশি হলে প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলিলিটার কার্বোসালফান, ৩ মিলি কুইনালফস বা ১ মিলি সাইপারমেথ্রিন জাতীয় বালাইনাশক ব্যবহার করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার পেয়ারা গাছে সাদা মাছি পোকা আক্রমণ করেছে। সাদা আঠাযুক্ত বোর্ড বা আলোর ফাদ ব্যবহার করে এ পোকা দমন করা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে আক্রান্ত পাতা তুলে ধ্বংস করে ও এ পোকার আক্রমণ রোধ করা যায়। ৫০ গ্রাম সাবানের গুড়া ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে পাতার নিচে ২/৩বার ভালমত স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। আক্রমণ বেশি হলে অনুমোদিত বালাইনাশক যেমন এডমার ০.৫ মিলি বা ০.২৫ মিলি ইমিটাফ বা ২ মিলি টাফগার/রগর/সানগর প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত সুগন্ধিযুক্ত এবং চিকন চালগুলো বাজারে বেশি দামে বিক্রি হয়ে থাকে। এর মধ্যে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট উদ্ভাবিত বিআর ৫ (সুগন্ধি),বিআর ২৬, ব্রি ধান ৩৪(সুগন্ধি), ব্রি ধান ৩৭(সুগন্ধি), ব্রি ধান ৩৮ (সুগন্ধি), ব্রি ধান ৩৯, ব্রি ধান ৫০ (বাংলামতি, সুগন্ধি) উল্লেখযোগ্য।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার এলাকার নিকটস্থ বিএডিসির বীজ ডিলারদের সাথে যোগাযোগ করে বীজ সংগ্রহ করতে পারেন। এছাড়া হাটহাজারী, চট্টগ্রামে অবস্থিত আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে সরাসরি যোগাযোগ করেও আপনি বীজ সংগ্রহ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পাম চাষ সমন্ধে বিস্তারিত জানার জন্য আমাদের ওয়েব সাইটের প্রথম পাতায় ই-কৃষি অংশে অন্যান্য ফসলে ব্রাউজ করুন অথবা সরাসরি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-53.html/false/154 ঠিকানায় ভিজিট করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। নাইট্রোজেনের অভাবে গাছের গোড়ার দিকে বয়স্ক পাতা এবং কান্ডের সবুজ অংশ হলুদ হয়ে যায়। অভাব তীব্র হলে পাতা মরে যায়। নাইট্রোজেনের অভাবে গাছে কুশির সংখ্যা কমে যায়, গাছের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায় এবং পাতা ছোট হয়ে যায়। এর অভাবে সালোকসংশেষণ হার কমে যায়; ফলে গাছে শর্করা উৎপাদন হ্রাস পায়। ধান গাছে আগাম পরিপক্বতা আসে, ফলে ফলন কম হয়। ফসফরাসের তথা টিএসপি সারের অভাবজনিত প্রধান লক্ষণ হলো সীমিত সংখ্যক কুশি, সরু পাতা এবং গাঢ় সবুজ বর্ণের খাটো গাছ। এ সারের অভাবে কাণ্ড চিকন ও সুচের মতো হয় এবং গাছের বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়। পরিপক্বতা দীর্ঘায়িত হয় এবং মারাত্মক অভাবে অনেক সময় গাছে একেবারেই ফুল আসে না। শিষে পুষ্ট দানার সংখ্যা কমে যায়। এমওপি বা পটাসিয়ামের অভাবে গাছের গোড়ার পাতায় বাদামি দাগ দেখা যায়। প্রাথমিক অবস্থায় পাতার আগার দিক হলদেটে কমলা রঙ ধারণ করে। পরে এ বিবর্ণ রঙ পাতার গোড়ার দিকে ছড়িয়ে পড়ে ফলে পাতা মরে বা শুকিয়ে যায়। গাছে রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ বেশি দেখা যায়। শিষে অনেক সময় অনিয়মিতভাবে নেক্রোটিক দাগ দেখা যায় এবং চিটার হার বেড়ে যায়। ধান গাছ হেলে পড়ে। সালফারের অভাবজনিত লক্ষণ নাইট্রোজেনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ; তবে পার্থক্য হলো নাইট্রোজেনের অভাবে প্রথমে গাছের পুরাতন পাতা হলুদ হয়ে যায় এবং সালফারের অভাবে গাছের নতুন গজানো পাতা হলুদ হয়। ধান গাছের উচ্চতা, কুশির সংখ্যা, শিষের আকার খাটো এবং প্রতি শিষে দানার সংখ্যা কমে যাওয়াসহ জমির ধান সাধারণত ১-২ সপ্তাহ পরে পাকে। বীজতলায় এর অভাব হলে চারা হলুদ হয়ে যায়। চারা রোপণের ২-৪ সপ্তাহ পরে ধান গাছে দস্তার অভাব দেখা যায় এবং সে ক্ষেত্রে কচি পাতার গোড়া সাদা হয়ে যায়। পুরাতন পাতা মরচে পড়া বাদামি থেকে হলদে কমলা লেবুর মতো রঙ ধারণ করে। পাতার আকার ছোট ও সরু হয়। গাছের বৃদ্ধি সুষম হয় না। মাঠের মধ্যে স্থানে স্থানে উচ্চতার ভিন্নতা দেখে মনে হয় গাছগুলো মাঝে মাঝে বসে গেছে। গাছে রোগবালাইয়ের প্রকোপ বেশি দেখা যায়।  

wrote...

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ । লবনাক্ততা দূর করতে প্রথমে যা করতে হবে তা হলো জমিতে যাতে লবণাক্তপানি প্রবেশ করতে না পারে তার ব্যবস্থা করা। যদি পানির প্রবেশ রোধ করা না যায় তবে বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যেমন লবণাক্ততাসহিষ্ণু জাতের আবাদ, জমিতে এমওপি সার বেশি করে প্রয়োগ করা, রিজ বা টিলা তৈরি করে তার মধ্যে চাষাবাদ করা, মাটির ক্যাপিলারি পোর বা কৈশিক নালীগুলোকে চাষের মাধ্যমে ভেঙ্গে দেয়া, সেচ কাজে অলবণাক্ত পানির ব্যবহার করা।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ । মাটিতে রসের অভাব, আধিক্য অথবা সুষম সারের অভাব, ছত্রাকের আক্রমণ ও শোষক পোকার কারণে ফল ঝরে পড়ে। দীর্ঘকাল খরা থাকার পর এবং খরার পর প্রথম বৃষ্টির পর কচি নারিকেল ঝেরতে দেখা যায়। নিয়মিত সুষম সার প্রয়োগ ও উপযুক্ত পরিচর্যার দ্বারা কচি নারিকেল ঝরা রোধ করা যায়। ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হলে কপার আক্সিক্লোরাইড জাতীয় ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ । ছাদের উপর পেয়ারা গাছ লাগানোর জন্য প্রথমে আপনাকে আপনার পছন্দের পেয়ারার চারা সংগ্রহ করতে হবে এবং তা হতে হবে কলমের। এরপর বড় মাপের টব বা ড্রামে চারা রোপন করতে হবে। টবের মধ্যে নীচের দিকে ইটের খোয়া দিয়ে তার উপর শুকনো পাতা বিছিয়ে দিতে হবে। এরপর জৈব সার মিশ্রিত মাটি দিয়ে ড্রামটি ভরতে হবে এবং তাতে চারা লাগাতে হবে। টবের গাছে সাধারণত বছরে চারবার সার প্রয়োগ করতে হয়। এক্ষেত্রে প্রথম দিকে প্রতি টবে ১২০ গ্রাম মিশ্র সার (নাইট্রোজেন, ফসফরাস, এমওপি ও ম্যাঙ্গানিজ ৬:৬:৬:২ এই অনুপাতে) দিতে হবে। তবে গাছে যখন ফল থাকবে তখন এমওপি সারের পরিমান বাড়াতে হবে এবং টিএসপি সারের পরিমান কমিয়ে দিতে হবে।১ বছর পর টবপ্রতি ৪৫০ গ্রাম মিশ্র সার প্রতিবারে প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ । আমাদের ওয়েব সাইটের ই-কৃষি অংশের দানা ফসলে ইদুর দমনের ওপর বিস্তারিত দেয়া আছে এছাড়া সরাসরি ব্রাউজ করার জন্য http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/917.html -এই ঠিকানায় যেতে পারেন। তবে যে কোন দমন ব্যবস্থা একা একা না নিয়ে মাঠের সমস্ত কৃষক একসাথে করলে ভাল ফল পাবেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ । আমাদের ওয়েব সাইটের ই-কৃষি অংশের দানা ফসলে ইদুর দমনের ওপর বিস্তারিত দেয়া আছে এছাড়া সরাসরি ব্রাউজ করার জন্য http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/917.html -এই ঠিকানায় যেতে পারেন। তবে যে কোন দমন ব্যবস্থা একা একা না নিয়ে মাঠের সমস্ত কৃষক একসাথে করলে ভাল ফল পাবেন। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। ১% বর্দোমিক্সচার তৈরি করতে যা প্রয়োজন তা হলো ১০০গ্রাম কপার সালফেট বা তুতে, ১০০ গ্রাম চুন ও ১০ লিটার পানি। প্রথমে আলাদা আলাদা পাত্রে তুত ও চুন গুলে নিয়ে পরবর্তীতে অন্য একটি পাত্রে পানির সাথে মেশাতে হবে। তাহলেউ হয়ে যাবে ১% বর্দোমিক্সচার। আরো বিস্তারিত জানতে হলে আমাদের ওয়েব সাইটের প্রথম পাতার ই-কৃষি অংশে অন্যান্যতে গিয়ে বর্দোমিক্সচারে ভিজিট করুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ । সাধারণত পোকার লার্ভা অবস্থায় গাছের পাতা খেয়ে নষ্ট করে। পোকার আক্রমণ রোধ করতে সম্ভব হলে হাত দিয়ে পোকাগুলোকে সংগ্রহ করে মেরে ফেলতে হবে। আক্রমল বেশি হলে অনুমোদিত কীটনাশক যেমন ম্যালাথিয়ন, সুমিথিয়ন, সাইপারমেথ্রিন জাতীয় ওষুধ প্রয়োগ করে সহজেই এ পোকার আক্রমণ রোধ করা যায়।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ । মাটিতে রসের অভাব, আধিক্য অথবা সুষম সারের অভাব, ছত্রাকের আক্রমণ ও শোষক পোকার কারণে ফল ঝরে পড়ে। নিয়মিত সুষম সার প্রয়োগ ও উপযুক্ত পরিচর্যার দ্বারা লিচুর মৌ ঝরা রোধ করা যায়। ছত্রাক দ্বারা আক্রান্ত হলে কপার আক্সিক্লোরাইড জাতীয় ছত্রাকনাশক প্রয়োগ করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ । আমাদের ওয়েব সাইটের ই-কৃষি অংশের অন্যান্য ফসলে স্ট্রবেরী চাষের ওপর বিস্তারিত দেয়া আছে এছাড়া সরাসরি ব্রাউজ করার জন্য http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-53.html/false/124-এই ঠিকানায় যেতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ । মরিচ গাছের পোকা সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা না দেওয়াতে সছিক পরামর্শ দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। আপনি আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলে আশা করি আপনার সমস্যার সমাধান হবে। তবে সাধারণত মরিচ গাছে এসময় থ্রিপস ও জাবপোকা আত্রমণ করে থাকে। এগুলো দমনের জন্য জৈব বালাইনাশক (নিমবিসাইডিন) ব্যবহার করতে পারেন। এছাড়া প্রতিলিটার পানিতে ডায়মেথয়েট ২ মিলি বা ম্যালাথিয়ন ও সুমিথিয়ন ২ মি. লি মেটাসিস্টক্স ২ মি.লি মিশিয়ে স্প্রে করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ । সাধারণত জিংক সারের অভাবে জমির কোথাও কোথাও গাঝ বসে যেতে দেখা যায়। এজন্য প্রথমে জমি থেকে পানি বের করে দিতে হবে। তারপর বিঘা প্রতি ১.৫ কেজি করে দস্তা সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে। তবে জমিতে লবণাক্ততার কারণে ব্যাপক ভাবে ধানগাছ বসে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে শতাংশপ্রতি ৫০০ গ্রাম টিএসপি সার উপরি প্রয়োগ করতে হবে এবং জমির কৈশিক নালীগুলো নিড়ানির মাধ্যমে ভেঙ্গে দিতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্থুলভাবে ধান গাছের বৃদ্ধির চারটি অবস্থা বা স্টেজ ধরা হয়। ১. চারা অবস্থা, ২. কুশি গজানো অবস্থা, ৩. প্রজনন অবস্থা এবং ৪. পাকা অবস্থা। মাজরাপোকা, বাদামী গাছ ফড়িং এ দুটি পোকা সকল অবস্থাতেই ধান গাছে আক্রমণ করে থাকে। পামরী পোকা, সবুজ পাতা ফড়িং, ঘাস ফড়িং এরা চারা, কুশি গজানো এবং প্রজনন অবস্থায় আক্রমণ করে থাকে। পাতা মোড়ানো পোকা, গল মাছি ও চুঙ্গি পোকা কুশি গজানো ও প্রজনন অবস্থায় আক্রমণ করে থাকে।স্কীপার ও লেদা পোকা কুশি গজানো অবস্থায় এবং গান্ধি পোকা ও শীষকাটা লেদা পোকা ধান পাকা অবস্থায় অর্থাৎ দুধ পর্যায় থেকে পরিপক্ক অবস্থায় আসা পর্যন্ত আক্রমণ করে থাকে। ধানের সব অবস্থায় ব্লাষ্ট, ব্রাউন স্পট, ব্যাক্টেরিয়াল ব্লাইট, টুংরো, উফরা রোগ হয়ে থাকে। সীথ রট ও লীফ স্কল্ড থোর অবস্থায় স্টেম রট ও বাকানী রোগ কুশি অবস্থায় হয়ে থাকে। সীথ ব্লাইট বা খোল পচা রোগ কুশী গজানোর শেষ অবস্থার পর থেকে বাকি সময় পর্যন্ত হয়ে থাকে।

wrote...

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটের (www.ais.gov.bd) ই-কৃষি অংশের অন্যান্য তে গেলে পান ফসল চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। অথবা সরাসরি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-53.html/false/159 ঠিকানায় ব্রাউজ করে পান চাষ সম্পর্কে জানতে পারবেন। এরপরও যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে আমাদেরকে বিস্তারিত জানাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটের (www.ais.gov.bd) ই-কৃষি অংশের সবজি ফসলে গেলে রাই তথা বরবটি ফসল চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। অথবা সরাসরি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-52.html/false/76 ঠিকানায় ব্রাউজ করে বরবটি বা রাই চাষ সম্পর্কে জানতে পারবেন। এরপরও যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে আমাদেরকে বিস্তারিত জানাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এবিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করার জন্য আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। এছাড়া বিআরডিবি ও উপজেলা যুব উন্নয়ণ অফিসে যোগাযোগ করেও এবিষয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পাহাড়ী এলাকায় যে সমস্ত ফল ভাল জন্মে যেমন আনারস, পেপে, কাঁঠাল, কলা, আম, লেবু, পেয়ারা এসবের যে কোনটি চাষ করলে আপনি লাভবান হবেন। তবে শুধুমাত্র একক বাগান না করে যদি মিশ্র বাগান করেন তবে বেশি লাভবান হবেন। এবং এখান থেকে সারা বছরই অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। বাগান করার আগে আপনার এলাকার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলে ভাল ঢল পাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি কিন্তু প্রশ্নে উল্লেখ করেননি যে আপনার পেয়ারা গাছটি কলম থেকে নাকি বীজ থেকে উৎপন্ন চারা লাগিয়েছেন। যদি বীজ থেকে চারা লাগিয়ে থাকেন তবে ফল আসতে ৪ থেকে ৫ বছর সময় লাগে। আর যদি কলমের চারা হয় তবে আপনি কি ধরনের যত্ন নিচ্ছেন অর্থাৎ সার প্রয়োগ করা, নিয়মিত সেচ দেয়া প্রভৃতি এবং গাছের কোন রোগ বা পোকার আক্রমণ হয়েছে কিনা তা বিস্তারিত জানিয়ে আমাদেরকে আবার লিখুন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটের (www.ais.gov.bd) ই-কৃষি অংশের ফল ফসলে গেলে পেঁপে ও তরমুজ চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। অথবা সরাসরি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/86 ও http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/290 ঠিকানায় ব্রাউজ করে পেঁপে ও তরমুজ চাষ সম্পর্কে জানতে পারবেন। এরপরও যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে আমাদেরকে বিস্তারিত জানাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।মরিচ গাছের পাতা সাধারণত দুটি কারণে কুকড়ে যায়। এক মাকড়সা আক্রমণ এবং দুই ভাইরাসের আক্রমণে। কুকড়ে যাওয়া পাতার নীচে যদি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাকড়সা দেখা যায় তবে সেক্ষেত্রে বাজারে অনুমোদিত মাকড়নাশক যেমন থিওভিট ২ গ্রাম বা ক্যালথের ২ মিলিলিটার প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ১২ থেকে ১৫ দিন পরপর স্প্রে করতে হবে। আর যদি ভাইরাস আক্রমণ করে তবে আক্রান্ত গাছ তুলে ধ্বংস করতে হবে এবং ভাইারাসের বাহক পোকা সাদা মাছি দমনের জন্য ডায়াজিনন, সুমিথিয়ন, রগর, সানগার, টাফগার এড়মায়ার, বা টেডো এর যে কোন একটি জমিতে স্প্রে করতে হবে। জমিতে পর্যাপ্ত পানি ও সারের অভাব, ভাইরাসের আক্রমণ এসব কারনে মরিচ গাছের পাতা হলুদ হয়ে যেতে পারে। জমিতে যদি সঠিক মাত্রায় সার দেয়া না হয়ে থাকে তবে সাঠিক মাত্রায় সার বিশেষ করে ইউরিয়া ও জিপসাম প্রয়োগ করতে হবে। মাটিতে যদি আর্দ্রতা কম থাকে তবে নিয়মিতে সেচ দিতে হবে। আর ভাইরাসের আক্রমণে হয়ে থাকলে আক্রান্ত গাছগুলো তুলে ধ্বংস করতে হবে। মরিচ ফল ছিদ্রকারী পোকা দমনের জন্য আক্রান্ত ফলগুলো তুলে ধ্বংস করতে হবে। সেক্স ফেরোমিন ফাঁদ ব্যবহার করেও এ পোকা দমন করা যায়। এছাড়া এন্ডোসালফান গ্রুপের কীটনাশক ২ মিলি/লিটার অথবা কার্বারিল গ্রুপের কীটনাশক ২গ্রাম/লিটার হারে জমিতে স্প্রে করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। দেশের অনেক স্থানে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু কিছু গুদাম করা হয়ে থাকে কিস্তু তার সংখ্যা অনেক নগন্য। এ সংক্রান্ত কোন তথ্য আমাদের কাছে না থাকায় সঠিক সংখ্যা ও অবস্থান জানাতে পারছিনা বালে অত্যন্ত দুঃখিত। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনি আপনার ঠিকানা সম্পূর্ণভাবে না দেয়ায় আমাদের পক্ষে সঠিক ঠিকানা দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। তবে আপনার ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদে একসেস টু ইনফরমেশন প্রকল্পের আওতায় সবধরণের ই-সেবা দেয়ার জন্য ইউনিয়ন তথ্য সেবা কেন্দ্র চালু করা হয়েছে। সেখান থেকে আপনি সহজেই কৃষি ই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। চাষের জমিতে লবণাক্ততা দুর করতে হলে কতগুলো বিশেষ পদ্ধতি গ্রহণ করতে হবে। প্রথমত সেচ ও নিকাশ ব্যবস্থার উন্নতি করতে হবে। জমিতে ভাল পানি দিয়ে বেশি করে সেচ দিয়ে লবণাক্ততা দুর করতে হবে এবং সেই সাথে সেচকৃত পানি যাতে সহজেই জমি থেকে বের হয়ে যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। এছাড়া জমিতে মাল্চিং ব্যবস্থা করে লবনাক্ততা কমানো যায়। সার্জন পদ্ধতিতে চাষবাদ করেও লবণাক্ততার হাত থেকে ফসল রক্ষা করা যায়। জমিতে বেশি পরিমান এমওপি সার ব্যবহার করেও লবণাক্ততা কমানো যায়। এছাড়া লবণ সহনশীল জাতের আবাদের মাধ্যমেও এ সমস্যা থেকে সমাধান পাওয়া যায়।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। পোকার বর্ণনাসহ জানালে সঠিক পরামর্শ দেয়া সম্ভব হতো। আপনার নিকটস্থ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে লাভবান হবেন। তবে বাজারে অনুমোদিত কীটনাশক যেমন রিপকর্ড ১ মিলিলিটার বা ২ মিলিলিটার ডার্সবান বা পাইরিফস, ৩ গ্রাম সেভিন প্রতিলিটার পানিতে মিশিয়ে ম্প্রে করে পোকার আক্রমণ থেকে আপনার ফসল রক্ষা করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তবে এ বিষয়ে সঠিক পরামর্শের জন্য আপনার উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করলে বেশি লাভবান হবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। প্রয়োজনীয় পরিমান সারের অভাবেও এ ধরণের সমস্যা দেখা যায়। আপনি যদি নারিকেল গাছে সার প্রয়োগ করে না থাকেন তবে বর্ষার আগে ও বার্ষার শেষে প্রতিবার ৪০০ গ্রাম ইউরিয়া, ৪০০ গ্রাম এমওপি এবং ৪০০ গ্রাম করে টিএসপি সার প্রতি গাছে প্রয়োগ করতে হবে। আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কুষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদরে পরামর্শ অনুযায়ী ব্যবস্থা নিলে আরো বেশি উপকৃত হবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আম গাছের মুকুল আসার পর ফুল ফোটার আগে বালাইনাশক দিতে হয়। যদি ফুল ফোটার পর বালাইনাশক প্রয়োগ করে থাকেন তবে মুকুল ঝরে পড়বে। আর যদি মুকুল ফোটার আগে বালাইনাশক দিয়ে থাকেন তবে মোটিতে রসের অভাবে মুকুল ঝরে পড়তে পারে। এক্ষেত্রে গাছের গোড়ায় নিয়মিত পানি দিতে হবে। আরো বিস্তারিত জানার জন্য আপনার উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ নিতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত ছাতরা পোকা বা সাদা মাঠি পোকার আক্রমণে পেয়ারা গাছে এ ধরনের সমস্যা দেখা যায়। যদি পাতায় টোকা দিলে বা পাতা ঝাকালে সাদা সাদা পোকা উড়তে দেখা যায় তবে বুষতে হবে সাদা মাছি পোকা আত্রমণ করেছে। এক্ষেত্রে সাদা আঠা যুক্ত বোর্ডস্থাপন বা আলোর ফাঁদ ব্যবহার করে এ পোকা দমন করা যায়। এছাড়া ৫০ গ্রাম সাবানের গুড়া ১০ লিটার পানিতে গুলিয়ে পাতার নীচে সপ্তাহে ২/৩ বার ভাল করে স্প্রে করলে এ পোকা দমন হয়। যদি সাদা মাছি পোকা দেখা না যায় তবে বুঝেতে হবে ছাতরা পোকা আক্রমণ করেছে। এক্ষেত্রে আক্রান্ত পাতা ও ডগা ছাঁটাই করে ধ্বংস করে ফেলতে হবে। গাছের গোড়ার মাটি থেকে ১৫-২০সেমি উপরে স্বচ্ছ পরিথিন দিয়ে মুড়ে দিতে হবে যাতে মিলিবাগ গাছে উঠতে না পারে। জৈব বালাই নাশক নিমবিসিডিন ব্যবহার করে এ পোকা দমন করা যায়। উভয়ক্ষেত্রে আক্রমণ যদি বেশি হয়ে থাকে তবে সর্বশেষ ব্যবস্থা হিসেবে প্রতি লিটার পানিতে ২ মিলিলিটার রগর বা টাফগার বা সানগর বা সুমিথিয়ন বা মিপসিন বা সপসিন মিশিয়ে পাতায় স্প্রে করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। জমি ভালভাবে চাষ ও ও মই দিয়ে ও আগাছা বাছাই করে ৩ ও ১ মিটার আকারের বীজতলা করে সেখানে বীজ বপন করা হয়। শীতকালের জন্য ভাদ্র-আশ্বিণ মাসে ও বর্ষা মৌসুমের জন্য ফাল্গুন-চৈত্র মাসে বীজতলায় বীজ বপন করতে হয়। সুতরাং আপনি এ সময় মরিচ চাষ করতে পারেন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটের (www.ais.gov.bd) ই-কৃষি অংশের প্রাণী সম্পদ অংশে গেলে কোয়েল পালন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। অথবা সরাসরি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/1862.html ঠিকানায় ব্রাউজ করে কোয়েল পালন সম্পর্কে জানতে পারবেন। এরপরও যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে আমাদেরকে বিস্তারিত জানাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশ কৃষি গবেষনা প্রতিষ্ঠানে আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলোতে যোগাযোগ করে সেখান থেকে আপনার কাংখিত জাতের চারা সংগ্রহ করতে পারেন। এছাড়া জয়দেবপুর, গাজীপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মুল অফিসে যোগাযোগ করেও চারা সংগ্রহ করতে পারবেন। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হর্টিকালচার সেন্টারগুলোতে যোগাযোগ করেও আপনার কাংখিত চারা সংগ্রহ করতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটের (www.ais.gov.bd) ই-কৃষি অংশের অন্যান্য তে গেলে মাশরুম চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। অথবা সরাসরি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-53.html/false/160 ঠিকানায় ব্রাউজ করে মাশরুম চাষ সম্পর্কে জানতে পারবেন। এরপরও যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে আমাদেরকে বিস্তারিত জানাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। নারিকেল গাছে ফল না আসার অনেক কারণ আছে। যেমন অপরিপক্ক বীজ থেকে চারা উৎপাদন করলে সে চারাগাছ থেকে ফল উৎপাদনে দেরি হয় আবার অনেক সময় ফল ধরেনা। এছাড়া পরিমানমত সার ও পানির অভাব হলেও ফল আসতে দেরি হয় বিশেষ করে পটাশ ও বোরন সার। এজন্য বর্ষার আগে ও বর্ষার পরে নারিকেল গাছে সুষম মাত্রায় জৈব সারসহ রাসায়নিক সার দিতে হবে এবং মাটি যদি শুকনো থাকে তবে নিয়মিত সেচ দিতে হবে। এছাড়া অনেক সময় রোগ ও পোকার আক্রমনে ফুল ঝরে পরতে পারে। তাই সঠিক বিালাই নির্ণয় করে সঠিক সময়ে সঠিক মাত্রায় সঠিক বালাই নাশক গাছে দিতে হবে। সঠিক বালাই ও বালাইনাশক নির্ধারনের জন্য আপনার ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার বর্ণনা পড়ে মনে হচ্ছে আপনার জমিতে পাতা পোড়া রোগ হয়েছে। এক্ষেত্রে জমির পানি শুকিয়ে ৭-১০ দিন পর আবার সেচ দিতে হবে। আক্রান্ত জমিতে ২০০-৩০০ গ্রাম পটাশ সার ৩০ লিটার পামিতে মিশিয়ে ১৪ শতাংশ জমিতে বিকেলে স্প্রে করতে হবে। এছাড়া প্রতি লিটার পানিতে ৪ গ্রাম কুপরাভিট বা ২ গ্রাম চ্যাম্পিয়ন মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। তবে আপনার ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি অফিসার বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে তাদের পরামর্শ মতো ব্যবস্থা নিলে আরো বেশি উপকৃত হবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। গরুর গায়ের উকুন ধ্বংস করার জন্য বাজারে পাওয়া যায় এমন যে কোন অনুমোদিত উকুননাশক প্রয়োগ করতে পারেন। তবে কোন উকুননাশকই ডিম ধ্বংস করতে পারে না। এ জন্য ৩ সপ্তাহ পরপর নিয়মিত ভাবে ৩ থেকে ৪ বার ব্যবহার করতে হবে। এছাড়া পরিস্কার পরিচ্ছন্ন ভাবে গাভীপালনের দিকেও নজর দিতে হবে। আরো বিস্তারিত জানার জন্য আপনার উপজেলার প্রণীসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশে প্রতি বছর ২৬০০ হাজার মেট্রিক টন মসলার চাহিদা রয়েছে সেখানে ২০০৯-২০১০ অর্থ বছরে মসলা ফসলের মোট উৎপাদন ছিল ১৩৪৯ হাজার মেট্রিকটন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। নাইলোটিকার পোনা বাছাই ও চাষ পদ্ধতি সমন্ধে জানতে আপনার উপজেলার মৎস্য অফিস বা জেলা মৎস্য অফিস বা ঢাকায় অবস্থিত মৎস্য অধিদপ্তরে যোগাযোগ করলে এবং তাদের পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করলে অধিক লাভবান হবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলা নিয়ে বরেন্দ্র অঝ্চল গঠিত। ১৯৮৫ সনে বিএডিসি’র মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার বরেন্দ্র অঞ্চলের সমন্বিত উন্নয়ন নামক প্রকল্প গ্রহন করেন। ১৯৯০ সালে এর মেয়াদ শেষ হলে কৃষি মন্ত্রনালয়ের অধিনে ১৫ জানুয়ারি ১৯৯২ সনে বরেন্দ্র বহুমূখী উন্নয়ন সংস্থা নামে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৃষির উন্নয়নে একটি নতুন সংস্থা গঠন করা হয়। এ সংস্থা এ পর্যন্ত ১৮টি উন্নয়ণমূলক প্রকল্প গ্রহণ করেছে। এ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জানতে হলে www.bmda.gov.bd- এই ঠিকানায় ব্রাউজ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাজরা পোকা দমনের জন্য আপনার ক্ষেতে ডাল বা কঞ্চি পুতে দিলে সেখানে পাখি আসবে এবং তারা এ পোকা খেয়ে আক্রমণ রোধ করবে। এছাড়া হাত জাল দিয়ে মাজরা পোকা ধরে মেরে ফেলতে হবে। ধান কাটার পর নাড়া পুড়ে ফেলতে হবে। আলোর ফাঁদ ব্যবহার করেও এ পোকা দমন করা যায়। মেহেগনির বীজ পানিতে ভিজিয়ে রেখে যে কষ বের হয় তা ৬ থেকে ৭ গুন পানির সাথে মিশিয়ে স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। আক্রমণ বেশি হলে হেক্টর প্রতি কার্বোফুরান ৫জি ১০ কেজি বা কার্বোসালফান ১.১৫ লিটার বা কারটাপ ১.২০ লিটার বা বাসুডিন ১০ জি ১৭ কেজি হারে ব্যবহার করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেলতে হবে। পানের বরজ ও আশ-পাশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। আক্রমণ বেশি হলে তালস্টার ২ মিলিলিটার বা ডায়মেথয়েট ১ মিলিলিটার বা চেস ১ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ।সাধারণত রসুনের লিফ ব্লাইট বা পার্পেলব্লচ রোগের শেষের দিকে এধরণের লক্ষণ দেখা যায়। উভয় ক্ষেত্রে আক্রান্ত পরিত্যাক্ত অংশ সংগ্রহ করে নষ্ট করে ফেলতে হবে। এ রোগ দেখা দিলে প্রতি লিটার পানিতে ২ গ্রাম রোভরাল একক ভাবে অথবা ২গ্রাম রোভরাল ও ২ গ্রাম রিডোমেল গোল্ড একত্রে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। IPM বা Integrated Pest Management তথা সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা হচ্ছে ফসলের রোগ ও পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণের একটি আধুনিক প্রযুক্তি যেখানে অনেকগুলো উপকরণ একত্রিত করে ফসলের রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ রোধ করা হয়ে থাকে। ৫টি উপকরনের মাধ্যমে এ কাজটি করা হয়ে থাকে- ১. জৈবিক দমন তথা উপকারী পোকামাকড় ও প্রাণী সংরক্ষণ, ২. বালাই সহনশীল জাতের চাষ, ৩. আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি, ৪. যান্ত্রিক দমন যেমন হাত জাল দিয়ে পোকা সংগ্রহ করে ধ্বংস করা, আলোর ফাঁদ ব্যবহার করা, সেক্স ফেরোমেন ব্যবহার করা, বিষ টোপ ব্যবহার এবং ৫. সর্বশেষ ব্যবস্থা হিসেবে রাসানিক ঔষধের মাধ্যমে বালাই দমন।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন কারনে ধানের পাতা সদা হয়ে যেতে পারে। আপনার নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে সঠিক কারণ যেনে তাদের পরামর্শ মতে কাজ করলে আশা করি আপনার সমস্যা সমাধান হবে। আর যদি ব্যাপক আকারে এ সমস্যা দেখা দেয় তবে বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্রে চিঠি লিখলে তারা এসে আপনার জমি পর্যবেক্ষণ করে সঠিক পরামর্শ দিতে পারবে। চিঠি লিখার ঠিকানা- মহাপরিচালক, বাংলাদেশ ধান গবেষণা কেন্দ্র, জয়দেবপুর, গাজীপুর। ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। হাইব্রিড বোরো ধানে বিঘা প্রতি ১৬ কেজি এমওপি সারের দুইতৃতীয়াংশ অর্থাৎ ১০ কেজি সার জমি তৈরির শেষ চাষের সময় এবং বাকি একতৃতীয়াংশ অর্থাৎ ৬ কেজি সার ২য় কিস্তি ইউরিয়া অর্থাৎ চারা রোপনের ৩৫ থেকে ৪০ দিন পর উপরি প্রয়োগ করতে হবে। আলোর ফাঁদ ব্যবহার করে খুব সহজেই গান্ধি পোকার আক্রমণ কমানো যায়। এছাড়া শামুকের মাংসের সাথে বালাউনাশক মিশিয়ে কাপড়ের পুটলিতে বেঁধে ধানের দুধ আসার সময় বিষ ফাঁদ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন। আক্রমণ বেশি হলে প্রিতি লিটার পানির সাথে ২ মিলিলিটার ম্যালাথিয়ন বা ক্লোরোপাইরিফস বা ডাইমেথয়েট অথবা ২ গ্রাম কারবারিল মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। এবং হাইব্রিড জাত থেকে যে বীজ উৎপন্ন হয় সে বীজ শুধুমাত্র খাদ্য শস্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়। বীজ ফসল হিসেবে কখনোই ব্যবহার করা যাবে না। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটের (www.ais.gov.bd) ই-কৃষি অংশের দানা ফসল অংশে গেলে ভূট্টা চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। অথবা সরাসরি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-49.html ঠিকানায় ব্রাউজ করে ভূট্টা চাষ সম্পর্কে জানতে পারবেন। এরপরও যদি কোন প্রশ্ন থাকে তবে আমাদেরকে বিস্তারিত জানাবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর: আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করে বাংলাদেশের ফসল পঞ্জিকাটি সংগ্রহ করতে পারবেন। এছাড়া কৃষি তথ্য সার্ভিস থেকে প্রকাশিত কৃষি ডায়রি থেকে এটি সংগ্রহ করতে পারেন। আমাদের ওয়েব সাইটেও কিছুদিনের মধ্যে এটি আপলোড করে দেয়া হবে। আপনি ইচ্ছা করলে সেখান থেকেও সংগ্রহ করতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমের ক্ষতিকারক কয়েকটি পোকা রয়েছে। যেমন-ভোমরা পোকা, ফল ছিদ্রকারী পোকা, শোষক পোকা ইত্যাদি। আমাদের এই ওয়েবসাইটের ই-কৃষি অংশের ফল ফসলের ভেতর আম-এ ক্লিক করে বিস্তারিত জানতে পারবেন। অথবা সরাসরি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2508.html লিংকটি ব্যবহার করে জানতে পারবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। নারিকেল গাছে ফল না আসার অনেক কারণ আছে। যেমন অপরিপক্ক বীজ থেকে চারা উৎপাদন করলে সে চারাগাছ থেকে ফল উৎপাদনে দেরি হয় আবার অনেক সময় ফল ধরেনা। এছাড়া পরিমানমত সার ও পানির অভাব হলেও ফল আসতে দেরি হয় বিশেষ করে পটাশ ও বোরন সার। এজন্য বর্ষার আগে ও বর্ষার পরে নারিকেল গাছে সুষম মাত্রায় জৈব সারসহ রাসায়নিক সার দিতে হবে এবং মাটি যদি শুকনো থাকে তবে নিয়মিত সেচ দিতে হবে। এছাড়া অনেক সময় রোগ ও পোকার আক্রমনে ফুল ঝরে পরতে পারে। তাই সঠিক বিালাই নির্ণয় করে সঠিক সময়ে সঠিক মাত্রায় সঠিক বালাই নাশক গাছে দিতে হবে। সঠিক বালাই ও বালাইনাশক নির্ধারনের জন্য আপনার ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আঙ্গুর ও মিষ্টি তেতুলের চারা আপনার আশেপাশের মানসম্মত নার্সারীগুলো থেকে সহজেই সংগ্রহ করতে পারেন। এছাড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃক পরিচালিত হর্টিকালচার সেন্টারগুলো থেকেও এর চারা সংগ্রহ করতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। তুলা উন্নয়ন বোর্ড এর সদর দপ্তর ঢাকার ফার্মগেটে অবস্থিত খামারবাড়ির ৩য় বিল্ডিং এর ৫ম এবং ৬ষ্ঠ তলায় অবস্থিত। এ ছাড়াও সংস্থার অধীনে দেশের কয়েকটি এলাকায় আঞ্চলিক কার্যালয় এবং তুলা গবেষণা খামার/কেন্দ্র রয়েছে।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। এ রোগ সাধারণত কুশি গজানো অবস্থায় মাঠে দেখা যায়। এ রোগের জন্য প্রথমে যে কাজ করতে হবে তা হলো রোগ প্রতিরোধী জাতের ধান আবাদ। রোগ দেখা দিলে জমির পানি শুকিয়ে পরে আবার পানি দিতে হবে। আক্রান্ত জমিতে ইউরিয়া সার কম ও পটাশ সার বেশি দিতে হবে। ধান কাটার পর জমির নাড়া ও থড় জমিতে পুড়ে ফেলতে হবে। আক্রমণ যদি বেশি হয় তবে অনুমোদিত ছত্রাকনাশক যেমন কৃপ্রাভিট, হোমাই, টপসিন এম বা বেনলেট এর যে কোন একটি প্রয়োগ করতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। মাজরা পোকার আক্রমণে সাধারণত এ ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। মাজরা পোকা দমনের জন্য আপনার ক্ষেতে ডাল বা কঞ্চি পুতে দিলে সেখানে পাখি আসবে এবং তারা এ পোকা খেয়ে আক্রমণ রোধ করবে। এছাড়া হাত জাল দিয়ে মাজরা পোকা ধরে মেরে ফেলতে হবে। ধান কাটার পর নাড়া পুড়ে ফেলতে হবে। আলোর ফাঁদ ব্যবহার করেও এ পোকা দমন করা যায়। মেহেগনির বীজ পানিতে ভিজিয়ে রেখে যে কষ বের হয় তা ৬ থেকে ৭ গুন পানির সাথে মিশিয়ে স্প্রে করলে ভাল ফল পাওয়া যায়। আক্রমণ বেশি হলে হেক্টর প্রতি কার্বোফুরান ৫জি ১০ কেজি বা কার্বোসালফান ১.১৫ লিটার বা কারটাপ ১.২০ লিটার বা বাসুডিন ১০ জি ১৭ কেজি হারে ব্যবহার করতে হবে।

wrote...

আপনার মন্তব্যের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। আপনি উল্লেখিত বীজগুলো সংগ্রহের জন্য নিকটস্থ উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করুন। তারা আপনাকে আপনার সুবিধাজনক স্থান মোতাবেক বীজের উৎস সম্পর্কে ধারণা দিতে পারবেন। প্রয়োজনে উপ-পরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ফরিদপুর মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন (ফোন:০৬৩১-৬২৫৪৮)

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। স্যাফরন বা জাফরান চাষের জন্য শুষ্ক ও শীতল আবহাওয়ার প্রয়োজন হয়। এর জন্য আর্দ্রতা ৬৫% এর নীচে এবং সাধারণত বছরজুরে ২০ থেকে ২২ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা প্রয়োজন। এছাড়া ফুল উৎপাদনের জন্য দৈনিক ১১ ঘন্টা সূর্যালোর প্রয়োজন। সুতরাং বাংলাদেশে সাধারণ ভাবে এর চাষ করা সম্ভব নয় তবে গ্রীনহাউজের মাধ্যমে চাষ করা যায় কিন্তু তা অত্যাধিক ব্যয়বহুল। বর্তমানে বাংলাদেশে যে উদ্ভিদটি স্যাফরন হিসেবে চাষ করা হচ্ছে সেটির বাংলা নাম সিন্দুরী বীজ। বাংলাদেশের মাটি ও আবহাওয়া এটি চাষের জন্য অনুকূল।গাছটি মধ্যম আকৃতির হওয়ায় বড় টবে চাষ করা সম্ভব মার্চ এপ্রিল মাসে বীজ থেকে চারা তৈরি করে বা বীজ সরাসরি মাটিতে লাগানো যায়। চারা বা বীজ নার্সারী বা জাতীয় বৃক্ষ মেলা থেকে সংগ্রহ করতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। কৃষি তথ্য সার্ভিসের এই ওয়েবসাইটে মাশরুম চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করা হয়েছে। আপনি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-53.html/false/160 লিংকটি ব্যবহার করে জানতে পারবেন। মাশরুম শুধু প্যাকেটেই না মেঝেতেও চাষ করা যায়। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য জাতীয় মাশরুম উন্নয়ন ও সমপ্রসারণ কেন্দ্র সাভার, ঢাকা (প্রকল্প পরিচালকের ফোন নং:০২-৭৭৪২৪৯৬)অথবা দেশের বিভিন্ন সাব সেন্টারের সাথে যোগাযোগের জন্য পরামর্শ দেয়া হলো।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বীজ থেকে উৎপাদিত চারা থেকে দুই ধরনের ডালিম গাছ হয়ে থাকে। একটাতে শুধু মাত্র পুরুষ ফুল হয়, এতে কোন ফল হয়না। আর অন্যটিতে পুরুষ ও স্ত্রী ফুল দুটোই হয় এবং ফল ধরে। যদি আপনার গাছে শুধু পুরুষ ফুল উৎপন্ন হয় তবে তাতে আর ফল ধরনে না। এজন্য বীজ থেকে চারা না করে কোন একটি ভাল জাতের ডলিম গাছ থেকে কলম করে সে চারা লাগালে এক বছরের মধ্যে ফল সংগ্রহ করতে পারবেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার গাছের বয়স, সার দেওয়া হয়েছে কিনা তা উল্লেখ করলে ভালো হতো। সাধারণত: চায়না লিচুর ক্ষেত্রে ফল আসতে গাছের বয়স ৫-৬ বছর হতে হয়। তাছাড়া গাছে মাকড় আক্রমণের কারণেও ফল না ধরতে পারে। এজন্য মাকড়নাশক (যেমন-ওমাইট) ব্যবহার করতে হবে। তাছাড়া সুষম সার বিশেষ করে টিএসপি (২০০ গ্রাম), পটাশ (২০০ গ্রাম) এবং বোরণ সার (৩০ গ্রাম) পরিমিত মাত্রায় দিতে হবে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার প্রশ্নে সাথে ঠিকানা দেওয়া থাকলে উত্তর দেয়া সম্ভব হতো। তবে আপনার উপজেলার উপজেলা কৃষি অফিস বা জেলায় অবস্থিত কীটনাশক ডিলারদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের কাছ থেকে সেক্স ফেরোমেন ফাঁদ সংগ্রহ করতে পারেন। এছাড়াও আপনি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট, গাজীপুর এ কীটতত্ত্ব বিভাগে যোগাযোগ করতে পারেন। (ফোন নং:০২-৯২৬১৫০১-৫) আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর : আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আপনার বর্ণনা পড়ে মসন হচ্ছে আপনার বাগানে কলার গুচ্ছমাথা রোগ হয়েছে। এটি একটি ভাইরাস জনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত গাছ দেখামাত্র গোড়াসহ তুলে পুড়ে বা পুঁতে ফেলতে হবে যাতে এ রোগ অন্যান্য গাছে সংক্রামিত হতে না পারে। এ ভাইরাসের বাহক পোকা যেমন জাবপোকা ও থ্রিপস দমনের জন্য অনুমোদিত বালাইনাশক যেমন এসাটাফ, টিডো বা এডমায়ার ব্যবহার করতে পারেন। পরবর্তীতে চারা রোপনের নময় সুস্থ সবল চারা রোপন করতে হবে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন জাত ব্যবহার করতে হবে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর : আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বিভিন্ন কারনে কলাগাছের পাতায়ে মরা মরা ভাব দেখা যায়। জমিতে যদি পানির অভাব হয় তবে এধরনের লক্ষণ দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে নিয়মিত সেচ দিতে হবে। এছাড়া বিভিন্ন রোগ ও পোকার আক্রমনেও এ ধরনের লক্ষণ দেখা যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে সঠিক কারণ নির্ণয় করে সঠিক দমন ব্যবস্থা নিতে হবে। সঠিক কারণ নির্ণয়ের জন্য আপনার নিকটস্থ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা বা উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন। অথবা বিস্তারিত বর্ণনা সহ আমাদের কাছে লিখতে পারেন। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর : আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। সাধারণত মাছি পোকা ও অন্যান্য ফলছিদ্রকারী পোকার কারনে ফল পচে যায়। আক্রান্ত ও পচে যাওয়া ফল সংগ্রহ করে মাটিতে পুতে ফেলতে হবে। ফল আসলে সম্ভব হলে ফলগুলোকে কাগজের ব্যাগ দিয়ে ঢেকে দিতে হবে। এছাড়া জমিতে সেক্স ফেরোমোন বা বিষটোপ (১০০ গ্রাম থেতলানো মিষ্টিকুমড়া বা চিটাগুর এর সাথে ১৫ ফোঁটা যে কোন বালাইনাশক মিশিয়ে বিষটোপ তৈরি করা যায়) ব্যবহার করে এসব পোকা দমন করা যায়। তবে যদি ফেরোমোন বা বিষটোপ দুপি পদ্ধতি একসাথে ব্যবহার করা হয় তবে পোকা দমন বেশি হয়। প্রতি লিটার পানিতে ১০ মিলিলিটার ডিপটেরেক্স ৫০ ইসি বা ২ মিলিলিটার সবিক্রন মিশিয়ে জমিতে পোকার সংখ্যা যখন বেশি থাকবে তখন স্প্রে করতে হবে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর : আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের দেশে যে সাধারণ মার্কেট আছে অর্থাৎ পণ্যের যে সাপ্লাই চেইন আছে তা হলো উৎপাদক তাদের পণ্য সাধারণ বাজারে বিক্রি করেন। সেখান থেকে দালাল বা ফরিয়া ব্যবসায়ীরা পণ্য সংগ্রহ করে এবং তা আড়তদারদের কাছে নিয়ে আসে, আড়তদার থেকে তা যায় পাইকারী বাজারে এবং সেখান থেকে খুচরা বাজার এং সর্বশেষে ভোক্তা। এ বিষয়ে ঢাকার সেচভবনে অবস্থিত হর্টেক্স ফাউন্ডেশন অনেক কাজ করেছে। আপনি তাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। তাদের সাথে যোগাযোগের নম্বর হচ্ছে +৮৮-০২-৮১২৩৪৩৩। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর : আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনিস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত বারি মরিচ-১ একটি উন্নতমানের জাত এবং হাইব্রিড যমুনা এফ-১ জাতটিও ভাল ফলন দিয়ে থাকে। এছাড়া পাবনা, বগুড়া, ফরিদপুর নামক স্থানীয় জাতগুলোও ভাল ফলন দিয়ে থাকে। আপনাকে ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর : আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। যেহেতু আপনার গাছের বয়স মাত্র এক বছর তাই ভবিষ্যতে ভাল ফলন পেতে হলে প্রথম দুএক বছর মুকুল আসলে তা ভেঙ্গে ফেলতে হবে। এতে গাছে পর্যাপ্ত পূর্ণতা আসবে এবং দীর্ঘ দিন ভাল ফলন পাওয়া যাবে। এছাড়া ভাল ফলন পাওয়ার জন্য বছরে দুইবার অর্থাৎ বর্ষাকাল শুরু হওয়ার আগে একবার ও বর্ষার পরে একবার, সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হবে এবং গাছের নিয়মিত যত্ন নিতে হবে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর : আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আমাদের ওয়েব সাইটের (www.ais.gov.bd) ই-কৃষি অংশের সবজি ফসল-এ ক্লিক করে করলা চাষ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। অথবা সরাসরি http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-52.html/false/204 লিংকটি ব্যবহার করে করলা চাষ সম্পর্কে জানতে পারবেন। আপনাকে আবারো ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর : আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। আক্রান্ত মুচি দেখা মাত্র ছিড়ে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে। গাছ সবসময় পরিস্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। মুচিতে ১% বর্দোমিকচার বা ২ গ্রাম ডা্ইথেন এম ৪৫ বা রিডোমিল গোল্ড বা ০.৫মিলিলিটার ফলিকুর প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ১২ থেকে ১৫ দিন পরপর অন্তত ২/৩ বার স্প্রে করতে হবে। আপনাকে আবারও ধন্যবাদ।

wrote...

উত্তর : আপনার প্রশ্নের জন্য ধন্যবাদ। শিম গাছে সাধারণত চার ধরনের পোকার আক্রমণ বেশি দেখা যায়। এগুলো হলো জাব পোকা, মাজরা পোকা, মাছি পোকা এবং মাকড়সা। জাব পোকা জৈব বালাইনাশক যেমন নিমবিসিডিন অথবা সাবানের গুড়া বা তামাকের গুড়া প্রয়োগ করে দমন করা যায়। মাজরা পোকা দমনের জন্য প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলিলিটার রিপকর্ড বা ১ মিলিলিটার ডেসিস বা আধা মিলিলিটার সুমিসাইডিন মিশিয়ে প্রয়োগ করতে হবে। মাছি পোকা দমনের জন্য প্রতি মাদায় ৫ থেকে ১০ গ্রাম কার্বোফুরান ৫জি বা ডায়াজিনন ৬০ ইসি প্রয়োগ করতে হবে। আর মাকড়সা দমনের জন্য প্রতি লিটার পানিতে নিউরোন ২ মিলিলিটার বা কেলথেন দেড় মিলিলিটার অথবা থিওভিট ২ গ্রাম মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন