AIS RSS http://ais.gov.bd Agriculture Information Service, Bangladesh. Agriculture Information Service, Bangladesh http://www.ais.gov.bd/system/application/views/css/images/logo-ais.png http://ais.gov.bd 330 120 সংবাদ->আউশ ধান আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য করণীয় http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2592.html আউশ ধান আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য করণীয়

- রোপা আউশের উফশী জাত হিসেবে বিআর-২৬, ব্রিধান-২৭, ব্রিধান-৪২, ব্রিধান-৪৩, ব্রিধান-৪৮ এবং খরা প্রবণ ও উঁচু এলাকায় নেরিকা জাতের আবাদ করা যেতে পারে;
- বোনা আউশ বুনতে রসের অভাব হলে ডিবলিং পদ্ধতিতে ৮ ইঞ্চি পর পর লাইন করে মাটির আধা ইঞ্চি গভীরতায় বীজ বুনে মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হবে।
- রোপা আউশের জন্য আদর্শ বীজতলা তৈরি করে সঠিক পরিচর্যা নিয়ে ২০-২৫ দিন বয়সের চারা ৮ ইঞ্চি পর পর লাইনে ৬ ইঞ্চি দূরত্বে রোপণ করতে হয়। প্রতি গুছিতে সুস' সবল ২-৩টি চারা রোপণ করা প্রয়োজন;
-  ভাল ফলনের জন্য পর্যাপ্ত জৈব সার সহ সুষম মাত্রায় সার দেওয়া দরকার। রোপা আউশের জন্য প্রতি হেক্টর জমিতে (১ হেক্টর= ২৪৭ শতক) ১৩০ কেজি ইউরিয়া, ৫৫ কেজি টিএসপি, ৬০ কেজি এমওপি এবং বোনা আউশের জন্য ১২০ কেজি ইউরিয়া, ৫০ কেজি টিএসপি, ৫৫ কেজি এমওপি সার ব্যবহার করতে হবে। তবে ডিএপি সার ব্যবহার করলে টিএসপি সারের সমান পরিমানে ব্যবহার করতে হবে এবং প্রতি ১০০ কেজি ডিএপি সারের জন্য ৪০ কেজি ইউরিয়ার সার কম ব্যবহার করতে হবে। মাটি পরীৰার ভিত্তিতে সার ব্যবহার করা ভালো।
-  ইউরিয়া ছাড়া সব সার জমি তৈরির সময় শেষ চাষে ব্যবহার করতে হয়। ইউরিয়া সার সমান দুইভাগ করে রোপণের ১০-১২ দিন পর প্রথম কিস্তি এবং কাইচ থোর...]]>
2012-04-29
সংবাদ->বোরো ২০১২ মৌসুমে বাদামী গাছ ফড়িং আক্রমণের সতর্কতা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2549.html বোরো ২০১২ মৌসুমে বাদামী গাছ ফড়িং আক্রমণের সতর্কতা অবলম্বন প্রসঙ্গে


বোরো আবাদকৃত নিচু এলাকার  ধান এখন মধ্যম কুশি (Mid tillering)  অবস্থায় বিদ্যমান। এ অবস্থায় বাদামী ও সাদা-পীঠ গাছ ফড়িং বংশ বৃদ্ধি করে ধান গাছের ক্ষতি করতে পারে যার ফলশ্রুতিতে ফলন কম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে । নিচু আক্রান্ত এলাকা থেকে পোকা পাশ্ববর্তী অন্যান্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার ও সম্ভাবনা ও রয়েছে। এমতাবস্তায়, পোকা দমনের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যেতে পারেঃ

 
•    ধান গাছের গোড়া নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করে বাদামী ও সাদা-পীঠ গাছ ফড়িং এর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেলে  জমে থাকা পানি সরিয়ে জমি কয়েকদিন শুকিয়ে নিতে হবে (জমি কাদা অবস্থায় রাখতে হবে)।


•    শতকরা ৫০ ভাগ ধান গাছের গোড়ায় ২-৪ টি ডিমওয়ালা স্ত্রী বাদামী কিংবা সাদা-পীঠ গাছ ফড়িং বা ১০ টি বাচ্চা পোকা দেখা গেলে অনুমোদিত কীটনাশক সঠিক মাত্রায় গাছের গোড়ায় প্রয়োগ করতে হবে।

]]>
2012-03-04
সংবাদ->নিবিড় রবি ফসল উৎপাদন কর্মসূচি ২০১১-১২ http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2543.html  

 PDF File টি Open করুন

]]>
2012-02-22
সংবাদ->আম গাছে পাউডারী মিলডিউ রোগ http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2537.html আম গাছে পাউডারী মিলডিউ রোগ


আম গাছে পাউডারী মিলডিউ রোগের আক্রমণ হলে ফুলে সাদা পাউডারের মতো গুড়া দেখা যায় এবং আক্রান্ত ফুল (পুষ্পমঞ্জুরী) কালো রঙের হয়ে যায়। মুকুল থেকে ফুল ঝড়ে পড়ে। এর প্রতিকার হলো:


খুব কুয়াশা থাকলেই সালফার জাতীয় যেকোন ছত্রাকনাশক (যেমন, থিওভিট/কুমুলাস ইত্যাদি) ৪০ গ্রাম ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করা। আক্রমণ বেশি হলে রিডোমিল গোল্ড এম জেড ৬৮ অথবা এমকোমিল ৭২ ডব্লিউপি ছত্রাকনাশক ৪০ গ্রাম ১০ লিটার পানিতে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ৩ বার স্প্রে করতে হবে।


বিস্তারিত জানতে উপসহকারী কৃষি অফিসার/উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।
আম চাষ বিষয়ে আরো জানতে কৃষি তথ্য সার্ভিসের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন, http://www.ais.gov.bd/bn/home/publication/content-50.html/false/130

]]>
2012-02-19
সংবাদ->বাদামী গাছ ফড়িং দমন সম্পর্কিত বিজ্ঞপ্তি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2484.html বাদামী গাছ ফড়িং দমন সম্পর্কিত বিজ্ঞপ্তি


কৃষক ভাইয়েরা, এ সময়ে আমন ধান ক্ষেতে বাদামি গাছ ফড়িং বা বিপিএইচ পোকার আক্রমণ হতে পারে। এ পোকাকে কোন কোন এলাকায় “গুণগুনি” বা “কারেন্ট পোকা” বলে ।এ পোকা বাচ্ছা ও পূর্ণ বয়স্ক দু’অবস্থায় ধান গাছের গোড়ায় বসে রস চুষে খায়। এর ফলে গাছ নিস্তেজ হয়ে যায় এবং “ফড়িং পোড়া বা বাজ পোড়া” (হপার বার্ন) অবস্থার সৃষ্টি হয়। এ পোকার আক্রমণ হলে ধানের ফলন অনেক কমে যায়, তাই আক্রমণের সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পোকা দমনের জন্য যে ব্যবস্থাগুলো নিতে হবে তা হলো:

১) নিয়মিতভাবে গাছের গোড়া ভালভাবে খেয়াল করতে হবে;

২) জমিতে বাদামি গাছফড়িংয়ের সংখ্যা বেড়ে গেলে ক্ষেতের পানি বের করে জমি শুকাতে হবে;

৩) ধান ক্ষেতে দু’হাত পর পর লাইন বরাবর ফাঁকা করে (কেলি ভেংগে) গাছের গোড়ায় রোদ ও আলো বাতাস লাগার ব্যবস্থা করতে হবে;

৪) ধান ক্ষেতে আলোক ফাঁদের ব্যবস্থা করা দরকার। জমিতে হাঁস ছেড়ে দিয়েও এ পোকা দমন করা সম্ভব;

৫) জমিতে পরিমিত মাত্রায় সার ব্যবহার করা প্রয়োজন। উর্বর...]]> 2011-10-04 সংবাদ->ভেজাল সার সনাক্তকরণের সহজ উপায় http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2396.html কৃষক পর্যায়ে ভেজাল রাসায়নিক সার সনাক্তকরণের সহজ উপায়

পিডি এফ ফাইলটি ওপেন করুন


বিভিন্ন সার চেনার উপায়

সারের নাম

রং/বর্ণ

আকার/আকৃতি

গন্ধ

হাতের...]]> 2011-06-08 সংবাদ->নিবিড় গ্রীষ্মকালীন ফসল http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2362.html নিবিড় গ্রীষ্মকালীন ফসল

নিবিড় গ্রীষ্মকালীন ফসল উৎপাদন কর্মসূচী ২০১২-২০১৩ এর (১৫-০৪-২০১২) ইং তারিখ পর্যন্ত সময়ের অগ্রগতি প্রতিবেদনের সার সংক্ষেপ:


                                                                            অগ্রগতির শতকরা হার

ফসলের নাম


লক্ষ্যমাত্রা


অগ্রগতি


লক্ষ্যমাত্রার
তুলনায়

গত বছর একই
সময়েরঅগ্রগতির তুলনায়
গতবছরএকইসময়ের
অগ্রগতি
(ডিএই'র
প্রাক্কলিত)
১)আউশ ধান-
আবাদ হাইব্রিড
          উফশী
         স্থানীয় 2011-05-03 সংবাদ->স্ট্রবেরি চাষ http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2361.html স্ট্রবেরি চাষ


শীতের দেশে স্ট্রবেরি ভালো হয়। গরমের দেশে গাছ হয় কিন্ত সহজে ফল হতে চায় না। তবে গবেষকদের প্রচেষ্টায় এদেশে পরীক্ষামূলকভাবে কিছু জাতের চাষ হচ্ছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কিছু জেলায় স্ট্রবেরি ফলানো সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে যেসব জেলায় শীত বেশি পড়ে ও বেশিদিন থাকে সেসব এলাকায় স্ট্রবেরি চাষ করা যেতে পারে। পঞ্চগড়, রংপুর, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও এমনকি পাবনা, নাটোরেও চাষ করা যায়।


জাত:

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) থেকে বারি স্টবেরি-১ জাতটি উদ্ভাবন করা হয়েছে। বারি স্টবেরি-১ বাংলাদেশের সব জায়গায় চাষ করার উপযোগী একটি উচ্চফলনশীল জাত। সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহে রোপণ করা হলে নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে গাছে ফুল আসতে শুরু করে এবং ডিসেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত ফল পাওয়া যায়। প্রতি গাছে গড়ে ৩২টি ফল হয়, যার গড় ওজন ৪৫০ গ্রাম। প্রতি বিঘায় ফলন ১.৫-২ টন।


উপযুক্ত মাটি:
বেলে দোঁআশ ও মাটিতে প্রচুর জৈব সার প্রয়োগ করে স্ট্রবেরি ফলানো যায়। যেসব...]]> 2011-05-03 কৃষিকথা->দেশি জাতের ধানের নাম বৈচিত্র্য http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2601.html দেশি জাতের ধানের নাম বৈচিত্র্য
ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া*


হাজার হাজার রকম দেশি ধান জাতের আবাদ করা হতো এ দেশে এক সময়। গত শতাব্দীর পাঁচ বা ছয়ের দশকেও এ দেশে এদের সংখ্যা ছিল বেশ কয়েক হাজার। এখন থেকে প্রায় ৮০ বছর আগে বিশিষ্ট ধান বিজ্ঞানী ডক্টর হেক্টর এ দেশে বিভিন্ন মৌসুমে আবাদী ধানের স্থানীয় জাতের সংখ্যা ১৮০০০ বলে উল্লেখ করেন। ১৯৮২ সনে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে আবদুল হামিদ এবং তার সহযোগীদের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের শুধু কিশোরগঞ্জ কৃষি জেলা বাদে বাংলাদেশের পুরো ২০টি জেলায় তখনকার ৪৩৩টি থানার মধ্যে মোট ৩৫৯টি থানার ইউনিয়নগুলো হতে সংগৃহীত দেশি ধান জাতের একটি নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে দেখা যায়, সে সময় এ দেশে প্রায় ১২৪৮৭টি স্থানীয় জাতের আবাদ করা হচ্ছিল। কোনো কোনো জাতের নাম একাধিকবার এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত এবং একই জাতের ভিন্ন ভিন্ন রকম জাত থাকায় সঠিক জাতের সংখ্যা অবশ্যই এর চেয়ে বাস্তবে কম ছিল। তবে অনুমান করা যায় সে সময়েও এ দেশে কমছে কম হাজার ছয়েক দেশি ধান জাতের আবাদ করা হতো।


এই যে এত বিশাল সংখ্যক ধানের জাত আমাদের কৃষকরা উদ্ভাবন করেছে। এদের প্রত্যেকেরই আলাদা আলাদা নাম...]]> 2012-05-16 কৃষিকথা->খাদ্য নিরাপত্তায় তরল সার ‘ক্যালসল’ http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2600.html খাদ্য নিরাপত্তায় তরল সার ‘ক্যালসল’
কৃষিবিদ মীর মো. মুনিরুজ্জামান*
কৃষিবিদ মো. সোহেল আক্তার**


ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য ভালো বীজের পাশাপাশি সুষম খাবারও গাছের জন্য অত্যাবশ্যক। একটি গাছ পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হতে ১৬টি অত্যাবশ্যকীয় পুষ্টি উপাদানের দরকার হয়, যার মধ্যে ১৩টি উপাদান মাটি থেকে গাছ গ্রহণ করে। বাংলাদেশে বাস্তব চিত্রটি হলো অধিকাংশ কৃষকই সুসম মাত্রায় সার ব্যবহারে অভ্যস্ত নয়। অসম মাত্রায় সার ব্যবহারে ফসলের ফলন যেমন কাঙ্ক্ষিত পরিমাণে হচ্ছে না, তেমনি জমির উর্বরতা শক্তি ক্রমাগত হ্রাস পাওয়ায় ফসল উৎপাদনে ঝুঁকি বাড়ছে। সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্রটি হলো নির্বিচারে বিভিন্ন ধরনের নিম্নমানের সার ও কীটনাশক ব্যবহারে খাদ্য শিকলে মারাত্মক বিষক্রিয়ার সৃষ্টি হচ্ছে। বাজারে পাওয়া যায় এমন অধিকাংশ দস্তা ও বোরন জাতীয় সারে মাত্রানুযায়ী পুষ্টি উপাদান নেই বললেই চলে। এছাড়াও দস্তা সারে উচ্চ মাত্রায় ক্যাডমিয়াম নামক ভারি ধাতব পদার্থের উপস্থিতি আমাদের মাটি ও ফসলকে বিষাক্ত করে তুলছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সর্বোচ্চ ১০ পিপিএম ক্যাডমিয়াম মানুষের জন্য সহনীয় হলেও বাজারে প্রচলিত দস্তা সারে এর পরিমাণ ১০,০০০-৪০,০০০ পিপিএম। অধিক লাভের আশায় একশ্রেণীর...]]> 2012-05-15 কৃষিকথা->টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2599.html টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা
কৃষিবিদ ডক্টর মো. জাহাঙ্গীর আলম*


টেকসই মাটি বা ভূমি ব্যবস্থাপনা হলো অর্থনৈতিকভাবে সুসম্মত আর সামাজিকভাবে যৌক্তিক গ্রহণযোগ্য একটি উৎপাদন সংরক্ষণ ব্যবস্থা যা ফসল উৎপাদনের ঝুঁকি কমিয়ে ফলন বাড়িয়ে একটা গ্রহণযোগ্য অবস্থা সৃষ্টি করে। এটি মানুষের সার্বিক সর্বোতভাবে পুষ্টিসম্মত খাদ্য ও সেবা সরবরাহ করে। যারা প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর নির্ভর করে তাদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে। আমাদের অবারিত প্রাকৃতিক সম্পদ মানুষ, পশু, গাছপালা, মাটি, পানি নিয়ে সমষ্টিগতভাবে একটি সামগ্রিক সুন্দর সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত হয়। জীবনের প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রয়োজনে পরিবর্তিত অবস্থার সাথে খাপ খাইয়ে দীর্ঘমেয়াদি সুব্যবস্থাপনা গড়ে তোলে।


বিশ্ব পরিপ্রেক্ষিত পর্যালোচনা করলে আরো কঠিন চিত্র ধরা পড়ে। কৃষি জমির ৫২% জমি মধ্যম বা মারাত্মকভাবে মাটি ক্ষয় হয়ে যাওয়া ঝুঁকিতে আছে। আমাদের সম্মিলিত ভুল আর অন্যায়ের কারণে ৪ থেকে ৬ মিলিয়ন হেক্টর জমি প্রতি বছর ক্ষয়ে যায়। ১৯৬৯ থেকে ১৯৯৯ পর্যন্ত মাথাপিছু ০.২৬ থেকে ০.৪৫ হেক্টর জমি কমছে; অন্তত ১.২ বিলিয়ন মানুষ যেখানে বসবাস করছে যেখানে পানির তীব্র...]]> 2012-05-15 কৃষিকথা->গবাদি প্রাণীকে সুষম খাবার দেয়ার পদ্ধতি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2598.html গবাদি প্রাণীকে সুষম খাবার দেয়ার গুরুত্ব ও পদ্ধতি
ড. মনোজিৎ কুমার সরকার*

 

যে খাদ্যে প্রাণীর জাত, বয়স ও প্রকার ভেদে প্রধান পাঁচটি খাদ্য উপাদান, যেমন-প্রোটিন, শর্করা, চর্বি, ভিটামিন ও মিনারেল্স প্রয়োজনীয় পরিমাণ বিদ্যমান থাকে তাকে সুষম খাদ্য বলে। পাঁচটি খাদ্য উপাদান ছাড়াও প্রাণীকে পর্যাপ্ত পরিমাণে পরিষ্কার পানি সরবরাহ করতে হবে।


গুরুত্ব
গাভীর শরীর রক্ষা, দুধ উৎপাদন, গর্ভাবস্তায় ভ্রূণের সঠিক বৃদ্ধির জন্য ও হাল কিংবা গাড়ি টানার শক্তি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় পরিমাণে সুষম খাদ্য প্রদান করতে হবে। গবাদি প্রাণীকে একটি কারখানার সঙ্গে তুলনা করা যায়। কারখানায় পরিমাণ মতো কাঁচা মাল সরবরাহ করলে কাঙ্ক্ষিত প্রস্তুত মাল পাওয়া যায়। তেমনি গবাদি প্রাণীকে তার চাহিদা অনুযায়ী পাঁচটি খাদ্য উপাদান ও পানি সরবরাহ করা হলে আশানুরূপ হারে দুধ, মাংস ও হাল কিংবা গাড়ি টানার শক্তি পাওয়া যাবে। প্রাণীর চাহিদা অনুযায়ী   এসব উপাদান সরবরাহ করতে ব্যর্থ হলে কাঙ্ক্ষিত ফল লাভের আশা করা অবান্তর। অনেক খামারি ভাইয়ের  গবাদি প্রাণীর সুষম খাদ্য বিষয়ে সঠিক ধারণা না থাকায় দুধ ও মাংস উৎপাদন কম হয় ফলে আর্থিক ক্ষতি হয়ে থাকে।...]]> 2012-05-15 কৃষিকথা->একটি পুষ্টি বাড়ির গল্প http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2597.html একটি পুষ্টি বাড়ির গল্প
মো. আব্দুর রহমান*


গ্রামের নাম চাঁনদপুর। এ গ্রামের এক আদর্শ কৃষক মো. শহর আলী। গ্রামের মেইন সড়কের  পাশেই তাঁর বাড়ি। প্রায় দু’একর জমি নিয়ে শহর আলীর বাড়ি। সবুজ গাছপালায় ঘেরা সুদৃশ্য এ বাড়িটি দেখলে যে কোনো মানুষেরই চোখ জুড়িয়ে যায়। ওই এলাকায় এটি ‘পুষ্টি বাড়ি’ নামে পরিচিত।


এ বাড়িতে আছে ৫টি দুধের গাভী, ৪০০ হাঁস-মুরগির একটি খামার। এক বিঘার পুকুরে আছে নানা রকম মাছ। আর বসতবাড়ির আঙিনায় চাষ হয় বিভিন্ন প্রকার শাকসবজি। এ বাড়িতে আরো আছে আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, সফেদা, বেল, নারকেল, কলা, পেঁপে, লেবু, পেয়ারা, কুল এসব ফলের সমন্বয়ে একটি চমৎকার ফলের বাগান। এইচএসসি পাস শহর আলী। স্ত্রী রাজিয়া বেগম এবং দু’ছেলে ও এক মেয়ে এই নিয়ে শহর আলীর এক সুখের সংসার। তার বাড়িতে সারা বছরই পাওয়া যায় গর্বর দুধ, হাঁস-মুরগির ডিম, মাংস, মাছ এবং শাকসবজি ও ফলমূল। শহর আলীর পরিবারের সবাই বাড়ির পুকুরের মাছ, গর্বর দুধ, হাঁস-মুরগির ডিম ও মাংস খায়। আরো খায় বসতবাড়ির বাগানে উৎপাদিত টাটকা শাক সবজি ও  মৌসুমী ফলমূল। এতে পরিবারের সবারই প্রতিদিনের পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয়। তাই শহর আলী, তার স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে সবাই...]]> 2012-05-15 কৃষিকথা->ইসলামের আলোকে কৃষি http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2596.html ইসলামের আলোকে কৃষি
মো. ওসমান গণী*


মহাবিশ্বের মহান স্রষ্টা ও পালনকর্তা স্বমহিমায় জলে স্থলের যাবতীয় সৃষ্টির জন্য অন্নের সংস্থান করে দিয়েছেন, যেহেতু তিনি প্রত্যেক জীবের মধ্যে ক্ষুধা তৃষ্ণার মতো সহজাত প্রবৃত্তি নিত্য অনুষঙ্গ হিসেবেই দিয়েছেন। তাই তিনি প্রত্যেক সৃষ্টিকে নিজ নিজ নির্দিষ্ট গণ্ডিতে খাদ্য অন্বেষণের পথ ও দেখিয়েছেন। মানুষকে নিকৃষ্ট বস্তু হতে শ্রেষ্ঠ অবয়বে সৃষ্টি করে ও জ্ঞান গরিমায় উৎকর্ষিত করে শ্রেষ্ঠ সৃষ্টির মর্যাদায় তাঁর খলিফা হিসেবে মনোনীত করেছেন। জাগতিক ন্যূনতম প্রয়োজন এবং চাহিদা উদ্ভিদ ও জীবজন্তুর মতো মানুষের মাঝে ও সমভাবে বিদ্যমান। মানুষকে যুগে যুগে অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখানোর জন্য আল্লাহর প্রেরিত রাসুলগণও এসবের ঊর্ধ্বে ছিলেন না।


মানুষকে আল্লাহর বিধান অনুসারে জীবনযাপনের মাধ্যমে দুনিয়ায় কল্যাণকর জীবন তথা আখেরাতের মুক্তির উপকরণ হিসেবে মহান প্রতিপালক খাদ্য উৎপাদনের কৌশল শিখিয়ে দিয়েছেন ফেরেস্তাগণের মাধ্যমে। হজরত আদম (আ.) দুনিয়াতে আসার পর রিজিকের ফেরেস্তা মিকাইল (আ.) ঘরবাঁধা, জমি আবাদ করা, ফলের গাছ লাগানোর মতো যাবতীয় জাগতিক কর্মকাণ্ডের পদ্ধতি তাকে...]]> 2012-05-15 কৃষিকথা->ইউরিয়ার বিকল্প অ্যাজোলা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2595.html ইউরিয়ার বিকল্প অ্যাজোলা
কৃষিবিদ ফরহাদ আহাম্মেদ*


ইউরিয়া সারের দাম বাড়ায় ফসলের উৎপাদনের খরচ বেড়ে গেছে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট থাকায় ইউরিয়া উৎপাদন বাড়ানো যাচ্ছে না দামও কমানো সম্ভব নয়। ইউরিয়া বা নাইট্রোজেন জাতীয় সার ছাড়া ফসল উৎপাদন সম্ভব নয়। ইউরিয়ার পরিবর্তে অ্যাজোলা ব্যবহার করে ইউরিয়ার চাহিদা বা ঘাটতি পূরণ করা যায়। ইউরিয়া সারের দাম বেশি। ফসলের উৎপাদন খরচ বেশি হয়, মাটির স্বাস্থ্য নষ্ট করে, পরিবেশ দূষিত করে, সর্বোপরি ক্ষতিকর। অপরদিকে অ্যাজোলা প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত উন্নতমানের নাইট্রোজেন প্রধান জৈবসার। অ্যাজোলা উৎপাদনে খরচ লাগে না, ফসলের  উৎপাদন খরচ কমবে, মাটির স্বাস্থ্য হাঁস-মুরগি ও গবাদি প্রাণীর উৎকৃষ্ট আমিষজাতীয় খাদ্য। অ্যাজোলা বর্জ্য পানি পরিশোধনে ভূমিকা পালন করে। প্রতি বছর দেশের প্রায় ৩০ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া লাগে। অ্যাজোলা ব্যবহার করে ১৫ লাখ মেট্রিক টন ইউরিয়া সাশ্রয় করা গেলেও দেশের জন্য বিরাট সাশ্রয়। বাংলাদেশের সর্বত্র অ্যাজোলা উৎপাদনের উপযোগী পরিবেশ রয়েছে। শুধু প্রয়োজন উদ্যোগ।


পরিচিতি : অ্যাজোলা (Azolla) আমাদের দেশে প্রায় সব অঞ্চলেই জন্মে। এটি ক্ষদিপানা,...]]> 2012-05-15 কৃষিকথা->আখের আন্তঃপরিচর্যা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2594.html আখের আন্তঃপরিচর্যা
কৃষিবিদ নিতাই চন্দ্র রায়*


আখ বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি অর্থকরী ফসল। বর্তমানে দেশে প্রতি বছর ১.৬০ লাখ হেক্টর জমিতে আখের চাষ হয়। বাংলাদেশে হেক্টরপ্রতি আখের গড় ফলন অত্যন্ত কম। মাত্র ৪৬ টন। সময়মতো আখের আন্তঃপরিচর্যা করে আখের ফলন উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বাড়ানো সম্ভব। আখ রোপণের পর থেকে ফসল কাটার পূর্ব পর্যন্ত আখ ক্ষেতে যেসব কাজ করা হয় তার সবগুলোকেই বলে আন্তঃপরিচর্যা। আখের আন্তঃপরিচর্যার মধ্যে রয়েছে ০১. ফাঁকা স্থান পূরণ করা, ০২. মাটি আলগা করে দেয়া, ০৩. আগাছা দমন করা, ০৪. সারের উপরিপ্রয়োগ, ০৫. আখের পাতা ও নাবী কুশি ব্যবস্থাপনা, ০৬. আখের গোড়ায় মাটি দেয়া, ০৭. সেচ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা ও ০৮. আখ বাঁধা।


১. ফাঁকা স্থানপূরণ করা : সময়মতো ফাঁকা জায়গা পূরণ না করলে আখের ফলন হ্রাস পায়। বাংলাদেশে প্রচলিত পদ্ধতিতে রোপণ করা আখের জমিতে শতকরা ৩৩ ভাগ ও মুড়ি আখের জমিতে শতকরা ৫০ ভাগ ফাঁকা জায়গা থাকে। আখ রোপণের পর সন্তোষজনক অঙ্কুরোধগম না হলে জমিতে ফাঁকা  স্থান দেখা যায়। প্রচলিত পদ্ধতিতে রোপণ করা আখ ক্ষেতে সাধারণত দুই ফুট দূরত্বের মধ্যে কোনো চারা দেখা না গেলে...]]> 2012-05-14 কৃষিকথা->দেশীয় ছোট মাছের পুষ্টি ও চাষ http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2593.html দেশীয় ছোট মাছের পুষ্টি ও চাষ
কাজী শফিকুর রহমান*


বাংলাদেশের জলাশয়গুলো দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ চাষের জন্য খুব উপযোগী। সেই আবহমান কাল থেকে এদেশের  মানুষ প্রাণিজ আমিষ এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য দেশীয় প্রজাতির মাছের ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল।


আমাদের রয়েছে প্রায় ২৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ নদী এবং মোহনা, ১১৪ হাজার হেক্টর বিল, ৬৮ হাজার হেক্টর আয়তনের কাপ্তাই লেক, ৫ হাজার হেক্টর জলায়তনের বাঁওড় ও মরা নদী, প্রায় ২ লাখ হেক্টর আয়তনের সুন্দরবনের খাড়ি অঞ্চল এবং ২৮ দশমিক ৩ লাখ হেক্টর আয়তনের প্লাবনভূমি। অতীতে এই বিশাল জলাভূমি প্রাকৃতিকভাবেই মৎস্য সম্পদে ভরপুর ছিল। আহরিত মাছের যেমন ছিল প্রাচুর্য, তেমনি ছিল বিভিন্ন প্রজাতির বৈচিত্র্য। কালের বিবর্তনে এসব দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছের প্রাচুর্য ও উৎপাদন ক্রমশঃ হ্রাস পাচ্ছে। গ্রামীণ জনগণের পুষ্টিহীনতার জন্য এসব ছোট মাছের স্বল্পতা অনেকাংশে দায়ী। নানা কারণে মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন, সংরক্ষণ এবং ব্যবস্থাপনায় দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ সব বিবেচনায় অগ্রাধিকার পাওয়ার যোগ্য।

2012-05-14
কৃষিকথা->কৃষি বিষয়ক কবিতা http://www.ais.gov.bd/bn/home/PublicationDetail/2591.html জাদুর বাক্স
নুরুল ইসলাম তালুকদার*

অপকারী পোকা দমন নতুন এক কৌশলে
শুনুন সবে সেক্স ফেরোমন ট্রাপ কারে বলে।
প্লাস্টিকের বৈয়াম একটি ছিদ্র দুই পাশে
সাবান গোলা পানি থাকবে বৈয়ামের নিচে।
সেক্স ফেরোমন ট্রাপ দুলছে দোলনার মতো
বাঁশের খুঁটির সাথে বৈয়াম সবজি ক্ষেত্রে পোতো।
আঠারো হাজার মাখলুকাত বানাইছে আল্লায়
পুরুষ মহিলা মিলে জোড়ায় ও জোড়ায়।
লাইলি-মজনু, শিরী-ফরহাদ, রাধা-কৃষ্ণের মতো
চণ্ডিদাস আর  রজকিনী দিল দেওয়ানা যতো।
পোকা-মাকড়ের মধ্যেও প্রেম প্রীতি আছে
ভালোবেসে দু’জনারে টানতে চায় কাছে।
পুরুষ পোকা পাগল হয় স্ত্রী পোকার তরে
ঘ্রাণে কয় কাছাকাছি তার স্ত্রী বৈয়াম ঘরে
ওরে মাথা ঠিক নাই ঢুকবে গিয়া বৈয়ামের ভেতরে
সোজাসুজি কইব কথা কোথা মোর দোসর।
দেহের জ্বালা মনের জ্বালা মিটাইতে না পারে
মাথা ঘুরে পড়ে যাবে বৈয়ামের ভেতরে।
সাবান গোলা পানিতে পড়ি যাইব মরিয়া
পুরুষ নাই পোকার, জন্ম হইব কি করিয়া।
রহস্যটা বলি এবার শুনুন লক্ষ করে
পুরুষ পোকা কেন ঢুকছে বৈয়ামের ভেতরে ।
ক্ষতিকারক পোকা থেকে পাইতে পরিত্রাণ
সেক্স ফেরোমন ছিল স্ত্রী পোকার ঘ্রাণ।
কৃষি অফিসে আছে এই না জাদুর বাক্স
বেগুন কমুড়ো ক্ষেতে পুতে মারো পোকার বংশ
পরিবেশ দূষণ মুক্ত...]]> 2012-04-10